লাইফস্টাইল – প্রিয় ক্যাম্পাস https://www.priyocampus24.com মুক্ত প্রাণের উচ্ছ্বাস Tue, 19 Aug 2025 11:11:53 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://www.priyocampus24.com/wp-content/uploads/2025/04/cropped-icon-2-scaled-1-32x32.jpg লাইফস্টাইল – প্রিয় ক্যাম্পাস https://www.priyocampus24.com 32 32 কর্মক্ষেত্রে সফলতা আনতে করতে হবে যে ১০ কাজ https://www.priyocampus24.com/2025/08/19/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%87/ https://www.priyocampus24.com/2025/08/19/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%87/#respond Tue, 19 Aug 2025 11:11:53 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=4694 সবাই কর্মক্ষেত্রে সফল হতে চান। কারণ প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে কর্মক্ষেত্রে ভালো করা এবং ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়া এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার সহজ উত্তর হলো- ভালো পারফর্ম করার দৃঢ় আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা ও মানসিকতা থাকা। কর্মক্ষেত্রে কীভাবে সফল হওয়া যায় তা নিয়ে ১০টি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

উদ্যোগ নিন: বর্তমানে সফলতার অন্যতম ধাপ হলো উদ্যোগ নেওয়া। আজকের প্রতিযোগিতামূলক কর্মজীবনে নিয়োগকর্তারা এমন ব্যক্তিকে খোঁজেন যারা নতুন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নিতে পারেন, নতুন প্রকল্প শুরু করতে পারেন এবং ব্যবসায়ের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারেন। তাই উদ্যোগ নিন, ঝুঁকি নিন।

নিজেকে মূল্যায়ন: ক্যারিয়ারের সফলতা অর্জনের অন্যতম উপায় হলো নিজের কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করা। অফিসের বার্ষিক মূল্যায়নের জন্য অপেক্ষা না করে নিজেকে নিজে মূল্যায়ন করুন। এটি করার আদর্শ উপায় হলো- পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলো অর্জনের একটি সময়রেখা নির্ধারণ। এই লক্ষ্য অর্জনে বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করুন। কাজগুলো সাপ্তাহিক বা দৈনিক হিসেবে ভাগ করে নিন। তারপর সপ্তাহের শেষে একটি ছোট ফরম পূরণ করুন। তাহলে বুঝতে পারবেন লক্ষ্যের দিকে যাচ্ছেন কিনা বা কৌশল পরিবর্তন করতে হবে কিনা।

শেখার মানসিকতা: কর্মজীবনে সফল হতে গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে এবং নতুন কিছু শেখার মানসিকতা থাকতে হবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করেছেন বা কোন গ্রেড রয়েছে তা কোনো ব্যাপার না। পেশাগত জীবন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একদমই আলাদ। বরং এখানে যা করছেন তা নিয়ে প্রতিদিন নানান প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। সেই সমালোচনার জন্য প্রস্তুত থাকুন। কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের যোগ্যতা তুলে ধরুন এবং বুঝিয়ে দিন সব সময় নতুন কিছু শিখতে ইচ্ছুক।

চাহিদা অনুমান করুন: চাকরিতে সফল হতে এবং ক্যারিয়ারের সাফল্য অর্জনে প্রখর অনুমান শক্তি থাকা ইতিবাচক দিক। তাহলে বস ও দলের কী প্রয়োজন তা আগেই ধারণা করতে পারবেন। তাই নিজেকে প্রশ্ন করুন ‘আমি যদি বস হতাম তাহলে পরবর্তী সময় কী করতে চাইতাম?’ তারপর সেগুলো নিজে করার উদ্যোগ নিন ও সময়মতো দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করুন।

যোগাযোগ দক্ষতা: যোগাযোগ দক্ষতা একজন কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। কর্মক্ষেত্রে সফল হতে হলে সেই দক্ষতা অর্জন করতে হবে। যে কোনো প্রয়োজনে বস, সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলুন, তাদের সহযোগিতা ও ভালো ব্যবহার করুন। আর কখন কোন কাজটি করতে হবে তা বসকে জানিয়ে রাখুন। যোগাযোগ দক্ষতা অর্জনে সক্রিয় হতে হবে।

লক্ষ্য নির্ধারণ: দিনের শেষে নিয়োগকর্তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো- কীভাবে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য পূরণে অবদান রাখছেন। তা হতে পারে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি। তাই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে নিজেরও একটি লক্ষ্য থাকতে হবে। এই লক্ষ্যভিত্তিক মানসিকতা ক্যারিয়ারের সফলতা অর্জনে সহায়তা করবে।

কাজ দেখান, শুধু বলবেন না: কর্মের মূল্য শব্দের চেয়ে অনেক বেশি। অফিসের ক্ষেত্রেও এটি নীতি হিসেবে ব্যবহার করুন। যা পারেন তা নিয়ে গর্ব করার পরিবর্তে তা করে দেখান। এটাও কর্মক্ষেত্রে সফলতার অন্যতম একটি উপায়।

বিশ্বাস অর্জন: কর্মক্ষেত্রে সফলতার আরেক উপায় হলো বিশ্বাস অর্জন করা। যদি বস বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করেন তাহলে কাজ হস্তান্তর করবেন, আস্থা রাখবেন। বিশ্বাস অর্জনে নিশ্চিত হতে হবে যে, সময়সীমার মধ্যে লক্ষ্য পূরণ ও প্রতিশ্রুতি পালন করছেন।

সমাধান তৈরি করুন: অনেকেই তাদের সমস্যার কথা বসকে বলে সেটিকে বসের সমস্যায় পরিণত করেন। তাই সমাধান সরবরাহকারী হোন, সমস্যা সৃষ্টিকারী নন। অফিসের দক্ষ কর্মীরা সমস্যার সমাধান করেন, সমস্যা তৈরি করেন না। যদি কাজ বা বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সমস্যার চূড়ান্ত সমাধানের কর্তৃত্ব না থাকে তাহলে কেবল বসকে সমাধানের প্রস্তাব দিন এবং যতটা সম্ভব আন্তরিকভাবে তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন।

সহানুভূতিশীল হোন: একজন ভালো কর্মচারী হওয়ার জন্য অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে। বুঝতে হবে বস ও সহকর্মীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। অন্যের সমস্যা বোঝার চেষ্টার করুন, সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন।

]]> https://www.priyocampus24.com/2025/08/19/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%87/feed/ 0 নারীদের ‘হিট স্ট্রোকে’ আক্রান্তের ঝুঁকি বেশি কেন? https://www.priyocampus24.com/2025/08/13/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86/ https://www.priyocampus24.com/2025/08/13/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86/#respond Wed, 13 Aug 2025 13:42:39 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=4603 গরমে অনেক সময়ই দেখা যায় নারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন বা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এর পেছনে কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে, যেগুলো শরীরের ভেতরের গঠন ও কাজের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। নারীদের হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতাও বেশি। নারীদের হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যতম কারনগুলোর মধ্যে হরমোন তারতম্য, শারীরিক গঠন এবং কিছু ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ধরন অন্যতম।

