Category: খসড়া

  • শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএতে বৃত্তি, আছে নানা সুযোগ

    শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএতে বৃত্তি, আছে নানা সুযোগ

    যারা বিদেশে বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (এমবিএ) পড়তে চান, তাঁদের জন্য নানা সুযোগ দিচ্ছে দেশটির শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্কুল ৫০ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফের সঙ্গে এমবিএতে বৃত্তি দেবে। ম্যানেজমেন্ট স্কুলটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য এ সুযোগ রেখেছে। যুক্তরাজ্যের মতো দেশে এমবিএর টিউশন ফি অনেক বেশি। তাই ৫০ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফ পেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ কমবে। বৃত্তিটি শুধু সেসব শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য, যাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির প্রস্তাব পেয়েছেন। এ বৃত্তি সরাসরি টিউশন ফিতে প্রযোজ্য হবে, কোনো নগদ অর্থ প্রদান করা হবে না।

    আবেদনের মানদণ্ড

    • শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তির জন্য আলাদা করে আবেদন জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই
    • এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া সব আবেদনকারী এ সুযোগের জন্য বিবেচিত হবেন
    • আবেদনপত্র, জমা দেওয়া নথি এবং ভর্তির সাক্ষাৎকারে পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হবে প্রার্থী
    • যে সব শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে অন্য কোনো বৃত্তি বা আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন, তাঁরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না

    নির্বাচনপ্রক্রিয়া-
    বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন প্যানেল আবেদনকারীর এসওপি, রিকমেন্ডেশন লেটার এবং অন্য সহায়ক নথির ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা হবে শিক্ষার্থীদের। প্রার্থীদের নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর (২০০ শব্দের মধ্যে) দিয়েও মূল্যায়ন করা হবে-

    • আপনি কেন এমবিএ করতে চান
    • আপনার শক্তি কী এবং কোন ক্ষেত্রে উন্নতি প্রয়োজন
    • শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ আপনার ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে কীভাবে অবদান রাখবে
    • পেশাদার নানা অর্জন আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্যের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
    • এসব প্রশ্নের উত্তরের ওপর ভিত্তি করে আবেদনকারীর একটি স্কোর বরাদ্দ করা হবে।
    • বৃত্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
  • ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনে মাস্টার্সে ১০ ও পিএইচডিতে ১১০ বৃত্তি

    ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটনে মাস্টার্সে ১০ ও পিএইচডিতে ১১০ বৃত্তি

    নিউজিল্যান্ডে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন স্কলারশিপ-২০২৬-এর আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বে যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অর্থায়িত এ বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলিংটন ১৮৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালের কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান বিশ্বে ২১৫তম। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ২৩ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। এটি নিউজিল্যান্ডের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

    সুযোগ-সুবিধা : নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা তাঁদের ডিগ্রি সম্পন্ন করতে পারবেন। স্নাতকোত্তরে ১০টি বৃত্তি দেওয়া হবে। পিএইচডি ডিগ্রিতে ২৭ হাজার ৫০০ ডলার দেওয়া হবে। পিএইচডিতে থাকছে ১১০টি বৃত্তি।

    আবেদনের যোগ্যতা : স্নাতকোত্তরের জন্য প্রার্থীদের স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। আর পিএইচডির জন্য আবেদন করতে স্নাতকোত্তরের ডিগ্রি থাকতে হবে। প্রার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত হলে আবেদনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ছাড়া বৃত্তির অন্যান্য যেকোনো শর্ত প্রার্থীদের পূরণ করতে হবে।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র : পূর্ববর্তী ডিগ্রির ট্রান্সক্রিপ্ট বা ডিগ্রি সনদ, সর্বাধিক ৫০০ শব্দের ব্যক্তিগত বিবৃতি, ভাষা দক্ষতার সনদ, ওয়েলিংটনের ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শর্তসাপেক্ষ বা শর্তহীন অফার লেটার।

