Author: প্রিয় ক্যাম্পাস ডেস্ক

  • ডাকসু নির্বাচন: আদেশ স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল, শুনানি কাল

    ডাকসু নির্বাচন: আদেশ স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল, শুনানি কাল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি আগামীকাল বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

    আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, গত সোমবার হাইকোর্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করে যে আদেশ দিয়েছিল, সেটি স্থগিত করার জন্য দ্রুত চেম্বার আদালতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে হাতে লেখা একটি আবেদন দাখিল করা হয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন এবং একইসাথে একটি পূর্ণাঙ্গ আপিল আবেদন দাখিল করতে বলেন।

    তিনি আরও বলেন, সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার আপিল আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। চেম্বার আদালত এটি আগামীকাল বুধবার প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছেন এবং একই সাথে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন।

    এর আগে গতকাল সোমবার ডাকসু নির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। একই দিন ওই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন চেম্বার আদালত।

    গত ২৮ আগস্ট ডাকসু নির্বাচনে এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে অপরাজেয় ৭১’, ‘অদম্য ২৪’ প্যানেলের বামজোট মনোনীত প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।

    ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়া কথা।

    ডাকসু নির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ও বামপন্থি ছাত্রসংগঠনগুলো পৃথক প্যানেল ঘোষণা করেছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে এবার ১০টির মতো প্যানেল দেওয়া হয়েছে।

    ডাকসু ভোটে এবার ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। সদস্যপদে সবচেয়ে বেশি রয়েছেন ২১৭ প্রার্থী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে ১৩টি পদে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন মোট এক হাজার ৩৫ প্রার্থী।

  • ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চবির সব পরীক্ষা স্থগিত

    ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চবির সব পরীক্ষা স্থগিত

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত সব বিভাগ-ইনস্টিটিউটের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এদিকে, এরপর দুপুর ৪টায় পরীক্ষা স্থগিতের বিজ্ঞপ্তি সংশোধনী করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্বাক্ষরিত আরেকটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।

    ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘোষিত সময়ে বিভাগীয় অ্যাকাডেমিক কমিটির মাধ্যমে শতভাগ পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউটের চলমান পরীক্ষা নিতে পারবেন।

    এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে গতকাল বেলা ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়।  এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

    শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্রী ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেটের কাছে একটি ভবনে ভাড়া থাকেন। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার পর তিনি ওই ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে ভবনের দারোয়ান তাকে মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতের পর রবিবার দ্বিতীয় দফায় সংঘাতে জড়ায় স্থানীয় লোকজন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন, যা সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

  • দেনা-পাওনায় প্রভা ইন, আউট দীঘি

    দেনা-পাওনায় প্রভা ইন, আউট দীঘি

    আবারও নতুন একটি সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে সরকারি অনুদানে নির্মাণ করতে যাচ্ছে ‘দেনা-পাওনা’। সেই সিনেমার শুরুতে নিরুপমা চরিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চরিত্রে অভিনয় করা হচ্ছে না তার। এর পরিবর্তে নেওয়া হয়েছে অভিনেত্রী প্রভাকে।

    দীঘির সিনেমায় সময় দিতে না পারার কারণ বলছেন নির্মাতা। এটাই কি সত্যি, নাকি কোন অদৃশ্য কারণে বাদ পড়লেন অভিনেত্রী। বারবার কেন সিনেমা থেকে বাদ পড়ছেন দীঘি, সেটাই সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মনে বারবার প্রশ্ন?

