Tag: এইচএসসি

  • ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগের ১১টি নির্দেশনা

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগের ১১টি নির্দেশনা

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (এইচএসসি পরীক্ষা) জন্য প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগের জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেছে। eTIF-পূরণের ক্ষেত্রে ১১টি বিধিনিষেধ ও দিকনির্দেশনা মানতে হবে।

    জেনে নিন eTIF-পূরণের ১১টি বিধিনিষেধ ও দিকনির্দেশনা—
    ১. প্রতিষ্ঠানপ্রধানসহ কর্মরত সব শিক্ষকের পরীক্ষার গোপনীয় কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে eTIF পূরণ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে অনুরোধ করা হয়েছে।

    ২. সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, প্রধান পরীক্ষক হওয়ার জন্য অনেক শিক্ষক মাস্টার ট্রেইনার না হওয়া সত্ত্বেও eTIF-এর ডেটায় মাস্টার ট্রেইনারের কলাম এন্ট্রি করেছেন, যা গর্হিত অপরাধ। সুতরাং যাঁরা প্রকৃতপক্ষে মাস্টার ট্রেইনার নন, তাঁরা অনতিবিলম্বে eTIF-এর ডেটা থেকে মাস্টার ট্রেইনার কলাম সংশোধন করবেন, নতুবা এরূপ প্রতারণামূলক তথ্য প্রদানের জন্য আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং প্রতিষ্ঠানপ্রধান সত্যায়নকারীর দায় এড়াতে পারবেন না। কারণ, প্রতিষ্ঠানপ্রধান হিসেবে তিনি প্রতিটি শিক্ষকের তথ্য অনুমোদনকারী।

    ৩. আরও দেখা যাচ্ছে, অনেক শিক্ষক তাঁদের পরীক্ষার ফলাফল তথ্য এসএসসি, এইচএসসি, স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান), মাস্টার্স, বিএড, এমএড, পিএইচডি ইত্যাদি পরীক্ষায় প্রাপ্ত বিভাগ/শ্রেণি eTIF-এর নির্দিষ্ট কলামে এন্ট্রি না করে ফাঁকা রাখেন, অথচ প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক হওয়ার ক্ষেত্রে ফলাফলে সুনির্দিষ্ট পয়েন্ট রয়েছে। সুতরাং অবিলম্বে ওই কলামে নিজ নিজ প্রাপ্ত বিভাগ/শ্রেণি এন্ট্রি করবেন।

    ৪. First Joining-এর ক্ষেত্রে অনেকে তাঁর বর্তমান স্কুল/কলেজে যোগদানের তারিখ দিয়ে থাকেন। এ কারণে তাঁর শিক্ষকতার প্রকৃত অভিজ্ঞতার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ একজন শিক্ষক একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ বছর কর্মরত ছিলেন, পরবর্তী সময়ে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে ৫ বছর কর্মরত আছেন, তাহলে তাঁর অভিজ্ঞতা হবে ১৫ বছর, এ ক্ষেত্রে বর্তমান প্রতিষ্ঠানে যোগদানের তারিখ দিয়ে ডেটা এন্ট্রি করলে অভিজ্ঞতা ৫ বছর বিবেচনায় আসবে। সুতরাং তাঁর First Joining হবে প্রথমম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানের তারিখ। উল্লেখ্য, প্রতিবছর সার্ভিসের জন্য আলাদা পয়েন্ট রয়েছে।

    ৫. শিক্ষকদের ডেটা পূরণের সময় অবশ্যই সোনালী ব্যাংকের (১৩ ডিজিটের) হিসাব নম্বর প্রদান করতে হবে।

    ৬. খণ্ডকালীন, অনিয়মিত এবং অক্ষম ও গুরুতর অসুস্থ শিক্ষকদের তথ্য eTIF-এ পূরণ করা যাবে না।

    ৭. যে শিক্ষক যে বিষয়ে পাঠদান করান বা করেন শুধু সে বিষয়েই Select করতে পারবেন।

    ৮. কলেজের ক্ষেত্রে শুধু যে বিষয়ে অনার্স, মাস্টার্স করেছেন সে বিষয়েই Select করতে পারবেন।

    ৯. শিক্ষকদের সব সনদ নিয়োগপত্র ইত্যাদি তথ্য–প্রমাণাদি প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে বোর্ড সেগুলো তলব করবে।

    ১০. eTIF পূরণে কোনো তথ্য গোপন বা অসত্য তথ্য সংযোজন করলে এর দায়দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে বহন করতে হবে।

    ১১. যেসব শিক্ষক PRL-রত অবস্থায় বা চাকরি ৬০ বছর চলমান (বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে) তাঁরা/তাঁদের ডেটা নিজ দায়িত্বে ডিলিট করতে হবে। যেসব শিক্ষক মৃত্যুবরণ করেছেন, তাঁদের তথ্য প্রতিষ্ঠানপ্রধান মুছে ফেলবেন।

    তথ্য পাঠানোর শেষ তারিখ—
    eTIF–সংক্রান্ত তথ্য আগামী ০১-০৬-২০২৫ তারিখের মধ্যে অবশ্যই পাঠাতে হবে। এরপরে পাঠানো কোনো তথ্য ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য প্রযোজ্য হবে না।

  • এসএসসির শুরুর দিনই অনুপস্থিত ২৬৯২৮ জন, বহিষ্কার ২২

    এসএসসির শুরুর দিনই অনুপস্থিত ২৬৯২৮ জন, বহিষ্কার ২২

    সারা দেশে একযোগে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার শুরুর দিনই অনুপস্থিত ছিলেন ২৬ হাজার ৯২৮ জন পরীক্ষার্থী। এসময় অসুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন ২২ জন পরীক্ষার্থী।

    বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) পরীক্ষা শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কন্ট্রোল রুম থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সারা দেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    তথ্য অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬৩০ জন। এর মধ্যে ১৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৯২ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৪ হাজার ৭৩৮ জন পরীক্ষার্থী।

    এসব বোর্ডে বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন পরীক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৪৯৬ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন ঢাকা বোর্ডে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ১৬২২, কুমিল্লা ২৫৫৩, যশোরে ১৮০০, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১১৭৩ জন, সিলেট ১১৭৩, বরিশালে ১ হাজার ৩৩, দিনাজপুরে ১৩৪১, ময়মনসিংহে ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ লাখ ৫২ হাজার ২৮৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৯ হাজার ৬২৩ জন। এ বোর্ডের আওতায় ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশহগ্রহণ করেছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৬৬৯ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এ বোর্ডে ২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৫ মে। প্রচলিত রীতিতে ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশিত হলে আগামী জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তা জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে চলতি বছরের এসএসস) ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষাবোর্ডের ১৯ লাখ ২৮ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার কথা ছিল।

    প্রথম দিনে এসএসসিতে বাংলা প্রথম পত্র, দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে পরীক্ষা।

  • এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

    এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য আরও সাতদিনের সময় বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড। নতুন সূচী অনুযায়ী আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ফরম পূরণ করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে ফরম পূরণের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বাদ পড়ার শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ফরম পূরণের সুযোগ পাবেন। সোনালী সেবার মাধ্যমে ২২ এপ্রিলের মধ্যে তাদের ফি পরিশোধ করতে হবে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শেষ করবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    এর আগে গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ফরম পূরণ চলে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন কারণে ফরম পূরণ করতে পারেনি এমন অনেকেই বোর্ডে এসে সময় বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছিলেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ফরম পূরণের সময় সাতদিন বাড়ানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ২৬ জুন থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। যা শেষ হবে ১০ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২১ আগস্ট শেষ হবে।