Category: রাজকাহন

  • শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়: মিষ্টি বিতরণ নিয়ে সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়: মিষ্টি বিতরণ নিয়ে সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    বরিশালের বাবুগঞ্জে শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ে মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে রবিউল ইসলাম নামে এক ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর (আগরপুর) ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় আরও ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    নিহত রবিউল ইসলাম জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের কর্মী। তার মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

    এছাড়া আহত আটজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মিষ্টি বিতরণ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাওয়া না পাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষ এবং হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

  • এনসিপির মনোনয়ন ফরম তোলার সময় বাড়ল ২০ নভেম্বর পর্যন্ত

    এনসিপির মনোনয়ন ফরম তোলার সময় বাড়ল ২০ নভেম্বর পর্যন্ত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় বাড়িয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত এই ফরম নেওয়া যাবে।

    শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুরু থেকে যেই ৩ পদ্ধতিতে মনোনয়ন ফরম নেওয়া ও জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, সেই পদ্ধতিই বহাল রয়েছে। যারা এনসিপি থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করতে ইচ্ছুক আগামী ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ফরম সংগ্রহ করে জমা দিতে পারবেন।

    তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের জন্য অনলাইন ও অফলাইন উভয় সুবিধাই থাকবে। অনলাইনে আবেদন করতে হলে আগ্রহীরা nomination.ncpbd.org ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফর্ম পূরণ ও জমা দিতে পারবেন। অফলাইনে আবেদন করতে চাইলে ফরম সরাসরি এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে নেওয়া যাবে। এ ছাড়া এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল) অথবা বিভাগীয় ১০ সাংগঠনিক সম্পাদকদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেও ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

    রাজধানীর বাংলামোটরে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রি করছে এনসিপি। শুরুতে দলটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহের জন্য ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল। তবে দলের শীর্ষ পর্যায়ের বেশির ভাগ নেতাই এখনো মনোনয়নপত্র কেনেননি। শুধু ১০ নভেম্বর রাতে ঢাকা-৯ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। আর ১২ নভেম্বর ঢাকা-১৮ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কেনেন দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী।

    এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মনোনয়নপত্র বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী। এনসিপির প্রতিটি মনোনয়নপত্রের মূল্য ধরা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। তবে জুলাই যোদ্ধা এবং স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা দুই হাজার টাকায় এই ফরম নিতে পারবেন।

  • চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে বহিষ্কার বিএনপি নেতা উদয় কুসুম

    চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে বহিষ্কার বিএনপি নেতা উদয় কুসুম

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সন্ত্রাসী বলে বহিষ্কার হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।

    রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দলের নির্দেশনা অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য গঠনতন্ত্রের বিধান মোতাবেক বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য উদয় কুসুম বড়ুয়াকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    এর আগে, রোববার সকালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে হামালয় ইন্ধনেরও অভিযোগ আছে।

  • এনসিপি থেকে বহিষ্কারের পর মাহিনের বিস্ফোরক মন্তব্য

    এনসিপি থেকে বহিষ্কারের পর মাহিনের বিস্ফোরক মন্তব্য

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মনোনয়ন নেওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার। এ ঘটনায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (১৮ আগস্ট) মধ্যরাতে দেওয়া পোস্টে মাহিন লেখেন, ‘আমি তাদের একজন যার হাতে অভ্যুত্থানের ব্যানারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গঠিত হয়েছিল। অন্তত আমার কথাগুলো বলার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিলো।’

    তিনি বলেন, ‘মাহিন সরকারের তার অনাগত সন্তানের কাছে বলার মতো গল্প আছে। মাহিন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে তার রক্ত দিয়ে রাঙিয়েছে। গানপয়েন্টে ৬ জন সমন্বয়কের কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর মাহিন সরকার বলেছিল ‘মানি না’। মাহিন সরকারসহ চারজন সমন্বয়কই বাকি সমন্বয়কদের বৈধতা দিয়েছে। মাহিন সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে ন্যায়বিচারে মাঠে নেমেছিল, কেউ আসেননি পাশে। আজকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার করে দিলেন।’

    আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গুরুতর আর্থিক অনিয়ম কিংবা চারিত্রিক স্খলনের মতো অভিযোগ থাকে, তারপরও সংগঠনসমূহে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। আমি সে সুযোগও পাইনি, এটা সামগ্রিকভাবে নবগঠিত রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষতিকর হয়ে গেল।’

    সবশেষে মাহিন বলেন, ‘আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি বিজয় আসমান থেকেই আসে, জমিনে তার প্রতিফলন হয় মাত্র।’

    এর আগে, সোমবার দিবাগত রাতে ‘গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গের’ অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে এনসিপি। এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহউদ্দিন সিফাতের পাঠানো ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুরুতর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকারকে নিজের পদ ও দায়িত্ব থেকে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের নির্দেশক্রমে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহিষ্কার করা হলো। এই বহিষ্কারাদেশ আজ (সোমবার) থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    এর আগে, সোমবার দুপুরে ‘ডিইউ ফার্স্ট’ নামে একটি স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে ডাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদের জিএস পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন মাহিন সরকার।

  • ঢাবি প্রশাসন গুপ্ত রাজনীতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

    ঢাবি প্রশাসন গুপ্ত রাজনীতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে: ছাত্রদল সভাপতি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নানা সময়ে ‘মব’ সৃষ্টি করছে গুপ্ত রাজনীতিতে জড়িতরা। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের দাবির মুখে এই গুপ্ত রাজনীতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও ঢাবি শাখার নেতাদের সঙ্গে ক্যাম্পাস ও হলে ছাত্ররাজনীতি কীভাবে চলবে তার রূপরেখা প্রণয়নের অংশ হিসেবে উপাচার্যের সভাকক্ষে আলোচনায় বসে প্রশাসন। সেখানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এ সংজ্ঞার কথা ছাত্রদলের নেতাদের জানিয়েছেন।

    বৈঠক থেকে বের হয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হল পর্যায়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যে সংগঠনগুলো রয়েছে সেখানে ছাত্র রাজনীতি কীভাবে চালু থাকবে এবং ছাত্র রাজনীতির ধরন কী হবে, তার রূপরেখা প্রণয়নে সর্বশেষ যে মিটিং হয়েছিল তার আপডেট নেওয়ার জন্য আমরা আজকে এসেছিলাম। আমরা সময় নিয়েছি স্যারের কাছ থেকে। কারণ আমাদের ডাকসু নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। আমরা ডাকসুর বিষয়ে ছাত্রদল পজিটিভ মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা এত মবের শিকার হয়েছি, সোশ্যাল মিডিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সমস্যাগুলো ক্রিয়েট হয়েছে এবং একটি গুপ্ত গোষ্ঠী যেভাবে প্রতিনিয়ত একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, তারপরও ছাত্রদল ডাকসু নির্বাচনে ইতিবাচকভাবে দ্রুততম সময় কীভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়ে সচেতন রয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ফোরামের সঙ্গে মিটিং করে সেই রূপরেখা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, তারা (শিক্ষক) আমাদেরকে (ছাত্রদল) অবহিত করেছেন যে তারা আজ কিছুক্ষণের মধ্যে ছাত্র রাজনীতির ধরন প্রণয়নে একটি কমিটি ঘোষণা করবেন। সেই কমিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হল পর্যায়ে এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোতে ছাত্র রাজনীতির ধরন কী হবে সেই রূপরেখা প্রণয়নে আমাদের ছাত্র সংগঠনের মাঝে থেকে ২৩টি সংগঠন থেকে এরই মধ্যে মতামত নিয়েছেন। এখন তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মতামত নেবেন এবং আরও যারা অংশীদার রয়েছে, তাদের কাছ থেকে মতামত নিয়ে অতি দ্রুততম সময়ে এটি রূপরেখা প্রণয়ন করবেন বলে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন। আমরা তাতে আশ্বস্ত হয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের দীর্ঘ আলোচনায় ডিসি স্যারসহ প্রোভিসি স্যার, প্রক্টর স্যার, কোষাধ্যক্ষ স্যার তারা সবাই এক বাক্যে স্বীকার করেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মব ক্রিয়েট থেকে শুরু করে, সর্বশেষ যে বড় ধরনের প্রবলেমগুলো হচ্ছে তার পেছনে গুপ্ত রাজনীতি জড়িত। শুধু তাই নয়, তারা এ গুপ্ত রাজনীতির সংজ্ঞাও নাকি নির্ধারণ করেছেন। যদিও আমাদের মাঝে মধ্যে সন্দেহের উদ্রেক হয়। আজকের মিটিংয়েও আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি, তারা গুপ্ত রাজনীতির কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। তাদের মাঝে একটা ভীতি কাজ করে। এটি নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। তারা যেটি বলেছে, তারা যদি কখনো গুপ্ত রাজনীতি নিয়ে কথা বলে কিংবা এ আলোকে কিছু কাজ করতে যায় তাদের চরিত্র হরণ করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের হেয় করা হয়। তারা তাদের সে আফসোসের কথা আমাদের বলল।