নারীরা হিট স্ট্রোকে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। চলুন, জেনে নিই এর কারণ-

নারীদের ঘাম কম হয়
নারীরা সাধারণভাবে পুরুষদের তুলনায় কম ঘামে। ঘাম শরীর ঠাণ্ডা রাখার প্রাকৃতিক উপায়। কম ঘাম হওয়ার কারণে গরমে শরীর সহজে ঠাণ্ডা হতে পারে না। ফলে তাপ জমে গিয়ে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

শরীর গঠনের পার্থক্য
নারীদের শরীর সাধারণত তুলনামূলক ছোট হয় ও তাদের শরীরের পৃষ্ঠতলের তুলনায় ওজন কম থাকে। এই কারণে তারা দ্রুত গরম অনুভব করেন এবং শরীর থেকে তাপ বের করতেও সময় লাগে।

হরমোনের প্রভাব
নারীদের মাসিক চক্রের সময় বিশেষ করে ওভুলেশনের পরে নারীদের শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে। এতে গরমে আরও অস্বস্তি অনুভূত হয়।

কম ফিটনেস
গড় হিসাবে নারীদের কার্ডিওভাসকুলার (হৃদ্‌যন্ত্র সংক্রান্ত) ফিটনেস পুরুষদের তুলনায় কম হতে পারে। এই ফিটনেস কম থাকলে শরীর গরমে দ্রুত ক্লান্ত হয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে।

বয়স বাড়লে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি আরও বেশি
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। বিশেষ করে বয়স্ক নারীরা গরমে বেশি দুর্বল হয়ে পড়েন। গবেষণায় দেখা গেছে, হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর হার ৮০ বছরের বেশি নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

তাপমাত্রা বাড়লে নারীরা কিছু নির্দিষ্ট কারণের জন্য বেশি বিপদে পড়েন। শরীরের গঠন, হরমোন, ঘাম কম হওয়া ও ফিটনেস—সব মিলিয়ে তাদের তাপ সহ্য করার ক্ষমতা কম থাকে। তাই গরমে নারীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা ও সচেতনতা জরুরি।

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/08/13/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%86/feed/ 0
পেটের গ্যাসে নাজেহাল? মুক্তির ৫ উপায়… https://www.priyocampus24.com/2025/07/14/%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/ https://www.priyocampus24.com/2025/07/14/%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/#respond Mon, 14 Jul 2025 14:09:54 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=4378 ভারী কোনো খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই পেট ভার হয়ে যায়। আবার পেট ফাঁপা, গ্যাস-অ্যাসিডিটিরও সমস্যা হয়। এ ধরনের সমস্যা থাকলে হজমের স্বাস্থ্য নিয়ে এখনই ভাবনার সময় হয়েছে আপনার। হজমের সমস্যা দূর করতে চাইলে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। যেমন ফাস্ট ফুড, প্রসেসিং ফুড, জাঙ্ক ফুড, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবারসহ ইত্যাদি থেকে বিরত রাখতে হবে নিজেকে।

পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, শরীরচর্চা করা, পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। তবে খাদ্যতালিকার মধ্যে পরিবর্তনের কথাও বলে থাকেন পুষ্টিবিদরা। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম একটি প্রতিবেদনে পুষ্টিবিদ লভনীত বাত্রার ভাষ্য অনুযায়ী পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানে কয়েকটি খাবার সম্পর্কে তুলে ধরেছে। এ ব্যাপারে তাহলে জেনে নেয়া যাক।

আনারস:
আনারসে ব্রোমেলিন নামের ডায়জেস্টিভ এনজাইম রয়েছে। যা প্রোটিনকে ভেঙে আপনার হজমে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীরে পুষ্টি শোষণেও সহায়তা করে।

কিউই:
হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিউইর ওপর ভরসা রাখতে পারেন। অ্যাক্টিনিডিন সমৃদ্ধ এই খাবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই এনজাইম মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য হজমের জন্য বেশি কার্যকরী। এছাড়াও এই ফলে ভিটামিন সি রয়েছে, যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

পাকা পেঁপে:
প্রতিদিন সকালে এক বাটি পাকা পেঁপে খেলে একাধিক রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। ভারী খাবার খাওয়ার পর পাকা পেঁপে খেলে পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। হজমের সমস্যা মুহূর্তেই দূর করে দেয় এই ফল।

মধু:
মধুতে অ্যামাইলেজ এবং প্রোটিজের মতো এনজাইম রয়েছে। যা আপনার হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও হ্রাস করে মধু।

আদা:
হজমের সমস্যা থাকলে অবশ্যই আদা খান। আদা ভেজানো পানি, চা ইত্যাদি পান করতে পারেন। আবার খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও আদা খেতে পারেন। এতে জিঙ্গিবেন নামের এনজাইম রয়েছে, যা প্রোটিনকে হজম হতে এবং খাবার থেকে পুষ্টি শোষণে কাজ করে।

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/07/14/%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95/feed/ 0
ঈদে শিশুদের যেসব বিষয়ে অবশ্যই নজর রাখবেন https://www.priyocampus24.com/2025/06/06/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%85/ https://www.priyocampus24.com/2025/06/06/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%85/#respond Fri, 06 Jun 2025 11:49:27 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=3650 ডা. ফারাহ দোলা


দীর্ঘ ছুটি এবারের ঈদ উদ্‌যাপনে বেশ অন্য রকম মাত্রা দিচ্ছে। অনেকেই পরিবার নিয়ে ঈদ করতে ছুটবেন গ্রামের বাড়িতে। এদিকে দেশজুড়ে ঈদের সময় আবার টানা বৃষ্টিপাত হবে বলে শোনা যাচ্ছে। তাই এবার ছুটিতে আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে শিশুদের নিয়ে ঈদের পরিকল্পনা করতে হবে অভিভাবকদের।

ঈদযাত্রায় টিকিট পাওয়ার হ্যাপা, যানজট—এসব নিয়ে বড়দের যতই ভোগান্তি থাকুক না কেন, শিশুদের থাকে একরাশ আনন্দ। এই আনন্দ মুহূর্তেই মাটি হয়ে যেতে পারে শিশু যদি যাত্রাপথে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই যাত্রাপথে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে সঙ্গে রাখতে হবে পানি, প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার। শিশুর যাত্রাপথে বমির আশঙ্কা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ দিতে হবে। আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে রাখা যেতে পারে ছাতা, বর্ষাতি কিংবা ছোট পাখা।

আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে শিশুদের জন্য পাতলা, সুতি, বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পোশাক নির্বাচন করতে হবে।

অনেক শিশুই বড়দের সঙ্গে হাটে গিয়ে পশু কেনা দেখার বায়না করে। সে ক্ষেত্রে সাবধান থাকতে হবে যেন শিশু কিছুতে আঘাত না পায়, অথবা প্রচণ্ড ভিড়ে কোনো সমস্যায় না পড়ে। হাটে গেলে শিশুদের মাস্ক পরে যাওয়া উচিত।

পশু কিনে নিয়ে আসার পর শিশুদের উৎসাহের কমতি থাকে না। তারা চায় পশুটিকে আদর করতে, খাওয়াতে। এ সময় খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন পশুকে বিরক্ত না করে। এতে পশুটি বিরক্ত হয়ে বা ভয় পেয়ে শিশুকে আঘাত করতে পারে। পশুর সঙ্গে সময় কাটানোর পর ভালোভাবে শিশুর হাত–পা পরিষ্কার করে দিতে হবে।

কোরবানির জন্য অনেক বাসায়ই নানান ধরনের ধারালো ছুরি–কাঁচির মতো জিনিস থাকে। এসব যেন শিশুদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা খুবই জরুরি।

কোরবানির পরে রক্ত ও আশপাশের বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। এমনিতেই এখন বৃষ্টি হচ্ছে, রক্ত–ময়লা বৃষ্টির পানিতে মিলে জীবাণু জন্মানোর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। এতে বড়দের পাশাপাশি শিশুরা ডায়রিয়া, অন্ত্রে প্রদাহসহ বিভিন্ন রোগে ভুগতে পারে।

ঈদ আনন্দে শিশুদের খাওয়াদাওয়ার স্বাভাবিক রুটিন ব্যাহত হয়। দেখা যায়, হঠাৎ শিশুদের বেশি খাবার দেওয়া হচ্ছে, কখনোবা শিশু কখন কী খাচ্ছে, খেয়াল করা হয়ে উঠছে না। অথবা শিশু অতিরিক্ত মাংস খাচ্ছে কিংবা বাইরের খাবার। এতে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাই শিশুকে তিন–চার ঘণ্টা বিরতি দিয়ে খাবার দিতে হবে। শিশু যাতে মাংসের পাশাপাশি ঘরে তৈরি অন্যান্য সহজপাচ্য খাবার এবং পরিমিত পানি খায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ঈদুল আজহায় মা–বাবার ব্যস্ততা একটু বেশিই থাকে, তাই অনেক সময় শিশু কী করছে খেয়াল রাখা সম্ভব হয় না। তাই হঠাৎ ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা। এ জন্য খেয়াল রাখতে হবে শিশু যেন আগুন, জলাশয়ের কাছে না যায়; বৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে থাকে, বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকে। অচেনা জায়গায় অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত কারও সঙ্গে শিশুরা যেন কোথাও না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। সতর্কতা হিসেবে অভিভাবকেরা নিকটস্থ হাসপাতাল এবং পুলিশ স্টেশনের ফোন নম্বর রাখতে পারেন।


লেখক : বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/06/06/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%85/feed/ 0
যেভাবে শিশুদের পড়ালেখায় মনোযোগী করবেন https://www.priyocampus24.com/2025/05/27/%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%af/ https://www.priyocampus24.com/2025/05/27/%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%af/#respond Tue, 27 May 2025 05:34:17 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=3252 শিশুরা হলো একটি কচি চারা গাছের মতো। যত্ন, ভালোবাসা, এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে সে একদিন একটি বড়, ফলদায়ী বৃক্ষে পরিণত হয়। তেমনি একজন শিশুকে পড়ালেখায় মনোযোগী করে তুলতেও প্রয়োজন সহনশীলতা, ধৈর্য, ভালোবাসা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা। পড়ালেখা কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নয়, বরং জ্ঞানার্জন, চরিত্র গঠন ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য। তাই শিশুর মনে যদি ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা যায়, তবে সে ভবিষ্যতে একজন সফল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শিশুদের সেই আনন্দময় শেখার যাত্রায় পাশে থাকা।

বাচ্চারা স্বভাবতই কোমলমতি ও সংবেদনশীল। তারা ভালোবাসা, আদর আর নিরাপত্তার মাঝে বেড়ে উঠতে চায়। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে, কৌতূহল জাগে, খেলাধুলায় তারা আনন্দ পায় এবং সেই আনন্দের মাঝে তারা শিখতেও চায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে চায় না, তাদের মনে পড়ালেখা নিয়ে আগ্রহ জন্মায় না। তখন অনেক অভিভাবক শিশুর ওপর রূঢ় আচরণ করেন বা নানা চাপ প্রয়োগ করে পড়াশোনায় বসাতে চান। অথচ এমন আচরণ শিশুদের মনে দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা তাদের মানসিক বিকাশে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

একটি শিশুর মনোযোগ তৈরি হয় ধাপে ধাপে। প্রথমেই তাকে বোঝাতে হয় পড়ালেখা কেবল একটি বাধ্যতামূলক কাজ নয়, এটি মজারও হতে পারে। পড়ালেখার প্রতি শিশুর আগ্রহ তৈরি করতে হলে অভিভাবক বা শিক্ষকের কোমল ব্যবহার, ধৈর্য ও ইতিবাচক মনোভাব অপরিহার্য। নিচে কিছু কার্যকরী উপায় তুলে ধরা হলো, যেগুলো অনুসরণ করলে শিশুদের পড়ালেখায় মনোযোগী করে তোলা সম্ভব।

১. বিনয়ী আচরণ করা
শিশুরা তাদের অভিভাবকের আচরণ খুব সহজেই অনুকরণ করে এবং মনের ভেতরে ধারণ করে। আপনি যদি একজন শিশুর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন, সে সহজেই আপনাকে বিশ্বাস করবে এবং আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনবে। তাই পড়াতে গিয়ে কখনোই রূঢ় ব্যবহার করা উচিত নয়। শিশুকে ভালোভাবে বোঝান কেন পড়ালেখা জরুরি। তার কোনো প্রশ্নের উত্তর যদি সে না বুঝে, তবে বিরক্ত না হয়ে আবার ব্যাখ্যা করুন। শিশু বুঝবে, পড়ালেখা মানেই শাস্তি নয়; বরং এটি একটি আনন্দের বিষয়।

