Category: শিক্ষা প্রশাসন

  • একদিনে ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ

    একদিনে ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির এক ঘণ্টার মধ্যেই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যারিটির ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমানকে। তবে অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের বোন জামাই তিনি। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    ‎আজ বৃহস্পতিবার উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) আলিফ রুদাবা নতুন উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ‎‎উপাচার্যদের নিয়োগে শর্তে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত—যেটি আগে ঘটবে, নবনিযুক্ত ব্যক্তিরা উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তাঁরা তাঁদের বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁদের নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনের তথ্যমতে, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. একরামুল হককে বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৬তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তিনি বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হবেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    ‎ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। তিনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম।

    রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এর আগে ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল। তিনি বর্তমানে সিলেটের নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    ‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশিদ।

    ‎‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড রিসার্চের (আইএসডব্লিউআর) অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। আর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

    ‎‎পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও (পাবিপ্রবি) পেয়েছে নতুন উপাচার্য। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্টের (এসএআরডি) অধ্যাপক ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীমকে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য করা হয়েছে। আর জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া।

    ‎২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেই আমলে নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ শীর্ষ পদে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকেরা আন্দোলন ও তোপের মুখে একের পর এক পদত্যাগ করেন। মেয়াদ শেষ ও কার্যক্রম শুরু হওয়া নতুন বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্তর্বর্তী সরকার ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছরের জন্য শর্তসাপেক্ষে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয়।

    বিএনপি সরকারও ক্ষমতায় এসে প্রথম ধাপে গত মার্চে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেয়। এরপর আলাদাভাবে আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

  • নতুন পাঠ্যবই বিতরণে মাউশির পাঁচ নির্দেশনা

    নতুন পাঠ্যবই বিতরণে মাউশির পাঁচ নির্দেশনা

    ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ইবতেদায়ি, দাখিল, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক গ্রহণ ও অনলাইনে চালান অনুমোদন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো মানসম্মত বই পৌঁছে দিতে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) মাউশির সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-১) এস. এম. জিয়াউল হায়দার হেনরীর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি ভার্সন), দাখিল, এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল এবং কারিগরি (ট্রেড) স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ শুরু করেছে। এ নিয়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক গ্রহণ ও বিতরণ কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য নির্দেশনাগুলো মানার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনাগুলো হচ্ছে–

    ১. জেলা, উপজেলা বা থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এনসিটিবির নির্ধারিত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান থেকে বই বুঝে নিতে হবে।

    ২. বই গ্রহণের পর https://nctb.ihealthscreen.org ঠিকানায় ‘পাঠ্যপুস্তক গ্রহণ বা বিতরণ সিস্টেম’-এ প্রবেশ করে মেনুর ‘Chalan Management’ অপশনে গিয়ে বিদ্যমান ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে চালানের অনুমোদন দিতে হবে।

    ৩. পাঠ্যপুস্তক গ্রহণের পর দ্রুততম সময়ে অনলাইনে চালান অনুমোদন সম্পন্ন করতে হবে।

    ৪. সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও বই সরবরাহ ও গ্রহণের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    ৫. সব জেলা, উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নিজ নিজ ইউজার অ্যাকাউন্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নাম, মোবাইল নম্বর ও স্বাক্ষর হালনাগাদ করে আপলোড করতে হবে।

  • প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলনে সাউন্ড গ্রেনেডে আহত শিক্ষিকার মৃত্যু

    প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলনে সাউন্ড গ্রেনেডে আহত শিক্ষিকার মৃত্যু

    দদশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফার আন্দোলনে রাজধানীতে অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষক ফাতেমা আক্তার মারা গেছেন।

    রোববার রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, ৮ নভেম্বর রাজধানীতে শিক্ষকদের পদযাত্রায় পুলিশের ছোড়া সাউন্ড গ্রেনেডে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর আজ শিক্ষক ফাতেমা আক্তারের মৃত্যু হয়।

    বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (শাহিন-লিপি) সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি জানান, ৮ নভেম্বর আন্দোলনস্থলে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ মারা যান।

    ফাতেমা আক্তার চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ৫ নম্বর ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা এবং একই এলাকার বাসিন্দা ডি এম সোলেমানের স্ত্রী।

    বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘তিনি সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে আহত হয়ে রাজধানীর মিরপুরে অলক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। আমরা তার বাড়ি যাচ্ছি। সেখানে জেনে বিস্তারিত জানানো যাবে।’

    ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষক সংগঠনের নেতারা। খায়রুন নাহার লিপি লেখেন—‘ফাতেমা আপা শহীদ মিনারের আন্দোলনে ছিলেন। সাউন্ড গ্রেনেডের পর থেকে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। এ মৃত্যুর বিচার চাই। পাশাপাশি রাজনৈতিক বিভাজন না করে কালো ব্যাজ ধারণ করে শোক পালনের আহ্বান জানাই।’