    ছাত্রদল অবশ্যই ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, কিন্তু আমাদের যে দাবি ছিল এবং ছাত্র সমাজের যে দাবি এবং বিশেষ করে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুথান পরবর্তী যে প্রধান দাবি ছিল, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের চিহ্নিতপূর্বক বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। স্যাররা তাদের এ গাফিলতি স্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, এরই মধ্যে শাহবাগ থানায় যে মামলা করা হয়েছে, সেখানে আরও কীভাবে ইনক্লুড করা যায় সে বিষয়ে তারা কাজ করছে। এখন আমরা তাদের কাজের প্রতিফলন দেখতে চাই। আমরা আশা করছি আগামী শনিবারের মধ্যে তারা দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

    তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিভিত্তিক এবং হল ভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে। এখানে অধিকাংশ সংগঠনের গঠনতন্ত্রে লেখা রয়েছে যে, কেউ যদি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তাকে এখানে নেতৃত্বে নিয়ে আসা যাবে না। আমাদের শিক্ষকরাও এটি স্বীকার করেছেন। যে এখানে ইসলামী ছাত্রশিবির গুপ্ত রাজনীতি করে তাদের পরিচয় গোপন করে ওইসব জায়গায় দখল করে নিচ্ছে। এটি সরাসরি দখলদারিত্ব কায়েমের মতো। ছাত্রলীগ যেভাবে করেছে ছাত্রশিবির ঠিক সেভাবে দখলদারিত্ব কায়েম করছে। তারা (শিক্ষক) বলেছে, এ বিষয়টি তারা আইডেন্টিফাই করেছে, তারা এ বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত জানাবে। রূপরেখা প্রণয়নে এ বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।

    ছাত্রদল সভপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংসদের দুইটি ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে। এখানে যারা অ্যাডমিন রয়েছে, তারা এটিকে কুক্ষিগত করেছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মব ক্রিয়েট করার ক্ষেত্রে, নারীদের হেনস্ত করার ক্ষেত্রে এবং এমনকি কোনো শিক্ষক যদি গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলে তাদের বিপরীতে কীভাবে এখানে মব ক্রিয়েট করা যায় সেই প্রক্রিয়া এখানে হয়ে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ গ্রুপে যে ধরনের বাজে ভাষা ব্যবহার করা হয়, এটি কখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করে না। আমাদের ভিসি স্যারসহ অন্যদের সাধুবাদ জানাই। তারা নাকি এ গ্রুপগুলোর যে অ্যাডমিন রয়েছে তাদের চিঠি ইস্যু করে ডেকেছে। এই দুটো গ্রুপের বিষয়ে তারা আইনাগত ব্যবস্থা নেবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কমিটি থাকবে না উপাচার্যের এমন মন্তব্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের উপাচার্য সুস্পষ্টভাবে বলেছেন যে, তিনি হল কমিটি নিষিদ্ধের কথা বলেননি। তিনি ওইদিন একটি মবের সামনে নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পর্যায়ে রাজনীতি কি ধরনের হবে সেই বিষয়ে কমিটি গঠন করা হবে। তবে অবশ্যই আমাদের হল কমিটি থাকবে স্যাররা সেটা বলেছেন।

