Tag: এসএসসি পরীক্ষা

  • শেষ হলো এসএসসির লিখিত পরীক্ষা, ১৫ মে শুরু ব্যবহারিক

    শেষ হলো এসএসসির লিখিত পরীক্ষা, ১৫ মে শুরু ব্যবহারিক

    ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছিল গত ১০ এপ্রিল। এর মধ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) শেষ হয়েছে ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত লিখিত (তত্ত্বীয়) অংশের পরীক্ষা। আর মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরিচালিত দাখিল পরীক্ষা শেষ হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ মে)। একইদিন শুরু হবে স্কুলের ব্যবহারিক পরীক্ষা, যা চলবে ২২ মে পর্যন্ত। আর মাদ্রাসার ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৬-২২ মে পর্যন্ত।

    এ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডই নির্দেশ দিয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে নম্বরপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র বোর্ডে জমা দিতে। স্কুল ও মাদ্রাসার ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল সংক্রান্ত সব নথিপত্র বোর্ডে ২৫ মে’র মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

    জানা গেছে, চলতি বছর সারা দেশে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।

    সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল ঢাকা বোর্ডে –৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ জন। এরপরই রয়েছে দিনাজপুর বোর্ড (১ লাখ ৮২ হাজার ৪১০), রাজশাহী (১ লাখ ৮১ হাজার ৯০৪), কুমিল্লা (১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০), যশোর (১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪), চট্টগ্রাম (১ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮), ময়মনসিংহ (১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৭), সিলেট (১ লাখ ২ হাজার ৮৭২) এবং বরিশাল (৮৪ হাজার ১৮)।

    মাদ্রাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন। অন্যদিকে, কারিগরি বোর্ডে ছাত্র ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন ও ছাত্রী ৩৪ হাজার ৯২৮ জন অংশ নিয়েছে।

    পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত সারা দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হয়। প্রশ্নফাঁস রোধে পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় সরকার।

  • এসএসসির দ্বিতীয় দিনে শতাধিক বহিষ্কার, অনুপস্থিত ২৯হাজার

    এসএসসির দ্বিতীয় দিনে শতাধিক বহিষ্কার, অনুপস্থিত ২৯হাজার

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে ৮৩ জন পরীক্ষার্থী ও ১৮ জন পরিদর্শকসহ মোট ১০১ জন বহিষ্কৃত হয়েছে। এদিন অনুপস্থিত ছিলেন ২৮ হাজার ৯৪৩ জন পরীক্ষার্থী।

    মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকালে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    এদিন এসএসসিতে ইংরেজি প্রথম পত্র, দাখিলে আরবি দ্বিতীয় পত্র এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে গণিত-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে এতে বলা হয়, এদিন এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১৭ লাখ ৫৭ হাজার ৩৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেন ১৭ লাখ ২৪ হাজার ৯৩ জন। বাকি ২৮ হাজার ৯৪৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে। ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে বিদেশের ৯টি কেন্দ্র ছাড়া ৩ হাজার ৭০৬টি কেন্দ্রের তথ্য দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় বহিষ্কার ৩১
    নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসির ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ২ হাজার ২৯১টি কেন্দ্রে। বিদেশের ৯টি কেন্দ্র ছাড়া ২ হাজার ২৮২টি কেন্দ্রের তথ্য তুলে ধরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় ৩১ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।

    তাদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডের ৯ জন, রাজশাহী বোর্ডের ১ জন, কুমিল্লা বোর্ডের ৩ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডের ১ জন, বরিশাল বোর্ডের ৪ জন, দিনাজপুর বোর্ডের ৫ জন ও ময়মনসিংহ বোর্ডের ৮ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।

    নয়টি সাধারণ বোর্ডের এসএসসির ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় ওই ২ হাজার ২৮২টি কেন্দ্রে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫৯৩ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। অংশ নেন ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৯৬৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৫ হাজার ৬২৮ জন।

