Category: শিক্ষা প্রশাসন

  • পাঠ্যক্রমে সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তনের বিষয় হালনাগাদ করার পরামর্শ ইউজিসির

    পাঠ্যক্রমে সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তনের বিষয় হালনাগাদ করার পরামর্শ ইউজিসির

    সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তনের (এসবিসি) সঙ্গে উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ (সিফোরডি) ধারণা অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম হালনাগাদ করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। কমিউনিকেশন পর ডেভেলপমেন্ট (সিফোরডি) বিষয়ে প্রণীত পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা এবং এতে সমাজের সব জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এ পরামর্শ দেন।

    রবিবার (৩১ আগস্ট) থেকে রাজেন্দ্রপুরে ব্রাক সিডিএম-এ ইউজিসি ও ইউনিসেফ যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালা আয়োজন করেছে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আনোয়ার হোসেন বলেন, সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তনে সৃষ্ট সমস্যাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসা জরুরি। সমাজে ব্যক্তির অবস্থান জানা, তাদের চাহিদা যাচাই বাছাই করা, বিভিন্ন কার্যক্রমে কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে যথাযথ উদ্যোগ গ্ৰহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে এসবিসি ও সিফোরডি সহায়তা করবে বলে তিনি মনে করেন।

    ইউজিসি’র আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জেসমিন পারভীন- এর সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তানভীর রহমান, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস- এর সহযোগী অধ্যাপক ড. সরকার বারবাক কারমাল, ইউনিসেফের এসবিসি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. বদরুল হাসান এসবিসি ও এ সংক্রান্ত পাঠ্যক্রম প্রণয়ন বিষয়ে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন।

    প্রফেসর মাছুমা হাবীব বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে সিফোরডি’র ওপর তৈরি পাঠ্যক্রম পড়ানো হচ্ছে। চলতি উদ্যোগের মাধ্যমে এই পাঠ্যক্রমে কোন ধরণের সীমাবদ্ধতা রয়েছে কিনা তা চিহ্নিতকরণ এবং সিফোরডি ও এসবিসি বিষয়ে শিক্ষণে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত একটি মডেল নির্ধারণ করা হবে।

    ইউজিসির উপপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস এবং খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয় সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ শিক্ষক ও গবেষকগণ অংশ নেন।

    এছাড়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক খন্দকার সাবাহাত রিজভীসহ ইউজিসি ও ইউনিসেফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ইউনিসেফের সহযোগিতায় ইউজিসি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ’ বিষয়টি পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয় এবং ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অংশগ্রহণে একটি পাঠ্যক্রম প্রণয়ন কর্মশালার আয়োজন করে। ইউনিসেফ এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে। গত কয়েক বছরে বিশ্বব্যাপী সিফোরডি বিষয়ে কিছু মৌলিক ধারণাগত পরিবর্তন এসেছে এবং এ সংক্রান্ত পঠন-পাঠন-প্রয়োগকে সার্বিকভাবে ‘সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তন’ (এসবিসি) হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। বৈশ্বিক প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সিফোরডি বিষয়ে প্রণীত পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা এবং নতুন ধারণাগত ও প্রায়োগিক বিষয়গুলো এতে অন্তর্ভূক্ত করাই এবারের কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন ‍ৃ

  • শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামীতে আরো স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামীতে আরো স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগামীতে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার। তিনি বলেছেন, অত্যন্ত গৌরবের সঙ্গে আজ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) আয়োজিত ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে যাচ্ছি। আমরা জাতিকে জানাতে চাই, শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে মেধাবী, যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করেছি। তারা আগামী প্রজন্মকে উপযুক্তভাবে গড়ে তুলবে।

    মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে ৪১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে যারা সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ও নির্দিষ্ট বিষয়ের উপযুক্ত তাদের তথ্য ডিজিটালি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছে। এটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আশা করি, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার এ ডিজিটাল রূপান্তর আগামী দিনগুলোতে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে।

    লিখিত বক্তব্যে উপদেষ্টা জানান, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৮২২টি শূন্যপদের চাহিদার বিপরীতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রায় ৪১ হাজার প্রভাষক/শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ই-রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে চাহিদা সংগ্রহ, যোগ্যতা অনুসারে নিয়োগ সুপারিশের সমগ্র প্রক্রিয়াটি অধিক স্বচ্ছতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পন্ন করা হয়েছে।

