Category: শিক্ষাঙ্গন

  • চারুকলায় আগুন: পুড়ে গেল আনন্দ শোভাযাত্রার শেখ হাসিনার মোটিফ

    চারুকলায় আগুন: পুড়ে গেল আনন্দ শোভাযাত্রার শেখ হাসিনার মোটিফ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা ইনস্টিটিউটে আগুন লেগে এবারের বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার জন্য তৈরি করা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মোটিফ (মুখাকৃতি) পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এছাড়া ‘শান্তির পায়রা’ মোটিফটিও আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিভাবে এই মোটিফগুলো পুড়ে গেল তা যাচাই করার জন্য চারুকলার সিসিটিভির ফুটেজগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    শনিবার ভোর সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

    এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিম চারুকলায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। ভোর সাড়ে চারটার দিকে মোবাইল টিম ফজরের নামাজ পড়তে বের হয়।

    এর কিছু সময় পরেই যে জায়গাতে শেখ হাসিনার মোটিফটি ছিল, সেখানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। দ্রুত সময়ের মধ্যে আগুন নেভানো হলেও শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট মোটিফটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এটা একেবারে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি ঘটার পরপরই সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর, পুলিশের কর্মকর্তারা এসে উপস্থিত হন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হচ্ছে, কীভাবে এ ঘটনা ঘটছে।

    এ ঘটনায় অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেছেন, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মোটিফ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা আজ

    কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা আজ

    দেশের কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার (১২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। এদিন ভর্তি পরীক্ষা ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র এবং ১৩টি উপকেন্দ্রে একযোগে বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে।

    জানা গেছে, এ বছর মোট ৩ হাজার ৮৬৩টি আসনের বিপরী‌তে আবেদন ক‌রে‌ছেন ৯৪ হাজার ২০ জন। সে হিসেবে আসন প্রতি লড়বেন প্রায় ২৪ জন ভর্তিচ্ছু।

    এবার আবেদনকারীদের মধ্যে ৪৬ হাজার ৯৩২ জন ছাত্র এবং ৪৭ হাজার ৮৮ জন ছাত্রী রয়েছেন। অর্থাৎ, প্রতি আসনের জন্য প্রতি‌যো‌গিতার সংখ‌্যা প্রায় ২৫ জন শিক্ষার্থী। এছাড়াও সম্ভাব্য আগামী ১৫ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    একই দিনে ‘মার্চ টু গাজা’ কর্মসূচির কারণে যানজটের আশঙ্কা থাকায় পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে এক ঘণ্টা বা তার আগেই কেন্দ্রে পৌঁছাতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকায় সড়কে যানজটের আশঙ্কা থাকায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে থাকছে কঠোর নজরদারি। প্রশ্নপত্র বিতরণে জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত হলে হলে প্রশ্ন পৌঁছানো নিশ্চিত করা যায়। পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগে পরীক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ দেহ তল্লাশি করা হবে এবং কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহনের সুযোগ থাকবে না।

    কৃষি গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ শুরু আজ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধ শুরু আজ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি যুদ্ধ শুরু হবে আজ শনিবার (১২ এপ্রিল)। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা। এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৭৬ জন শিক্ষার্থী।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘বি’ ইউনিটে এক শিফটে পরীক্ষার নেওয়া হবে। এক ঘণ্টাব্যাপী ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এ পরীক্ষা। এই ইউনিটে ৫৫৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৪২ হাজার ৪৩৩ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। ফলে আসনপ্রতি লড়াই করবেন ৭৬ জন। বাণিজ্য শাখার জন্য ৩৬৭টি, বিজ্ঞান শাখার জন্য ১৬৬টি ও মানবিক শাখার ২৬টি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    বহুনির্বাচনী প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৮০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে, সময় এক ঘণ্টা। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫। প্রতিটি ভুল উত্তরের ০.২০ করে নম্বর কাটা হবে, অর্থাৎ পাঁচটি ভুল উত্তরের জন্য ১ নম্বর কাটা যাবে। পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৪০।

    পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ভর্তি পরীক্ষায় যেকোনো জালিয়াতি ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় তৎপর রয়েছে৷ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৭০ জন ট্রাফিক সদস্য, ১৫০ জন পুলিশ সদস্য, ৩০ জন গোয়েন্দা পুলিশ ও বিএনসিসি ও স্কাউটের ২০০ জন সদস্য কাজ করবেন। অভিভাবকদের জন্য ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। খাবারের সমস্যা যেন না হয়, সে জন্য প্রক্টররা টহল দেবেন। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্সসহ ফার্স্ট এইডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

  • ঢাবির ইইইতে এমএসসি, জিপিএ ৩.২৫ থাকলে আবেদন

    ঢাবির ইইইতে এমএসসি, জিপিএ ৩.২৫ থাকলে আবেদন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষে ইইই বিষয়ে এমএসসি প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি দেড় বছর মেয়াদি নিয়মিত প্রোগ্রাম।

    ভর্তির যোগ্যতা
    ১. ব্যাচেলর ডিগ্রি বা সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে সিজিপিএ ৩.২৫ (৪.০০–এর মধ্যে) থাকতে হবে।
    ২. এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ (৫ পয়েন্টের মধ্যে) থাকতে হবে।
    ৩. এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে।
    ৪. ও/এ লেভেল বা ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ন্যূনতম সিজিপিএ ৪.০০ পেতে হবে। বিদেশের ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের আবেদনের আগে ইইই বিভাগে পেলে যোগাযোগ করতে হবে।
    ৪. কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ পেলে হবে না।
    ৫. আবেদনের ফি ২ হাজার ২০০ টাকা।

    আবেদনের জন্য ভিজিট করতে হবে : https://du-eee.admission-aid.com

    ভর্তির বিস্তারিত তথ্য
    ১. আবেদনের শেষ তারিখ: ৮ মে ২০২৫।
    ২. ভর্তির লিখিত পরীক্ষার তারিখ: ২৪ মে ২০২৫, সকাল ১০টা।
    ৩. লিখিত পরীক্ষার ফলাফল: ২ জুন ২০২৫।
    ৪. মৌখিক পরীক্ষার তারিখ: ২১ জুন ২০২৫, সকাল ১০টা।
    ৫. নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৫।
    ৬. ভর্তির তারিখ: ৩০ জুন ২০২৫।
    ৭. ক্লাস শুরুর তারিখ: ২ জুলাই ২০২৫।

    বিস্তারিত তথ্য জানতে ভিজিট করুন ওয়েবসাইট

  • ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নাম এবার ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’

    ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নাম এবার ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’

    নানা বিতর্কের পর অবশেষে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম পাল্টে দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এবার ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে বের হবে এই শোভাযাত্রাটি।

    শুক্রবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

    নতুন নামের ঘোষণা দেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা প্রমুখ।

    চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ বলেন, এবার নববর্ষ উদযাপনে একপেশে সংস্কৃতি চর্চা থেকে বেরিয়ে এসে ইনক্লুসিভ সাংস্কৃতিক চর্চা হবে।

  • রুয়েটে পিএইচডি কোর্স, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও সুযোগ

    রুয়েটে পিএইচডি কোর্স, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও সুযোগ

    রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইআইসিটি) ও ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্ট স্টাডিজে (আইইইএস) পিএইচডি/এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/এম ইঞ্জিনিয়ারিং/পিজিডি কোর্সে ভর্তিতে আবেদন চলছে। প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য কয়েকটি শর্তে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত ফরমে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে ১০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আবেদনের শর্ত হলো—
    ১.আইআইসিটি ও আইইইএসে এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/এম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির জন্য প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে জিপিএ-৫.০০-এর মধ্যে কমপক্ষে ৩.৫০ পেয়ে পাস করতে হবে (ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমাতে জিপিএ-৪.০০-এর মধ্যে ২.৭৫ পেয়ে পাস করতে হবে) ও কোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনে চার বছর মেয়াদি বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং/ সায়েন্স) বা সমতুল্য ডিগ্রিতে সিজিপিএ-৪.০০-এর মধ্যে ২.৭৫ পেতে হবে এবং পিএইচডি কোর্সে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনে সিজিপিএ-৪.০০-এর মধ্যে ৩.০০ পেয়ে এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বা সমতুল্য ডিগ্রি থাকতে হবে।

    অথবা, সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনে পিজিডি (পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা) ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি, ইঞ্জিনিয়ারিং/ বিএসসি, এজি/বিএসসি, অর্থনীতি অথবা বিএসসি/ বিএসসি ডিগ্রি/ এমএ অথবা এমএসসি অথবা এমএসএস ডিগ্রি/আর্কিটেক্টে ব্যাচেলর ডিগ্রি বা সমতুল্য ডিগ্রিতে সিজিপিএ-৪.০০ এর মধ্যে ২.৭৫ পেতে হবে।

    ২. আইআইসিটি ও আইইইএসে পিজিডি (IICT ও IEES-এ PGD (Post Graduate Diploma) কোর্সে ভর্তির জন্য প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল্য পর্যায়ে যেকোনো একটিতে জিপিএ-৫.০০-এর মধ্যে কমপক্ষে ৩.৫০ পেয়ে পাস করতে হবে, তবে কোনো পরীক্ষাতে জিপিএ-৫.০০-এর মধ্যে ৩.০০-এর নিচে/তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয় এবং কোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/বিএসসি এজি/বিএসসি ইকোনমি অথবা বিএসসি/ বিএসসি ডিগ্রি/ এমএ অথবা এমএসসি অথবা এমএসএস ডিগ্রি/ ব্যাচেলর আর্কিটেক্ট ডিগ্রি বা সমতুল্য ডিগ্রিতে ৪.০০-এর মধ্যে ২.৫০ পেতে হবে।

    ৩. দরখাস্তের সঙ্গে এসএসএল (SSL) সার্ভিসের মাধ্যমে ১০০০/ (এক হাজার) টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    ৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি ফরম পূরণ করে ২০/০৩/২০২৫ থেকে ১২/০৪/২০২৫ মধ্যে আবেদন করতে হবে। সব পরীক্ষার সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট/মার্কসিটের সত্যায়িত ফটোকপি এবং সিলেবাস/কারিকুলামের সত্যায়িত ফটোকপি ওয়েবসাইট লিংকে জমা দিতে হবে। তবে পাবলিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাস করা শিক্ষার্থীদের সিলেবাস/কারিকুলামের ফটোকপি জমা দিতে হবে না।

    ৫. সব নির্বাচিত প্রার্থীকে (স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উপযুক্ত বলে গণ্য হলে) পিজিডির নির্ধারিত ভর্তি ফি ১২,০০০/- (বারো হাজার) টাকা এবং পিএইচডি/এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/এম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নির্ধারিত ফি ১৮,৫০০/- (আঠারো হাজার পাঁচ শ) টাকা প্রদান করে ৩০/০৪/২০২৫ মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে এবং শিক্ষা শাখায় কাগজপত্রাদি জমা দিতে হবে।

    ৬. চাকরিরত প্রার্থীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

    ৭. প্রার্থী ইতিপূর্বে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে থাকলে ভর্তির সময় ভর্তি বাতিলের সনদ জমা দিতে হবে।

    ৮. চাকরিরত প্রার্থী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সম্মতিক্রমে খণ্ডকালীন ছাত্র হিসেবেও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    ৯. চাকরিরত পিএইচডি প্রার্থীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে এক বছরের ছুটি নিতে হবে।