    উল্লেখযোগ্য অনুষদ : স্থাপত্য ও নকশা উদ্ভাবন অনুষদ, স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড গভর্নমেন্ট, শিক্ষা অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, গবেষণা অনুষদ, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, আইন অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ ও স্বাস্থ্য অনুষদ।

    আবেদন পদ্ধতি : আগ্রহী প্রার্থীরা এ লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনের শেষ তারিখ : আগামী ১ আগস্ট ২০২৫।

  • নীতিমালা প্রকাশ; কলেজে ভর্তিতে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, নেই গণঅভ্যুত্থান কোটা

    নীতিমালা প্রকাশ; কলেজে ভর্তিতে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, নেই গণঅভ্যুত্থান কোটা

    চলতি (২০২৫-২৬) শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন, শিক্ষার্থী নির্বাচন ও নিশ্চায়নের পর চূড়ান্ত ভর্তি শুরু হবে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও ৭ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা কোটা। শুধু মুক্তিযোদ্ধার পুত্র ও কন্যারা এ কোটা সুবিধা পাবেন। নাতি-নাতনিদের জন্য কোনো ধরনের কোটা নেই। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে আসন শূন্য রাখা যাবে না। শূন্য আসনে মেধারভিত্তিতে সাধারণ প্রার্থীদের ভর্তির সুযোগ দিতে হবে।

    এছাড়া ২ শতাংশ রাখা হয়েছে পোষ্য কোটা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানরা এ কোটা সুবিধা পাবেন। বাকি ৯৩ শতাংশ আসনে মেধারভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। এ কোটা পদ্ধতি শুধু ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।

    এদিকে, এবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থী এবং হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোটা’ রাখার সুপারিশ করে। একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতা না থাকায় মুক্তিযোদ্ধা কোটা না রাখার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলে। এ নিয়ে জাগো নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্কের মুখে চূড়ান্ত নীতিমালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোটা রাখা হয়নি।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একাদশে ভর্তির নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মেধারভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং অধীনস্থ দপ্তর-সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশসহ মোট ২ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে সংরক্ষিত থাকবে।

    যদি আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয়, সেক্ষেত্রে তাদের নিজেদের মধ্যে মেধারভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক দপ্তর প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজস্ব দপ্তরের প্রধান হলে সেক্ষেত্রে তার একধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

    বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।

    এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে শূন্য আসনে ভর্তি করাতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব নাম প্রকাশ না করে বলেন, শিক্ষাবোর্ড যে খসড়া নীতিমালা করেছিল, সেখানে কিছু বিষয় রাখা বা বাদ দেওয়া নিয়ে তারা সুপারিশ করেছিলেন। সেগুলো আলোচনা করে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আমরা চাই না কোনো ধরনের বিতর্ক হোক। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে নীতিমালা করা হয়েছে।

  • উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএজিএড প্রোগ্রাম, ভর্তি ২১ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি

    উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএজিএড প্রোগ্রাম, ভর্তি ২১ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) তিন বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব এগ্রিকালচারাল এডুকেশন (বিএজিএড) প্রোগ্রামে ২৫১ টার্মে (জানুয়ারি-জুন, ২০২৫) নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি এবং প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম সেমিস্টারে পুরোনো শিক্ষার্থীদের কোর্স রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ ২১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কোর্সটি স্কুল অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (সার্ড) পরিচালিত।

    ভর্তির যোগ্যতা— এইচএসসি (বিজ্ঞান বিভাগ/কৃষিশিক্ষা বিষয়সহ যেকোনো বিভাগ) অথবা কৃষিতে ডিপ্লোমা/সমমানের সার্টিফিকেটধারী এবং ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা জিপিএ ২.০ পেতে হতে হবে। আসনসংখ্যা—৮০ প্রতি স্টাডি সেন্টার।

    নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি ও কোর্স রেজিস্ট্রেশনের টার্ম—
    নতুন শিক্ষার্থীরা যে সেমিস্টারে ভর্তি ও পুরোনো শিক্ষার্থীরা যে সেমিস্টারের কোর্স রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন, তার তালিকা দেওয়া হলো।

    ১. প্রথম সেমিস্টার: নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি ২৫১ (জানুয়ারি-জুন, ২০২৫) ব্যাচ।

    ২. প্রথম সেমিস্টার: দ্বিতীয় সেমিস্টারে পড়াশোনা করা ২৪২ (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৪) ব্যাচের শিক্ষার্থীরা কোর্স রেজিস্ট্রেশন করবেন।

    ৩. তৃতীয় সেমিস্টার: চতুর্থ সেমিস্টারে পড়াশোনা করা ২৪১ (জানুয়ারি-জুন, ২০২২) ও ২২২ (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২২) ব্যাচের শিক্ষার্থীরা কোর্স রেজিস্ট্রেশন করবেন।

    ৪. পঞ্চম সেমিস্টার: ষষ্ঠ সেমিস্টারে পড়াশোনা করা ২২১ (জানুয়ারি-জুন, ২০২২) ও ২০২ (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২০) ব্যাচের শিক্ষার্থীরা কোর্স রেজিস্ট্রেশন করবেন।

    ১৯টি স্টাডি সেন্টারের ঠিকানা—
    নিচের স্টাডি সেন্টারগুলোয় ২৫১ (জানুয়ারি-জুন, ২০২৫) টার্মে প্রথম সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
    ১. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), শেরেবাংলা নগর, ঢাকা,
    ২. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), শিমুলতলী, গাজীপুর,
    ৩. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), শেরপুর,
    ৪. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), তাজহাট, রংপুর,
    ৫. হাজি মো. দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর,
    ৬. যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, তিনমাথা, রেলগেট, বগুড়া,
    ৭. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), গাইবান্ধা,
    ৮. যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর (APPT বিভাগ),
    ৯. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), ঝিনাইদহ,
    ১০. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), ঈশ্বরদী, পাবনা,
    ১১. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী (CST বিভাগ),
    ১২. চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম,
    ১৩. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), খাদিমনগর, সিলেট,
    ১৪. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), দৌলতপুর, খুলনা,
    ১৫. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), ফরিদপুর,
    ১৬. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), রহমতপুর, বরিশাল,
    ১৭. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), হোমনা, কুমিল্লা,
    ১৮. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী,
    ১৯. কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই), আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ।

    বিস্তারিত তথ্য জানতে ওয়েবসাইট

  • Example Post for WordPress

    This is a sample post created to test the basic formatting features of the WordPress CMS.

    Subheading Level 2

    You can use bold text, italic text, and combine both styles.

    1. Step one
    2. Step two
    3. Step three

    This content is only for demonstration purposes. Feel free to edit or delete it.

  • অঙ্কুরিত আলু, পেঁয়াজ ও রসুন খাওয়া কি ঠিক?

    অঙ্কুরিত আলু, পেঁয়াজ ও রসুন খাওয়া কি ঠিক?

    রান্নাঘরে রাতের খাবার তৈরির সময় হয়তো আপনি গিয়ে দেখলেন আলু অঙ্কুরিত হয়ে গেছে। তখন কী করবেন? সন্দেহ হতে পারে এই আলু কি খাওয়ার যোগ্য কি না, নাকি না ভেবেই সোজা ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেবেন? শুধু আলু নয়, পেঁয়াজ ও রসুনের মতো অঙ্কুরোদগম শুরু করা সবজির কথাও যখন আসে, তখন উত্তরটি সবসময় সহজ ও সোজা হয় না। এগুলো নিয়ে আসলে কী করা উচিত এর উত্তর যদি মিশ্র হয়, তাহলে সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও জটিল হয়ে ওঠে।

