Category: শিক্ষাঙ্গন

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাড়ম্বরে উদযাপন হবে নববর্ষ

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাড়ম্বরে উদযাপন হবে নববর্ষ

    দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে ও সাড়ম্বরে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

    সোমবার (৭ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিটি দেশের সব সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জেলা-উপেজলা শিক্ষা কর্মকর্তা, টিটি কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

    মাউশির সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে ২৩ মার্চ চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ চিঠির নির্দেশনা অনুযায়ী অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে ও সাড়ম্বরে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলো।

  • ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই শিক্ষক তাহমিনা বরখাস্ত

    ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই শিক্ষক তাহমিনা বরখাস্ত

    সমালোচনার মুখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) সেই শিক্ষক তাহমিনা রহমানকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । ‘গ্লোবাল স্ট্রাইক ফর গাজা’ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে ক্লাস বর্জন করলে শিক্ষার্থীদের ডাবল অ্যাবসেন্ট দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।

    সোমবার (৭ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র এবং এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাহমিনা রহমানকে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে প্রাথমিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হবে।

    তাহমিনা রহমান বিশ্ববিদ্যালয়টির জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রভাষক ছিলেন।

    সূত্র জানায়, ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরায়েলের চলমান নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এবং মজলুম ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিশ্বব্যাপী গড়ে ওঠা আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    এ কর্মসূচি পালন করতে সোমবার ক্লাস না করার সিদ্ধান্ত নেন ড্যাফোডিলের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি জানার পর প্রভাষক তাহমিনা শিক্ষার্থীদের গ্রুপে জানান, ক্লাসে না আসলে ডাবল অ্যাবসেন্ট দেওয়া হবে। এ সংক্রান্ত একটি কথপোকথনের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

    যদিও তাহমিনা রহমান রোববার দিনগত মধ্যরাতে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন। তবে তীব্র সমালোচনার মুখে কর্তৃপক্ষ তাকে বরখাস্ত করলো।

  • সারাদেশে চলছে ‘নো ওয়ার্ক নো ক্লাস’ কর্মসূচি

    সারাদেশে চলছে ‘নো ওয়ার্ক নো ক্লাস’ কর্মসূচি

    ফিলিস্তিনের গাজা ও রাফায় ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো ক্লাস’ কর্মসূচি চলছে। তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা।

    পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের লক্ষ্যে আজ সোমবার (৭ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে জড়ো হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

    ঢাকায় বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর জায়গায় কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা।

    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সামনে কর্মসূচি পালন করছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বাড্ডায় নো ওয়ার্ক-নো ক্লাস কর্মসূচি পালন করছে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    বক্তারা বলেন, দ্রুত ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করা হোক। আর যুদ্ধ বন্ধে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

    সিলেটে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

    ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবিতে একই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, ছাত্র শিবিরসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।

    এর আগে রোববার (৬ এপ্রিল) রাতেই ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও নোটিশ গাজার পক্ষে দিয়ে সংহতি জানিয়েছে।

    ঢাকায় বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

    ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিশ্বব্যাপী ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষকরা নো ওয়ার্ক কর্মসূচি এবং শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে।

    সংহতি প্রকাশ করে আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে নো ওয়ার্ক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে প্রশাসন। এর আগে রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এদিকে ফিলিস্তিনের গাজা ও রাফায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত গণহত্যার নিন্দা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠন।

  • গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

    গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

    ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনে চলমান নিষ্ঠুর হামলার প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে এবং অবৈধভাবে নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রনেতারা। তারা আগামীকাল সোমবার ফিলিস্তিনি যুবকের আয়োজিত ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি সফল করার জন্য অনুরোধ করেছেন। পাশাপাশি, সারা দেশে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একযোগে সংহতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের ডাকও দেওয়া হয়েছে।

    রোববার দুপুরে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলনের দুই সংগঠক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এ বি জোবায়ের এ কর্মসূচি সফল করতে প্রতিটি বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান। পরে এ কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানিয়ে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন ঢাবি ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম। পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও এ কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানানো হয়।

    কর্মসূচি অনুযায়ী আগামীকাল সোমবার বিকাল ৪টায় ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘MARCH For Palestine’ এর আহ্বানে সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সারা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়।

    ফেসবুক পোস্টে ছাত্রনেতা এবি জোবায়ের বলেন, আগামীকাল (সোমবার) বিশ্বব্যাপী হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে আমাদের মজলুম গাজাবাসী ভাইবোনেরা। গণহত্যা বন্ধ করার দাবিতে বিশ্বের সব দেশে একযোগে স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, অফিস, আদালত সব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আগামীকাল ৭ এপ্রিল সারাদিন বাংলাদেশেও জেনারেল স্ট্রাইক পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল আপনারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, অফিস-আদালত বন্ধ রাখুন। ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করুন। চলুন বৈশ্বিকভাবে একযোগে দাবি জানাই, ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন।

    সাদিক কায়েম বলেন, ইয়া গাযযাহ! তোমাদের শাহাদাত ও লড়াইয়ের প্রতি আমাদের সংহতি। বি-ইযনিল্লাহ, অচিরেই আমরা তোমাদের লড়াইয়ে শামিল হবো। গাজার প্রতি বৈশ্বিক সংহতির অংশ হোন। আগামীকাল সোমবার, ৭ এপ্রিল ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’- এই কর্মসূচি সফল করুন।

    এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রেজওয়ান আহমেদ রিফাত বলেন, ‘MARCH For Palestine’ এর আহ্বানে আগামীকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিতে সংহতি সমাবেশ করার আহ্বান। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বিকাল ৪টায় সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে আগামীকাল সারা বিশ্বব্যাপী হরতাল পালন করা হবে। একই সঙ্গে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের এই প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার আহ্বান রইল।

  • দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি

    দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘোষণার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

    রবিবার (৬ এপ্রিল) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মোসাদ্দিক আলী ইবনে মুহম্মদ এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের অনুপস্থিতিতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

    স্মারকলিপিতে বলা হয়, ফ্যাসিবাদ মুক্ত নতুন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অশেষ শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় স্বাধীনতা পরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রশাসক হিসেবে আপনাদেরকে পেয়ে আমরা আনন্দিত। স্বৈরাচারের ধ্বংস করে রেখে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালযের সকল কাঠামোকে নৈতিকতার ভিত্তিতে পুনরায় বিনির্মাণের যে চ্যালেজ আপনারা নিয়েছেন এবং ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন তাতে আমরা সর্বক্ষণ আপনার পাশে আছি।

    ডাকসুর রোডম্যাপ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, অভ্যুত্থানের প্রায় আট মাস পেরিয়ে গেলেও আমাদের প্রাণের দাবি ডাকসু নির্বাচনের কোনো রূপরেখা আমরা আজও পাইনি। ডাকসুর রূপরেখার দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের ভয়াবহ গড়িমসি আমরা লক্ষ্য করছি। আমরা গত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ডাকসুর দাবিতে অনেকদিন ধারাবাহিক আন্দোলন করেছি। জানুয়ারির মাঝামাঝিতে আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় উপাচার্য বলেছিলেন কয়েকদিনের মধ্যে ইন্সটিটিউশনাল ই-মেইলের মাধ্যমে ডাকসুর গঠনতন্ত্র এবং ডাকসু নির্বাচন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত গ্রহণ করবেন।

    কিন্তু সেটি গ্রহণ করতে প্রশাসনের ২ মাসের বেশি সময় লেগেছে। মার্চের শেষে এসে এই মতামত গ্রহণ করা হয়। আমরা গত আগস্টে শুনেছিলাম যে ৩/৪ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করা হবে অথচ ৮ মাস অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এখনো ডাকসু নির্বাচনের কোনো রোডম্যাপই আমরা পাইনি। যেখানে রাবি এবং জাবিতে ইতোমধ্যেই তাদের ছাত্রসংসদ নির্বাচনের রূপরেখা ঘোষণা করেছে।

    ডাকসুর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের এই স্বাধীনতাকে চিরস্থায়ী করতে, পতিত স্বৈরাচারের উত্থান রুখে দিতে এবং নব্য স্বৈরাচার প্রতিরোধ করতে, দেশের মানুষের গণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে, স্থায়ীভাবে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সম্মত ক্যাম্পাস বিনির্মাণ করতে, লেজুরবৃত্তিক ভয়াবহ দলীয় ছাত্র রাজনীতির কড়াল গ্রাস থেকে ক্যাম্পাস নিরাপদ রাখতে ও সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় করতে ডাকসুর বিকল্প নেই।

    এতে আরও বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা ডাকসু নির্বাচনের রূপরেখা চাই। আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কখনো স্মারকলিপি কখনো বিক্ষোভ মিছিল কিংবা কখনো প্রশাসনের সাথে সাক্ষাৎ করে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি করেছিলাম। আজও সেই নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই স্মারকলিপি নিয়ে এসেছি। আমরা প্রশাসনের নিকট আশা রাখব যে তারা আমাদের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে কালবিলম্ব না করে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। আমরা আন্দোলন করতে করতে ক্লান্ত, জুলাই অভ্যুত্থানে এত রক্ত ঝরার পরও কোনো যৌক্তিক দাবি আদায়ে বারবার আন্দোলন করার প্রয়োজন হওয়াটা দুঃখজনক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি আমাদের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং ডাকসু নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি প্রদান করা অব্যাহত থাকে তাহলে আমরা ডাকসুর দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।

  • টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে খুলল অফিস-আদালত

    টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে খুলল অফিস-আদালত

    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা নয়দিনের ছুটি শেষে খুলল দেশের সব সরকারি অফিস-ব্যাংক-আদালত। সেইসঙ্গে রোজার আগের সূচিতেও (৯টা থেকে ৫টা) ফিরছে সব অফিস। ফলে আবার কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে সব অফিস। প্রথমদিনই অফিস-আদালতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের কুশল বিনিময় করতে দেখা গেছে। অফিসগুলোতে রয়েছে ঈদের আমেজ।

    ঈদের আগে ২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার ছিল শেষ কর্মদিবস। পরদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি দিয়ে শুরু হয় টানা নয়দিনের সরকারি ছুটি। এর মধ্যে ৩১ মার্চ সোমবার দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন হয়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৩১ মার্চ সাধারণ ছুটি। ঈদের আগের দিন ৩০ মার্চ ও ঈদের পরের দিন ১ ও ২ এপ্রিলও ছুটি ছিল। ৩ এপ্রিল ছুটি হয় নির্বাহী আদেশে। সবমিলিয়ে এবার ঈদের ছুটি হয় পাঁচদিন। আর দুই দফায় শুক্র ও শনিবার মিলিয়ে আরও চারদিন ছুটি যোগ হয়। সব মিলিয়ে মোট নয় দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পান সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা।

  • জবি ভর্তিতে সাবজেক্ট চয়েস শুরু ৮ এপ্রিল

    জবি ভর্তিতে সাবজেক্ট চয়েস শুরু ৮ এপ্রিল

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য সাবজেক্ট চয়েস (বিষয় নির্বাচন) প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আগামী ৮ এপ্রিল থেকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি।

    বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মনজুর মোর্শেদ ভূঁইয়া জানান, ‘৮ এপ্রিল থেকে সাবজেক্ট চয়েস কার্যক্রম শুরু হবে এবং এটি চলবে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত।’

    কলা ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের পছন্দের বিষয় নির্বাচন করতে পারবে। এ সংক্রান্ত নোটিশ ইতোমধ্যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।’

    সাবজেক্ট চয়েসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (https://admission.jnu.ac.bd) গিয়ে লগইন করতে হবে। পরে নিজের ভর্তি পরীক্ষার রোল ও পিন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পছন্দের বিষয়গুলো তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন করে সাবমিট করতে হবে।

    উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ (এ ইউনিট), কলা ও আইন অনুষদ (বি ইউনিট), বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ (সি ইউনিট) এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ (ডি ইউনিট) এর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

