Category: প্রধান সংবাদ

  • আন্দোলনের মুখে ইউআইইউ’র ভিসি, ডিনসহ শীর্ষদের পদত্যাগ

    আন্দোলনের মুখে ইউআইইউ’র ভিসি, ডিনসহ শীর্ষদের পদত্যাগ

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে একযোগে পদত্যাগ করলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) উপাচার্য, অনুষদের ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানরা।

    শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার পর ইউআইইউ’র অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

    ফেসবুকের ওই পোস্টে ইউআইইউ জানিয়েছে, ‘ইউআইইউ-এর উপাচার্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অযৌক্তিক দাবির প্রতিবাদে, সকল ডিন, প্রধান এবং পরিচালকরা যৌথভাবে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।’

    পদত্যাগকৃতদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবুল কাসেম মিয়া, সিএসই বিভাগের প্রধান ড. মুহাম্মদ নুরুল হুদা, ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং এমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম রিজওয়ান খান, স্কুল অব বিজনেজ অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা, স্কুল অফ হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. হামিদুল হক, স্কুল অব সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. হাসান সারোয়ার, মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের (এমএসজে) বিভাগীয় প্রধান ড. শেখ মো. শফিউল ইসলামসহ আরও অনেকে।

    এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক ছাত্রীর বাবা মারা যান। ওই ছাত্রী মিডটার্ম পরীক্ষা পরে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর একটি আবেদন করেন। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের মুখে আজ একযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা একযোগে পদত্যাগ করলেন।

  • জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, ২১ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন

    জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, ২১ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন

    জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণে হঠাৎ দেশের ২১ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে সন্ধ্যা হওয়ার আগেই অন্ধকারে ছেয়ে যায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এসব জেলা।

    শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণ বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।

    সূত্র জানায়, জাতীয় গ্রিডে ত্রুটির কারণে ঢাকা বিভাগের বেশ কয়েকটি জেলাসহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সবকটি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে।

    বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া জেলাগুলো হলো— খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ভোলা।

    দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লিমিটেডের খুলনা অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হায়দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় গ্রিডে ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে। তবে এখন কয়েকটি জেলায় পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। তবে সবকটি জেলায় এখনো বিদ্যুৎ দিতে পারিনি।

    ওজোপাডিকো খুলনা অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, খুলনা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয় ৫টা ৪৮ মিনিটে। এর দুই ঘণ্টা পর ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। তবে সবগুলা জেলায় এখনো পুরোপুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হয়নি।

    রাতের মধ্যে ঠিক হবে তিনি বলেন, পরিস্থিতি কখন পুরোপুরি ঠিক হবে তা বলা যাচ্ছে না। আমরা চেষ্টা করছি। আশা করছি আজ রাতের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে।

  • বইপড়ুয়া সমাজ আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়বে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    বইপড়ুয়া সমাজ আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়বে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার বলেছেন, আমাদের বুদ্ধিভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করতে হলে বইপড়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। একটি বইপড়ুয়া সমাজ আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে। বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবসটি সারা বিশ্বের বইপ্রেমীরা বিশেষভাবে উদযাপন করেন। বইপড়া, বই ছাপানো, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ২৩ এপ্রিল ইউনেসকোর উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ জ্যেষ্ঠ সচিব ও বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের সেক্রেটারি জেনারেল সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র অনেক বছর ধরে আমাদের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে বইপড়া কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে মাধ্যমিক পর্যায়ে বইপড়া কার্যক্রমে যুক্ত ছিল। আশা করছি, এ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সারাদেশে শিগগির শুরু হবে এবং তা চলমান থাকবে।

    আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ বলেন, আমাদের মধ্যে কপিরাইট বিষয়ে সচেতনতা কম। ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কপিরাইটের সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তিনি সাহিত্য-সংস্কৃতির মেলবন্ধনে আন্তর্জাতিক বইমেলা আয়োজনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস, কপিরাইট রেজিস্টার, (যুগ্ম-সচিব) (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিজানুর রহমান বলেন, পৃথিবীর অন্য অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশে সৃজনশীল মানুষের মধ্যে কপিরাইটের নিবন্ধন করার প্রবণতা কম। এ বিষয়ে কপিরাইটের নিবন্ধন করার জন্য সৃজনশীল মানুষদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সভাপতির বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা হচ্ছে আমাদের জাতীয় মুক্তির সবোর্চ্চ মাধ্যম। বইপড়ার মাধ্যমে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষদের সঙ্গে কথা বলা যায়। বই মানুষকে জীবন অতিক্রম করতে শেখায়। তিনি বাংলাদেশে পাঠক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বইমেলার প্রবর্তক চিত্তরঞ্জন সাহার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন এবং আগামী বছর গুলোতে সমগ্র বাংলাদেশে বই পড়া কার্যক্রমে অন্তত ৫০ লক্ষ পাঠক এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশন ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মিজ জুবাইদা মান্নান স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম-পরিচালক (প্রোগ্রাম) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ সুমন।

    দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার পাশাপাশি কেন্দ্রের প্রকাশনা বিভাগের সব বইয়ের ওপর সপ্তাহব্যাপী (২৩ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত) বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কুমিল্লা ও খাগড়াছড়িসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • বাবার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    বাবার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঠিকাদারি তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পিতা বিল্লাল হোসেন।

    বুধবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মেসার্স ইসরাত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি লাইসেন্সের ছবি পোস্ট করেছেন এ সাংবাদিক। তার পোস্টের পর শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

    তবে ইতোমধ্যেই আসিফ মাহমুদের পিতা বিল্লাল হোসেনের লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা নিজেই। এছাড়াও তার বাবার এই ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

    বৃহস্পতিবার সকালে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রিয় ক্যাম্পাসের পাঠকদের জন্য উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

    প্রথমেই আমার বাবার ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

    গতকাল রাত ৯ টার দিকে একজন সাংবাদিক কল দিয়ে আমার বাবার নামে ইস্যুকৃত ঠিকাদারি লাইসেন্সের বিষয়ে জানতে চাইলেন। বাবার সাথে কথা বলে নিশ্চিত হলাম তিনি জেলা পর্যায়ের (জেলা নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার এর কার্যালয় থেকে ইস্যুকৃত) একটি লাইসেন্স করেছেন। বিষয়টি উক্ত সাংবাদিককে নিশ্চিত করলাম। তিনি পোস্ট করলেন, নিউজও হলো গণমাধ্যমে। নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে তাই ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজনবোধ করলাম।

    আমার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক। আকুবপুর ইয়াকুব আলী ভুঁইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্থানীয় একজন ঠিকাদার কাজ পাওয়ার সুবিধার্থে বাবার পরিচয় ব্যবহার করার জন্য বাবাকে লাইসেন্স করার পরামর্শ দেন। বাবাও তার কথায় জেলা নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার থেকে একটি ঠিকাদারি লাইসেন্স করেন। রাষ্ট্রের যেকোন ব্যক্তি ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে যেকোন লাইসেন্স করতেই পারে। তবে আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত থাকা অবস্থায় বাবার ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়ানো স্পষ্টভাবেই কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। বিষয়টি বোঝানোর পর আজ বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে লাইসেন্সটি বাতিল করা হয়েছে।

    বাবা হয়তো কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের বিষয়টি বুঝতে পারেন নি, সেজন্য বাবার পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

    উল্লেখ্, মধ্যবর্তী সময়ে উক্ত লাইসেন্স ব্যবহার করে কোন কাজের জন্য আবেদন করা হয়নি।

  • কুয়েট শিক্ষার্থীদের অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ শিক্ষা উপদেষ্টার

    কুয়েট শিক্ষার্থীদের অনশন প্রত্যাহারের অনুরোধ শিক্ষা উপদেষ্টার

    কুয়েটে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনশন প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সি. আর. আবরার। এসব তিনি আন্দোলন ও অনশনরত শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কুয়েটে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলে তিনি এ আহবান জানান। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উপদেষ্টা কুয়েটের অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলার সময় জানান যে, শিক্ষার্থীরা উষ্ম আবহাওয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়বেন এবং তাদের শারিরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অনশন প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানান। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের প্রতি উদ্বেগের কথাও তাদের জানান উপদেষ্টা।

    শিক্ষার্থীদের দাবি সম্পর্কে সরকার সচেতন রয়েছে আশ্বস্ত করে উপদেষ্টা বলেন, একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অতি দ্রুত খুলনা যাবে কুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে আলোচনা করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চলতি সমস্যা আশুসমাধানের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।