    বৈঠকে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • জাতীয় ঐক্য ধরে না রাখা গেলে আরেকটি ১/১১ আসবে: নাহিদ

    জাতীয় ঐক্য ধরে না রাখা গেলে আরেকটি ১/১১ আসবে: নাহিদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘নির্বাচন চাই। কিন্তু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জাতীয় ঐক্য ধরে না রাখা গেলে, দেশকে স্থিতিশীল না রাখা গেলে আরেকটি ১/১১ আসবে।’

    মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় যুবশক্তি আয়োজিত যুব সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের এক বছরে কী পেলাম, দেশ কতটুকু পরিবর্তন হলো? ১ বছরে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। নতুন বন্দোবস্ত আমরা পাইনি। অভ্যুত্থান সমাপ্ত হয়নি। লড়াইও শেষ হয়নি।

    এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যারা সমীকরণ মিলিয়ে ফেলছে, ভুল পথে হাঁটছেন, তাদের বলতে চাই, এক বছর ছাড় দিয়েছি। ঘোষণাপত্রে ছাড় দিয়েছি, জুলাই সনদে এক পার্সেন্ট ছাড় দেওয়া হবে না।

    তিনি বলেন, ৭১ পরবর্তী বাকশাল কায়েম হয়েছে। ৯০ এর পর ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ করতে সকল আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন না করে এই সরকার যেতে পারবে না। অন্য কেউ ক্ষমতায় আসতেও পারবে না।

  • এনসিপির সমাবেশে হামলা, রণক্ষেত্র গোপালগঞ্জ

    এনসিপির সমাবেশে হামলা, রণক্ষেত্র গোপালগঞ্জ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ঘিরে হামলা-সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ শহর।

    ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে আজ বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ পৌর পার্কে এনসিপির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সভার আগে এনসিপির সমাবেশস্থলে ২০০-৩০০ স্থানীয় জনগণ লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর করে, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা সবাই স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সমর্থক।

    এর মধ্যেই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ প্রমুখ।

    সভা শেষে এনসিপি নেতারা গাড়িতে উঠে সমাবেশস্থল ত্যাগ করার সময় গাড়িবহরে হামলা হয়। গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়, গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

    পুলিশ ও সেনাসদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করেও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

    বিকেল ৪টার দিকে এনসিপি নেতারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নেন বলে জানা গেছে।

    পরিস্থিতি সামলাতে বিকেলে গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় ৪ প্লাটুন বিজিবি

    হামলার বিষয়ে এনসিপি নেতা তাজনূভা জাবীন তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা পথসভায় আওয়ামী লীগের হামলা। পুলিশ, আর্মির উপস্থিতিতে মুহুর্মুহু ককটেল, দা রামদা, ইট পাটকেল দিয়ে চারদিক থেকে ঘিরে আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।’

    হামলার শিকার হয়ে সারজিস আলম ফেসবুক স্ট‍্যাটাসে বলেন, ‘গোপালগঞ্জে খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে। আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরবো, না হয় ফিরবো না।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে ওঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।’

