Tag: শিক্ষা উপদেষ্টা

  • আমরা অধিকার বর্জিত প্রজা ছিলাম, তরুণ প্রজন্ম রক্ষা করেছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    আমরা অধিকার বর্জিত প্রজা ছিলাম, তরুণ প্রজন্ম রক্ষা করেছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, জ্ঞানার্জন ছাত্র-ছাত্রীদের ইতিবাচক কাজে যুক্ত করে। এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস নিজেদের মধ্যে দায়িত্ববোধ আরো বাড়িয়ে দেয়। নতুন বাংলাদেশ, সম্ভাবনার বাংলাদেশ- সম্ভব হচ্ছে বিপুল তরুণ তরুণী ও ছাত্র ছাত্রীদের জন্য। আমরা অধিকার বর্জিত প্রজা ছিলাম। তরুণ প্রজন্ম আমাদের রক্ষা করেছে।

    শনিবার (৩১ মে) বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অডিটরিয়ামে ‘জাতীয় জীববিজ্ঞান উৎসব ২০২৫’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। উৎসবে ২০ জনকে বিজয়ী করা হয়েছে। তাদের মধ্য থেকে চারজন আগামী জুলাই মাসে ফিলিপাইনে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে যোগদান করবেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ বাহন হলো শিক্ষা। আমরা এমন শিক্ষা ব্যবস্থা করতে চাই যেখানে সকলের শিক্ষার সুযোগ থাকবে। কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত হবে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে শিক্ষা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নাগরিক মূল্যবোধ তৈরিতে শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনেক অস্থিরতার মাঝেও অপার সম্ভাবনার দেশ গঠনে আমরা কাজ করছি। এ ধরনের বিজ্ঞানমনস্ক উৎসব জাতি গঠনে আরো সহায়ক হবে।

    বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রাখহরি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সভাপতিমন্ডলির সদস্য অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো. ছগীর আহমেদ, বাংলাদেশ জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক ড. তারিক আরাফাত।

    ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বায়োলজিকে প্রফেশন হিসেবে বেছে নিতে পারো। বায়োলজির বিস্তৃতি বিশাল। বায়োলজিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ অনেক বেশি। বায়োলজি জীবন সম্বন্ধে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। ছাত্র ছাত্রীদের যদি বিজ্ঞানের পথে যৌক্তিকতার পথে নিয়ে আসতে পারি, তখন তারা অযৌক্তিকতার পথে হাঁটবে না। এখনকার যুগ বায়োটেকনোলজির যুগ।

  • বইপড়ুয়া সমাজ আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়বে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    বইপড়ুয়া সমাজ আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়বে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার বলেছেন, আমাদের বুদ্ধিভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করতে হলে বইপড়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। একটি বইপড়ুয়া সমাজ আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে। বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবসটি সারা বিশ্বের বইপ্রেমীরা বিশেষভাবে উদযাপন করেন। বইপড়া, বই ছাপানো, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ২৩ এপ্রিল ইউনেসকোর উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ জ্যেষ্ঠ সচিব ও বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের সেক্রেটারি জেনারেল সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র অনেক বছর ধরে আমাদের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে বইপড়া কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে মাধ্যমিক পর্যায়ে বইপড়া কার্যক্রমে যুক্ত ছিল। আশা করছি, এ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সারাদেশে শিগগির শুরু হবে এবং তা চলমান থাকবে।

    আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ বলেন, আমাদের মধ্যে কপিরাইট বিষয়ে সচেতনতা কম। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কপিরাইটের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তিনি সাহিত্য-সংস্কৃতির মেলবন্ধনে আন্তর্জাতিক বইমেলা আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস, কপিরাইট রেজিস্টার, (যুগ্ম-সচিব) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিজানুর রহমান বলেন, পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে সৃজনশীল মানুষের মধ্যে কপিরাইটের নিবন্ধন করার প্রবণতা কম। এ বিষয়ে কপিরাইটের নিবন্ধন করার জন্য সৃজনশীল মানুষদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সভাপতির বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা হচ্ছে আমাদের জাতীয় মুক্তির সবোর্চ্চ মাধ্যম। বইপড়ার মাধ্যমে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষদের সঙ্গে কথা বলা যায়। বই মানুষকে জীবন অতিক্রম করতে শেখায়। তিনি বাংলাদেশে পাঠক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বইমেলার প্রবর্তক চিত্তরঞ্জন সাহার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন এবং আগামী বছর গুলোতে সমগ্র বাংলাদেশে বই পড়া কার্যক্রমে অন্তত ৫০ লক্ষ পাঠক এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মিজ জুবাইদা মান্নান স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম-পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।

    দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার পাশাপাশি কেন্দ্রের প্রকাশনা বিভাগের সব বইয়ের ওপর সপ্তাহব্যাপী (২৩ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত) বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কুমিল্লা ও খাগড়াছড়িসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • ন্যায়ভিত্তিক পৃথিবী গড়তে তরুণদের প্রতি আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

    ন্যায়ভিত্তিক পৃথিবী গড়তে তরুণদের প্রতি আহ্বান শিক্ষা উপদেষ্টার

    শান্তি, সহিষ্ণুতা ও ন্যায়ভিত্তিক পৃথিবী গড়তে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি বলেন, একদিকে নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী অসহিষ্ণুতা, উগ্রজাতীয়তাবাদ এবং সংকীর্ণতা বড় অর্জনের পথে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও শ্রম দিয়ে নতুন পৃথিবী গড়ে তুলতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর আফতাবনগর খেলার মাঠে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি প্রদান করেন। সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে দুই হাজার ৮৮৫ জন শিক্ষার্থীকে সনদ দেয়া হয়। এছাড়া অনন্য মেধাবী ছয়জন শিক্ষার্থীকে দেয়া হয় স্বর্ণ পদক।

    অনুষ্ঠানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ, এপেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান ও উপ-উপাচার্য, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারপার্সন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, গ্র্যাজুয়েট ও তাঁদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।