    এই প্রথমবারের মতো নয়, এর আগেও অভিনেত্রীর সঙ্গে ঘটেছে এমন ঘটনা। আলোচিত ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, দাবি করেন দীঘি। পরে সেই সিনেমায় তার পরিবর্তে নেওয়া হয় তমা মির্জাকে। এ ছাড়া গত ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘টগর’ সিনেমাতেও তার পরিবর্তে নেওয়া হয় পূজা চেরিকে। এবার বাদ পড়লেন ‘দেনা পাওনা’ সিনেমা থেকে।

    অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির সিনেমা থেকে বাদ পড়া প্রসঙ্গে সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম জানতে চাইলে কারণ হিসেবে পরিচালক সাদেক সিদ্দিকী বলেন, ‘দেনা-পাওনা’ সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হলেও কাজের জন্য তিনি সময় দিতে পারেননি। তাই নিরুপমা চরিত্রে প্রভাকে নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে ‘টগর’ সিনেমার পরিচালক আলোক হাসান দীঘির বিরুদ্ধে অসহযোগিতামূলক আচরণ এবং অপেশাদারত্বের অভিযোগ তুলেছিলেন। অন্যদিকে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় বাদ পড়ার সময়ও দীঘি অপেশাদার বলে অভিযোগ আনেন পরিচালক রায়হান রাফী।

    এ প্রসঙ্গে ‘দেনা পাওনা’র পরিচালক সাদেক সিদ্দিকী বলেন, না, এখানে তেমন কোনো বিষয় নেই। আমার সঙ্গে সবার সম্পর্ক ভালো। দ্বন্দ্বের প্রশ্নই আসে না। দীঘি শুধু সময় দিতে পারেননি, এতটুকুই। আমরা ওকে মিস করেছি। এ নির্মাতা বলেন, প্রভা অভিনয় করছেন নিরুপমা চরিত্রে। তার বিপরীতে কলকাতার এক ম্যাজিস্ট্রেট ও জমিদারের ছেলে চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামনুন ইমন।

  • চবি-বাকৃবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    চবি-বাকৃবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগ রাখছে মন্ত্রণালয়।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে।

    এতে বলা হয়, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেগুলো হলো- শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ যারা আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    জেলা প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

    আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে এ কমিটি কাজ করবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত সম্পর্কেও জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে বলা হয়, বাকৃবি সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    এদিকে, চবি-বাকৃবিসহ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইউজিসির কাছে প্রস্তাব চাওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করার জন্য প্রয়োজনীয়তা যাচাইপূর্বক সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের প্রস্তাব প্রেরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ হতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • চেম্বার আদালতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন

    চেম্বার আদালতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, অনুষ্ঠিত হবে ডাকসু নির্বাচন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিতের জন্য হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল তা এক ঘণ্টার মধ্যে  আটকে গেল চেম্বার আদালতে।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাই কোর্টের ওই আদেশ স্থগিত করে দেয়।

    বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, ডাকসু স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ আদালত। আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল পর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত। আগামীকাল এর ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের আদেশ বাতিল চেয়ে চেম্বার আদালতে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে কোন প্রক্রিয়ায় ডাকসু নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়ন, বাছাই ও চূড়ান্ত করা হচ্ছে এবং ভোটের প্রস্তুতির প্রক্রিয়া কী—এ বিষয়েও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

    একইসঙ্গে রিটকারী বামজোটের প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলমকে এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ ১৫ দিনের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

    এবারের ডাকসু নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা গত ২৬ আগস্ট প্রকাশ করা হয়। তালিকায় এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা রিটে তাঁর বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।

    রিট আবেদনে দেখা যায়, ডাকসুর নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা দেওয়াটা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।

    আসন্ন নির্বাচনে এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা বাতিল করে তাঁকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার অংশটুকুর কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

    ডাকসুর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কেন্দ্রীয় কমিটি ও হল সংসদগুলোর নির্বাচন আগমী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এই নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ আলাদা প্যানেল দিয়েছে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো দুটি প্যানেলে দিয়েছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে মোট প্যানেল ১০টির মতো।

    এবার ডাকসুর ২৮টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। আর সদস্যপদে সবচেয়ে বেশি ২১৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। আর ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট ১ হাজার ৩৫ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

  • স্কুল-কলেজের সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক পাস, দায়িত্ব টানা দুইবারের বেশি নয়