    উল্লেখ্য, দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে চারটি শিক্ষক সংগঠনের মোর্চার ব্যানারে ৮ নভেম্বর রাজধানীর শাহবাগে শিক্ষকদের পদযাত্রায় লাঠি, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান নিয়ে হামলা চালায় পুলিশ। এতে শতাধিক শিক্ষক আহত হন।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশনা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশনা

    এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, হাইকোর্ট ডিভিশনের রিট পিটিশনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ৮ সেপ্টেম্বরের জারিকৃত ‘ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসহ অন্যান্য বোর্ডের (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪ (সংশোধনীসহ) অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি ও নিয়মিত কমিটি গঠন সংক্রান্ত’ পরিপত্রটি তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে সে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪’ এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক বা তার প্রতিনিধি কর্তৃক সভাপতির দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলো।

  • ছাত্রের ‘যৌন নিপীড়নের’ মামলায় ঢাবি অধ্যাপক এরশাদ কারাগারে

    ছাত্রের ‘যৌন নিপীড়নের’ মামলায় ঢাবি অধ্যাপক এরশাদ কারাগারে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের ছাত্রদের যৌন হয়রানি ও মারধরের অভিযোগে মিরপুর মডেল থানায় করা মামলায় ঢাবি অধ্যাপক ড. এরশাদ হালিমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এ আদেশ দেন।

    এর আগে এদিন আসামি এরশাদকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান মিলন।

    এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিন চান। শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    শ্যামল কুমার রায় আদালতকে বলেন, এ আসামি কোনোভাবে মামলার ঘটনায় জড়িত নন। তাকে হয়রানি করতে মামলায় জড়ানো হয়েছে। কার্যত এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি; ঘটলে মেডিকেলের সনদ থাকত।

    তিনি আরও বলেন, এরশাদ হালিম বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের রসায়ন বিভাগের ল্যাবরেটরির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি বিভাগের রাজনীতির শিকার। তিনি বয়স্ক একজন মানুষ। জামিনের প্রার্থনা করছি।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত প্রায় ১১টার দিকে শেওড়া পাড়ায় তার বাসায় অভিযান চালিয়ে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী এক ছাত্র মিরপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীয় রসায়ন বিভাগে পড়েন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি একটি পরীক্ষাসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এরশাদ হালিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরশাদ হালিম সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তাকে শেওড়াপাড়ায় বাসায় যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর তিনি যৌন হয়রানির শিকার হন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    মামলায় বলা হয়, পরের দিন ওই ছাত্রকে ফোনে এরশাদ হালিম জানান, তার পরীক্ষাসংক্রান্ত সমস্যার বিষয়ে প্রক্টরের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তাকে বিকালের পালায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেবেন। সেদিন ওই শিক্ষক তাকে আবার শেওড়াপাড়ার বাসায় ডাকেন দাবি করে অভিযোগে বলা হয়, তার ‘সমকামী আচরণের’ কারণে তিনি বাসায় যাননি। বিবাদী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ায় এরশাদ হালিম ফোন করে তাকে গালাগালি করেন মামলায় বলা হয়েছে।

    ১০ অক্টোবর ঢাকায় আসার কথা তুলে ধরে মামলায় বলা হয়েছে, এরশাদ হালিম আবার ফোন করে বাসায় ডাকলে ওই ছাত্র প্রথমে রাজি হননি। তার ভাষ্য, পরীক্ষার জটিলতার বিষয়টি জানতে পারলে তার বাবার অসুস্থতা বেড়ে যেতে পারে ভেবে তিনি ১৪ অক্টোবর রাতে আবার শেওড়াপাড়ার বাসায় যেতে বাধ্য হন। বাসায় যাওয়ার পর তাকে মারধর করার পাশপাশি যৌন নির্যাতন করা হয় বলে মামলায় ওই ছাত্র দাবি করেন।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ শুক্রবার বলেন, বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একদল শিক্ষার্থী অভিযোগ জানিয়েছে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে সব একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। আর অভিযোগটি যৌন নিপীড়ন সেলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ

    বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ—এনটিআরসিএর হাতে দেওয়ার চিন্তা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রধান ও সহকারী প্রধানের এসব পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর হাতে দেওয়ার বিষয়ে বিধিবিধান পর্যালোচনায় একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

    বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা সূত্রে জানা যায়, নীতিগত সিদ্ধান্তের পর একটি কমিটি গঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তরের অর্ডিন্যান্সগুলো সংশোধন করা হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই এটি বাস্তবায়ন করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখার উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী বলেন, একটি সভায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা শেষে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।্ও ই কমিটি বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক পদের নিয়োগের বিদ্যমান বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে এসব পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া এনটিআরসিএর মাধ্যমে চালানো যায় কিনা, সে বিষয়ে সুপরিশ করবে। তাদের সুপরিশের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

