Category: ছবি

  • ‘ঐতিহ্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা’ সম্পন্ন

    ‘ঐতিহ্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা’ সম্পন্ন

    বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘ঐতিহ্য বুক কার্নিভাল ২০২৫’–এর বিশেষ আয়োজন ‘ঐতিহ্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রজতজয়ন্তীর উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিযোগিতায় শিশু শ্রেণি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ‘ক’ ও ‘খ’—এই দুই বিভাগে অংশ নেয়। শিশুদের সৃজনশীলতা, রং ব্যবহারের দক্ষতা ও বিষয়বস্তুর উপস্থাপন দেখে বিচারকমণ্ডলী মুগ্ধ হন। বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ আব্দুল মোমেন মিজান, সহযোগী অধ্যাপক, কারুশিল্প বিভাগ, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাদিয়া শারমিন, কারুশিল্পী ও শিশু শিল্প নির্দেশক।

    বক্তৃতায় বিচারকরা শিশুদের অঙ্কন দক্ষতা ও বিষয় নির্বাচনের প্রশংসা করে বলেন, আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও তোমরা সুন্দর এঁকেছ। আমরা অভিভূত, আমরা আনন্দিত। তোমাদের ভবিষ্যৎ দীপ্তময় হোক, সেই আশা রাখি।

    দুজন বিচারক অংশগ্রহণকারীদের কাজ পর্যালোচনা করে প্রতিটি বিভাগে ১ম থেকে ১০ম স্থান পর্যন্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

    প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় আকর্ষণীয় পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ। এছাড়া প্রতিটি অংশগ্রহণকারীকে দেওয়া হয় অংশগ্রহণ সনদ, যা ছোটদের মাঝে বাড়িয়ে তোলে আনন্দ ও প্রেরণা।

    রজতজয়ন্তীর এ বিশেষ আয়োজনে শিশুদের প্রবল অংশগ্রহণ ও তাদের অভিভাবক–শিক্ষকদের সহযোগিতা অনুষ্ঠানটিকে করে তুলেছে আরও সফল এবং প্রাণবন্ত। আমরা আশা করছি আগামী বছরগুলোতেও শিশুদের জন্য এমন সৃজনশীল আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত একক প্রকাশনা হিসেবে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি পৃষ্ঠার বই ছেপেছে ঐতিহ্য। বুক কার্নিভালে এই বছর ঐতিহ্যের প্যাভিলিয়নে থাকবে ২৫+ নতুন বই, ২৫০০+ বই ও ২৫টি রচনাবলি এবং সর্বোচ্চ ৭১% পর্যন্ত ছাড়সহ নানা অফার ও উপহার। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে—ঐতিহ্য প্রকাশিত রচনাবলির আলাদা খÊ নামমাত্র মূল্যে (মাত্র ৫০ থেকে ৩০০ টাকায়) কেনার সুবর্ণ সুযোগ।

    কার্নিভালে অংশ নিচ্ছে—ইসলামি বই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ইলহাম’, শিশুতোষ বই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘কাকাতুয়া’, বাংলাদেশের ইংরেজি সাহিত্যের একমাত্র প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘গ্রিপারমার্ক’ ও নান্দনিক  নোটবুক ও বুকমার্ক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘নু বুকস বাই নুবাহা’। তাদের বই, নোটবুক ও বুকমার্কেও বিশেষ ছাড় থাকবে। এছাড়াও অংশ নিবে বই বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘নির্বাচিত’। নির্বাচিত’তে মজুদ থাকা বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রায় সকল প্রকাশনীর বইয়ে থাকবে ৩০% পর্যন্ত ছাড়। মজুদ বিদেশি বইয়ে (বাংলা, ইংরেজি) প্রদত্ত মূল্যের উপর ১৫% পর্যন্ত ছাড়ও থাকছে।

    ঐতিহ্যের ২৫ বছরের যাত্রায় প্রায় ১০০০+ লেখক যুক্ত হয়েছেন আমাদের সাথে। এছাড়াও তরুণদের উৎসাহিত করতে ৩০০+ লেখকের ১ম বইয়ের প্রকাশকও ঐতিহ্য। লেখকদের সৃষ্টিশীলতা, পরিশ্রম ও মমতায় ঐতিহ্য সমৃদ্ধ হয়েছে। তাই আমাদের সব লেখককে একত্রিত করতে আগামীকাল ১৫ নভেম্বর ২০২৫, শনিবার আমরা আয়োজন করছি ‘ঐতিহ্য রাইটার্স ডে’।