    স্কুল-কলেজের সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক পাস, দায়িত্ব টানা দুইবারের বেশি নয়

    এইচএসসি পাশের পরিবর্তে এবার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজগুলোর কমিটির সভাপতির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্নাতক’ নির্ধারণ করে গেজেট জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শুধু তাই নয়, একই ব্যক্তি টানা দুই বারের বেশি বেসরকারি স্কুল ও কলেজ কমিটির সভাপতি হতে পারবে না এমন বিধানও রাখা হয়েছে। এছাড়াও কোনো ব্যক্তি একটির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি এবং যে কোনো ধরনের মোট তিনটি অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। একই সঙ্গে সংশোধন করা হয়েছে বর্তমান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালাও।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এ গেজেট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে গতকাল রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ‘বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৫’ জারি করা হয়। ময়মনসিংহ ও সিলেট শিক্ষাবোর্ড এবং গত ২৮ আগস্ট ঢাকা শিক্ষাবোর্ড একই প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    গেজেটে প্রবিধান ৬-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ৬ প্রতিস্থাপিত হবে উল্লেখ করে বলা হয়, ‘কোনো ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হতে হলে তার কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ (চার) বছর মেয়াদী স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পর পর দুই বারের অধিক সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না; তবে, এক মেয়াদ বিরতির পর এই প্রবিধানমালার বিধান মোতাবেক পুনরায় মনোনীত হতে পারবেন।

    এ ছাড়া প্রবিধানমালায় ম্যানেজিং কমিটির বিষয়ে বলা হয়েছে, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব একটি ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকবে।

    ম্যানেজিং কমিটিতে থাকবে একজন সভাপতি ও একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতেও তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে মোট সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধির সংখ্যা ২ জনের পরিবর্তে ৩ জন হবে।

    সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে, মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকদের মধ্য হতে সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি নিযুক্ত হবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক বা, ক্ষেত্রমত, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি সংযুক্ত সকল স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে সকল স্তরের শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত ৪ (চার) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    অরো শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে একজন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। উক্ত ক্ষেত্রে নির্বাচিত মোট সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির সংখ্যা ৪ জনের পরিবর্তে ৫ জন হবে।

    সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি নিযুক্ত হবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক বা, ক্ষেত্রমত, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকরে মধ্য হইতে সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    প্রবিধান ৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ৬ প্রতিস্থাপিত হবে
    গভর্নিং বডির সভাপতি: কোনো ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হতে হলে তার কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ (চার) বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

    কোনো ব্যক্তি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পর পর ২ বারের অধিক সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না; তবে, এক মেয়াদ বিরতি অন্তে এই প্রবিধানমালার বিধান মোতাবেক পুনরায় মনোনীত হতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি একটির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না। কোনো ব্যক্তি যে কোনো ধরনের মোট ৩টির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

    প্রবিধান ৭ এর উপ-প্রবিধান (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-প্রবিধান (১) প্রতিস্থাপিত হবে-
    (১) গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নের লক্ষ্যে, প্রবিধান ৬ এর উপ-প্রবিধান (১) এ উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা সাপেক্ষে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, ক্ষেত্রমত, বিভাগীয় কমিশনার বা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনাক্রমে, নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণের মধ্য হতে ৩ জন ব্যক্তির নাম ও জীবনবৃত্তান্ত সম্বলিত প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিকট পাঠাবেন।

    (ক) সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এমন কোনো কর্মকর্তা অথবা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ আগ্রহী অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা;

    (খ) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে কর্মরত কোনো সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক;

    (গ) সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা;

    (ঘ) এমবিবিএস অথবা প্রকৌশল বা কৃষিসহ যেকোনো কারিগরি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রিসহ সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ কোনো কর্মকর্তা বা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ আগ্রহী অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা: তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতি পদে প্রস্তাবিত ব্যক্তিগণের নামের তালিকাক্রম মনোনয়নের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই অগ্রাধিকারক্রম হিসেবে গণ্য হবে না।

