Category: মাদরাসা

  • পূর্ণ সিলেবাসে ২০২৬ সালের এইচএসসি-আলিম পরীক্ষা হবে

    পূর্ণ সিলেবাসে ২০২৬ সালের এইচএসসি-আলিম পরীক্ষা হবে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি-আলিম ও সমমানের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি ও পূর্ণ নম্বরের ভিত্তিতেই অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে চলতি বছরের আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ শিক্ষার্থীরাই ২০২৬ সালের মে-জুন মাসে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    এনসিটিবির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষাগুলো সম্পূর্ণ সময়ব্যাপী এবং প্রতিটি বিষয়ের জন্য পূর্ণ নম্বর অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ– করোনাভাইরাস মহামারির সময় চালু হওয়া সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার যে ধারা চলছিল, তা থেকে বেরিয়ে ২০২৬ সালেই আবার পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবোর্ড ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবগত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে এনসিটিবি।

  • উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনে নতুন নির্দেশনা

    উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনে নতুন নির্দেশনা

    উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন বা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। একইসঙ্গে চলতি আগস্ট মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় সৃষ্ট সমস্যার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে দায়ী করা হবে বলেও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

    সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের স্কিম পরিচালক ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আসাদুল হকের সই করা একটি চিঠিতে এসব বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি ও সমমানের মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও অন্যান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে সরকার। তবে নানা কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে। যেমন—অষ্টম শ্রেণি শেষে নবম শ্রেণিতে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া অথবা টিসি নিয়ে অন্য স্কুল-কলেজে চলে যাওয়া। এসব ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে হালনাগাদ করতে হবে ‘এইচএসপি-এমআইএস’ সফটওয়্যারে।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের hsp.pmeat.gov.bd/HSP-MIS/login লিংকে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর ‘উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী’ মেন্যু থেকে ‘শিক্ষার্থীর প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। সঠিকভাবে বদলি করা প্রতিষ্ঠানের নাম নির্বাচন করে ট্রান্সফার সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    একইসঙ্গে সফটওয়্যারে লগইন করার নিয়মাবলিও নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে লগইন করার সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (ওটিপি) যাবে, যা ব্যবহার করে প্রবেশ করতে হবে। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে লগইন পেজের ‘পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন’ অপশনে গিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করার সুযোগ থাকবে।

    তবে পাঁচবারের বেশি ভুল পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে চেষ্টা করলে ব্যবহারকারীর আইডি এক ঘণ্টার জন্য লক হয়ে যাবে। আবার পাঁচবারের বেশি ভুল ওটিপি দিলে ইউজার স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে পুনরায় লগইন করার সুযোগ থাকবে না। এই চিঠি সারাদেশের উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষক-কর্মচারীদের যাতায়াতে কড়াকড়ি

    মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষক-কর্মচারীদের যাতায়াতে কড়াকড়ি

    মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অযথা অধিদপ্তরে যাতায়াতে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কাজের অজুহাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা অধিদপ্তরে নিয়মিত আসায় শিক্ষার্থীরা পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সব ধরনের আবেদন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনলাইনে বা ডকেটে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুল মান্নানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা অধিদপ্তরে নিয়মিত আসছেন। এতে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে এমপিওভুক্তকরণ, এমপিওভুক্ত মাদরাসায় বিশেষ বরাদ্দ, উচ্চতর স্কেল দেওয়া, পদোন্নতি, মহাপরিচালকের প্রতিনিধি মনোনয়ন, এমপিও শিটে নাম, পদবি ও বিষয় সংশোধন, জন্ম তারিখ সংশোধন, বকেয়া দেওয়া, প্রশিক্ষণে মনোনয়ন, ইনডেক্স দেওয়া বা কর্তনসহ যেকোনো কাজ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মাধ্যমে অনলাইনে বা সরাসরি ডকেটে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই অন্য ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান প্রধান বা শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিদপ্তরে আসার ক্ষেত্রে অবশ্যই ছুটি বা অনুমতিপত্র সঙ্গে আনতে হবে। শাখা কর্মকর্তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    নির্দেশনায় বলা হয়, উল্লিখিত বিধি লঙ্ঘন করলে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ১৮.১ (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট প্রধান ও শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না : শিক্ষা উপদেষ্টা

    পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণে অভিযুক্ত শিক্ষকদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীরা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। আমরা দেখলাম এর মধ্যে অনেকেই পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফলে কৃতকার্য হয়েছেন তথা পাস করেছেন। এটা খুবই ভালো কথা যে ছাত্র-ছাত্রীরা ফেল থেকে পাশ করেছেন। তবে আমাদের কথা হল পরীক্ষার খাতা এমনভাবে দেখতে হবে যাতে একজন শিক্ষার্থীও তার সঠিক মূল্যায়ন করা থেকে বঞ্চিত না হয়। পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোন অবহেলা সহ্য করা হবে না। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে এ খাতে শিক্ষকদেরকে যথোপযুক্ত সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়। তাই শিক্ষকদেরকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়ন করতে হয়। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য সহ্য করা হবে না।

    চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের পর ৩ লাখ ২৭ হাজার ২৭১ জন শিক্ষার্থী তাদের পরীক্ষার খাতা পুন:মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারীদের মধ্যে পরীক্ষায় ফেল থেকে পাস করেছেন ২ হাজার ৯৬ জন। নতুন জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৯৫১ জন। ফেল করা থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ১৩৯ জন। তার মানে দাঁড়ালো পুনঃনিরীক্ষণে আবেদনকারীদের তুলনায় রেজাল্ট চেঞ্জ হয়েছে ৩ দশমিক ০৩ পার্সেন্ট।

    সি আর আবরার বলেন, পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। এর ফলাফলে পার্সেন্টেজ যাই হোক না কেন যারা এর সঙ্গে জড়িত থাকবে তাদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। খুব শিগগিরই সারা দেশের শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের ডেকে বৈঠক করে এ বিষয়ে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তাদের কাছ থেকে পাওয়া মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তী দিকনির্দেশনা নেয়া হবে।

    তিনি আরো বলেন, এসএসসি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তাদেরকেই আইনের আওতা নিয়ে আসা হবে। সম্ভবত তাদেরকে আর বোর্ডের পরীক্ষার খাতা দেওয়া হবে না। অভিযুক্তদেরকে পরীক্ষা থেকে দূরে রাখা হবে। পরীক্ষার খাতা বিতরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড গুলোকেও আরো সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে একটি মানদণ্ড ঠিক করে দেয়া হবে। পরীক্ষার খাতা অবমূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত নিয়ম-কানুন জারি আছে। তারপরও দেখা যায় অনেক শিক্ষক নিজে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন না করে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দিয়ে অথবা সন্তানদেরকে দিয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করিয়ে থাকেন, এমন অভিযোগও অনেক সময় পাওয়া যায়। তাই আমি বলবো এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরো বেশি সতর্ক ও সচেতন হতে হবে।

    শিক্ষা উপদেষ্টা আরো বলেন, সম্পূর্ণ ফেল করা থেকে যারা পাশ করলেন, তাদের সংখ্যা প্রায় ২ হাজারের উপরে। এদের প্রতিটা দিন কেটেছে কত কষ্টে সেটা আমি একজন শিক্ষক হিসেবে অনুমান করতে পারি। তাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। অতীতের সরকারের মত ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে এখন আর রেজাল্ট দেওয়া হবে না, আগেই বলা হয়েছে। তেমনি ভাবে কেউ যদি ভালো লিখে পরীক্ষার খাতায়, তাহলে সেও যাতে পাশ করে সেটাও নির্দেশনা আছে। অর্থাৎ কারো ক্ষেত্রেই পরীক্ষার খাতা অবমূল্যায়ন সহ্য করা হবে না। অর্থাৎ পরীক্ষার্থীর যতটুকুই লেখেছে ততটুকুই যেন সঠিক নাম্বার সে পায়, সেটা শিক্ষকদেরকে নিশ্চিত করতে হবে।

  • ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা পুরো সিলেবাসে হবে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা পুরো সিলেবাসে হবে

    দেশের আটটি সারা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা, আলিম পরীক্ষা ও সমমানের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি বা পুরো সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।

    দরকারি তথ্য
    ১. জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের জরুরি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ সব ধরনের কার্যক্রম ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে।

    ২. এসব শ্রেণির শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের মে-জুন মাসে অনুষ্ঠিতব্য ‘এইচএসসি পরীক্ষা, আলিম ও সমমান’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