    ঢাকা বোর্ডের ৪৩৮টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৮৯৬ জন, রাজশাহী বোর্ডের ২৬৯টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৫৬ জন, কুমিল্লা বোর্ডের ২৭৩টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৯৩৯ জন, যশোর বোর্ডের ২৯৯টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডের ২১৯ টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৩৪৮জন, সিলেট বোর্ডের ১৫৪টি কেন্দ্রে ৯৩৪ জন, বরিশাল বোর্ডের ১৯৪টি কেন্দ্রে ১ হাজার ২৫২ জন, দিনাজপুর বোর্ডের ২৮০টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৩৬৭জন এবং ময়মনসিংহ বোর্ডের ১৫৬টি কেন্দ্রে ১ হাজার ২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

    আরবি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় বহিষ্কার ১৯
    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিলের আরবি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় ১৬ জন পরীক্ষার্থী ও ৩ জন পরিদর্শকসহ মোট ১৯ জন বহিষ্কৃত হওয়ার খবর দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য বলছে, ৭২৫টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭৯ জন পরীক্ষার্থী আরবি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৮৯ জন। ১০ হাজার ৪৯০ জন অনুপস্থিত ছিলেন। বহিষ্কৃত হয়েছেন ১৬ জন পরীক্ষার্থী ও ৩ জন পরিদর্শক।

    ভোকেশনালের গণিত-২ পরীক্ষায় বহিষ্কার ৫১
    এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের দ্বিতীয় দিনে গণিত-২ পরীক্ষা ৩৬ জন পরীক্ষার্থী ও ১৫ জন পরিদর্শকসহ মোট ৫১ জন বহিষ্কৃত হওয়ার তথ্য দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬৯৯টি কেন্দ্রে এদিন এসএসসি ও ভোকেশনালের গণিত-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    কমিটি জানিয়েছে, এসব কেন্দ্রে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষায় বসেছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৩৯ জন। ২ হাজার ৮২৫ জন অনুপস্থিত ছিলেন এবং ৩৬ জন পরীক্ষার্থী ও ১৫ জন পরিদর্শক বহিষ্কৃত হয়েছেন এ পরীক্ষায়।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর নিয়মিত-অনিয়মিতসহ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা আছে মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার পরীক্ষার্থীর। নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় বসার কথা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জনের এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন।

  • ৫২ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন নাটোরের দুলু

    ৫২ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন নাটোরের দুলু

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ৫২ বছর বয়সে এবারের চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন দুলু। তিনি প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি লাভের পর ১৯৯০ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় বসেছিলেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের শিকার হয়ে সেবার বহিষ্কারর হন। এরপর বন্ধ হয়ে যায় তার পড়ালেখা।

    অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ইউপি সদস্য দুলু। এরপর স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় আবারও পড়ালেখা করার মনোবল ফিরে পান। অবশেষে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।

    দুলু জানান, তার পরিবারের সবাই শিক্ষিত। শুধু তিনিই কম শিক্ষিত হওয়ায় প্রতিনিয়তই মনকষ্টে ভুগছিলেন। ২০২১ সালে বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩ নম্বর করমদোশী ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি নতুন করে লেখাপড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর তিনি পার্শ্ববর্তী রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার উমরগাড়ী দারুল খায়ের দ্বি-মুখি দাখিল মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন। এবার তিনি এসএসসি দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    তিনি আরো জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি ভালো ছাত্র ছিলেন। ১৯৮৫ সালে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক বৃত্তি এবং ১৯৮৮ সালে জামনগর দ্বি-মুখি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে বাগাতিপাড়া কেন্দ্রে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহরাব হোসেন তাকে বহিষ্কার করেন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তার স্বপ্ন ভেঙে গেলেও নতুন করে স্বপ্ন দেখে তার বাস্তবে রূপ দিতেই অংশ নিয়েছেন এবারের পরীক্ষায়। দুলু তার জন্য সকলের কাছে দেয়াও চেয়েছেন।