    প্রবিধান ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ১০ প্রতিস্থাপিত হবে-ম্যানেজিং কমিটি গঠন। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হবে-
    (ক) একজন সভাপতি

    (খ) সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি

    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    (আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    (গ) সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি
    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরে মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি উভয় স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    (আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরে মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি উভয় স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    (ঘ) সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি
    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত ৪ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হইতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হতে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি
    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হইতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন;

    (আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হইতে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন;

    (চ) প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি : মাধ্যমিক অথবা, ক্ষেত্রমত, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, তবে একাধিক প্রতিষ্ঠাতা থাকলে তাদের মধ্য হতে তাদের ভোটে নির্বাচিত একজন প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি থাকবেন।

  • ডাকসু নির্বাচন স্থগিত: হাইকোর্ট

    ডাকসু নির্বাচন স্থগিত: হাইকোর্ট

    আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কোন প্রক্রিয়ায় ডাকসু নির্বাচনের প্রার্থী মনোনয়ন, বাছাই ও চূড়ান্ত করা হচ্ছে এবং ভোটের প্রস্তুতির প্রক্রিয়া কী—এ বিষয়েও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি এস কে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    একইসঙ্গে রিটকারী বামজোটের প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলমকে এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ ১৫ দিনের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

    এবারের ডাকসু নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা গত ২৬ আগস্ট প্রকাশ করা হয়। তালিকায় এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে করা রিটে তাঁর বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।

    রিট আবেদনে দেখা যায়, ডাকসুর নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা দেওয়াটা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।

    আসন্ন নির্বাচনে এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা বাতিল করে তাঁকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার অংশটুকুর কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে।

    ডাকসুর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কেন্দ্রীয় কমিটি ও হল সংসদগুলোর নির্বাচন আগমী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এই নির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ আলাদা প্যানেল দিয়েছে। বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো দুটি প্যানেলে দিয়েছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে মোট প্যানেল ১০টির মতো।

    ডাকসু নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, আমরা গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি এই নির্বাচন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। তবে কীসের ভিত্তিতে স্থগিত করা হয়েছে তা আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও জানি না। তাছাড়া কীসের ভিত্তিতে রিট হয়েছে তাও কমিশন অবগতত নন। আনুষ্ঠানিকভাবে জানার পর কমিশন এ বিষয়ে মন্তব্য করবেন বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • চবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য যৌথবাহিনী মোতায়েন, ২১ সদস্যের তদন্ত কমিটি

    চবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য যৌথবাহিনী মোতায়েন, ২১ সদস্যের তদন্ত কমিটি

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সংঘর্ষের ঘটনায় ২১ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সোমবার বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত যৌথবাহিনী ক্যাম্পাসে মোতায়েন থাকবে।

    রোববার (৩১ আগস্ট) চবি উপাচার্যের দপ্তরে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে বৈঠকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ছাড়াও জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর সংঘটিত হামলার বর্ণনা দিয়ে দ্রুত বিচার দাবি করেন।

    বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার জানান, আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা এখন জরুরি এবং তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এছাড়া, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য ক্যাম্পাসে যৌথবাহিনী মোতায়েন রাখা হবে।

    ঘটনার সূত্রপাত
    ভাড়া বাসার দারোয়ান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত সোয়া ১২টা থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটের কাছে এক ছাত্রী একটি ভবনে ভাড়া থাকেন। গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে তিনি ওই ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে দারোয়ানের সঙ্গে তাঁর তর্ক হয়। একপর্যায়ে ভবনের দারোয়ান তাঁকে মারধর করেন। এ সময় ২ নম্বর গেটে থাকা শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে শিক্ষার্থীরা তাঁকে ধাওয়া করলে স্থানীয় লোকজন শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। তখন সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর স্থানীয় লোকজন মাইকে ডেকে লোক জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা হামলা চালিয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে ঘরবাড়ি।