    আলু অঙ্কুরিত হলে কী ঘটে?
    অন্য যে কোনো মূলের মতো একটি আলু থেকেও নতুন উদ্ভিদ জন্মানোর প্রচেষ্টাই অঙ্কুরোদগমের স্বাভাবিক লক্ষণ। এই প্রক্রিয়া চলাকালে আলুতে বিষাক্ত গ্লাইকোঅ্যালকালয়েড জন্মাতে শুরু করে। প্রাকৃতিক এই বিষাক্ত উপাদান উদ্ভিদকে ছত্রাক ও পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে। এরকম যৌগগুলোর মধ্যে একটি হলো সোলানাইন, যে বিষাক্ত উপাদানটি প্রায় বেশিরভাগ উদ্ভিদ যেমন আলু, টমেটো, বেগুন এবং মরিচের মতো উদ্ভিদেও পাওয়া যায়। ফসল কেটে সংরক্ষণ করলে এই যৌগগুলোর ঘনত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই মানুষ ও প্রাণী উভয়ের জন্যই অঙ্কুরিত বা এই অবস্থায় দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা আলু ঝুঁকিপূর্ণ।

    অঙ্কুরিত এই সবজি কি খাওয়া যাবে?
    ‘পটেটোস পোস্টহারভেস্ট’ বইয়ের লেখক এবং ইউনিভার্সিটি অব লিংকনের পোস্টহারভেস্ট প্রযুক্তির শিক্ষক ও গবেষক ড. ক্রিস বিশপ বলেন, অঙ্কুরিত আলুর সবচেয়ে বড় বিপদ হলো এতে থাকা গ্লাইকোঅ্যালকালয়েড। এটি আলুকে তিক্ত স্বাদের করে তোলে এবং আরও গুরুতর কিছু হওয়ার চেয়ে বরং বেশিরভাগ সময়ই বমির কারণ হতে পারে।

    ড. বিশপ বলেন, আলুতে এই প্রাকৃতিক রাসায়নিকটি থাকা খুব স্বাভাবিক, বিশেষ করে সবুজ রঙের আলুতে। আর এই কারণেই আমাদের সবুজ আলু খাওয়া উচিত নয়। অঙ্কুরিত আলুতে এই রাসায়নিক উচ্চমাত্রায় থাকতে পারে, তাই এগুলো পুরোপুরি ফেলে দেওয়া উচিত। যদি কোনো সন্দেহ থাকে তবে আলুতে যে স্থানে অঙ্কুরোদগম হয়েছে সে স্থান থেকে মূল শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। আমার মতে আলুর বাকি অংশটুকু খাওয়ার যোগ্য।

    যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির (এফএসএ) মতে, কিছু বিষয় মাথায় রেখে অঙ্কুরিত আলু খাওয়া যেতে পারে। এফএসএ পরামর্শ দিয়েছে, অঙ্কুরিত স্থান ফেলে দেওয়ার পর যদি আলুতে পচনের লক্ষণ না থাকে, শক্ত থাকে তবে তা খাওয়া নিরাপদ। তবে যদি কোনো আলুতে সবুজ বর্ণ দেখা যায় তবে তা ফেলে দেওয়াই ভালো। কারণ সবুজ অংশগুলো বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি নির্দেশ করে, বলছে যুক্তরাজ্যের এই সংস্থাটি।

    সংস্থাটি বলছে, অঙ্কুরিত আলু খাওয়া নিরাপদ হতে পারে যদি আলু ধরার পর তা শক্ত বোঝা যায়, শুকিয়ে না যায় বা কুঁচকে না যায়। অথবা অঙ্কুরোদের স্থানটা যদি ছোট হয় তবেই তা খাওয়া যেতে পারে। তবে, যদি আলু খুব নরম বা খুব শুষ্ক হয় বা কুঁচকে যায় তাহলে এটি তার পুষ্টিগুণ হারিয়ে ফেলবে এবং স্বাদও ভালো হবে না বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।