    জামনগর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম রাব্বানী দুলুর পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই বয়সে চক্ষু লজ্জা উপেক্ষা করে দুলু যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে সেজন্য তাকে সাধুবাদ জানাই। আসলে পড়ালেখার কোনো বয়স নাই তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ দুলু।

  • এসএসসির শুরুর দিনই অনুপস্থিত ২৬৯২৮ জন, বহিষ্কার ২২

    এসএসসির শুরুর দিনই অনুপস্থিত ২৬৯২৮ জন, বহিষ্কার ২২

    সারা দেশে একযোগে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার শুরুর দিনই অনুপস্থিত ছিলেন ২৬ হাজার ৯২৮ জন পরীক্ষার্থী। এসময় অসুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন ২২ জন পরীক্ষার্থী।

    বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) পরীক্ষা শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কন্ট্রোল রুম থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সারা দেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    তথ্য অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬৩০ জন। এর মধ্যে ১৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৯২ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৪ হাজার ৭৩৮ জন পরীক্ষার্থী।

    এসব বোর্ডে বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন পরীক্ষার্থী। সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৪৯৬ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন ঢাকা বোর্ডে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ১৬২২, কুমিল্লা ২৫৫৩, যশোরে ১৮০০, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১১৭৩ জন, সিলেট ১১৭৩, বরিশালে ১ হাজার ৩৩, দিনাজপুরে ১৩৪১, ময়মনসিংহে ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ লাখ ৫২ হাজার ২৮৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৯ হাজার ৬২৩ জন। এ বোর্ডের আওতায় ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশহগ্রহণ করেছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৬৬৯ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এ বোর্ডে ২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৫ মে। প্রচলিত রীতিতে ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশিত হলে আগামী জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তা জানতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয়েছে চলতি বছরের এসএসস) ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষাবোর্ডের ১৯ লাখ ২৮ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার কথা ছিল।

    প্রথম দিনে এসএসসিতে বাংলা প্রথম পত্র, দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে পরীক্ষা।

  • প্রশ্নফাঁস ঠেকানোকে টপ প্রায়োরিটি হিসেবে দেখছি: শিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রশ্নফাঁস ঠেকানোকে টপ প্রায়োরিটি হিসেবে দেখছি: শিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রশ্নফাঁস ঠেকানোকে টপ প্রায়োরিটি হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার। বলেন, যে সূত্র বা উৎস দিয়ে প্রশ্ন বের হয়ে যায়, ফাঁস হয়; সেসব উৎসে আমাদের কঠোর নজরদারি ছিল, আছে এবং থাকবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকানোকে আমাদের টপ প্রায়োরিটি এরিয়া হিসেবে দেখেছি। এটা রোধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

    বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে উপদেষ্টা রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার সোয়া ১৯ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী। তাদের জন্য ভালো পরিবেশে পরীক্ষার আয়োজন করাটাও বিশাল এক কর্মযজ্ঞ। এটা শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব নয়। দেশের প্রায় সব অংশীজনের সহযোগিতা প্রয়োজন। আজ পরীক্ষাটা শুরু হলো; এটা এক মাস চলবে। সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা পরীক্ষাটা শেষ করতে চাই।

    ফেসবুকে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ায়। তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে এমন কাজ করবেন না। কারণ এ পরীক্ষা অনেক প্রস্তুতির পর অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থী-অভিভাবক সবাই এক ধরনের চাপে থাকেন। সুতরাং গুজব ছড়িয়ে তাদের চাপটা দয়া করে আর বাড়াবেন না।

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৩ মে। এছাড়া দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজভিদ এবং কারিগরীতে বাংলা ২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এসব পরীক্ষা চলবে।

    এবার প্রশ্নফাঁস, গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়াও পরীক্ষা উপলক্ষে পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি)। আর পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের এসএসসি ও এসএসসি (ভোকেশনাল), দাখিল ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। যেহেতু পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন, সেহেতু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স-এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত জনসাধারণের অনধিকার প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এই আদেশ আগামী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনগুলোতে পরীক্ষা চলাকালীন সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে গণবিজ্ঞপ্তিতে।