    প্রচলিত নিয়মে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এন্ট্রি লেভেলে সহকারী শিক্ষক বা প্রভাষক পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে হলেও প্রধান ও সহকারী প্রধান পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে। সরকারি প্রতিনিধির সম্পৃক্ততা থাকলেও প্রধান ও সহকারী প্রধান পদগুলোর নিয়োগে অনিয়ম, রাজনৈতিক বিবেচনা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

    শিক্ষকরা এ প্রশাসনিক পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া বদলে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের দাবি জানাচ্ছিলেন। এমন বাস্তবতায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য প্রশাসনিক পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর হাতে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতায় ‘উদ্বিগ্ন’, শিগগির সমাধানের আশা শিক্ষা উপদেষ্টার

    বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতায় ‘উদ্বিগ্ন’, শিগগির সমাধানের আশা শিক্ষা উপদেষ্টার

    দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা নিয়ে ‘উদ্বিগ্ন’ বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার। তবে শিগগির এর সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েক দিনে সংঘাত-সংঘর্ষসহ বিভিন্ন রকমের অস্থিরতা চলছে নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান শিক্ষা উপদেষ্টা।

    তিনি বলেন, গত কয়েক দিন দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কতগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে আমরা অবহিত। এতে অবশ্যই শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন।

    আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসন সম্ভব উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সমাধানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমাধানের দিকে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি; শিগগির এর সমাধান হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও যোগাযোগ রেখেছে জানিয়ে সি আর আবরার বলেন, ধৈর্যের সঙ্গে, সহিষ্ণুতার সঙ্গে যেন সমাধান খুঁজে পাওয়া যায় তার দিকে ধাবিত হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতি কারও জন্য কাম্য নয়।

  • চবি-বাকৃবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    চবি-বাকৃবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং সমস্যা সমাধানে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগ রাখছে মন্ত্রণালয়।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে।

    এতে বলা হয়, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেগুলো হলো- শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ যারা আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    জেলা প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

    আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে এ কমিটি কাজ করবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত সম্পর্কেও জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে বলা হয়, বাকৃবি সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    এদিকে, চবি-বাকৃবিসহ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইউজিসির কাছে প্রস্তাব চাওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যথাযথ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করার জন্য প্রয়োজনীয়তা যাচাইপূর্বক সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের প্রস্তাব প্রেরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ হতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • স্কুল-কলেজের সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক পাস, দায়িত্ব টানা দুইবারের বেশি নয়

    স্কুল-কলেজের সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক পাস, দায়িত্ব টানা দুইবারের বেশি নয়

    এইচএসসি পাশের পরিবর্তে এবার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজগুলোর কমিটির সভাপতির ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্নাতক’ নির্ধারণ করে গেজেট জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শুধু তাই নয়, একই ব্যক্তি টানা দুই বারের বেশি বেসরকারি স্কুল ও কলেজ কমিটির সভাপতি হতে পারবে না এমন বিধানও রাখা হয়েছে। এছাড়াও কোনো ব্যক্তি একটির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি এবং যে কোনো ধরনের মোট তিনটি অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। একই সঙ্গে সংশোধন করা হয়েছে বর্তমান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালাও।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এ গেজেট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে গতকাল রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ‘বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৫’ জারি করা হয়। ময়মনসিংহ ও সিলেট শিক্ষাবোর্ড এবং গত ২৮ আগস্ট ঢাকা শিক্ষাবোর্ড একই প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    গেজেটে প্রবিধান ৬-এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ৬ প্রতিস্থাপিত হবে উল্লেখ করে বলা হয়, ‘কোনো ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হতে হলে তার কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ (চার) বছর মেয়াদী স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পর পর দুই বারের অধিক সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না; তবে, এক মেয়াদ বিরতির পর এই প্রবিধানমালার বিধান মোতাবেক পুনরায় মনোনীত হতে পারবেন।

    এ ছাড়া প্রবিধানমালায় ম্যানেজিং কমিটির বিষয়ে বলা হয়েছে, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব একটি ম্যানেজিং কমিটির ওপর ন্যস্ত থাকবে।

    ম্যানেজিং কমিটিতে থাকবে একজন সভাপতি ও একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। আরো শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতেও তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে মোট সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধির সংখ্যা ২ জনের পরিবর্তে ৩ জন হবে।

    সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে, মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকদের মধ্য হতে সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি নিযুক্ত হবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক বা, ক্ষেত্রমত, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি সংযুক্ত সকল স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে সকল স্তরের শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত ৪ (চার) জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি থাকবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    অরো শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে একজন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। উক্ত ক্ষেত্রে নির্বাচিত মোট সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধির সংখ্যা ৪ জনের পরিবর্তে ৫ জন হবে।

    সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধির ক্ষেত্রে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি নিযুক্ত হবেন। তবে শর্ত থাকে যে, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক বা, ক্ষেত্রমত, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকরে মধ্য হইতে সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    প্রবিধান ৬ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ৬ প্রতিস্থাপিত হবে
    গভর্নিং বডির সভাপতি: কোনো ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি পদে মনোনীত হতে হলে তার কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ (চার) বছর মেয়াদি স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

    কোনো ব্যক্তি একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে পর পর ২ বারের অধিক সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না; তবে, এক মেয়াদ বিরতি অন্তে এই প্রবিধানমালার বিধান মোতাবেক পুনরায় মনোনীত হতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি একটির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনীত হতে পারবেন না। কোনো ব্যক্তি যে কোনো ধরনের মোট ৩টির অধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

    প্রবিধান ৭ এর উপ-প্রবিধান (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-প্রবিধান (১) প্রতিস্থাপিত হবে-
    (১) গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নের লক্ষ্যে, প্রবিধান ৬ এর উপ-প্রবিধান (১) এ উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা সাপেক্ষে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, ক্ষেত্রমত, বিভাগীয় কমিশনার বা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনাক্রমে, নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণের মধ্য হতে ৩ জন ব্যক্তির নাম ও জীবনবৃত্তান্ত সম্বলিত প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিকট পাঠাবেন।

    (ক) সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এমন কোনো কর্মকর্তা অথবা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ আগ্রহী অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা;

    (খ) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে কর্মরত কোনো সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক;

    (গ) সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা;

    (ঘ) এমবিবিএস অথবা প্রকৌশল বা কৃষিসহ যেকোনো কারিগরি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রিসহ সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৯ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ কোনো কর্মকর্তা বা ৫ম গ্রেডের নিম্নে নয় এইরূপ আগ্রহী অবসরপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা: তবে শর্ত থাকে যে, সভাপতি পদে প্রস্তাবিত ব্যক্তিগণের নামের তালিকাক্রম মনোনয়নের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই অগ্রাধিকারক্রম হিসেবে গণ্য হবে না।

    প্রবিধান ১০ এর পরিবর্তে নিম্নরূপ প্রবিধান ১০ প্রতিস্থাপিত হবে-ম্যানেজিং কমিটি গঠন। (১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হবে-
    (ক) একজন সভাপতি

    (খ) সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি

    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    (আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত ২ (দুই) জন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের শিক্ষকের মধ্য হতে তাদের ভোটে একজন সাধারণ শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    (গ) সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি
    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরে মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি উভয় স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    (আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরে মহিলা শিক্ষক থাকা সাপেক্ষে, কেবল মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উক্ত স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা শিক্ষক প্রতিনিধি উভয় স্তরের মহিলা শিক্ষকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষকের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

    (ঘ) সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি
    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত ৪ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হইতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হতে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মধ্য হতে প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে ২ জন সাধারণ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।

    সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি
    (অ) মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, মাধ্যমিক স্তরের নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে মাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, মাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হইতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন;

    (আ) নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি: তবে শর্ত থাকে যে, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের কোনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক স্তর সংযুক্ত থাকলে, উক্ত মহিলা অভিভাবক প্রতিনিধি, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ হইতে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত অথবা প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মহিলা অভিভাবকের মধ্য হতে উভয় স্তরের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভোটে নির্বাচিত হবেন;

    (চ) প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি : মাধ্যমিক অথবা, ক্ষেত্রমত, নিম্নমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, তবে একাধিক প্রতিষ্ঠাতা থাকলে তাদের মধ্য হতে তাদের ভোটে নির্বাচিত একজন প্রতিষ্ঠাতা প্রতিনিধি থাকবেন।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে শিগগির আসছে বড় বিজ্ঞপ্তি, কমিটি গঠন

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে শিগগির আসছে বড় বিজ্ঞপ্তি, কমিটি গঠন

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শিগগির প্রকাশ করা হতে পারে। এর অংশ হিসেবে আট সদস্য বিশিষ্ট নিয়োগ কমিটি গঠন করেছে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কবে নাগাদ শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে, এমন প্রশ্নে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার জানান, আশা করছি, শিগগির সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

    রোববার (৩১ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে নিয়োগ কমিটি গঠনের তথ্য জানা যায়।

    অফিস আদেশের তথ্য বলছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী নিয়োগ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আর কমিটির সদস্যসচিব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন)। এর বাইরে কমিটিতে আছেন প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রাজস্ব), উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বিদ্যালয়), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধি।

    এর আগে গত ২৮ আগস্ট রাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫-এর প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের সংখ্যা ৮ হাজার ৪৩ টি। তবে বর্তমানে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত কত পদ শূন্য রয়েছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া সংগীত, শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকের জন্য ৫ হাজার ১৬৬টি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব পদে নিয়োগের জন্য আগামী মাসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।