    আহত অন্তত দেড়হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী
    এ সময় স্থানীয়দের হামলায় সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ এবং অন্তত দেড়হাজার শিক্ষার্থী আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তাদের পক্ষের কয়েক শতাধিক আহত হয়েছেন।

    রোববার রাতে চবি মেডিকেল সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, গতকাল থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫০০ শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর গুরুতর আহত হয়েছেন ১০ জন।

    আহতদের বিষয়ে ডা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, অধিকাংশরই শরীর ছিলে গেছে, কেটে গেছে এবং শরীরে গভীর ক্ষতও ছিল। স্ক্রিনের নিচে ব্লাড জমে কালো হয়ে গেছে- এ ধরনের শিক্ষার্থীও ছিল। মোট কথা ছোট-বড় সব ধরনের ক্ষতই ছিল। শিক্ষার্থীদের কপাল, মাথা, শরীরে ক্ষত ছিল।

    ১৪৪ ধারা জারি
    ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। এটি সোমবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। রোববার বিকেল ৪টার দিকে ক্যাম্পাসে যৌথবাহিনী মোতায়েন করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

    পরীক্ষা স্থগিত
    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আগামীকাল সোমবারের (১ সেপ্টেম্বর) সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিন্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    রোববার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গণমাধ্যমকে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, অনিবার্য কারণবশত আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সব পরীক্ষা স্থগিত করা হলো

  • হাওরে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘নাওবিবি’

    হাওরে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শর্টফিল্ম ‘নাওবিবি’

    জলবায়ু পরিবর্তনে বিপর্যস্ত হাওরের প্রকৃতি ও রহস্যকাহিনি নিয়ে বানানো হচ্ছে শর্টফিল্ম ‘নাওবিবি’। কিশোরগঞ্জের নিকলী ও করিমগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে সম্প্রতি এর শুটিং শেষ হয়েছে।

    ‘নাওবিবি’র গল্প ও চিত্রনাট্য করেছেন শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ। পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা মশিউর রহমান কায়েস। প্রযোজনায় ম্যাক রিপন।

    শর্টফিল্মে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে মাহাফুজ মুন্নাকে। এর আগে বড় পর্দায় ‘উড়াল’ সিনেমায় আলোচনা তৈরি করেছেন তিনি। রহস্য-তরুণী মায়ার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ইসরাত জাহান পমি।

    ফিকশনে এটি তার প্রথম কাজ হলেও গায়িকা হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। দুইবার পেয়েছেন নতুন কুঁড়ি পুরস্কার।

    ফিল্মে সিনেমাটোগ্রাফিতে ছিলেন আনন্দ সরকার। এছাড়া ফেঁউচ্চা চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহ শান্ত, আর শিশু চরিত্রে দেখা যাবে শাহ ওবায়েদ নেহানকে।

    মাহাফুজ মুন্না বলেন, ‘পরিচালক কায়েস ভাই তার প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন আমাকে। মোশাহিদ ভাইয়ের চিত্রনাট্য পড়ে অসম্ভব ভালো লেগে যায়। এত সুন্দর বিশ্লেষণ করা চিত্রনাট্য আমি খুব কম দেখেছি। প্রতিটা কাজে চরিত্র এবং গল্প আমার কাছে মুখ্য।’

    মুন্না বলেন, ‘যেহেতু এটা স্বাধীন চলচ্চিত্র তাই এখানে কষ্ট করে টিম হয়ে কাজটা তুলে আনতে হবে, এটা আগেই বুঝতে পারি। আমি এখন পর্যন্ত কয়েকটি স্বাধীন চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। টিমওয়ার্ক একটা ভালো কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সেই টিম ওয়ার্ক আমি নাওবিবিতে পেয়েছি। চিত্রগ্রাহক আনন্দ ভাই, সহকারী পরিচালক শান্ত ও কাঞ্চনসহ টিমের সবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।’