    ৩. ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা, আলিম ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশের (এনসিটিবি) নির্ধারিত ‘পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি’ বা ‘পুরো সিলেবাস’ অনুযায়ী সব বিষয়ে ‘পূর্ণ সময়ে’ ও ‘পূর্ণ নম্বরে’ অনুষ্ঠিত হবে।

    ৪. সারা দেশের সব (আটটি) শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘অবহিত করা’সহ ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

    বিস্তারিত তথ্য জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

  • ৭ম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১৭ হাজার ৭৪৭

    ৭ম দিনের এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১৭ হাজার ৭৪৭

    চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সপ্তম দিনে সারা দেশে অনুপস্থিত ছিল ১৭ হাজার ৭৪৭ পরীক্ষার্থী। একই দিনে কেন্দ্রের নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ১৮ জন পরীক্ষার্থী এবং একজন পরীক্ষককে।

    রবিবার (১৩ জুলাই) সারা দেশের কেন্দ্র থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এমন তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গত ২৬ জুন সকাল ১০টায় সারা দেশে একযোগে শুরু হয় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। যা শেষ হবে আগামী ১০ আগস্ট। এরপর ১১ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

    সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (১৭৫), হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (২৫৪), যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র (১২২), হাদিস ও উসূলুল হাদিস (২০২), ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২, ট্রেড-২ এবং উচ্চতর হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া তথ্যমতে, মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার পরীক্ষার্থী মধ্যে এদিন অংশ নিয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার ১২২ জন। পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৪৭ জন। একই দিনে ১৮ জন পরীক্ষার্থীকে এবং একজন পরীক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২৭৯১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীতে ১২৯৬, কুমিল্লায় ১২৪৪, যশোরে ১০৩৯, চট্টগ্রামে ১৩৫৪, সিলেটে ৮৬৫, বরিশালে ৫৫৯, দিনাজপুরে ১০১৩ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ৬৪৭ জন পরীক্ষার্থী। এসব বোর্ডে গড়ে অনুপস্থিতির হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৬১ শতাংশের মধ্যে ছিল। অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে হাদিস ও উসূলুল হাদিস বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল ৮৪ হাজার ২৩৪ জন পরীক্ষার্থীর। এর মধ্যে অংশ নিয়েছে ৭৯ হাজার ২১৮ জন। অনুপস্থিত ৫ হাজার ১৬ জন, যা প্রায় ৫.৯৫ শতাংশ। বহিষ্কার করা হয়েছে ৮ জনকে।

    কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-২, ট্রেড-২ ও উচ্চতর হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৫৮৫ জন। উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ৬৫৯ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৯২৬ জন পরীক্ষার্থী এবং বহিষ্কার করা হয় ৫ জনকে। তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিদেশের আটটি কেন্দ্রের তথ্য এই হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে।

  • এসএসসি-সমমানে পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ, কমেছে জিপিএ-৫

    এসএসসি-সমমানে পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ, কমেছে জিপিএ-৫

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, এবার মোট জিপিয়ে-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। গতবছরের পরীক্ষায় জিপিয়ে-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ শিক্ষার্থী। সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ৪৩ হাজারের বেশি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    গত ১০ এপ্রিল শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়—যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় এক লাখ কম। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ ছাড়া, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৯ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এই হার ৭৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

    শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ১৯৮৪টি
    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৮৪টি। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৪ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি। সেই হিসেবে এবার শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ১ হাজার ৯৮৪টি।

    ১৩৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি
    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করেছে। গত বছর শূন্য পাস করা এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫১টি। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪টিতে।

    পাসের হার ও জিপিএ-৫, দুদিকেই মেয়েরা এগিয়ে
    আগের তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে আছে মেয়েরা।পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ছিলেন ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩৮৯ জন, ছাত্র ৯ লাখ ৫১ হাজার ৬৯৭ জন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪৫ জন ছাত্রী ও ৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ জন ছাত্র পাস করেছে। এ হিসাবে ছাত্রীদের পাসের হার ৭১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অপরদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭৩ হাজার ৬১৬ জন ছাত্রী এবং ৬৫ হাজার ৪১৬ জন ছাত্র। এবার ছাত্রদের চেয়ে ৮ হাজার ২০০ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