    এছাড়াও থাকছে ফোক মেহফিল, রিডার্স ক্লাব ডেসহ নানান আয়োজন।

  • শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জেফার

    শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জেফার

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী জেফার রহমান। ভিন্ন ধারার গান ও ফ্যাশন স্টেটমেন্টের জন্য সব সময় নজর কেড়েছেন তিনি। বিভিন্ন সময় ভক্তরা তার গানের আলোচনা-সমালোচনা করে থাকেন।

    পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেরও এ সংগীতশিল্পী বেশ সরব রয়েছেন। যেখানে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজের ভালো লাগা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে শেয়ার করে থাকেন।

    সম্প্রতি জেফার তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে কিছু ছবি শেয়ার করেছেন। যেখানে তিনি স্লিভলেস শাড়িতে ধরা দিয়েছেন। ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নিয়ে যাবে কি আমায় দূরে কল্পনায়?’

    এদিকে কমেন্ট বক্সে একজন জেফারের রূপের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘মাশাআল্লাহ আপু আপনাকে অনেক সুন্দর লাগছে।’ আরেকজনের কথায়, ‘শুভ নববর্ষ জেফার,পহেলা বৈশাখ এবং বাংলা নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।’

    উল্লেখ্য, জেফার রহমান বাংলাদেশি প্রথম ইউটিউবভিত্তিক মিউজিশিয়ান। তরুণ প্রজন্মের কাছে সংগীতশিল্পী হিসেবে বেশ পরিচিত।

    ২০১০ সাল থেকে বিখ্যাত সব ইংরেজি গান কাভার করে শোরগোল ফেলে দেওয়া জেফার ধীরে ধীরে পৌঁছে গেছেন জনপ্রিয়তার শিখরে। বর্তমানে স্টেজ শো মানেই জেফারের গান। পাশাপাশি নিজে গান লেখেন ও সুর করেন। এছাড়া প্রযোজকও তিনি।

  • নানা আয়োজনে যেভাবে বরণ করা হচ্ছে বাংলা নতুন বছর

    নানা আয়োজনে যেভাবে বরণ করা হচ্ছে বাংলা নতুন বছর

    নানা অনুষ্ঠান ও আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বরণ করে নেয়া হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ সালকে। ভোর থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশেই বর্ষবরণের নানা অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে। সেসব আয়োজনের কিছু ছবি এখানে রয়েছে—

    সোমবার সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হয় ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। এতদিন এই শোভাযাত্রা ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ হিসেবে পালিত হলেও এবারে এর নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হয় এই শোভাযাত্রা। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

    এই শোভাযাত্রার এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে, ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’। এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হচ্ছে। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এটাই প্রথম বাংলা নববর্ষ উদযাপন।

    বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ নেন অসংখ্য মানুষ। শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমীর সামনের রাস্তা দিয়ে ফের চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হয়।

    ছায়াটনের বর্ষবরণ আয়োজন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া পাহারা ছিল। এ সময় শাহবাগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়কে যানচলাচল নিয়ন্ত্রিত করে দেয়া হয়। বিভিন্ন পয়েন্টে র‍্যাব, পুলিশের কড়া পাহারা দেখা গেছে।

    বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হলেও সেখানে নানা দাবিদাওয়ার প্রকাশ দেখা গেছে। জুলাই গণহত্যার বিচার, ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়া, পান্থকুন্জ পার্ক বাঁচাও, আদিবাসী অধিকার ও পাহাড়ে সেনাশাসনের অবসানের মতো নানা দাবিতে প্ল্যাকার্ড ও সমাবেশ করতে দেখা গেছে অনেককে।

    সোমবার পহেলা বৈশাখ পালন করা হলেও তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল বেশ কয়েকদিন আগে থেকে। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনেক শিল্পী দেয়াল, সড়কে আলপনা একেঁছেন। নানা মোটিভ, মুখোশ ও প্লাকার্ড তৈরি করেছেন। এই ছবিতে নববর্ষের আগের রাতে একজন শিল্পীকে দেয়ালচিত্র আঁকতে দেখা যাচ্ছে।

    নববর্ষের মোটিভ : বরাবরের মতো এবারের শোভাযাত্রায় নানা ধরনের মোটিফ ছিল। সব মিলিয়ে ২১টি মোটিফ ছিল বলে জানা গেছে। শোভাযাত্রায় আছে, টাইপোগ্রাফিতে ৩৬ জুলাই, জাতীয় মাছ ইলিশ, ঘোড়া, বাঘ ও জুলাই আন্দোলনে নিহত মুগ্ধর পানির বোতলের প্রতিকৃতি। সেইসাথে আছে সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি এবং নানা লোকজ চিত্রাবলীর ক্যানভাস।