    সোলানাইন বিষাক্ততা কী?
    কয়েকজন বিশেষজ্ঞ অবশ্য এ বিষয়ে আরও সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট অ্যাংলিয়ার উদ্ভিদ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ক্যাথি মার্টিন সতর্ক করে বলেন, আপনার অঙ্কুরিত সবুজ আলু একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। আলোর সংস্পর্শে (যেটা আলুতে অঙ্কুরোদগম বৃদ্ধি করে) স্টেরয়েডাল গ্লাইকো অ্যালকালয়েড, সোলানিন বৃদ্ধি করে যা মানুষ এবং প্রাণীদের জন্য বিশেষ করে বিড়াল এবং কুকুরের জন্য মারাত্মক হতে পারে। সবুজ নয় এমন আলুতে সোলানাইনের মাত্রা কম থাকে। সোলানাইনের বিষক্রিয়ার ঝুঁকির কারণে কাঁচা আলু খাওয়া একেবারেই কারো উচিত নয়।”

    এ ধরনের ঘটনা বিরল হলেও সোলানাইনে বিষক্রিয়ার কিছু ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। যেটি সবচেয়ে পরিচিত ঘটনা সেটি ১৯৭০ সালের শেষের দিকের যুক্তরাজ্যের, সেসময় সবুজ আলু খাওয়ার পর ৭৮ জন স্কুল শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। তবে খুব নগন্য পরিমাণে আলু খেলে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম। সোলানাইনে বিষক্রিয়ার হালকা লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ডায়রিয়া, বমি ও তীব্র পেটে ব্যথা।

    এই বিষক্রিয়ার গুরুতর লক্ষণগুলোর মধ্যে ঝিম ঝিম ভাব, অনীহা, বিভ্রান্তি, দুর্বলতা এবং দৃষ্টির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমন গুরুতর কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং মারা যাওয়ার নজিরও রয়েছে। বিষাক্ত আলু খাওয়ার পর লক্ষণগুলো কয়েক মিনিট বা দুইদিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে।

    কীভাবে সঠিকভাবে আলু সংরক্ষণ করবেন?
    আলুর অপচয় রোধ এবং দীর্ঘদিন আলুকে সতেজ রাখতে যা করতে হবে: আলু ঠাণ্ডা, শুষ্ক এবং অন্ধকার স্থান যেমন আলমারি বা প্যান্ট্রিতে সংরক্ষণ করতে হবে। আর তিন থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা রাখতে হবে। সংরক্ষণের আগে আলু ধোয়া উচিত নয়। কারণ পানি পচন বৃদ্ধি করে। পেঁয়াজের থেকে দূরে রাখতে হবে আলু। এই দুই সবজিই আর্দ্রতা ও গ্যাস নির্গত করে যা কিনা অঙ্কুরোদগমকে ত্বরান্বিত করে।
    পেঁয়াজ ও রসুন অঙ্কুরিত হলে কী হবে? তবে অঙ্কুরিত পেঁয়াজ ও রসুনের গল্পটি কিন্তু একেবারেই আলাদা।

    ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট অ্যাংলিয়ার উদ্ভিদ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ক্যাথি মার্টিন বলেন, পেঁয়াজ এবং রসুন সাধারণত আলুর চেয়ে নিরাপদ মনে করা হয়। কারণ এগুলোতে একই ধরনের বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে না। এগুলোর অঙ্কুরোদগম সাধারণত কোয়ায় সঞ্চিত পুষ্টি থেকে জন্মায়। তবে তবে অঙ্কুরিত পেঁয়াজ ও রসুন আরও তেঁতো স্বাদের এবং নরম হতে পারে।

    পেঁয়াজ ও রসুনকে তিন থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঠাণ্ডা, অন্ধকারাচ্ছন্ন ও শুষ্ক জায়গায় সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সিল করা প্লাস্টিকের ব্যাগে পেঁয়াজ ও রসুন সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এগুলোকে বায়ু চলাচল করে এমন জাল বা কাগজের ব্যাগে সংরক্ষণ করতে হবে। আলুর মতো, কোনো পেঁয়াজ বা রসুনে ছত্রাক, নরম বা দুর্গন্ধের লক্ষণ দেখা গেলে তা সবসময় ফেলে দিতে হবে।