  • নির্বাচনের প্রাথমিক বাছাইয়ে ফেল এনসিপিসহ ১৪৪দল

    নির্বাচনের প্রাথমিক বাছাইয়ে ফেল এনসিপিসহ ১৪৪দল

    নিবন্ধন চেয়ে আবেদন করা ১৪৪টি দলের কোনোটিই প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে সবগুলো দলকেই ১৫ দিন সময় দিয়ে ঘাটতি পূরণের চিঠি দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    আজ মঙ্গলবার ইসির অতিরিক্ত সচিব কেএম আলী নেওয়াজ এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রথম ধাপে ৬২টি দলকে চিঠি দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে অন্যান্য দলগুলোকেও চিঠি দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ১৫ দিন সময়ের মধ্যে যেসব ত্রুটিবিচ্যুতি আছে তা পূরণ করতে হবে।

    গত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধন প্রত্যাশী দলগুলোকে আবেদন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল ইসি। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বেশকিছু দল আবেদন করলে ২২ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ায় সংস্থাটি। ওই সময় পর্যন্ত ১৪৪টি দল ১৪৭টি আবেদন করে।

    ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, দলগুলোর মধ্যে কোনোটিই উত্তীর্ণ হতে পারেনি প্রাথমিক বাছাইয়ে। তাই প্রথম ধাপে ৬২টি দলকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। আর এনসিপিসহ ৮২টি দলকে দ্বিতীয় ধাপে চিঠি দেওয়া হবে।