    পাসের হারে টানা ১০ বছর এগিয়ে ছাত্রীরা
    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৭১.০৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৫.৮৮ শতাংশ। সেই হিসাবে এবারও পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা। বিগত ১১ বছরের এসএসসি ও সমমানের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবশেষ ২০১৫ সালে ছাত্রীদের চেয়ে পাসের হারে এগিয়ে ছিল ছাত্ররা। সে বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। তার মধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এরপর থেকে প্রতিবছর পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা।

    বোর্ডভিত্তিক পাসের হার
    এবার সবচেয়ে বেশি পাস করেছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এ বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর আছে—যশোর বোর্ড: ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ, কারিগরি বোর্ড: ৭৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ড: ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ড: ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ড: ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ, ঢাকা বোর্ড: ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ড: ৬৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ড: ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ড: ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ, বরিশাল বোর্ড: ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

    সাধারণ ৯ বোর্ডে পরীক্ষার্থী: ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। তার মধ্যে— ছাত্র: ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন, ছাত্রী: ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন। এবার সর্বমোট ২ হাজার ২৯১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অংশগ্রহণ করেছে ১৮ হাজার ৮৪টি প্রতিষ্ঠান। মাদরাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থী : ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে— ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন ছাত্র ও ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন ছাত্রী ৭২৫টি কেন্দ্রে, ৯ হাজার ৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে। তারমধ্যে— ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন ছাত্র এবং ৩৪ হাজার ৯২৮ জন ছাত্রী।

    এবার সবগুলো শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে— ঢাকা বোর্ড: ৩৭ হাজার ৬৮ জন, চট্টগ্রাম বোর্ড: ১১ হাজার ৮৪৩ জন, কুমিল্লা বোর্ড: ৯ হাজার ৯০২ জন, ময়মনসিংহ বোর্ড: ৬ হাজার ৬৭৮ জন, যশোর বোর্ড: ১৫ হাজার ৪১০ জন, বরিশাল বোর্ড: ৩ হাজার ১১৪ জন, দিনাজপুর বোর্ড: ১৫ হাজার ৬২ জন, সিলেট বোর্ড: ৩ হাজার ৬১৪ জন, রাজশাহী বোর্ড: ২২ হাজার ৩২৭ জন। অন্যান্য বোর্ডের ফলাফল— মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড: জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৬ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কম।

    এবারের এসএসসি পরীক্ষায় নকল করে বহিষ্কার ৭২১ শিক্ষার্থী
    ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় নকলসহ বিভিন্ন অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে সারা দেশে ৭২১ শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছে। তবে এই সংখ্যা গত ছয় বছরের তুলনায় সবচেয়ে কম। ২০২০ সালে যেখানে ১ হাজার ১৫৫ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছিল, সেখানে চলতি বছর এই সংখ্যা কমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২০২০ সালে সর্বোচ্চ ১৪৩ জন শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়। প্রতি বছর এই সংখ্যা কমতে কমতে ২০২৫ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে। একই ধারা কুমিল্লা বোর্ডেও লক্ষ্য করা যায়। ২০২০ সালে যেখানে ৭৭ জন বহিষ্কার হয়েছিল, চলতি বছর সেখানে বহিষ্কৃত হয়েছে ৪৮ জন। বরিশাল বোর্ডে ২০২০ সালের তুলনায় এখন বহিষ্কারের হার অনেকটাই কমে এসেছে—১০২ থেকে ২৮ জনে নেমে এসেছে সংখ্যা। দিনাজপুর বোর্ডেও ১০৫ থেকে কমে ৫৯ জনে ঠেকেছে বহিষ্কারের হার।

    ময়মনসিংহ বোর্ডে যদিও ২০২৩ সালে বহিষ্কারের সংখ্যা ছিল ৮১ জন, চলতি বছর তা কমে ৬৪ জন হয়েছে। রাজশাহী বোর্ডে এ বছর মাত্র ৭ জন বহিষ্কৃত হয়েছে, যা অন্যান্য বোর্ডের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম। যশোর বোর্ডে বহিষ্কৃত হয়েছে ১৫ জন, আর সিলেট বোর্ডে মাত্র ২ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে সর্বনিম্ন বহিষ্কার হয়েছে—শুধু ১ জন। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর বহিষ্কৃত হয়েছে ৩২৫ জন শিক্ষার্থী। যদিও ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩৬১ জন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এ বছর বহিষ্কৃত হয়েছে ১৩১ জন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮৬ জন, তবে ২০২০ সালে যা ছিল ২২৯ জন।

    অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন। সারা দেশের ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবশ্য এর আগে ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। সে তুলনায় ২০২৫ সালে পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় এক লাখ। আর ২০২৪ সালে তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৪৮ হাজার পরীক্ষার্থী কমেছিল।

    সব বোর্ডেই গণিতে ভরাডুবি
    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সব বোর্ডেই গণিতে পাসের হার আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় গণিতেই বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। ফলে সব শিক্ষাবোর্ডে গণিতেই ভরাডুবি ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ১১টি বোর্ডের বিভিন্ন বিষয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো ফল হয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে গণিতে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এই ফল অন্যান্য বোর্ডের তুলনায় অনেকটাই ভালো হলেও বাকি সব বোর্ডেই চিত্রটা হতাশাজনক।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাস করেছে ৭৫ দশমিক ১৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। রাজশাহী বোর্ডে এ হার কিছুটা ভালো—৮৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। যশোর বোর্ডেও তুলনামূলক ভালো ফল হয়েছে, পাসের হার ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। তবে কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ফল অনেকটাই খারাপ। কুমিল্লা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭২ দশমিক ০১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৭১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে মাত্র ৬৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। বরিশাল বোর্ডে এই হার আরও কম—মাত্র ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে গণিতে পাস করেছে ৮১ দশমিক ৫৩ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও আশানুরূপ নয়। সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডেও গণিতে পাসের হার কম, যেখানে ৭৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

    বিদেশে পাসের হার ৮৭.৩৫ শতাংশ
    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার গড় পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ। ২০২৪ সালে এ পাসের হার ছিল ৮৩.০৪ শতাংশ। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিদেশ থেকে অংশ নিয়েছে ৪২৭ জন। সেখানে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৭৩ জন, ফেল করেছে ৫৪ জন। বিদেশের পাসের হার শতকরা ৮৭.৩৫ শতাংশ।

  • এইচএসসির শুরুর দিনেই অনুপস্থিত ২০ হাজার শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৪৩

    এইচএসসির শুরুর দিনেই অনুপস্থিত ২০ হাজার শিক্ষার্থী, বহিষ্কার ৪৩

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ১ম দিনে সারাদেশে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৭৫৯ পরীক্ষার্থী এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৪৩ পরীক্ষার্থীকে। এদের মধ্যে ৬ জন এইচএসসির, ২৪ জন আলিমের এবং ১৩ জন কারিগরির ।

    বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) পরীক্ষা শেষে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে।

    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার এইচএসসির নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাংলা (আবশ্যিক) ১ম পত্র পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯ লাখ ৩২ হাজার ৭৯০ জন। ১ হাজার ৬০০ টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এদিনের পরীক্ষায় অংশ নেন ৯ লাখ ১৮ হাজার ২৭৭ জন পরীক্ষার্থী এবং অনুপস্থিত ছিলেন ১৪ হাজার ৫১৩ জন। এদিন এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিতির হার ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত জনের সকলেই কুমিল্লা বোর্ডের।

    এইচএসসির ১ম দিনের পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৩২৬ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ হাজার ২৩০ , রাজশাহী বোর্ডে ১ হাজার ৮৬৭, বরিশাল বোর্ডে ১ হাজার ২৯, সিলেট বোর্ডে ৮২৪, দিনাজপুর বোর্ডে ১ হাজার ২৯১ , কুমিল্লা বোর্ডে ২ হাজার ৪২৮, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮৮০ ও যশোর বোর্ডে ১ হাজার ৬৩৮ জন পরীক্ষার্থী।

    মাদরাসা বোর্ডে আলিমের ১ম দিনে সারা দেশের টি কেন্দ্রে কুরআন মাজিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৪৫৯টি কেন্দ্রে ৮৪ হাজার ৩১৭ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ১২১ জন এবং অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ১৯৬ জন। অনুপস্থিতির হার ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অসদুপায় অবলম্বন করায় জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    এদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এ দিনের বিএম ও বিএমটি, ভোকেশনাল, ডিপ্লোমা ইন কমার্সের দ্বাদশ শ্রেণীর বাংলা-২, একাদশ শ্রেনীর বাংলা-১ পরীক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশের ৭৩৩টি কেন্দ্রে ৯৮ হাজার ৯২৪ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেয়ার কথা ছিলো। তবে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ৯৭ হাজার ৮৭৪ জন এবং অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৫০ জন। অনুপস্থিতির হার ১ দশমিক ০৬ শতাংশ।

