রাজধানীর পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে কে বা কারা গুলি করেছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব হয়নি।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পল্লবীর পুরানো থানার কাছে সি ব্লকে একটি হার্ডওয়্যারের দোকানে মুখোশ ও হেলমেট পড়া তিন ব্যক্তি ঢুকে খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করে চলে যায়। রাত ৮টার দিকে গুলিবিদ্ধ কিবরিয়াকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত আনা হয়েছে বলে থানা পুলিশ জানায়।
পল্লবী থানার ওসি শফিউল আলম বলেন, যুবদল নেতা কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের টিম সেখানে গেছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হকও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গুলিবিদ্ধ কিবরিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে নেয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া একটি হার্ডওয়্যারের দোকানের একটি দরজা দিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে ঢোকেন। সেখানে তিনি ঢোকার পরপরই পাশের আরেকটি দরজা দিয়ে তিনজন মুখোশ ও হেলমেট পড়া ব্যক্তি দ্রুত ঢুকে পড়ে। তাদের মধ্যে একজন কিবরিয়াকে খুব কাছে থেকে গুলি করেন। তিনি নিচে মেঝেতে পড়ে গেলে আরেক ব্যক্তি তাকে গুলি করেন। এরপর অস্ত্রধারীরা দ্রুত ওই দোকান থেকে বেড়িয়ে যান।
এদিকে এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়ার হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পল্লবী এলাকা ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে যুবদল ও বিএনপি নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে থমথমে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
বিস্তারিত আসছে…