    ইসিতে আবেদন করা দলগুলো হলো
    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ সংগ্রামী ভোটার পার্টি, মুসলিম জনতা পার্টি, নতুন প্রজন্ম পার্টি, ওয়ার্ল্ড মুসলিম কমিউনিটি, বাংলাদেশ নাগরিক দল-বিএনডি, ন্যাশনাল ফ্রিডম পার্টি, নতুন বাংলাদেশ পার্টি (এনবিপি), জাতীয় জনতা পার্টি, বাংলাদেশ সর্ব-স্বেচ্ছা উন্নয়ন দল, কোয়ালিশন-ন্যাশনাল পার্টি (সিএনপি), জাস্টিস ফর হিউমিনিটি পার্টি, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, বাংলাদেশ-তিসারী-ইনসাফ দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি (বাজপা), বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টি (বাজপ), বাংলাদেশ জনতা পার্টি-বিজেপি, বাংলাদেশ সোশাল ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ আজাদী পার্টি-বিএপি, বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার্টি (বিআরপি), বাংলাদেশ ইসলামিক জনতা পার্টি, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট পার্টি (বিডিএম), বাংলাদেশ বেষ্ট পলিটিক্যাল পার্টি (বিবিপিপি), মানবিক বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএসডিপি), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি), গণদল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা জনতা পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (বিএনডিপি), ডেমোক্রেটিক পার্টি (ডিপি), বাংলাদেশ গণবিপ্লবী পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), জনতা পার্টি বাংলাদেশ (জেপিবি), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী ন্যাপ), বাংলাদেশ জনজোট পার্টি (বাজপা), জনতার দল, জাতীয় ন্যায় বিচার পার্টি, বাংলাদেশ সমতা পার্টি, বাংলাদেশ সিটিজেন পার্টি (বিসিপি), বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (বিসিপি), বাংলাদেশ ইউনাইটেড পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-বিএনডিপি, বাংলাদেশ ইসলামী ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিআইডিপি), ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি (আইজিপি), জাতীয় মুক্তি ফ্রন্ট দল-এনএফএফ, বাংলাদেশ নাগরিক কমান্ড, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ফেডারেশন, নৈতিক সমাজ, বাংলাদেশ জাতীয় দল (বিজেডি), বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, বাংলাদেশ জাতীয় কৃষক শ্রমিক পার্টি, জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বেকার সমাজ, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি, ন্যাশনাল লেবার পার্টি, বাংলাদেশ ফরায়েজী আন্দোলন, বাংলাদেশ জনগণের দল, বাংলাদেশ গ্রিন পার্টি, বাংলাদেশ পাবলিক অ্যাকশন পার্টি, বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি, নাকফুল বাংলাদেশ, বাংলাদেশ গণঅধিকার পার্টি, বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি, ভাষানী জনশক্তি পার্টি, নতুন ধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ একাত্তর পার্টি, স্বাধীন বাংলা পার্টি, বাংলাদেশ জাস্টিস মুভমেন্ট, জাগ্রত বাংলাদেশ, বাংলাদেশ দেশপ্রেমিক প্রজন্ম, বাংলাদেশ ডেমোক্রেসি মুভমেন্ট, বাংলাদেশ ছাত্রজনতা পার্টি, খেলাফত ইসলাম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু অধিকার, বাংলাদেশ সলিউশন পার্টি (বিএসপি), বাংলাদেশ সংগ্রামী ভোটার পার্টি, মুসলিম জনতা পার্টি, নতুন প্রজন্ম পার্টি, ওয়ার্ল্ড মুসলিম কমিউনিটি, বাংলাদেশ নাগরিক দল-বিএনডি, ন্যাশনাল ফ্রিডম পার্টি, জনতার বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পার্টি, বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি। এ ছাড়াও বাংলাদেশ রক্ষণশীল সমাজ (বিসিপি), জনতা কংগ্রেস পার্টি, বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণময় পার্টি, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি (বাজাপা), বাংলাদেশ তৃণমূল জনতা পার্টি, বাংলাদেশ মুক্তি ঐক্যদল, বাংলাদেশ জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ নাগরিক আন্দোলন পার্টি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা জনতা পার্টি, জাস্টিজ পার্টি বাংলাদেশ (জেপিবি), বাংলাদেশ জেনারেল পার্টি (বি. জি. পি), বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস), বাংলাদেশ জনপ্রিয় পার্টি (বিপিপি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ-শাহজাহান সিরাজ), বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, বাংলাদেশ কৃষক পার্টি (কেএসপি), জনতার কথা বলে, ভাসানী শক্তি পার্টি, বাংলাদেশ ফরায়েজী আন্দোলন, বাংলাদেশ জনগণের দল (বাজদ), ফরোয়ার্ড পার্টি, বাংলাদেশ সনাতন পার্টি, স্বাধীন জনতা পার্টি, আমজনতার দল, বাংলাদেশ শান্তির দল, সংবিধান বিষয়ক জনস্বার্থ পার্টি সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), ডেমোক্রেটিক লীগ (ডিএল), বাংলাদেশ গণঅভিযাত্রা দল, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি, ন্যাশনাল লেবার পার্টি (এনএলপি), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী ন্যাপ), জনতা মহাজোট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জনতার ঐক্য, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, নিউক্লিয়াস পার্টি, ইউনাইটেড বাংলাদেশ পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় ভূমিহীন পার্টি (বিএনএলপি), বাংলাদেশ মাতৃভূমি দল, বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-সিপিবি (এম), বাংলাদেশ পাক পাঞ্জাতন পার্টি (বিপিপি), সাধারণ জনতা পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), ন্যাপ ভাসানী, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন, বাংলাদেশ সংস্কারবাদী পার্টি (বিআরপি), জাতীয় পেশাজীবী দল (এসপিপি), বাংলাদেশ জনতা ফ্রন্ট (বি. জে. এফ.), বাংলাদেশ জাতীয় ইনসাফ পার্টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), গণতান্ত্রিক নাগরিক শক্তি-ডিসিপি, ন্যাশনাল রিপাবলিকান পার্টি, বাংলাদেশ জনজোট পার্টি (বাজপা), বাংলাদেশ জনমত পার্টি, বাংলাদেশি জনগণের পার্টি, অহিংস গণ আন্দোলন, মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন, জনতার বাংলাদেশ পার্টি, মৌলিক বাংলা, বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি এবং মুসলিম সেভ ইউনিয়ন।