    ১০. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা ভর্তি-ইচ্ছুক প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নিম্নের বিষয়গুলো প্রযোজ্য হবে। (ক) বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। (খ) রুয়েটের সঙ্গে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস ও ক্রেডিট সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

    • আবেদন শুরু : ২০ মার্চ থেকে
    • আবেদন শেষ : আগামী শনিবার, ১২ এপ্রিল
    • যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল
    • ভর্তি পরীক্ষা : ১৯ এপ্রিল
    • ফলাফল প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল
    • ক্লাস শুরু : আগামী ৩ মে
    • আবেদনের জন্য ওয়েবসাইটের লিংক
  • কেনো ছাত্র খরায় ভুগছে মফস্বলের কওমি মাদরাসাগুলো?

    কেনো ছাত্র খরায় ভুগছে মফস্বলের কওমি মাদরাসাগুলো?

    দক্ষিণাঞ্চলের একটি উপজেলা সদরে অবস্থিত কওমি মাদরাসাটিতে সর্বোচ্চ জামাত শরহে বেকায়া। সেই জামাতে সর্বসাকুল্যে ভর্তি হয়েছেন তিনজন। ভর্তির সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে। আরও এক-দুজন ভর্তি হতে পারেন- এমন আশা করছেন মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। অথচ এর আগের জামাত শরহে জামিতে ছাত্র সংখ্যা ছিল ৯ জন। তিন ভাগের দুই ভাগ ছাত্রই এবার আর ভর্তি হয়নি। তাদের কেউ জেলা সদরে, আবার কেউ চলে গেছেন রাজধানী ঢাকায়।

    মফস্বলের একটি কওমি মাদরাসার চিত্রই এটি নয়। বেশির ভাগ মাদরাসা এ ধরনের ছাত্র খরায় ভুগছে। নিচের জামাতে ছাত্রসংখ্যা মোটামুটি থাকলেও উপরের ক্লাস যত বাড়তে থাকে তত ছাত্রসংখ্যা কমতে থাকে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের জন্য খুবই বিব্রতকর। নিজেদের হাতেগড়া ছাত্রদের এভাবে চলে যাওয়ায় আক্ষেপের শেষ নেই তাদের।

    সিরাজগঞ্জের একটি মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা ফজলুর রহমান বলছিলেন, যেসব ছাত্রকে তারা অতিরিক্ত যত্ন নিয়ে পড়াশোনা করান, প্রত্যাশা থাকে তাদের দ্বারা ভালো ফলাফল হবে, তারা প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করবে, তাদের বেশির ভাগকেই আর ধরে রাখা যায় না। ‘কেউ চলে গেলে আমরা কী করতে পারি’ অনেকটা আক্ষেপের সুরে বলছিলেন তিনি।

    কিন্তু মফস্বলের কওমি মাদরাসাগুলোতে এভাবে দিন দিন ছাত্র খরা প্রকট হচ্ছে কেন? এর পেছনে কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, মফস্বলের মাদরাসাগুলোর পড়াশোনার মান দিন দিন কমে যাচ্ছে। ছাত্ররা উপযুক্ত খোরাক না পেয়ে সেখানে আর থাকছে না। কিছু ব্যতিক্রম বাদে বেশির ভাগ মাদরাসা পুরো বছর ছাত্রদের নিয়মতান্ত্রিকভাবে পড়াশোনার টেবিলে ধরে রাখতে পারে না। ভালো শিক্ষক থাকলেও তাদের অন্যান্য ব্যস্ততা থাকায় ছাত্র গড়ার প্রতি সেভাবে মনোযোগ দিতে পারেন না।

    তাছাড়া মফস্বলের মাদরাসাগুলোর একটি বড় অংশ ছাত্রদের পুরোপুরি আবাসিকের ব্যবস্থা করতে পারে না। অনেকে বাড়ি থেকে এসে পড়াশোনা করেন। কেউ কেউ লজিং থেকে পড়েন। এতে একটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ছাত্ররা পড়াশোনায় ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়।

    মাওলানা আতিকুল্লাহ আগে মফস্বলের একটি মাদরাসায় কিছুদিন খেদমত করলেও এখন ঢাকার একটি প্রাইভেট মাদরাসায় পড়ান। তিনি মফস্বলের মাদরাসাগুলোর সমস্যার কথা তুলে ধরে বলছিলেন, সেখানে উস্তাদদের বেশির ভাগই বাইরে ব্যস্ত থাকেন। কেউ মসজিদে ইমামতি করেন, কেউ অন্য কোনো পেশার সঙ্গে জড়িত। পুরো সময়টা মাদরাসায় থেকে ছাত্রদের পেছনে সময় দেওয়ার মতো উস্তাদের সংখ্যা কম। তাছাড়া যোগ্য উস্তাদেরও সংকট রয়েছে মাদরাসাগুলোতে। সবচেয়ে বড় হলো, ছাত্ররা ফাঁকিবাজি করে, সেটা ধরার মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থা মফস্বলের মাদরাসাগুলোতে নেই।

    তবে কেউ কেউ মনে করেন, এখনকার ছাত্রদের মধ্যে ঢাকা বা শহরমুখিতা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। প্রতিটি ছাত্রই এক পর্যায়ে শহরমুখি হয়ে পড়ে। ফলে ভালো পড়াশোনা হলেও তাদের মন আর গ্রামে টিকে না। এই প্রবণতা বন্ধ না করলে মফস্বলের মাদরাসাগুলো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

    তবে কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িতরা মনে করেন, মফস্বলের মাদরাসাগুলোর কর্মপদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাদের আপডেট হতে হবে। তারা যদি ২০/৪০ বছর আগের ধারায় এখনও চলতে চায় তাহলে সংকটে পড়বে। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, এখনকার ছাত্ররা অনেক আপডেট। তাদের হাতে হাতে মোবাইল-ইন্টারনেট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে গোটা দুনিয়াই তাদের সামনে থাকে। তারা গ্রামের মাদরাসাগুলোতে নিজেদের খোরাক না পেয়ে শহরমুখি হয়।

    বিশ্লেষকরা বলেন, মফস্বলের মাদরাসাগুলোকে পড়াশোনার মানের ব্যাপারে সর্বোচ্চ জোর দিতে হবে। ছাত্রদের সার্বক্ষণিক নেগরানির আওতায় এনে, মানসম্মত পড়াশোনা নিশ্চিত করতে হবে। পরীক্ষায় কীভাবে ভালো করতে পারে সেই টিপসও তাদের দিতে হবে। প্রয়োজনীয় কিছু টিপসের অভাবে মফস্বলের মাদরাসাগুলোতে অনেক ভালো পড়াশোনার পরও অনেক ছাত্র ভালো ফলাফল করতে পারে না।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাধারণত উপরের জামাত ছাত্ররা মফস্বলের মাদরাসায় পড়তে চায় না। এজন্য উপরের জামাত খোলা রাখলে সেখানে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। নামকাওয়াস্তে ক্লাস খুলে রাখলে চলবে না। প্রয়োজনে ছাত্র না পেলে ক্লাস কমিয়ে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন কেউ কেউ। তাদের বক্তব্য হলো, যথাযথ খোরাক দিতে না পারলে ছাত্র ধরে রাখা যাবে না।

    তবে অনেকে উদাহরণ দিয়ে বলছেন, ভালো পড়াশোনা হলে গ্রাম পর্যায়ের মাদরাসাতেও ছাত্রদের ভিড় লাগে। চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ কিংবা উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে অজপাড়া গাঁয়েও অনেক মাদরাসা এমন আছে, দূর-দূরান্ত থেকে ছাত্রদের ভিড় লেগে যায়। এজন্য যেসব মাদরাসা মফস্বলে থেকেও ভালো করছে, তাদের থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যদেরও সেভাবেই মাদরাসা পরিচালনা করা উচিত।

  • হাত-পা ছাড়া জন্ম নেয়া লিতুন জিরা এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী

    হাত-পা ছাড়া জন্ম নেয়া লিতুন জিরা এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী

    যশোরের মণিরামপুরে ‘হাত-পা ছাড়াই জন্ম নেওয়া’ সেই মেধাবী লিতুন জিরা এ বছর এসএসসি পরীক্ষা যোগ দিয়েছেন। এ যেন অদম্য ইচ্ছাশক্তির বলে বলীয়ান হয়ে মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন তিনি। জিরা সমাজের পিছিয়ে পড়া ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। মণিরামপুর উপজেলার গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন লিতুন জিরা। উপজেলার নেহালপুর স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে ইউএনও নিশাত তামান্না পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে লিতুন জিরাকে দেখে অভিভূত হন। লিতুন জিরা’র এগিয়ে যাওয়ার পথে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাসও দেন তিনি।

    যশোরের মণিরামপুর উপজেলার সাতনল খানপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান ও জাহানারা বেগম দম্পতির দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে ছোট লিতুন জিরা। বড় ছেলে ঢাকার একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন। লিতুন জিরা পিইসি (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা) ও জেএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর, প্রাথমিকে বৃত্তি লাভ, শ্রেণীর সেরা শিক্ষার্থীর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চায়ও রেখেছেন চমক জাগানো অবদান।

    লিতুন জিরার একাগ্রতা আর অদম্য ইচ্ছা শক্তির কাছে তার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হার মেনেছে। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি বা পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রমেও স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি।

    জানা যায়, অদম্য ইচ্ছা শক্তির বলে বলীয়ান হয়ে সব বাঁধা টপকে গিয়ে সমাজের ৮/১০জন প্রতিভাবান স্বাভাবিক শিশুর মতোই এগিয়ে চলেছেন লিতুন জিরা। বরং এক্ষেত্রে স্বাভাবিক শিশুর চেয়েও দৃঢ়তার সাথে এগিয়ে চলেছেন লিতুন জিরা। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে পর পর দুই বছর লিতুন জিরা উপজেলা পর্যায় মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন, ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের রচনা প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন, একই সালে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতায় গোল্ড মেডেল অর্জনসহ একই বছরের ৪ জানুয়ারি লিতুন জিরা খুলনা বেতারে গান গাওয়ার সুযোগ পান।

    লিতুন জিরার মা জাহানারা বেগম বলেন, জন্মের পর মেয়ে লিতুন জিরার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় অনেক রাত চোখের পানিতে ভাসিয়েছেন। যার দুই হাত-পা নেই; সেই মেয়ে বড় হয়ে কীইবা করতে পারবে-এমন অজানা শংকায় আঁতকে উঠতেন তিনি। বড় হওয়ার সাথে সাথে মেয়ের পড়া-লেখার প্রবল আগ্রহ এবং মেধার স্বাক্ষরতায় সেই আশঙ্কা আজ আশার আলোয় রূপ নিয়েছে তার কাছে।

    বাবা কলেজ শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি যে কলেজে চাকরি করেন, দীর্ঘ ১৯ বছরেও সেটি এমপিওভুক্ত হয়নি। তারপরও ছেলে-মেয়েদের কখনো অভাব বুঝতে দেননি। হাটা-চলা করতে না পারা লিতুন জিরার সেই শিশু বয়স থেকে কর্দমাক্ত পথ মাড়িয়ে ঝড়-বর্ষা মাথায় নিয়ে হুইল চেয়ারে করে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে গেছেন তিনি। মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

    মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না বলেন, সমাজে এমন শিশু বিরল। তার চোখে দেখা লিতুন জিরার অদম্য মেধা ও ইচ্ছা শক্তির কথা শুনে অভিভূত হয়েছেন। তিনিও লিতুন জিরার ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়া পথে অনুপ্রেরণার অংশীজন হতে চান।

  • পরীক্ষার কক্ষ খুঁজে দেবে ‘এক্সাম হল ফাইন্ডার’ অ্যাপ

    পরীক্ষার কক্ষ খুঁজে দেবে ‘এক্সাম হল ফাইন্ডার’ অ্যাপ

    দেশের কৃষি-সংশ্লিষ্ট ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা হতে যাচ্ছে ১২ এপ্রিল। প্রতিবছরই পরীক্ষার দিন শিক্ষার্থীদের অচেনা ক্যাম্পাসে এসে নির্ধারিত কক্ষ খুঁজে পেতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। থাকে মানসিক চাপ। সেই জটিলতা কাটাতে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান নিয়ে এসেছেন ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।

    বাকৃবির বায়োইনফরমেটিকস বিভাগের তিন শিক্ষার্থী ‘এক্সাম হল ফাইন্ডার’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যাপ তৈরি করেছেন। এতে পরীক্ষার্থীরা তাঁদের রোল নম্বর ও কক্ষ নম্বর ইনপুট দিলেই ম্যাপের মাধ্যমে কক্ষের সঠিক অবস্থান ও সেখানে যাওয়ার দিকনির্দেশনা পেয়ে যাবেন।

    অ্যাপটি তৈরি করেছেন অনিক হাওলাদার, মুহাম্মদ ইশমামুল হক ও মো. আসিফুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিকস বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অ্যাপটি প্রথম তৈরি হয় গত বছর। তবে চলতি বছরের ভর্তি-ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপটি সম্প্রতি হালনাগাদ করা হয়েছে।

    অনিক বলেন, ‘আমরা এই অ্যাপ তৈরি করে আগেও ভালো সাড়া পেয়েছিলাম। এবার নতুন কেন্দ্রগুলোর তথ্য যোগ এবং ইউজার ইন্টারফেস আরও সহজ করে অ্যাপটি আপডেট করেছি, যাতে পরীক্ষার্থীরা উপকৃত হন। এখন পর্যন্ত অ্যাপটি শুধু বাকৃবি কেন্দ্রে কার্যকর। তবে ভবিষ্যতে কৃষি গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

    অ্যাপটিতে প্রবেশ করা যাবে ওয়েবলিংক কিংবা কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে। এটি ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের যেমন সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি পরীক্ষার দিন কক্ষ খুঁজে না পাওয়ার ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলবে।

    কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির বাকৃবি কেন্দ্রের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবনী দক্ষতা দিয়ে যেভাবে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমস্যার সমাধান দিচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ ভর্তি-ইচ্ছুকদের মানসিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে।’

  • এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ-পরামর্শ দেওয়া যাবে কন্ট্রোল রুমে

    এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ-পরামর্শ দেওয়া যাবে কন্ট্রোল রুমে

    ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য, অভিযোগ ও পরামর্শ এ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে দিতে পারবেন যে কেউ।

    বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) থেকে এ কন্ট্রোল রুম খোলার পর কাজ শুরু হয়। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির প্রধান ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের নিম্নলিখিত ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল সর্বসাধারণের অবগতির জন্য বিভিন্ন সময়ের খবরে প্রচার এবং স্কুলে প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

    পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য জানার জন্য যোগাযোগ করুন ফোন নম্বর- ০২-২২৩৩৬৯৮১৫, মোবাইল নম্বর- ০১৫৫০৪১১২০৩, ০১৭১৪৯৯৪০৭৩, ০১৭৫৬১০৩১৫২ ও ই-মেইল- controller@dhakaeducationboard.gov.bd

    এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী রয়েছে ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন। পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ২৯১টি, প্রতিষ্ঠানসংখ্যা ১৮ হাজার ৮৪টি।

    মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী রয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন ছাত্রী। এই বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ৭২৫টি এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৬৩টি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী রয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ এবং ৩৪ হাজার ৯২৮ জন ছাত্রী।