  • ব্যাংকগুলোতে কমছে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা

    ব্যাংকগুলোতে কমছে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা

    দেশের ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা গ্রাহকের সংখ্যা কমে গেছে। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি আমানত থাকা গ্রাহকের সংখ্যা ছিল এক লাখ ২২ হাজার ৮১টি। চলতি বছরের মার্চ শেষে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২১ হাজার ৩৬২টিতে। অর্থাৎ, তিন মাসে ৭১৯টি হিসাব কমেছে।

    কোটি টাকার গ্রাহকের সংখ্যা কমার কারণ হিসেবে ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিবর্তনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। বিশেষ করে, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে কিছু বিত্তশালী ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব ও জব্দ করা হচ্ছে। এর মধ্যে সাবেক এমপি, মন্ত্রী এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবও অন্তর্ভুক্ত। এ কারণে অনেক বড় আমানতকারী গ্রাহক তাদের অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া বেশ কিছু বড় প্রতিষ্ঠানও তাদের ব্যাংক হিসাব কমিয়ে দিচ্ছে। ব্যাংকিং খাতে প্রতিষ্ঠানের হিসাব সংখ্যা বেড়ে গেলেও এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকার কারণে একক হিসাবের সংখ্যা কমতে পারে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেছেন, কোটি টাকার হিসাব মানেই কোটিপতি ব্যক্তির হিসাব নয়। কারণ ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখার তালিকায় ব্যক্তি ছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। আবার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ফলে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাব আছে। পাশাপাশি অনেক সরকারি সংস্থারও কোটি টাকার হিসাব রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কোটি টাকার হিসাবধারী গ্রাহকের সংখ্যা কমলেও এসব অ্যাকাউন্টে জমা টাকার পরিমাণ বেড়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে এসব অ্যাকাউন্টে জমা ছিল ৭ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি বছরের মার্চ শেষে বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। এছাড়া আলোচিত সময় ব্যাংক খাতে মোট হিসাবের সংখ্যা ও জমার পরিমাণ দুটোই বেড়েছে। ব্যাংক খাতে মোট অ্যাকাউন্টের (হিসাব) সংখ্যা ১৬ কোটি ৩২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩২টি। এসব হিসাবে মোট আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭১১ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের মার্চ শেষে দেশের ব্যাংক খাতে মোট অ্যাকাউন্টের (হিসাব) সংখ্যা ১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৬ হাজার ৮২১টি। এসব হিসাবে মোট আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ২৩ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট হিসাব ছিল ১৬ কোটি ৩২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩২টি। এসব হিসাবে মোট আমানতের স্থিতি ছিল ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭১১ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন, ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪ জন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি।

    ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে কোটি টাকা আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর বেড়ে তা দাঁড়ায় ১ লাখ ১৯৭৬টিতে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই হিসাবের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়ায় এক লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টিতে। গত বছরের জুনে এমন হিসাবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪টিতে, সেপ্টেম্বরে এক লাখ ১৭ হাজার ১২৭টিতে এবং ডিসেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ২২ হাজার ৮১টিতে।

  • আমরা অধিকার বর্জিত প্রজা ছিলাম, তরুণ প্রজন্ম রক্ষা করেছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    আমরা অধিকার বর্জিত প্রজা ছিলাম, তরুণ প্রজন্ম রক্ষা করেছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, জ্ঞানার্জন ছাত্র-ছাত্রীদের ইতিবাচক কাজে যুক্ত করে। এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস নিজেদের মধ্যে দায়িত্ববোধ আরো বাড়িয়ে দেয়। নতুন বাংলাদেশ, সম্ভাবনার বাংলাদেশ- সম্ভব হচ্ছে বিপুল তরুণ তরুণী ও ছাত্র ছাত্রীদের জন্য। আমরা অধিকার বর্জিত প্রজা ছিলাম। তরুণ প্রজন্ম আমাদের রক্ষা করেছে।