২. ধৈর্য ধরে পড়ানো
শিশুরা সবাই সমান নয়। একজন দ্রুত বুঝে ফেলে, অন্যজন একটু ধীরগতিতে শেখে। কিন্তু ধৈর্যই এখানে মূল চাবিকাঠি। শিশুকে সময় দিন, তার শেখার গতি বুঝে তাকে পড়ান। ভুল করলে রাগ না করে শান্তভাবে তাকে সংশোধন করে দিন। বারবার বললেও যদি সে ভুল করে, তখনো ধৈর্য হারাবেন না। আপনার ধৈর্যই তাকে সাহস জোগাবে এবং পড়ালেখা নিয়ে তার মনে ভয় বা চাপ তৈরি হবে না।

৩. খেলার মাধ্যমে পড়ালেখায় আগ্রহী করে তোলা
শিশুরা খেলতে ভালোবাসে। তাই যদি তাদের পড়াশোনাকে খেলাধুলার সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা যায়, তাহলে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিখতে আগ্রহী হবে। যেমন, অক্ষর শেখানোর জন্য রঙিন চার্ট, বর্ণনা শেখাতে গল্প বলা, অঙ্ক শেখাতে চকলেট বা মার্বেল দিয়ে গেম খেলা ইত্যাদি পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। এতে শিশুর মনে পড়ালেখা বিষয়ে এক ধরনের আনন্দ তৈরি হয়।

৪. শিশুদের চাপ প্রয়োগ না করা
অনেক অভিভাবক মনে করেন, চাপ দিলে শিশু ভালোভাবে পড়বে। তারা জোর করে পড়তে বসান, পরীক্ষার ভয় দেখান, অন্য বাচ্চার সঙ্গে তুলনা করেন। এর ফলে শিশুর আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। সে মনে করে, সে কিছুই পারে না। এর চেয়ে বরং শিশুকে তার নিজস্ব গতিতে শেখার সুযোগ দিন। উৎসাহ দিন ছোট ছোট অর্জনের জন্য। ভুল করলে পাশে দাঁড়ান। মনে রাখবেন, চাপ নয় বরং ভালোবাসাই শিশুকে শেখাতে সবচেয়ে বেশি সহায়ক।

৫. পড়ালেখা বিষয়ক খেলনা রাখা
বাজারে এখন এমন অনেক শিক্ষামূলক খেলনা পাওয়া যায়, যেগুলো বাচ্চাদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়ক। যেমন, অক্ষর-পাজল, গাণিতিক ব্লক, শব্দ গঠনের গেম, চুম্বক বর্ণমালা, শিক্ষামূলক গল্পের বই ইত্যাদি। এই ধরনের খেলনা শিশুদের কৌতূহল জাগায় এবং শেখার আগ্রহ বাড়ায়। এসব খেলনার মাধ্যমে শিশুরা খেলতে খেলতেই শেখে, ফলে পড়ালেখা তাদের কাছে বিরক্তিকর হয়ে ওঠে না।

৬. পজিটিভ রিওয়ার্ড পদ্ধতি চালু করা
শিশুদের মাঝে উৎসাহ সৃষ্টি করতে পুরস্কার একটি কার্যকর উপায়। আপনি ছোট ছোট পুরস্কারের মাধ্যমে শিশুকে পড়ালেখায় আগ্রহী করে তুলতে পারেন। যেমন, নির্দিষ্ট সময়ে পড়া শেষ করতে পারলে পছন্দের খাবার খেতে দেয়া, বা একটি স্টিকার দেয়া, অথবা তার পছন্দের একটি গল্প শোনানো। এতে শিশুরা পড়ালেখাকে একটি মজার চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেবে।

৭. রুটিন করে দেয়া
শিশুদের পড়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় ও পরিবেশ তৈরি করে দিন। প্রতিদিন একই সময়ে পড়তে বসার অভ্যাস তৈরি করলে তারা ধীরে ধীরে ওই সময়টাকে পড়াশোনার জন্য মানিয়ে নিতে শেখে। এই রুটিনে অবশ্যই বিশ্রাম, খেলা, খাওয়া, ঘুম ইত্যাদির সময়ও নির্ধারিত থাকতে হবে। এতে শিশুর দিন সুশৃঙ্খল হবে এবং পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বাড়বে।

৮. বাচ্চার আগ্রহের বিষয় খুঁজে বের করুন
প্রত্যেক শিশুরই নিজস্ব আগ্রহ বা পছন্দ থাকে। কেউ ছবি আঁকতে ভালোবাসে, কেউ গল্প শুনতে, কেউ গান বা কবিতা পছন্দ করে। শিশুর এই আগ্রহের দিকটা চিহ্নিত করে সেদিক দিয়ে তাকে পড়ালেখার সঙ্গে যুক্ত করুন। যেমন, যে শিশু ছবি আঁকতে ভালোবাসে, তাকে বলুন কোনো গল্প পড়ে তার ছবি আঁকতে। এতে সে পড়াও করলো আবার ছবি আঁকার আগ্রহও মেটানো হলো।

৯. সন্তানের প্রতি বিশ্বাস রাখুন
শিশুকে বারবার বলুন ‘তুমি পারবে’, ‘চেষ্টা করো’, ‘আমি তোমার পাশে আছি। এমন ইতিবাচক বাক্য শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। সে মনে করে, তার ওপর মা-বাবার আস্থা আছে। ফলে সে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে উদ্বুদ্ধ হয়।

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/05/27/%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%af/feed/ 0
অতিরিক্ত লিচু খেলে কী হয়? https://www.priyocampus24.com/2025/05/25/%e0%a6%85%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc/ https://www.priyocampus24.com/2025/05/25/%e0%a6%85%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond Sun, 25 May 2025 11:04:09 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=3141 বাজারে এখন মিলছে লিচু। রসালো এই ফলটি অনেকের প্রিয় ফলের তালিকায় আছে। আর তাই লিচু খেতে বসে ২০-৩০টি খেয়ে তবেই থাকেন। কিন্তু এত কিছু খাওয়া কি ভালো? নাকি স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে?

পুষ্টিবিদদের মতে, লিচুতে আছে পটাশিয়াম, ফাইবার ও প্রোটিন। ফলটি পরিমিত পরিমাণে খেলে, তা শরীরের নানা উপকারেও লাগে। তবে লিচুতে শর্করার পরিমাণ বেশি। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা এই ফল বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে।

অতিরিক্ত লিচু খেলে কী কী ক্ষতি হয়? চলুন জেনে নেই

স্থূলতা: পরিমিত লিচু খেলে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু অতিরিক্ত লিচু খেলে তা ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে বেশি লিচু খাবেন না।

রক্তচাপ কমে যাওয়া: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেতে পারেন লিচু। কিন্তু যাদের এই সমস্যা নেই, তারা যদি একসঙ্গে পরিমাণে অনেকটা লিচু খেয়ে ফেলেন, তবে রক্তচাপ কমে উল্টো বিপত্তি হতে পারে।

অ্যালার্জি: কোনো খাবার থেকে অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা থাকলে, লিচুর বিষয়েও সচেতন থাকুন। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত লিচু খেলে ত্বকে র‌্যাশ, চুলকানির মতো সমস্যা হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত লিচু খেলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

গর্ভবস্থায় জটিলতা: গর্ভবতী নারীদেরও অতিরিক্ত লিচু খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

দিনে কয়টি লিচু খাওয়া যায়?