    সি আর আবরার জানান, প্রথমে আমরা ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়েছিলাম। তাতে ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। যার মধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৩৩ জন। এতে উত্তীর্ণ হন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন। লিখিত পরীক্ষা দেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৮০ জন। লিখিত পরীক্ষায় পাস করেন ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন। আর মৌখিক পরীক্ষা দেন ৮১ হাজার ২০৯ জন, তাদের মধ্যে পাস করেন ৬০ হাজার ৬৩৪ জন। তাদের মধ্য থেকে প্রায় ৪১ হাজার প্রার্থী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেলেন।

  • কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব রফিকুল ইসলাম

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব রফিকুল ইসলাম

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব পদে পদায়ন করা হয়েছে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে।

    মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মোহাম্মদ রফিকুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে পদায়ন করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। তিনি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম গত ১৪ আগস্ট অবসর উত্তর ছুটিতে গেলে সচিব পদটি শূন্য হয়। ১১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা গত ডিসেম্বরে এই দায়িত্বে আসেন।

  • ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন

    ইতিহাসে প্রথম নারী শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন প্রশাসন ক্যাডারের ১৩ ব্যাচের কর্মকর্তা রেহানা পারভীন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যানের (সচিব) দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের ইতিহাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নারী সচিব হিসেবে তিনিই প্রথম নিয়োগ পেয়েছেন।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তাকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব করে পদায়ন করা হয়েছে।

    রেহেনা পারভীন গত ৩রা জুলাই জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান পদে পদায়ন পান। তার আগে তিনি কিছুদিন ওএসডি ছিলেন। তারও আগে তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। তবে তার ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য সময় কেটেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স করা রেহানা ১৯৯৪ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন।

    গত ২১শে জুলাই রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার পর চলমান এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতকরণ প্রশ্নে সিদ্ধান্তহীনতায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া সিদ্দিক জুবায়েরকে প্রত্যাহার করা হয় গত ২২ জুলাই। এরপর থেকে এই বিভাগটি সচিব শূন্য ছিল।

    এদিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ দিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করার পর সমাজকল্যাণে পদায়ন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সোমবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    ড. আবু ইউসুফ বিসিএস শুল্ক ও আবগারি ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। পরে তিনি প্রশাসন ক্যাডার পুলে উপসচিব হন। তিনি দীর্ঘদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখা, অধিশাখা ও অনুবিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ করেছেন।

  • ইউজিসি সদস্য হিসেবে অধ্যাপক আইয়ুব ইসলামের যোগদান

    ইউজিসি সদস্য হিসেবে অধ্যাপক আইয়ুব ইসলামের যোগদান

    বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ূব ইসলাম।

    আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজের কাছে তিনি যোগদান করেন।

    গতকাল (১৭ই আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ প্রফেসর ড. আইয়ুব ইসলামকে চার বছরের জন্য কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    এ নিয়োগাদেশ তার যোগদানের তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী তিনি অব্যবহিত পূর্বপদে সর্বশেষ আহরিত বেতন-ভাতাসহ প্রচলিত বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্ত হবেন।

    অধ্যাপক ড. আইয়ূব ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ এবং ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

    এছাড়া, তিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর পরিচালক ও চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র স্কুল অব বিজনেসের উপদেষ্টা এবং এমবিএ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক আইয়ূব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অ্যাবারডিন থেকে পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন।

    তিনি কমনওয়েলথ অ্যাকাডেমিক স্টাফ ফেলোশিপ, চ্যান্সেলর্স অ্যাওয়ার্ড, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট ও পোস্ট গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে অসাধারণ সাফল্যের জন্য ট্যালেন্টপুল স্কলারশিপ প্রাপ্ত হন। এছাড়া, পিএইচডি প্রোগ্রামে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপ লাভ করেন।

  • মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষক-কর্মচারীদের যাতায়াতে কড়াকড়ি

    মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষক-কর্মচারীদের যাতায়াতে কড়াকড়ি

    মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অযথা অধিদপ্তরে যাতায়াতে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কাজের অজুহাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা অধিদপ্তরে নিয়মিত আসায় শিক্ষার্থীরা পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সব ধরনের আবেদন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনলাইনে বা ডকেটে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুল মান্নানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা অধিদপ্তরে নিয়মিত আসছেন। এতে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে এমপিওভুক্তকরণ, এমপিওভুক্ত মাদরাসায় বিশেষ বরাদ্দ, উচ্চতর স্কেল দেওয়া, পদোন্নতি, মহাপরিচালকের প্রতিনিধি মনোনয়ন, এমপিও শিটে নাম, পদবি ও বিষয় সংশোধন, জন্ম তারিখ সংশোধন, বকেয়া দেওয়া, প্রশিক্ষণে মনোনয়ন, ইনডেক্স দেওয়া বা কর্তনসহ যেকোনো কাজ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মাধ্যমে অনলাইনে বা সরাসরি ডকেটে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই অন্য ব্যক্তি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান প্রধান বা শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিদপ্তরে আসার ক্ষেত্রে অবশ্যই ছুটি বা অনুমতিপত্র সঙ্গে আনতে হবে। শাখা কর্মকর্তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    নির্দেশনায় বলা হয়, উল্লিখিত বিধি লঙ্ঘন করলে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ১৮.১ (খ) ও (গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট প্রধান ও শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • চাঁবিপ্রবিতে ভিসির ছেলেকে মেডিকেল অফিসার নিয়োগ, স্বজনপ্রীতির অভিযোগে পদত্যাগ

    চাঁবিপ্রবিতে ভিসির ছেলেকে মেডিকেল অফিসার নিয়োগ, স্বজনপ্রীতির অভিযোগে পদত্যাগ

    নিয়োগের চার দিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) মেডিকেল অফিসার ফাতিন ইলহাম বিন পেয়ার। তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহমেদের ছেলে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ মেনে নিতে না পেরে পারিবারিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি উপাচার্যের।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহমেদ জানান, তাঁর ছেলে ফাতিন ইসলাম বাংলাদেশের নাগরিক। ৯ আগস্ট স্বচ্ছভাবে তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছে। তারপরও যেহেতু স্বজনপ্রীতির প্রশ্ন উঠেছে, পারিবারিক সিদ্ধান্তমতে ১৩ আগস্ট ছেলেকে পদত্যাগ করিয়েছেন। তাঁর (ছেলের) স্থানে প্যানেলে থাকা পরবর্তী প্রার্থীকে নিয়োগ করা হবে।

    ফাতিন বেসরকারি এমএইচ শমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

    গত কয়েকদিন ধরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়াকে ঘিরে সমালোচনা শুরু হয়। ওই পদে নিয়োগের জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা প্রার্থীও ছিলেন।

    উপাচার্য পেয়ার আহমেদের দাবি, নিয়োগপ্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। তাঁর ছেলে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েই নিয়োগ পেয়েছেন।

    এর আগে গত ১৮ মার্চ ১৫ ক্যাটাগরির ৩৪ পদে সংশোধিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চাঁবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তির ৭ নম্বরে থাকা মেডিকেল অফিসার পদে ২৩ জন আবেদন করেন। তাদের মধ্যে দুইজনের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তীতে কাগজপত্র যাচাই শেষে ২১ জনকে প্রাথমিকভাবে যোগ্য বলে বিবেচিত করা হয়। এই ২১ জনের মধ্যে ১৮ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

    পরবর্তীতে ৯ আগস্ট লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ১০ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। তাদের মধ্যে থেকে অধ্যাপক ড. পেয়ার আহমেদের ছেলে ফাতিন ইলহাম বিন পেয়ারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

  • জাতীয়করণের দাবি: সরকারকে ১ মাসের আলটিমেটাম শিক্ষকদের

    জাতীয়করণের দাবি: সরকারকে ১ মাসের আলটিমেটাম শিক্ষকদের

    এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি করে অন্তর্বর্তী সরকারকে এক মাসের আলটিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। এ সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে ‘দৃশ্যমান ও যৌক্তিক’ পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করা হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

    আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরারের সঙ্গে বৈঠক শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সমাবেশস্থলে এ ঘোষণা দেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের নেতারা।

    জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজী বলেন, ‘আমাদের দাবি যৌক্তিক, এটা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও স্বীকার করেছে, কিন্তু তারা যৌক্তিক দাবি পূরণে গড়িমসি করছে। আমরা দাবি আদায়ে ৩০ দিন সময় বেঁধে দিচ্ছি। এর মধ্যে দাবি মানা না হলে সর্বাত্মক আন্দোলনে যাব।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের পরবর্তী সেই সর্বাত্মক কর্মসূচি হবে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, তথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি। ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে ১৫ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি করা হবে।’

    এর আগে আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মহাসমাবেশ করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। এই কর্মসূচিতে সারা দেশের শিক্ষক-কর্মচারীরা অংশ নেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন এই পথে চলাচলকারী জনসাধারণ।

    সমাবেশের কারণে পল্টন থেকে হাইকোর্ট ও শাহবাগ অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিপরীত দিকে যানবাহন চলে ধীর গতিতে। ঘটনাস্থলে ও আশপাশে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

  • প্রেসক্লাবের সামনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিশাল সমাবেশ, যান চলাচল ব্যাহত

    প্রেসক্লাবের সামনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিশাল সমাবেশ, যান চলাচল ব্যাহত

    জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে অবস্থান করে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে চলছে শিক্ষকদের সমাবেশ। এতে করে সড়কটির দুপাশেই যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে হাইকোর্ট, পল্টন, গুলিস্তান কাকরাইলসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে।

    বুধবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই সমাবেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের ব্যানারে অংশ নিয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

    সমাবেশে আসা শিক্ষকেরা জানান, আমাদের একটাই দাবি, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তা না হলে তাঁরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

    তাদের অভিযোগ, জোটের নেতারা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের পর তৎকালীন সরকার ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়, যা পরে কার্যকর হয়। তখন তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল পরবর্তী মেয়াদে জাতীয়করণ করা হবে। তবে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানালেও আগের সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি।

    তারা জানান, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির মধ্যেই ২২তম দিনে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপদেষ্টা উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বাড়ানো এবং আগামী বাজেটে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও শ্রান্তি বিনোদন ভাতা কার্যকরের ঘোষণা দেন। বাজেটে এই বরাদ্দ থাকলেও এখনো সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

    শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি না হলে ধারাবাহিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঢাকায় সমাবেশ বুধবার

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঢাকায় সমাবেশ বুধবার

    এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে আগামীকাল বুধবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ এবং পরে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করবে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’। এই কর্মসূচিতে সারাদেশের শিক্ষক-কর্মচারীরা অংশ নেবেন।

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৮ সালে দীর্ঘ আন্দোলনের পর তৎকালীন সরকার ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছিল। তখন প্রতিশ্রুতি ছিল পরবর্তী মেয়াদে জাতীয়করণের। তবে আগের সরকার তা বাস্তবায়ন না করায় শিক্ষকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকে।

    বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনায় শিক্ষা উপদেষ্টা বৈষম্য নিরসনের আশ্বাস দিয়েছিলেন। এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ২২তম দিনে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বাজেটে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও শ্রান্তি বিনোদন ভাতা কার্যকরের ঘোষণা দেন। বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। এজন্য জোট ১০ আগস্টের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছিল, অন্যথায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়।

    শিক্ষক সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, সমাবেশের আগের দিন ১২ আগস্ট পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে, যা অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলে তা গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার প্রতি অবজ্ঞা বলে মন্তব্য করেছেন নেতারা।

    কর্মসূচি সফল করতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অন্তত পাঁচজন শিক্ষক-কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়েছে। সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন, শিক্ষা উইংয়ের প্রধান ফয়সাল মাহমুদ শান্তসহ দলটির প্রতিনিধি দল। উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমেরও।

    এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিগুলো জানিয়ে আসছি। ২০১৮ সালে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ হয়নি। আর বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টাও আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে বাস্তবায়নের কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি নেই। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। অথচ আমরা বছরের পর বছর বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছি।

    তিনি আরও বলেন, কালকের সমাবেশে সারাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও কর্মচারী ঢাকায় আসবেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে আমরা একযোগে দাবি তুলে ধরব এবং প্রয়োজনে সচিবালয় পর্যন্ত পদযাত্রা করব। এটা শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। আমরা চাই সরকার অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয়করণের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দিক। যদি এবারও দাবি পূরণ না হয়, তবে আমরা আরও বৃহত্তর ও কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব।