Category: শিক্ষাঙ্গন

  • এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

    এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের জন্য আরও সাতদিনের সময় বাড়িয়েছে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড। নতুন সূচী অনুযায়ী আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ফরম পূরণ করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে ফরম পূরণের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বাদ পড়ার শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ফরম পূরণের সুযোগ পাবেন। সোনালী সেবার মাধ্যমে ২২ এপ্রিলের মধ্যে তাদের ফি পরিশোধ করতে হবে। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শেষ করবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

    এর আগে গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ফরম পূরণ চলে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন কারণে ফরম পূরণ করতে পারেনি এমন অনেকেই বোর্ডে এসে সময় বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছিলেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ফরম পূরণের সময় সাতদিন বাড়ানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ২৬ জুন থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। যা শেষ হবে ১০ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২১ আগস্ট শেষ হবে।

  • এসএসসি পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণ প্রবেশ নিষেধ

    এসএসসি পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে জনসাধারণ প্রবেশ নিষেধ

    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে পরীক্ষা হলের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

    গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের এসএসসি ও এসএসসি (ভোকেশনাল), দাখিল ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। যেহেতু পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করা প্রয়োজন, সেহেতু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স-এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত জনসাধারণের অনধিকার প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

    এতে বলা হয়, এই আদেশ আগামী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনগুলোতে পরীক্ষা চলাকালীন সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নিয়ম

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নিয়ম

    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হবে। বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে এবারের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে আগামী ১৩ মে পর্যন্ত। এ বছর ১৯ লাখ ২৮ হাজার পরীক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    নির্দিষ্ট দিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ থেকে ২২ মে পর্যন্ত। প্রশ্নফাঁস, গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতি বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা দিয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো—

    ১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে;

    ২. প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে;

    ৩. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না;

    ৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন পূর্বে সংগ্রহ করবে;

    ৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে;

    ৬. পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না;

    ৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে;

    ৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না;

    ৯. কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা (সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক) নিজ বিদ্যালয়ে/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না। পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে;

    ১০. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে;

    ১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন না;

    ১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে;

    ১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্র/ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে;

    ১৪. পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।

  • ৪০ দিন পর খুলল স্কুল-কলেজ

    ৪০ দিন পর খুলল স্কুল-কলেজ

    টানা ৪০ দিন ছুটি শেষে আজ বুধবার থেকে খুলল দেশের সব সরকারি-বেসরকারি সব স্কুল ও কলেজ। এতে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠল শিক্ষাঙ্গন।

    তবে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেখানে এই ছুটি আরো দীর্ঘায়িত হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি স্কুলগুলোতে সর্বশেষ ক্লাস হয়। পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আনুষ্ঠানিক ছুটি শুরু হয় ২ মার্চ থেকে।

    রমজান, ঈদুল ফিতর, স্বাধীনতা দিবস, শবেকদরসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে স্কুল বন্ধ ছিল গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত।

  • যথাসময়েই হবে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা

    যথাসময়েই হবে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা

    কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ এপ্রিলই অনুষ্ঠিত হবে। পূর্বনির্ধারিত সময় এদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত কৃষি গুচ্ছ ভর্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভা শেষে কৃষি গুচ্ছ ভর্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. হেলাল উদ্দীন বলেন, সভায় সবার সম্মতিক্রমে নির্ধারিত সময় ১২ এপ্রিলই বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আবেদনকারীদের আবারও এসএমএসের মাধ্যমে সময়সূচি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে। তাছাড়া এক কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী অন্য কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবেন না।

    এর আগে ১২ এপ্রিল কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। কারণ একই দিন ঢাকায় প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন হতে পারে বলেও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে।

    বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ভর্তি পরীক্ষার দিন ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। বিষয়টি মাথায় রেখে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষার সময় পুনর্বিবেচনা করতে আজ সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কমিটির একটি সভা আহ্বান করা হয়েছে।

    তবে উপাচার্য ও ভর্তি কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ অপরিবর্তিত রাখা হয়।

    কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ের ডিগ্রি দেওয়া ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন ৯৪ হাজার ৩৬ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন রয়েছে তিন হাজার ৮৬৩টি। সেই হিসাবে প্রতিটি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২৫টি।

    সারা দেশের ৯টি পরীক্ষাকেন্দ্রে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রগুলো হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ; গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী; চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট; খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা; হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম।

  • ২০২৬ সালের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের চাহিদা চেয়েছে সরকার

    ২০২৬ সালের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের চাহিদা চেয়েছে সরকার

    ইবতেদায়িসহ দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ের চাহিদা চেয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সব অঞ্চলের উপরিচালকদের কাছ থেকে চাহিদা চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের অফিস আদেশে জানানো হয়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা অনলাইনে দাখিল সংক্রান্ত জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

    এর আগে এনসিটিবি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে এবতেদায়িসহ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ের চাহিদা চেয়ে পত্র দেয়।

    এনসিটিবির গত ২৫ মার্চের পত্রে বলা হয়েছে, দেশের সব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বিন্যমূল্যের পাঠ্যপুস্তক মূদ্রণ করে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে সরবরাহের বিষয়টি সরকারের একটি অগ্রাধিকার ও জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম।

  • এসএসসিতে নকল-প্রশ্নফাঁসে জড়ালেই শাস্তি

    এসএসসিতে নকল-প্রশ্নফাঁসে জড়ালেই শাস্তি

    আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নকল বা অসদুপায় অবলম্বন করলে এবং প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বা গুজব ছড়ানোতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো মোর্চ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব, নকল বা অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সম্পর্কিত গুজব/ঘটনা, নকল/অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন ১৯৮০, তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এবং এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠেয় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীরা যেন পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে আসন নেয় এবং মোবাইল ফোনসহ যেকোনও প্রকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা নকল নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে না আসে এবং সামাজিক যোগাযোগ বা অন্য কোনও মাধ্যমে প্রশ্নপত্র পাওয়ার চেষ্টা না করে সে বিষয়ে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক সমাজ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ সব নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করছি।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের গুজব বা ঘটনা ও নকল বা অসদুপায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওই আইনগুলো ও বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়ালে বা গুজব ছড়ালে এবং নকল ও অসদুপায় অবলম্বনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ওই আইনগুলো অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হবেন।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ১০ এপ্রিল। বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। যা শেষ হবে (তত্ত্বীয় পরীক্ষা) শেষ হবে ১৩ মে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নেওয়া হবে এ পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১৫ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে। এবারের এসএসসি পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে, সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও সময়ে।

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসছেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নয়টি সাধারণ ধারার শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষা দেবেন ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষা দেবেন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন এবং ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন ছাত্রী। ১৮ হাজার ৮৪টি স্কুলের এসব শিক্ষার্থী ২ হাজার ২৯১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন।

    দাখিল পরীক্ষায় ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন। ৯ হাজার ৬৩টি মাদ্রাসার এসব পরীক্ষার্থী ৭২৫টি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    আর এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ছাত্রের সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন; ছাত্রী আছেন ৩৪ হাজার ৯২৮জন।

  • ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তারা

    ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তারা

    গাজায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক মুক্তিকামী ফিলিস্তিনি জনগণের উপর অব্যাহত গণহত্যা পরিচালনা ও চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে একাডেমিক ভবনের সম্মুখস্থ চত্বরে সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অংশগ্রহণে কালো ব্যাজ ধারণ এবং শান্তিপূর্ণ মৌন অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

    কর্মসূচির নেতৃত্ব প্রদান করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

    এ সময় উপাচার্যের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ টি এম জাফরুল আযম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত), রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন ।

  • গর্ভাবস্থায় স্ট্রোক করে ববি শিক্ষার্থীর মনির মৃত্যু

    গর্ভাবস্থায় স্ট্রোক করে ববি শিক্ষার্থীর মনির মৃত্যু

    গর্ভাবস্থায় স্ট্রোক করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাসপি ইসলাম মনি নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান উন্মেষ রয় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হাসপি ইসলাম সোমবার (৭ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে স্ট্রোক করে হাসপাতালে মারা যান। তিনি নয় মাসের গর্ভবতী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় প্রাথমিকভাবে এসব তথ্য জানা গেছে। আমরা বাংলা বিভাগ থেকে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।’

    জানা গেছে, হাসপি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়। তিনি বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক ও বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন।

    এদিকে হাসপির মৃত্যুতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়েরভিসি ড. শুচিতা শরমিন এক শোক বার্তায় মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা

    এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা

    মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার চলার তিন ঘণ্টা পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রের আশপাশে ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট নন এমন কোন ব্যক্তি চলাচল করতে পারবেন না। এছাড়াও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময় ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা চলাকালীন এ ৩৪ দিন সব ধরণের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    এসএসসি, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনে ওই পরিপত্রে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই পরিপত্রটি সব বিভাগীয় কমিশনার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং সব জেলা প্রশাসকদের পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে। কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিটের আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্টারে নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও দেরি হওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে। দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডকে জানাবেন। তবে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর কোন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া বা পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে না।

    কেন্দ্র সচিব ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন ও মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও পরিপত্রে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণায়ল। মন্ত্রণালয় বলছে, কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীরা ‘প্রোগ্রামেবল’ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে ‘নন প্রোগ্রামেবল’ সায়েন্টিফেক ক্যাকুলেটর ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন তারা।

    এছাড়াও ট্রেজারি-থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহণ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং কর্মচারী ফোন ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ওই পরিপত্রে। একইসঙ্গে প্রশ্নপত্র বহন কাজে কালো কাঁচযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করতেও নিষেধ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) নিয়োগ দিতে হবে। ট্রেজারি, থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব বা তার মনোনীত প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশ প্রহরার কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বা কর্মকর্তার (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিত না থাকলে প্রশ্নপত্র ট্রেজারি, থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে বের করা বা বহন করা যাবে না।

    নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষার কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনী প্রশ্নসহ রচনামূলক ও সৃজনশীলের সব সেট প্রশ্নই কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে’ তুলে ধরে মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, প্রশ্নের সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা নিতে হবে। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্র সচিব এবং পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে নির্ধারিত সেট কোড নিশ্চিত হয়ে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে।

    অনিবার্য কারণে কোন পরীক্ষা দেরিতে শুরু করতে হলে ‘যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের সে সময় থেকে যথারীতি প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় দিতে হবে’ বলেও জানানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে ও প্রশ্ন পরিবহনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব বা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরদারি জোরদার করবে।

    পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে সকল ফটোকপি মেশিন পরীক্ষার বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশনা দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানে আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।

    পরীক্ষার তথ্য-উপাত্ত গণমাধ্যম ও অন্যান্য মাধ্যমে উপস্থাপনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির পালন করবেন বলেও জানানো হয়েছে ওই পরিপত্র।

    সার্বিক বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বলেন, পরীক্ষা নেওয়ার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। পরীক্ষার সব সরঞ্জাম কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে।

    প্রসঙ্গত, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে ১০ এপ্রিল। বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। যা শেষ হবে (তত্ত্বীয় পরীক্ষা) শেষ হবে ১৩ মে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নেওয়া হবে এ পরীক্ষা। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষে ১৫ মে থেকে ২২ মে পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে। এবারের এসএসসি পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে, সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও সময়ে।