একজন সুস্থ মানুষ দিনে ৭-৮টি লিচু খেতে পারেন। তবে ভুলেও খালি পেটে লিচু খাবেন না। এতে মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরে বিষক্রিয়া হয়ে জ্বর, বমি হতে পারে। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/05/25/%e0%a6%85%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%81-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/ 0
চিরতরে গ্যাস্ট্রিক দূর করার উপায় https://www.priyocampus24.com/2025/05/19/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95/ https://www.priyocampus24.com/2025/05/19/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95/#respond Mon, 19 May 2025 04:14:25 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=2951 গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণায় যে ভোগে সেই বোঝে এটি কতটা কষ্টদায়ক। ভরপেটে খেয়ে আরামে ঘুমাবেন ভাবছেন৷ কিন্তু শোয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু অস্বস্তি। বুক জ্বালা-পোড়া, টক ঢেকুরের অত্যাচারে ঘুম হারাম। এমন সমস্যায় ভোগেন অনেকেই৷ জিইআরডি অর্থাৎ, ‘গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ’ থাকলে এমন সমস্যা দেখা দেয়৷ এটি একটি হজমজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা।

গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির উপায়:

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগলে হালকা খাবার খেলেই গলা-বুক জ্বালাপোড়া শুরু হয়। সামান্য ভাজাভুজি খেলেও পেটে জ্বালা হয়৷ এই সমস্যা সমাধানে ভরসা রাখতে পারেন দইয়ে৷ এক্ষেত্রে টক দই দারুণ কাজ করে। তবে টক দই সরাসরি নয়, খেতে হবে বিশেষ দুই নিয়মে। তাহলেই দূর হবে গ্যাস্ট্রিক।

  • দইয়ের রায়তা:

এক কাপ দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এতে শসা কুচি, পেঁয়াজ কুচি ও কয়েকটি পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিন। এরপর শুকনো কড়াইতে গোটা জিরা কম আঁচে টেলে গুঁড়া করে মিশ্রণের ওপর ছড়িয়ে দিন। দুপুরে খাওয়ার পরে দইয়ের রায়তা খান৷ এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে৷

  • দইয়ের স্মুদি:

দুপুরে খাওয়ার পরে বিকেলের দিকে যখন খিদে পাবে তখন ভাজাভুজি না খেয়ে দইয়ের স্মুদি খেতে পারেন। এক কাপ দইয়ে একটি কলা, এক চা চামচ মধু আর সামান্য দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। সব উপকরণ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। স্মুদি তৈরি হয়ে গেলে ওপরে পুদিনা পাতা ছড়িয়ে দিন। এই স্মুদি খেলে বদহজমের সমস্যা কমে যাবে।

এসবের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন৷ গ্যাস্ট্রিক বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/05/19/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0-%e0%a6%95/feed/ 0
শরীরের মেদ বাড়াতে পারে বিষণ্নতা https://www.priyocampus24.com/2025/05/17/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac/ https://www.priyocampus24.com/2025/05/17/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac/#respond Sat, 17 May 2025 03:30:24 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=2829 অতিরিক্ত ওজন কিংবা স্থূলতা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে—এ কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু শরীরে অতিরিক্ত মেদ কোথায় কতটুকু জমেছে, সেটাও অনেক সময় বলে দেয় আপনি বিষণ্নতায় ভুগবেন কি না? আর পুরুষ বা নারীভেদে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি বা ফ্যাট কেমন ভূমিকা রাখে সে বিষয় উঠে এসেছে একাধিক গবেষণায়।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিস্তারিত। সম্প্রতি জর্নাল অব অ্যাফেকটিভ ডিসওর্ডারের এক প্রতিবেদে উঠে এসেছে গবেষণা থেকে পাওয়া কিছু চমকপ্রদ তথ্য। এই বিষয়গুলো নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে বিজ্ঞানীদের।

গবেষণায় যা জানা গেছে: চীনভিত্তিক গবেষক দল—ওয়েনজুন গু, কুনমিং বাও, শাওহ্যাং শিয়াং, লিক্সিন ইয়েসহ আরও কয়েকজন গবেষকরা ১০ হাজার ৬৯৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে নিয়ে এক গবেষণা করে। ঐ গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেন। অংশগ্রহণকারীদের পূর্ণাঙ্গ শরীর স্ক্যান করে তাদের শরীরের আটটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে জমে থাকা চর্বির পরিমাণ পরিমাপ করা হয়—যেমন: হাত, পা, ট্রাঙ্ক, মাথা, পেট, নিতম্ব ও ঊরু, মাথা বাদে পুরো শরীর। গবেষকরা অংশগ্রহণকারীদের বিষণ্নতার লক্ষণ, দৈনন্দিন অভ্যাস, অর্থনৈতিক অবস্থা, শারীরিক অসুস্থতা এবং জৈবিক উপাদান নিয়েও প্রশ্ন করেন।

বাড়তি মেদ বিষণ্নতার ঝুঁকিও বাড়ায়: গবেষণার ফলাফল যথেষ্ট উদ্বেগজনক। দেখা গেছে, যাদের শরীরে মোট চর্বির পরিমাণ বেশি, তাদের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণও তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে, পা, নিতম্ব-ঊরু অঞ্চল (গাইনয়েড), এবং মাথা বাদে বাকি অংশে (সাবটোটাল) চর্বি বেশি থাকলে বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়। এমনকি মাথায় অতিরিক্ত চর্বির উপস্থিতিও বিষণ্নতার সম্ভাবনা বাড়ায় যদিও এই সংযোগ তুলনামূলকভাবে কম।

পুরুষের ক্ষেত্রে বিষণ্নতার ঝুঁকি বেশি: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো—এই চর্বি ও বিষণ্নতার সম্পর্ক পুরুষদের মধ্যে বেশি দৃশ্যমান। অর্থাৎ, নারীদের তুলনায় পুরুষদের শরীরে চর্বি বেড়ে গেলে বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আরও তীব্র হয়। গবেষকরা মনে করছেন, শরীরের গঠন এবং হরমোনের ভিন্নতা এর পেছনে বড় কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বডি মাস ইনডেক্স নয়, শরীরের কোন অংশে কতটুকু চর্বি জমেছে, সেটিও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাই শরীরচর্চা, ঘুম, খাদ্যাভ্যাসসহ নিয়মিত জীবনযাপন বজায় রাখা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও খুব জরুরি।

]]> https://www.priyocampus24.com/2025/05/17/%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac/feed/ 0 যে কারনে নারীরা রক্তশূন্যতায় ভোগেন https://www.priyocampus24.com/2025/05/14/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d/ https://www.priyocampus24.com/2025/05/14/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d/#respond Wed, 14 May 2025 14:24:51 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=2620 দেখতে আপাতত সুস্থ মনে হলেও অনেকেই ভুগছেন রক্তশূন্যতায়। এর কারণে নানা ধরণের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। রক্তশূন্যতায় বেশি ভোগেন নারীরা। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যও বলছে, ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশ এবং গর্ভবতী নারীদের মধ্যে প্রায় ৩৭ শতাংশ রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত।

  • কেন নারীদের বেশি হয়?

নারীদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া—যেমন মাসিক ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদান—রক্তশূন্যতার জন্য প্রধানত দায়ী। ঋতুস্রাব চলাকালে শরীর থেকে ৩০ থেকে ৮০ মিলিলিটার পর্যন্ত রক্তক্ষরণ হয়। কারও ক্ষেত্রে এ পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে, যা আয়রনের ঘাটতি তৈরি করে।

গর্ভাবস্থায় আয়রনের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। এই সময় যদি যথাযথ পুষ্টি নিশ্চিত না হয়, তাহলে মা ও শিশুর উভয়ের জন্যই স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়।

  • অন্য কারণগুলো কী?

অপুষ্টি ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের ঘাটতি
কৃমি সংক্রমণ
দীর্ঘ সময় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন
পাইলস বা অন্ত্রের রক্তক্ষরণ
জরায়ুর টিউমার
জিনগত রক্তরোগ (যেমন: থ্যালাসেমিয়া, হিমোগ্লোবিন ই ট্রেইট)

অনেক নারী জানেনই না যে, তাঁদের হিমোগ্লোবিন মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কম, যা সারা জীবন থেকেই যেতে পারে।

  • রক্তশূন্যতার উপসর্গ

অতিরিক্ত দুর্বলতা ও ক্লান্তি
ফ্যাকাশে ত্বক ও ঠোঁট
অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠা
মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট
প্রতিরোধ সম্ভব, যদি সচেতন থাকেন

চিকিৎসকেরা বলছেন, আয়রনের ঘাটতি রোধে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি। আয়রনসমৃদ্ধ খাবার যেমন:
পালংশাক, কচুশাক, কলিজা, খেজুর, কাঁচা কলা—নিয়মিত খাওয়া দরকার। গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত।

যদি খাবারের মাধ্যমে চাহিদা পূরণ না হয়, তবে প্রয়োজনে আয়রন ইনজেকশন বা রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন হতে পারে।

  • রক্তশূন্যতা দেখা দিলে কী করবেন?

লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা নয়, পরীক্ষা করান
হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষা করে জিনগত রক্তরোগ আছে কি না জেনে নিন
স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও সচেতনতা—এই দুই-ই রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে প্রধান হাতিয়ার

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/05/14/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b6%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a7%8d/feed/ 0
তরুণদের মধ্যে কেন বাড়ছে স্ট্রোকের প্রবণতা? https://www.priyocampus24.com/2025/05/14/%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87/ https://www.priyocampus24.com/2025/05/14/%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87/#respond Wed, 14 May 2025 14:13:25 +0000 https://www.priyocampus24.com/?p=500 স্ট্রোক এমন এক ভয়াবহ স্বাস্থ্য জটিলতা যেখানে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কেবল বার্ধক্য পীড়িতদের মধ্যেই নয়, তরুণদের মধ্যেও রয়েছে স্ট্রোকের ঝুঁকি। আর এই প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান এই স্বাস্থ্য সংকট নিয়েই আজকের স্বাস্থ্য-বিষয়ক নিবন্ধ। কোন কোন বিষয়গুলো এর জন্য দায়ী, কিভাবে তা শনাক্ত করবেন, এ থেকে বাঁচার উপায়ই বা কি- চলুন তা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

তরুণদের মাঝে স্ট্রোকের প্রবণতা বৃদ্ধির কারণ

তৈলাক্ত বা ভাজা খাবারের প্রতি আসক্তি
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহুগুণে বেড়েছে ভাজা-পোড়া খাবারের বিচিত্রতা। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত রেস্তোরাঁ পর্যন্ত সর্বত্র রীতিমত উৎসবমুখর আয়োজনে চলে নিত্য-নতুন পরিবেশনা। আর সেগুলোতেই হামলে পড়েন তরুণরা। এদের মধ্যে যাদের একটু বেশি ভোজনপ্রীতি রয়েছে, তারা কোনোরকম বাছ-বিচারের তোয়াক্কা করেন না। ফলে দেখা দিচ্ছে স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ ও উচ্চ কোলেস্টেরল- যার প্রতিটিই স্ট্রোকের ঝুঁকি সৃষ্টি করে।

এই মুখরোচক খাবারগুলোতে থাকে ট্রান্স ফ্যাট, পরিশোধিত শর্করা এবং অত্যধিক সোডিয়াম। এই উপাদানগুলো ধমনীতে প্লাক তৈরি করে রক্তের প্রবাহে ব্যাঘাত ঘটায়। কোনো নিয়ন্ত্রণ ব্যতীত এই ভোজ অভ্যাসে পরিণত হলে তা প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের কারণ হয়। এর ফলে রক্তনালীগুলো সঙ্কুচিত হয় ও চরম পর্যায়ে পুরো নালীই ক্ষতিগ্রস্ত হয়; পরিণতিতে স্ট্রোক হয়।

শরীরের দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা
প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কমে গেছে কায়িক শ্রমের কাজ। এর বদলে জায়গা করে নিয়েছে মানসিক শ্রমযুক্ত কাজ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অতিবাহিত হচ্ছে কম্পিউটারের সামনে বসে। এখানে দীর্ঘ সময় যাবত শরীরের পেশীগুলোর ন্যূনতম নড়াচড়া হয় না।

একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা বিশাল তরুণ সমাজকে ঠেলে দিয়েছে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের দিকে। ফলে সবচেয়ে কর্মক্ষম শ্রেণিটির দিনের একটা বড় সময় কেটে যাচ্ছে বসে বা শুয়ে থাকা।

এই অচলাবস্থা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যকে দুর্বল করে তোলে। শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাব রক্ত সঞ্চালনের দক্ষতা হ্রাস করে, যার ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ হয় না। আর এরই কারণে শরীরের ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের উপক্রম হয়। এগুলো সবই স্ট্রোকের দিকে পরিচালিত করে। নিষ্ক্রিয় পেশীগুলো রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরলকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে রক্তের ধমনীতে ক্লট তৈরি হয়ে স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে।