    ফ্যাসিবাদী মোটিফ : এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল ‘ফ্যাসিবাদী মোটিফ’। শনিবার ভোররাতে এই মোটিফে আগুন দেয়ার পর সেটা আবার নতুন করে তৈরি করা হয়।

    ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তরমুজ : ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে তরমুজের মোটিফ শোভাযাত্রায় যুক্ত করা হয়েছে। সকালের সূর্য উঠার পর পরই রমনা বটমূলে শুরু হয় ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন। গানে গানে বাংলা ১৪৩২ সনকে বরণ করে নেয়া হয়।

    রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানিয়েছে, ভোর সোয়া ছয়টার দিকে শিল্পী সুপ্রিয়া দাশের কণ্ঠে ভৈরবী রাগালাপের মাধ্যমে পহেলা বৈশাখের এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এবারের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে ছায়ানট একটি বার্তা দিতে চায়—আশা, সহনশীলতা আর পুনর্জাগরণের।

    আলপনা : বর্ষবরণের আয়োজনের অংশ হিসাবে ঢাকার অনেক সড়কে আলপনা আঁকা হয়। চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকায় শিরীষতলায় নববর্ষ উদ্‌যাপন পরিষদের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হলেও এবারে তেমন লোক সমাগম হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    পণ্য : নতুন বছরকে বরণ করতে অনেকেই নানা ধরনের গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলনার পসরা নিয়ে বসেছিলেন। বহু বছর ধরেই নতুন বছর বরণের অনুষঙ্গ হিসাবে যেসব মেলা হয়ে আসছে, সেসব মেলায় বরাবরই এরকম লোকজ পণ্য দেখা যায়। এই বিক্রেতা ঢাকার শাহবাগ এলাকায় সেসব পণ্য নিয়ে তার দোকান সাজিয়েছেন।

    বাদ্যযন্ত্র : বাংলা বর্ষবরণ করতে নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে এসেছিলেন অনেকে। শোভাযাত্রায় তাদের সক্রিয় অংশ নিতে দেখা যায়।

  • ফুল বিজু উৎসব [ফটো স্টোরি]

    ফুল বিজু উৎসব [ফটো স্টোরি]

    বিজু উৎসব হলো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ও প্রাণবন্ত উৎসব। এটি মূলত বর্ষবরণ উৎসব, যা প্রতি বছর এপ্রিল মাসে পালিত হয়। বিজু তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিটি দিনেই রয়েছে আলাদা আলাদা তাৎপর্য।

    প্রথম দিনটি ফুল বিজু, যেখানে নদী, পুকুর ও ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা হয়, ঘর সাজানো হয় ফুল দিয়ে, এবং ছোটরা বড়দের শ্রদ্ধা জানায়।

    দ্বিতীয় দিনটি মূল বিজু, এটি মূলত আনন্দ-উৎসবের দিন। এদিন পরিবার-পরিজন একত্রিত হয়, রান্না হয় ঐতিহ্যবাহী খাবার — বিশেষ করে ‘পঁজন তন’, যা ২০-২৫টি সবজির মিশ্রণে তৈরি এক অনন্য খাবার। নাচ, গান, এবং সামাজিক অনুষ্ঠান চলে সারা দিন।

    তৃতীয় দিনটি গোজ্যা পোজ্যা দিন, যেখানে নদীতে বা ঝর্ণায় গা ধুয়ে আত্মশুদ্ধি করা হয় এবং পুরনো বছরের কষ্ট মুছে ফেলার প্রতীকী চর্চা করা হয়।

    বিজু শুধুমাত্র একটি উৎসব নয় — এটি প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও সম্পর্কের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ, যা পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

    রাজধানীর রমনা পার্কের লেকেও এই উৎসব পালন করেছেন চাকমা জনগোষ্ঠীরা। ছবি ও লেখা রায়হান শাখাওয়াত তুহিনের ফেসবুক থেকে নেওয়া।

     

  • পাহাড় আর সবুজের মিতালি

    পাহাড় আর সবুজের মিতালি

    গরম টিলা। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ঝাঁকছড়া চা বাগানে অবস্থিত একটি নানন্দিক পর্যটন স্পট। এর মনোরম পরিবেশ মুগ্ধ করে সবাইকে। বর্ষাকালে চারদিকে সবুজের কারনে মনে হয় এ যেনো আরেক সাজেক। শুষ্ক মৌসুমও নজর কাড়ে সবার। গরম টিলার দৃশ্য উপভোগ করার উপযুক্ত সময় ভোরের সূর্য উদয় ও শেষ বিকেলের সূর্যাস্ত। ছবিগুলো তুলেছেন নিশীতা মিতু

    শতবর্ষী গাছ
    গরম টিলার যাওয়ার মনোরম রাস্তা
    মনোরম প্রকৃতি