    আইন অনুযায়ী, নিবন্ধন পেতে ইচ্ছুক দলের একটি কেন্দ্রীয় কমিটি, এক তৃতীয় জেলা ও ১০০টি উপজেলা কমিটি এবং প্রতিটি কমিটিতে ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। এছাড়াও কোনো দলের কেউ পূর্বে সংসদ সদস্য থাকলে বা পূর্বের নির্বাচনের পাঁচ শতাংশ ভোট পেলেও নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয়। এই প্রধান শর্তগুলো ছাড়াও বেশকিছু নিয়ম কানুন মেনে আবেদন করতে হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ে নিয়ম কানুনগুলোই সাধারণত খেয়াল করা হয়।

    নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দলগুলোর আবেদন পাওয়ার পর কমিশন প্রথমে এগুলো প্রাথমিক বাছাই করে। এরপর সেই দলগুলোর তথ্যাবলী সরেজমিন তদন্ত শেষে বাছাই সম্পন্ন করে দাবী আপত্তি চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয় কমিশন। সেখানে কোনো আপত্তি এলে শুনানি করে তা নিষ্পত্তি করা হয়। আর কোনো আপত্তি না থাকলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে নিবন্ধন সনদ প্রদান করে ইসি। নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল নিজ প্রতীকে ভোটে প্রার্থী দিতে পারে না।

    বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫১টি (আওয়ামী লীগসহ)। নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালু হয়। এ পর্যন্ত ৫৫টি দল ইসির নিবন্ধন পেলেও পরবর্তীতে শর্ত পূরণ, শর্ত প্রতিপালনে ব্যর্থতা এবং আদালতের নির্দেশে পাঁচটি দলের নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। দলগুলো হলো- জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টি, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন, পিডিপি ও জাগপা। সস্প্রতি আদালতের আদেশে জামায়াতে ইসলামী ও জাগপা নিবন্ধন ফিরে পেলেও ইসি কেবল জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দিয়েছে।

  • জুলাই স্মরণে শহীদ মিনারে ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্বলন

    জুলাই স্মরণে শহীদ মিনারে ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্বলন

    জুলাই-আগস্ট ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শিরোনামে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রথম প্রহরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্রদলের এই কর্মসূচি শুরু হয়।

    এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার চার মহানগরসহ বিভিন্ন ইউনিটের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    জুলাইয়ের প্রথম প্রহরে দলটির নেতাকর্মীরা মোমবাতি হাতে সমস্বরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এর মাধ্যমে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করলো সংগঠনটি। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা সভা, মানববন্ধন, প্রদর্শনী, রক্তদান কর্মসূচি এবং শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন করবে সংগঠনটি।

  • ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ বর্ষপূর্তিতে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচি

    ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ বর্ষপূর্তিতে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচি

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। “দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা” শীর্ষক এই কর্মসূচি চলবে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত।

    রবিবার (২৯ জুন ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানিয়েছে, বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতেই এই পদযাত্রার আয়োজন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬৪ জেলার শহর ও গ্রামজুড়ে চলবে গণসংযোগ, প্রচারাভিযান, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শহীদের কবর থেকে সাধারণ মানুষের উঠান পর্যন্ত পৌঁছে যাবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ডাক। পদযাত্রার মাধ্যমে এনসিপি জনগণের মতামত জানতে চায়—তারা কেমন বাংলাদেশ চায়, তরুণদের রাজনৈতিক ভাবনা কী এবং নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা কী।

    দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৬ জুলাই ‘বৈষম্যবিরোধী শহীদ দিবস’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা। এছাড়া, ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পাঠ করা হবে “জুলাই ঘোষণাপত্র ও ইশতেহার”, আর ৫ আগস্ট পালিত হবে “ছাত্র জনতার মুক্তি দিবস”।

    এনসিপি মনে করে, বিচারহীনতা, বৈষম্য এবং দলীয় দখলদারিত্বের রাজনীতির বিপরীতে একটি অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য এখনই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময়।