ধূমপান এবং উদ্দীপক পানীয় গ্রহণ
তামাক ব্যবহারে ধমনীকে শক্ত করে দেয়, যার ফলে বাড়ে রক্তের চাপ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় রক্তনালী। নিকোটিন এবং কার্বন মনোক্সাইড মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমায়, যা ক্লট গঠনের অন্যতম প্রধান কারণ। উপরন্তু, উচ্চ ক্যাফেইন বা উদ্দীপক পানীয় হৃৎপিণ্ডের নিয়মিত ছন্দে ব্যাঘাত ঘটায় এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। এই পদার্থগুলোর অত্যধিক সেবন স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে। এতে দীর্ঘমেয়াদে রক্তনালী ধ্বংস হয়, যা স্ট্রোকের পূর্ব লক্ষণ।

দুশ্চিন্তা ও মানসিক অসুস্থতা
বিগত দশকে শারীরিক সমস্যাগুলোর পাশাপাশি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মানসিক জটিলতাগুলো। অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা, হতাশা ও নিরাশার নেতিবাচক প্রভাবের শিকার হওয়া জনগোষ্ঠির একটা বিশাল অংশ তরুণ সম্প্রদায়।

দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ কর্টিসলের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তচাপ ও প্রদাহ বৃদ্ধিতে অংশ নেয়, যেগুলো স্ট্রোকের দিকে নিয়ে যায়। উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং ক্ষতিকারক পদার্থ সেবনের সঙ্গে জড়িত। উপরন্তু, রক্ত সঞ্চালনে চাপের তারতম্য ক্ষণস্থায়ী স্ট্রোকের সূত্রপাত ঘটায় যেটি ইস্কেমিক অ্যাটাক নামে পরিচিত। এর আরেক নাম মিনি-স্ট্রোক, যা সাধারণত বড় কোনও স্ট্রোকের আগে হয়ে থাকে।

স্ট্রোকের যে লক্ষণগুলো তরুণদের মধ্যে দেখা যায়

আকস্মিক দুর্বলতা
স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় লক্ষণগুলোর একটি হচ্ছে হঠাৎ দুর্বলতা বা অসাড়তা। এটি সাধারণত শরীরের যে কোনও একপাশ অসাড় হওয়া থেকে শুরু হয়। শরীরের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের নেপথ্যে থাকে মূলত মস্তিষ্কের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল। সেখানে রক্ত প্রবাহ না গেলেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় পর্যুদস্ত ব্যক্তিরা তাদের এক হাত বা পা তুলতে বেশ ভারী অনুভব করে। কারও ক্ষেত্রে তাদের মুখের একপাশ ঝুলে যায়। কোনও ক্ষেত্রে এই দুর্বলতা কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী হয়।

কথা বলার সময় শব্দ উচ্চারণে প্রতিবন্ধকতা
মস্তিষ্কের একটি অংশ রয়েছে যেটি কথা বলার সময় মুখের স্বাভাবিক পেশী সঞ্চালন অব্যাহত রাখতে সাহায্য করে। স্ট্রোকের ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের এই অঞ্চলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে কথা বলার সময় সুসংগত বাক্য গঠনে অসুবিধা হয়। কিছু ব্যক্তি অ্যাফেসিয়া অনুভব করতে পারে। এটি এমন এক অবস্থা যেখানে সঠিক শব্দটি স্মরণে আসে না বা কথাগুলো অসংলগ্ন হয়। কেউ কেউ ডিসার্থ্রিয়ায় ভুগেন। এর ফলে মুখ এবং জিহ্বার পেশী দুর্বল হয়ে যায় বিধায় উচ্চারণ সমস্যা দেখা দেয় এবং শব্দগুলো অস্পষ্ট শোনায়। এই উপসর্গগুলো হঠাৎ ঘটতে পারে এবং পরবর্তীতে এর তীব্রতা ওঠানামা করতে পারে।

দৃষ্টিশক্তির ব্যাঘাত
মস্তিষ্কের ভিজ্যুয়াল প্রসেসিং এলাকাটি মানুষের দৃষ্টিশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে। এখানে রক্ত প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ফলে দৃষ্টিশক্তিতে অসঙ্গতি দেখা দেয়। আক্রান্ত ব্যক্তিরা এক বা উভয় চোখে অস্পষ্ট দেখে, কেউ কেউ সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে আরও রয়েছে ডিপ্লোপিয়া বা ডাবল ভিশন, যার ফলে ব্যক্তি যে কোনও জিনিস দুটো দেখতে পায়। এক চোখে অস্থায়ী অন্ধত্ব অ্যামাউরোসিস ফুগাক্স নামে পরিচিত। এটি আসন্ন স্ট্রোকের জন্য একটি সতর্ক সংকেত।

গুরুতর মাথাব্যথা
তীব্র মাথাব্যথা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের পূর্বাভাস হতে পারে যার কারণে হেমোরেজিক স্ট্রোকের উপক্রম হয়ে থাকে। সাধারণ মাথাব্যথার সঙ্গে এর পার্থক্য হলো এটি আকস্মিকভাবে বাড়তে থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বমি বমি ভাব, বমি; এমনকি ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন। ব্যক্তি শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন না। কোনো কিছু না ধরে হাঁটা বা দাড়িয়ে থাকা তার জন্য বেশ কঠিন হয়ে উঠবে।

সাধারণ বোধের অবনতি এবং স্মৃতিভ্রম
মূল সমস্যাটা যখন মস্তিষ্ক কেন্দ্রিক, তখন বোধগম্যতা ও স্মৃতিশক্তির বিলোপ ঘটাটা স্বাভাবিক। এর শুরুটা হয় আকস্মিকভাবে কোনো কিছু ভুলে যাওয়া থেকে। ব্যক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছুর প্রতি মনোযোগ দিতে পারেন না। কি কি বিষয়ে কথা বলা হচ্ছে তার মধ্যে সামঞ্জস্যতা বিধান করা এদের জন্য কঠিন হয়ে ওঠে। কেউ কেউ পরিচিত লোকেদের পরিপূর্ণভাবে চেনার জন্য বেশ সময় নিয়ে ফেলেন। এদের অনেকেই পারিপার্শ্বিক অবস্থা বুঝে প্রাসঙ্গিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে ব্যর্থ হন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা হতবাক বা নির্লিপ্ত হয়ে যান।

কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছেন
তরুণদের মধ্যে যারা নিয়মিত ধূমপান ও উদ্দীপক পানীয় গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপে রয়েছেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি সর্বাধিক। এছাড়াও অতিরিক্ত স্থূলতা, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস এবং দীর্ঘ সময় বসে থাকা সামগ্রিকভাবে স্ট্রোকের আশঙ্কা বাড়ায়।