  • ঢাবি, জবি ও বেরোবি খুলবে আজ

    ঢাবি, জবি ও বেরোবি খুলবে আজ

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে আজ রবিবার (৬ এপ্রিল) থেকে খুলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বাকি দুটি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ও রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। এদিন থেকেই চালু হবে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

    গত ২৫ মার্চ ছিল ঈদের ছুটির আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কর্মকর্তাদের শেষ কর্ম দিবস। এর আগে গত ১৩ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন শুরু হয় ক্লাস কার্যক্রম, যা চলে ২০ মার্চ পর্যন্ত। ঈদের ছুটি কাটিয়ে রবিবার থেকে আবারো ক্লাসে ফিরবেন শিক্ষার্থীরা।

    গত ২৩ মার্চ থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। ছুটি শুরুর আগে ও পরের শুক্র ও শনিবারসহ মোট ১৬ দিনের ছুটি ছিল। ছুটি শেষ রবিবার থেকে যথারীতি ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলবে।

    এছাড়া গত ২৬ মার্চ বুধবার থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ ছিল। ‎তবে এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিষেবার চালু ছিল।

    রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ১২ দিনের ছুটি শেষ রবিবার থেকে যথারীতি ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলবে। এর আগে ২৩ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস এবং ২৮ মার্চ প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

  • ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষে ৪৬’র লিখিত নেওয়ার দাবি

    ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষে ৪৬’র লিখিত নেওয়ার দাবি

    ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৪৬তম এর লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশ। একইভাবে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষে ৪৭তমের প্রিলিমিনারি নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ দাবিতে আগামীকাল রোববার (৬ এপ্রিল) সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

    শনিবার (৫ এপ্রিল) ৪৪, ৪৫ এবং ৪৬তম বিসিএসের লিখিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ‘মার্চ টু পিএসসি’ কর্মসূচির মুখপাত্র মোস্তাকিন আহমেদ আশিক।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক এ শিক্ষার্থী জানান, ‘৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর) ৬ মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনও অর্ধেক প্রার্থীর ভাইভা শেষ হয়নি। যে গতিতে পিএসসি আগাচ্ছে, তাতে আরও এক বছর সময় লাগবে ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষ করতে। এর মধ্যে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা রয়েছে। মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রার্থী ৪৬ এর লিখিত দেবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে না কি লিখিত পরীক্ষার?

    মোস্তাকিন আহমেদ আশিক জানান, ‘আমাদের দাবি খুবই স্পষ্ট। আমরা একটি বিসিএসের সঙ্গে আরেকটি বিসিএস যেন জড়িয়ে না যায়। অর্থাৎ ৪৪ এর ভাইভা শেষে ৪৬ এর লিখিত এবং ৪৬ এর লিখিত শেষ হওয়ার পর ৪৭তম বিসিএসের প্রিলি নিতে হবে। এজন্য আমরা একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছি। আগামীকাল রোববার পিএসসিকে আমরা এ রোডম্যাপ দেব। একইসঙ্গে পিএসসির কাছ থেকে রোডম্যাপ নিয়েও আসবো। সারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা আমাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

  • টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ হচ্ছে ৩২৯ উপজেলায়

    টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ হচ্ছে ৩২৯ উপজেলায়

    সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শোয়াইব আহমদ খান। বলছেন, এই লক্ষ্যে সরকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রকল্পের আওতায় ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

    শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. ফরিদুর রহমানসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

    অনুষ্ঠানে শোয়াইব আহমদ খান বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশের দেড় কোটি লোক বিদেশে স্বল্প মজুরিতে চাকরি করার কারণে আশানুরূপ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার এই প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ, নবীগঞ্জ, বাহুবল, শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট ও লাখাই উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রতিটি উপজেলায় ৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। কোনো দানশীল ব্যক্তি জমি দান করতে চাইলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে নবীগঞ্জ ও বাহুবলের জন্য দুজন দানশীল ব্যক্তি ভূমি দান করেছেন বলে জানান শোয়াইব আহমদ খান।