  • সাড়ে ১২ লাখ শিক্ষার্থী আজ বসবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়

    সাড়ে ১২ লাখ শিক্ষার্থী আজ বসবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়

    উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ পরীক্ষার্থীর। এ বছর গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৩ জন। সে হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৮১ হাজার ৮৮২ জন। যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

    করোনা, ডেঙ্গু ও বন্যার শঙ্কা নিয়ে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসির প্রথম দিন হবে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১০ আগস্ট। ১১ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ’ এদিকে আগামী বছর থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। মে থেকে জুন মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই পরীক্ষা।

    করোনা ও ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছে আন্ত: শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীসহ পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাধ্যতামূলক ‘মাস্ক পরিধান’ করতে হবে। এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশপথে ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজার’ রাখতে হবে। আর ডেঙ্গু বিস্তার রোধে কেন্দ্রের ভেতর ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

    পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গুর প্রকোপের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বেশি কিছু নির্দেশনা দেওয়া। এগুলো তদারকি করার জন্য বোর্ডের একাধিক দল কাজ করবে।

    পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

    এবার দেশের ৯ হাজার ৩১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসবে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন, ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯৭ টি।

    চলতি বছর নয়টি সাধারণ বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৮ জন, যা গত বছরের থেকে ৭২ হাজার ৮৮৩ জন কম। ৪ হাজার ৮০৮টি প্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী ১৬০৫টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় বসবেন ৮৬ হাজার ১০২ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছরের থেকে ১ হাজার ৯৭৪ জন কম। ২ হাজার ৬৮২টি মাদ্রাসার এসব পরীক্ষার্থী ৪৫৯টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ভোকেশনাল, ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ৭ হাজার ২৫ জন কম। ১ হাজার ৮২৪টি প্রতিষ্ঠানের এসব পরীক্ষার্থী ৭৩৩টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় বসবেন।

    মানতে হবে যেসব নিয়ম

    অন্যদিকে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনে আগামী ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সব ধরণের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার সময় কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইলসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার অন্যান্য বছরের মতই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

    এদিকে গত মঙ্গলবার জারি করা এক তথ্য বিবরণীতে তথ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ওই সভায় প্রশ্নপত্র ফাঁস বা ফাঁস সংক্রান্ত গুজব এবং পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের নকল সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তথ্য অধিদপ্তর বলছে, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং এসময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এর পরে প্রবেশ করলে রেজিস্টারে তাদের নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করে পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো কক্ষে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের ততটুকু সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুরো সময় জুড়ে কেন্দ্র ও ভ্যেনু কেন্দ্র কলেজগুলো ক্লাস বন্ধ রাখার রেওয়াজ থাকলেও এবার এ প্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষার ‘ফাঁকে ফাঁকে’ ক্লাস চালাতে পারবে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ক্লাস বন্ধ থাকলেও যেসব দিন পরীক্ষা নেই ওই দিনগুলোতে কেন্দ্র ও ভ্যেনু কেন্দ্রগুলোতে ক্লাস চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

  • ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। সব বিষয়ে পূর্ণ সময় ও পূর্ণ নম্বরে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি।

    বুধবার (২৫ জুন) এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা যে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে সব বিষয়ে পূর্ণ সময় ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে তা জানিয়ে আমরা নির্দেশনা জারি করেছি। আসলে এখন কোন বিশেষ পরিস্থিতি নেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা যে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে সব বিষয়ে পূর্ণ সময় ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে তা বোঝা যায়। কিন্তু বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষরা এবং অভিভাবকরা বারবার আমাদের কাছে এ পরীক্ষার নিয়ে জানতে চাচ্ছিলেন। তাই আমরা ওই নির্দেশনা জারি করেছি।”

    এর আগে গত ২৩ জুন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর মোর্চা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কাছে পাঠায় এনসিটিবি। এতে বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে। এ সকল শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের মে-জুন মাসে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি, আলীম ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলীম ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সকল বিষয়ে পূর্ণসময়ে ও পূর্ণনম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

    সকল শিক্ষাবোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে জানাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে অনুরোধ জানিয়েছে এনসিটিবি।

    করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এরপর ২০২১ সাল থেকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষায় বসবেন।