উপরন্তু, পরিবারে পূর্বে কারও উচ্চ রক্তচাপ বা রক্ত জমাট বাঁধার ব্যাধি থাকলে তারাও এই ঝুঁকির আওতায় পড়েন।

তরুণদের স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়

সুষম খাদ্যাভ্যাস গঠন
নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা রেখে একটি পুষ্টিকর খাদ্য তালিকা তৈরি করা উচিত। বিভিন্ন ধরনের বীজ জাতীয় খাবার, ফলমূল, শাকসবজি এবং চর্বিহীন প্রোটিন কোলেস্টেরল গঠন প্রতিরোধ করে ধমনী সুদৃঢ় রাখতে সাহায্য করে। মাছ এবং বাদামে পাওয়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে। অপরদিকে, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। সম্মিলিতভাবে এই খাবারগুলো স্ট্রোকের বিরুদ্ধে শরীরকে রীতিমত দূর্গ বানিয়ে তুলতে পারে।

নিয়মিত শরীর চর্চা
সুষম খাবার গ্রহণ এবং উপযুক্ত শরীর চর্চা উভয়েরই যুগপৎভাবে চলতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে রক্তচাপ হ্রাস করে এবং স্থূলতা প্রতিরোধ করে। দ্রুত হাঁটা, জগিং এবং সাইকেল চালানোর মতো অ্যারোবিক ব্যায়াম হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। একই সঙ্গে ধমনীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায়, যা ধমনীকে শক্ত হয়ে যাওয়া থেকে দূরে রাখে। শরীর চর্চা বিপাকীয় স্বাস্থ্যকে সমুন্নত রেখে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও শারীরিক অনুশীলন প্রদাহ কমায়, যা রক্তে ক্লট তৈরির প্রধান প্রভাবক।

ক্ষতিকর অভ্যাস এড়িয়ে চলা
স্ট্রোক প্রতিরোধের জন্য তামাক, অ্যালকোহল ও অন্যান্য মাদক থেকে দূরে থাকা অত্যাবশ্যক। এমনকি সাধারণ ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত সেবনও রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

দীর্ঘদিনের অভ্যাস বদলানোর জন্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতার সরণাপন্ন হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবার ও আশেপাশে থাকা আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি ব্যক্তিরও পরম সদিচ্ছা ও প্রচেষ্টা থাকা জরুরি। তাৎক্ষণিক ভাবে পরিত্যাগের সুযোগ না থাকলেও প্রতিদিন একটু একটু করে চেষ্টা করার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অন্যান্য ইতিবাচক কায়িক শ্রমযুক্ত কাজের মধ্য দিয়ে মনকে সার্বক্ষণিক ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে হবে। একই সঙ্গে অবসরগুলো প্রিয় জনদের আন্তরিক আড্ডায় ভরিয়ে তুলতে হবে।

স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলা
স্ট্রোকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার জন্য স্বাস্থ্যকর ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। রাত জেগে কাজ করে দিনে ঘুমানো মোটেই উৎপাদনশীলতার সহায়ক নয়। বরং তা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য বিনষ্টের পটভূমি তৈরি করে। রাতে ঘুমানোর ক্ষেত্রেও দেরি করা অনুচিত। কারণ এর ধারাবাহিকতায় এক সময় পুরো রাত অনিদ্রায় কেটে যায়। এর জন্য বিশেষ করে ডিজিটাল ডিভাইসগুলোতে স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনা আবশ্যক। কেননা স্মার্টফোনে অতিবাহিত সময়ের বিস্তৃতি গভীর রাত ছাড়িয়ে যায়। এই কারণে স্মার্টফোন ব্যবহারকারিদের সিংহভাগ তরুণ সমাজকে প্রায় অনিদ্রায় ভুগতে দেখা যায়।

এই সমস্যার নিরসণকল্পে যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ে ভোরে সূর্যের আলো ফোটার আগেই উঠে যাওয়া উত্তম। এটি মুক্ত বাতাসে শারীরিক অনুশীলনের জন্য শ্রেষ্ঠ সময়। ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠার সময়টিও প্রতিটি একই ভাবে অনুসরণ করতে হবে। ঘুমের ভিন্ন রুটিন মন-মেজাজের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যা পরিণতিতে স্বাস্থ্যহানির অবতারণা ঘটায়।

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ ঘটানো
হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ফাংশনের জন্য খাওয়া, ঘুম, ও ব্যায়ামের পাশাপাশি মানসিক চাপমুক্তিও দরকারি। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও বদমেজাজ সম্পন্ন ব্যক্তিদের রক্তচাপ বৃদ্ধির আশঙ্কা বেশি থাকে। এর বিপরীতে ধ্যান, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এবং নিয়মিত শরীর চর্চা মানসিক ভারসাম্যের ক্ষেত্র তৈরি করে।

এর সঙ্গে মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে যুক্ত হতে পারে যে কোনও কাজ-কর্মে ইতিবাচকতা এবং স্বল্পতুষ্টি। এই দৃষ্টিভঙ্গি উদ্বেগ, বিষণ্নতা বা মানসিক আঘাতকে লাঘব করার শক্তি দেয়। নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনাগুলোর প্রতিক্রিয়া কিভাবে করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয় একজন ব্যক্তির জীবন-ব্যবস্থা। ভালো-মন্দ নির্বিশেষে প্রতিটি ঘটনায় ইতিবাচক ও গঠনমূলক সাড়া প্রদানের মাধ্যমে সুস্থ মনের বিকাশ ঘটানো সম্ভব।

শেষাংশ
তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের ক্রমবর্ধমান ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন এবং মানসিক অসুস্থতা। কায়িক শ্রম না করা ও ক্ষতিকর খাদ্যাভ্যাস এই প্রবণতাকে ত্বরান্বিত করে। এর ফলে আকস্মিক দূর্বলতা, উচ্চারণগত অস্বাভাবিকতা, দৃষ্টি, বোধ ও স্মৃতি শক্তির অবনতির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। রুটিন মাফিক সুষম আহার, ঘুম ও শরীর চর্চার মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারণ পদ্ধতি বাঁচাতে পারে এই মরণঘাতী স্বাস্থ্য জটিলতা থেকে। পাশাপাশি মনের সুস্থতার লক্ষ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বিকাশ ঘটানোও জরুরি। এই পদক্ষেপগুলোর দৌলতে দীর্ঘমেয়াদে স্ট্রোকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।

সূত্র: ইউএনবি। 

]]>
https://www.priyocampus24.com/2025/05/14/%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87/feed/ 0