    এর আগে গত মঙ্গলবার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়ে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব/ঘটনা, নকল/অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন ১৯৮০, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসছেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষা দেবেন ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষা দেবেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন এবং ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন ছাত্রী। ১৮ হাজার ৮৪টি স্কুলের এসব শিক্ষার্থী ২ হাজার ২৯১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন।

    দাখিল পরীক্ষায় ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন। ৯ হাজার ৬৩টি মাদ্রাসার এসব পরীক্ষার্থী ৭২৫টি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    আর এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ছাত্রের সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন; ছাত্রী আছেন ৩৪ হাজার ৯২৮জন।

  • এসএসসি পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণ প্রবেশ নিষেধ

    এসএসসি পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণ প্রবেশ নিষেধ

    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের এসএসসি ও এসএসসি (ভোকেশনাল), দাখিল ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। যেহেতু পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন, সেহেতু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স-এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত জনসাধারণের অনধিকার প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

    এতে বলা হয়, এই আদেশ আগামী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনগুলোতে পরীক্ষা চলাকালীন সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নিয়ম

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নিয়ম

    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হবে। বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে এবারের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত। এ বছর ১৯ লাখ ২৮ হাজার পরীক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    নির্দিষ্ট দিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ থেকে ২২ মে পর্যন্ত। প্রশ্নফাঁস, গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতি বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো—

    ১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে;

    ২. প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে;

    ৩. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না;

    ৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে;

    ৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে;

    ৬. পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না;

    ৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে;

    ৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না;

    ৯. কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা (সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক) নিজ বিদ্যালয়ে/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে;

    ১০. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে;

    ১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না;

    ১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে;

    ১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্র/ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে;

    ১৪. পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

  • এসএসসিতে নকল-প্রশ্নফাঁসে জড়ালেই শাস্তি

    এসএসসিতে নকল-প্রশ্নফাঁসে জড়ালেই শাস্তি

    আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নকল বা অসদুপায় অবলম্বন করলে এবং প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বা গুজব ছড়ানোতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো মোর্চ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব/ঘটনা, নকল/অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন ১৯৮০, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠেয় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীরা যেন পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে আসন নেয় এবং মোবাইল ফোনসহ যেকোনও প্রকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা নকল নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে না আসে এবং সামাজিক যোগাযোগ বা অন্য কোনও মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পাওয়ার চেষ্টা না করে সে বিষয়ে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক সমাজ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ সব নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করছি।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের গুজব বা ঘটনা ও নকল বা অসদুপায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওই আইনগুলো ও বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়ালে বা গুজব ছড়ালে এবং নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ওই আইনগুলো অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হবেন।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ১০ এপ্রিল। বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। যা শেষ হবে (তত্ত্বীয় পরীক্ষা) শেষ হবে ১৩ মে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নেওয়া হবে এ পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১৫ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে। এবারের এসএসসি পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে, সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও সময়ে।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসছেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষা দেবেন ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষা দেবেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন এবং ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন ছাত্রী। ১৮ হাজার ৮৪টি স্কুলের এসব শিক্ষার্থী ২ হাজার ২৯১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন।

    দাখিল পরীক্ষায় ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন। ৯ হাজার ৬৩টি মাদ্রাসার এসব পরীক্ষার্থী ৭২৫টি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    আর এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ছাত্রের সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন; ছাত্রী আছেন ৩৪ হাজার ৯২৮জন।

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়ের মধ্যে আপনি যদি সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন, তবে পরীক্ষার ফলাফল অনেক ভালো হতে পারে।

    এখানে কিছু বিস্তারিত পরামর্শ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকরী করে তুলবে:

    ১. পুনরায় রিভিশন 

    • গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলোর রিভিশন: পরীক্ষা কাছাকাছি চলে আসলে পুরো সিলেবাস পড়ার সময় কমে যায়, তবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো রিভাইজ করুন। প্রতিটি বিষয়ের জন্য প্রধান মূলনীতি, সূত্র বা কৌশলগুলো মনে রাখুন।
      • গণিত ও বিজ্ঞান: সূত্র, নিয়ম, সমীকরণ এবং সমস্যার সমাধান কিভাবে করতে হয়, এগুলো বারবার করতে থাকুন।
      • বাংলা, ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা: ছোট ছোট নোটস তৈরি করুন। প্রবন্ধ বা সৃজনশীল লেখা এবং কাব্যাংশের মূল পয়েন্টগুলো রিভাইজ করুন।
    • কনসেপ্ট ক্লিয়ার করা: বিশেষত যদি কোন বিষয় নিয়ে কিছুটা সন্দেহ থাকে, তখন সেগুলোর কনসেপ্ট পুরোপুরি ক্লিয়ার করে নিন। শিক্ষক বা সহপাঠীদের সাথে আলোচনা করে বুঝে নিন।

    ২. পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র দেখা

    • প্রশ্নের ধরন বুঝুন: প্রতি বছর পরীক্ষা প্রশ্নের ধরন প্রায় একই থাকে। আগের বছরের প্রশ্নপত্র দেখে আপনি জানতে পারবেন কোন ধরনের প্রশ্ন বেশি আসে, যেমন:
      • বর্ণনা প্রশ্ন: বাংলা, ইংরেজি বা অন্যান্য বিষয়ে বর্ণনামূলক প্রশ্ন আসে, যেমন ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কারণ’ বা ‘কোনো বিশেষ বিজ্ঞানী সম্পর্কে’।
      • চিত্র বিশ্লেষণ: গণিত বা বিজ্ঞান বিষয়ে কোনো চিত্র বা গ্রাফের মাধ্যমে প্রশ্ন করা হয়।
      • সংক্ষেপে উত্তর: ছোট প্রশ্নগুলো খুব সঠিকভাবে দিতে হবে।
    • প্র্যাকটিস করে দেখুন: পুরানো প্রশ্নগুলো দেখে দেখুন, এবং সময়মতো সেগুলোর উত্তর দিন। এটি আপনার টাইম ম্যানেজমেন্টের জন্য সহায়ক হবে।

    ৩. টাইম ম্যানেজমেন্ট 

    • পরীক্ষার দিনে কীভাবে সময় ব্যবহার করবেন:
      • প্রথমে প্রশ্নপত্র দেখে বুঝে নিন কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনি দ্রুত দিতে পারবেন। সহজ প্রশ্নগুলো আগে করুন, যাতে সময় বাঁচানো যায়।
      • যদি কোনও প্রশ্নে আটকে যান, তবে সেই প্রশ্ন রেখে অন্য প্রশ্নে চলে যান। পরে সময় পেলে সেটি আবার চেষ্টা করুন।
      • অনুশীলন: আপনি মক টেস্ট দিলে সঠিকভাবে সময় কিভাবে পরিচালনা করতে হয় সেটা আয়ত্তে আনতে পারবেন।
    • প্রতিটি প্রশ্নের জন্য সময় নির্ধারণ করুন: যদি ৩ ঘণ্টার পরীক্ষা হয়, তবে ১ ঘণ্টা প্রতি পত্র বা প্রশ্নের জন্য সময় দিয়ে রাখুন।

    ৪. মেন্টাল প্রস্তুতি

    • পরীক্ষার চাপ মোকাবেলা: পরীক্ষার সময় অস্থিরতা এবং উদ্বেগ সাধারণ বিষয়। নিজের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখুন।
    • পরীক্ষা শুরুর আগে কিছু সময় শান্তভাবে বসে থাকুন, গভীর শ্বাস গ্রহণ করুন এবং চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।
    • স্বস্তি বজায় রাখা: প্রতিদিন কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। অতি চাপ নেওয়া বা অতিরিক্ত পড়াশোনা করা আপনার মনোযোগ কমিয়ে দিতে পারে। একটু হাঁটাহাঁটি বা প্রিয় কিছু কাজ করলে মন ভালো থাকে।