    ইসরাত জাহান পমি বলেন, ‘মায়া চরিত্রে কাজ করা ছিল ভীষণ চ্যালেঞ্জিং। এখানে শুধু অভিনয় নয়, হাওরের প্রতিনিধিত্বও করতে হয়েছে। আমার মাধ্যমে দর্শক মায়াকেই নয়, দেখবে হাওরকে।’

    ‘নাওবিবি’ মূলত হাওরের আবেগ, রহস্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা নিয়ে গড়া থ্রিলার। গল্পে দেখা যায়- এক ট্র্যাভেলার হাওরে এসে অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়। রাতে পানিতে হঠাৎ জ্বলে ওঠে আগুন, আর সেই আগুনের ওপারে দাঁড়িয়ে থাকে রহস্যতরুণী মায়া। তাকে ধাওয়া করতে গিয়ে ট্র্যাভেলার ঢুকে যায় হাওরের রহস্যের ভেতর। সেই রহস্য কাটিয়ে উঠতে গিয়ে মায়া চরিত্রে ভর করে হাওরের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের গভীর টানাপোড়েন।

    একসময় স্পষ্ট হয়, মায়া কেবল এক তরুণী নয়, বরং হাওরের আত্মা। তার চরিত্রে ফুটে উঠে হাওরের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের গভীর টানাপোড়েন। শর্টফিল্মটির মূল থিম জলবায়ু পরিবর্তন ও হারিয়ে যাওয়া প্রকৃতি। তবে পরিবেশ সচেতনতার পাশাপাশি এতে রয়েছে রোমাঞ্চ, রহস্য, আবেগ ও সিনেমাটিক আবহ।

    নির্মাতা মশিউর রহমান কায়েস জানান, পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শেষ হলে ‘নাওবিবি’ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পাঠানো হবে।

  • বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশ

    বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, হল ছাড়ার নির্দেশ

    দিনভর সংঘর্ষসহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন‍্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    রোববার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আগামীকাল সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে হল ত‍্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কম্বাইন্ড ডিগ্রি কার্যকরের দাবিতে আশানুরূপ সিদ্ধান্ত না আসায় পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি একাডেমিক কাউন্সিল সভায় উপস্থিত উপাচার্যসহ শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখার পর পুনরায় কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এর মধ্যেই সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনের সামনে কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ওপর হঠাৎ সশস্ত্র হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

    শিক্ষার্থীরা জানান, হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায় এবং এসময় ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুফিদুল আলমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে শিক্ষকেরা সভাকক্ষ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই তাদের সামনেই বহিরাগতদের একটি দল আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে আন্দোলনরত নারী শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

    পশুপালন অনুষদের এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকদের মুক্ত করার পরপরই বহিরাগতরা জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতেই আমাদের ওপর অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমাদের সহপাঠীদের অনেকে আহত হয়েছেন।’

    শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘যৌক্তিক দাবিতে শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করায় আমাদের ওপর প্রশাসন বহিরাগতদের লেলিয়ে দিয়ে হামলা চালিয়েছে। হামলা চলাকালে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

    পশুপালন অনুষদের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শিক্ষকরা অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বাইরে আসার সঙ্গে সঙ্গে একদল বহিরাগত আমাদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জেলা প্রশাসকের সামনে হামলা চালায়। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।’

    বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ককে প্রধান করে একটি চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি করা হয়েছে, যারা কম্বাইন্ড ডিগ্রির জন্য কোর্স কারিকুলাম প্রণয়ন করবে। আগামী সেশন থেকে কম্বাইন্ড কোর্সে ১৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। এবার যারা ভর্তি হয়েছে, তাদের অপশন থাকবে তারা চাইলে ভেটেরিনারি, পশুপালন বা কম্বাইন্ড নিতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী দুই অনুষদকে এক করতে পারবেন না। দুই অনুষদ মিলিতভাবে কম্বাইন্ড ডিগ্রি দেবে এবং ধারাবাহিকভাবে দুই অনুষদ থেকেই ডিন হবে।’