    শনিবার (৩১ মে) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অডিটরিয়ামে ‘জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব ২০২৫’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। উৎসবে ২০ জনকে বিজয়ী করা হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে চারজন আগামী জুলাই মাসে ফিলিপাইনে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে যোগদান করবেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ বাহন হলো শিক্ষা। আমরা এমন শিক্ষা ব্যবস্থা করতে চাই যেখানে সকলের শিক্ষার সুযোগ থাকবে। কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত হবে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে শিক্ষা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাগরিক মূল্যবোধ তৈরিতে শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনেক অস্থিরতার মাঝেও অপার সম্ভাবনার দেশ গঠনে আমরা কাজ করছি। এ ধরনের বিজ্ঞানমনস্ক উৎসব জাতি গঠনে আরো সহায়ক হবে।

    বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সভাপতিমন্ডলির সদস্য অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. ছগীর আহমেদ, বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক ড. তারিক আরাফাত।

    ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বায়োলজিকে প্রফেশন হিসেবে বেছে নিতে পারো। বায়োলজির বিস্তৃতি বিশাল। বায়োলজিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ অনেক বেশি। বায়োলজি জীবন সম্বন্ধে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। ছাত্র ছাত্রীদের যদি বিজ্ঞানের পথে যৌক্তিকতার পথে নিয়ে আসতে পারি, তখন তারা অযৌক্তিকতার পথে হাঁটবে না। এখনকার যুগ বায়োটেকনোলজির যুগ।

  • এমপিও নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    এমপিও নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি একক শ্রেণিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা হবে সাধারণত ৫৫ জন। আগের নীতিমালা অনুযায়ী তা ৪০ ছিল। এ ছাড়া সর্বোচ্চ তিনটি শাখা (মূল শাখা একটি ও অতিরিক্ত দুটি) থাকবে। প্রতিটি শ্রেণিতে অনুমোদিত শাখায় কর্মরত শিক্ষকের বাইরে এমপিও দেওয়া যাবে না।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) এই নীতিমালা সংশোধন করে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে বেতনের মূল অংশসহ কিছু ভাতা পান।

    সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী একাডেমিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক স্তর এমপিওভুক্ত না হয়ে কেবল নিম্নমাধ্যমিক স্তর (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) এমপিওভুক্ত হলে মাধ্যমিক স্তরে নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো বিষয়ের শিক্ষককে ওই প্রতিষ্ঠানের নিম্নমাধ্যমিক স্তরের শূন্য পদে একই বিষয়ে সমন্বয় করা যাবে। এ রকমভাবে আরও বেশ কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন করা হয়েছে।

  • আন্দোলনের মুখে কুয়েট ভিসি-প্রো-ভিসিকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত

    আন্দোলনের মুখে কুয়েট ভিসি-প্রো-ভিসিকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার।

    বুধবার দিবাগত রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    এ সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত সংকট নিরসন এবং শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার লক্ষ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং উপউপাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অনতিবিলম্বে একটি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ দুটি পদে নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে।

    এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার স্বার্থে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের মধ্য থেকে একজনকে সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব অর্পণ করা হবে।

    ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদল-যুবদলের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হন। এ ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৩ এপ্রিল বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

    গত ১৪ এপ্রিল রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০১তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারির সহিংসতার ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    এসব ঘটনায় কুয়েট উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদকে অপসারণের এক দফা দাবিতে ২২ এপ্রিল বিকেল থেকে আমরণ অনশনে বসেছিলেন ২৯ শিক্ষার্থী। বুধবার শিক্ষা উপদেষ্টা গিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ভিসির পদত্যাগের আলটিমেটামে দেন।

    তবে কুয়েট ভিসি বলেছিলেন, সরকার তাকে না সরালে নিজে থেকে পদ ছাড়বেন না। শেষ পর্যন্ত সরকার-ই তাকে ভিসির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।