    ৫. স্বাস্থ্য এবং খাবার 

    • সুস্থ থাকার জন্য ভালো খাবার: পড়াশোনার জন্য আপনার শরীর সুস্থ থাকতে হবে। তাই ভিটামিন, প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খেতে চেষ্টা করুন। ফলমূল, ডিম, দুধ, শাকসবজি বেশি খাবেন।
    • পর্যাপ্ত ঘুম: পরীক্ষা দেওয়ার আগের রাতে যথেষ্ট ঘুম নিন, কারণ ঘুমের অভাবে আপনার মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করবে না এবং ফোকাস হারিয়ে ফেলবেন।
    • পানি পান করা: শরীরে পানির অভাবও আপনাকে অস্থির বা ক্লান্ত করে দিতে পারে, তাই পানি খাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

    ৬. গণনা এবং মৌলিক বিষয়গুলো দেখে নেয়া 

    • গণিত এবং বিজ্ঞান: গণিতের জন্য সমস্ত সূত্র এবং নিয়মগুলো রিভাইজ করুন। উদাহরণস্বরূপ, অ্যালজেব্রা, জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি এবং গাণিতিক প্রশ্নগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
    • বিজ্ঞান বিষয়ে বিভিন্ন নীতিমালা এবং সূত্রগুলি গুরুত্ব সহকারে দেখে নিন।
    • ইংরেজি এবং অন্যান্য ভাষা: ইংরেজির গ্রামার এবং রচনাশৈলী রিভাইজ করুন। গত বছরগুলোর প্রবন্ধ এবং সৃজনশীল লেখার ধরন দেখে অভ্যস্ত হন।

    ৭. মক টেস্ট

    • পদক্ষেপ ১: পরীক্ষার মতো বাস্তব পরিবেশে মক টেস্ট দিন। এইভাবে আপনি পরীক্ষার দিন প্রকৃত পরীক্ষার পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারবেন।
    • পদক্ষেপ ২: মক টেস্টের পর আপনার ফলাফল বিশ্লেষণ করুন। আপনি কোথায় ভুল করছেন, বা কোন প্রশ্নের ক্ষেত্রে বেশি সময় ব্যয় করছেন, তা দেখে সংশোধন করুন।

    ৮. বিশেষজ্ঞের সহায়তা 

    • শিক্ষক এবং সহপাঠীদের সাহায্য নিন: যদি কোনো বিষয়ে সমস্যা থাকে, তবে আপনার শিক্ষক বা সহপাঠীদের কাছে জানতে পারেন। অনেক সময় আপনারা একসাথে পড়লে কোনো বিষয় পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে।
    • অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ: যদি সম্ভব হয়, তবে টিউটরের মাধ্যমে কিছু অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিন, বিশেষ করে যে বিষয়গুলোতে আপনি দুর্বল।

    ৯. নির্ধারিত বিষয়বস্তু 

    • বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পড়ুন: কোন বিষয়টি বা বিষয়গুলোর উপর আপনি বেশি দুর্বল, সেগুলোতে মনোযোগ দিন।
    • যেমন, গণিতের কোনো বিশেষ সমস্যা অথবা ইংরেজির রচনা বিষয়, আপনি যেগুলোর জন্য ঝুঁকি অনুভব করছেন, সেগুলো তাড়াতাড়ি ঠিক করে নিন।

    ১০. পরীক্ষা হলে কিভাবে মনোযোগ দিবেন 

    • পরীক্ষা চলাকালীন মনোযোগ এবং স্থিরতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে প্রশ্নপত্রটি ভালো করে পড়ুন এবং বুঝে সঠিকভাবে উত্তর দিন।