Category: রাজকাহন

  • উমামার সব অভিযোগ ফেলে দেওয়ার মতো না: সারজিস আলম

    উমামার সব অভিযোগ ফেলে দেওয়ার মতো না: সারজিস আলম

    বিভিন্ন অভিযোগ তোলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সংগঠনটির মুখপাত্র উমামা ফাতেমা। উমামার সব অভিযোগ ফেলে দেওয়ার মতো না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি বলেন, উমামা ফাতেমা যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তার মধ্যে সব অভিযোগ ফেলে দেওয়ার মতো না। আবার সব গ্রহণ করার মতোও না।

    শনিবার রাতে দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশোতে যোগ দিয়ে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সারজিস আলম।

    এর আগে শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে উমামা ফাতেমা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ওই পোস্টে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন।

    উমামার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে শনিবার রাতে টকশোতে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি সারজিস আলম। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে যারা নারীদের সংগঠিত করেছেন, তাদের মধ্যে উমামা ফাতেমা অন্যতম। এই নেতা বলেন, এ গুরুত্বটা ছিল বলেই উমামা আমাদের অভ্যুত্থান-পরবর্তী বৈষম্যবিরোধী প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রীয় কমিটির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মনে হয়েছে, প্রত্যেক মানুষের প্রত্যেকটা জিনিস দেখার দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন।

    সারজিস আরও বলেন, এটা সত্যি যে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সব বিষয় যেভাবে হওয়ার প্রয়োজন ছিল, আমাদের প্রত্যাশা যেমনটা ছিল, সেভাবে সব হয়নি। এ সমগ্র সিসুয়েশনের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন করে যাচ্ছি, প্রথমবারের মতো যাচ্ছি। এ কারণে হয়তো অনেকে নিজের অজান্তে এমন অনেক কিছু করছে, যেটা অপরপ্রান্ত থেকে মনে হচ্ছে অপ্রত্যাশিত। আবার কারো কাছে মনে হচ্ছে এটাই ঠিক।

    তবে তিনি বিষয়গুলো নিয়ে উমামা ফাতেমার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন সারজিস। তিনি বলেন, আমারও জানা উচিত তার কোন জায়গায় সীমাবদ্ধতা মনে হয়েছে। এ জিনিসগুলো নিয়ে আমরা কীভাবে কাজ করতে পারি।

  • যে কারণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ছাড়লেন উমামা

    যে কারণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ছাড়লেন উমামা

    মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে শেখ হাসিনা সরকারের পতনও ঘটিয়েছেন। কিন্তু কয়েক মাস না যেতে নানা কষ্টে সেই ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন সংগঠনটির মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।

    শুক্রবার (২৭ জুন) রাত ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দীর্ঘ এক পোস্টের মাধ্যমে ঘোষণাটি দেন জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এই সংগঠক। কিন্তু কী তার কষ্ট? সেসবই তুলে ধরেছেন ফেসবুকের পাতায়।

    ওই পোস্টে অবমূল্যায়ন এবং ঠিকমতো কাজ করতে না পারাসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন উমামা ফাতেমা। সঙ্গে তার ঘোষণা, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখানেই শেষ হলো।’

    উমামা লিখেছেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হয়েছে গত পরশু। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখানেই শেষ হলো। এনসিপি নামক রাজনৈতিক দলটি গঠনের পর আমি জুলাইয়ের অসমাপ্ত কাজগুলো করার দায়বদ্ধতা থেকে এই ব্যানার নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু দলীয় লেজুড় ও প্রেসক্রিপশনের বাইরে এই ব্যানারটি স্বাধীনভাবে কাজ করলে অনেকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়ত। তাই আমার ওপর অনলাইন, অফলাইনে ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করা হয়, যাতে আমি এই ব্যানার নিয়ে কাজ না করি।’

    তিনি লিখেছেন, ‘আমি পুরা বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েই একটা এড়ড়ফরিষষ থেকে ব্যানারকে সচল করার চেষ্টা করেছিলাম। পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আমার আলাদা করে বলার কিছু নেই। যে মানুষগুলার সঙ্গে আমি পাশে দাঁড়ায়ে মিটিং করছি, মিছিল করছি তারাই পরিকল্পিতভাবে জুনিয়রদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ঝসবধৎ পধসঢ়ধরমহ চালায়। মানুষ বাইরে যত ভালো সাজার চেষ্টা করুক, ভেতর থেকে কতটা ছোটলোক হতে পারে আমি হাড়ে হাড়ে টের পাই ওই সময়গুলোতে।’

    উমামা লিখেছেন, ‘এই সো কল্ড সহযোদ্ধারা মানুষকে টিস্যু পেপারের মতো ব্যবহার করে, প্রয়োজন শেষ হলে ছুড়ে ফেলতে এক মুহূর্তও লাগে না। আমি মার্চ-এপ্রিল মাসে এই প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, পোকার মতো ভেতর থেকে প্ল্যাটফর্মকে সুবিধাবাদীরা খেয়ে ফেলেছে। হ্যাঁ, আমি বলব বিভিন্ন শাখা কমিটিতে অনেক গুডউইলের মানুষ ছিল, যারা পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে কমিটিতে আসছিল। চেষ্টা করছে কাজ করার। কিন্তু তারাও এই সুবিধাবাদীদের কাছে জায়গা করতে পারেনি।’

    ‘আমার সঙ্গে অনেকের কথা হয় এখনো। ব্যক্তিগত জায়গা থেকে চেষ্টা করি সাজেশন দেওয়ার, হেল্প করার। জুলাই অভ্যুত্থানের মতো এত বড় ইভেন্ট দেখার পর চোখের সামনে সবকিছু ভেঙে পড়তে দেখাটা অনেক অনেক কঠিন। পরবর্তীতে আমার বন্ধু, শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে পরামর্শ করে এই ব্যানার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। বৈষম্যবিরোধী ব্যানারের থেকে সরাসরি পদত্যাগ না করলেও এই ব্যানারের সঙ্গে কার্যত সম্পর্ক ছিন্ন করি গত এপ্রিল-মে মাসে। প্ল্যাটফর্ম থেকে এম্পাওয়ারিং আওয়ার ফাইটারস নিয়ে কাজে মনোযোগ দিই। বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা ছিল, সেসবে মনোযোগ দিই।’

    ‘অনেকবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম পদত্যাগ করব। একটা পদত্যাগপত্র লিখে আর জমা দিইনি। পারি নাই আসলে। রাজনৈতিকভাবে ভাবলে পদত্যাগ করে আসাটা সব থেকে সহজ। কিন্তু আমি তো মানুষ, অনেক কঠিন, অভ্যুত্থানের কারণে পারি নাই। আমি এই প্ল্যাটফর্মে তো দেশ সংস্কার করতে আসছিলাম। কাঁদা ছোড়াছুড়ি করতে তো আসি নাই এখানে।’

    উমামা লিখেছেন, ‘জেলা, উপজেলার অনিয়মের খবর আসত শুধু, সাংবাদিকদের কল আসত। আমি পরিষ্কার করে বলেছি, যারা এই কমিটিগুলো দিয়েছে তাদের আপনারা কেন জিজ্ঞেস করেন না? যাদের সাইনে কমিটি হচ্ছে তাদের মুখের সামনে মাইক ধরেন না কেন?! এই কমিটিগুলো করার সময় আমার কাছে কমপ্লেইন আসলে তো সরাসরি আমি অবজেকশনগুলো জানিয়েছি সাবেক আহ্বায়ক, সদস্যসচিবের কাছে।’

    ‘এনসিপি গঠনের আগে ঢালাওভাবে কমিটি ফর্ম হয়েছে। আমিসহ কয়েকজন এসব কমিটি নিয়ে অবজেকশন দিই। কোনো উত্তর আমাদের দেওয়া হয়নি। মুখপাত্র হিসেবে বৈষম্যবিরোধীর পেজের এক্সেস থাকার কথা আমার কাছে, আমার দায়িত্ব হওয়ার কথা মিডিয়া হ্যান্ডেলিং। পেজের এক্সেস দেওয়া তো দূরের কথা, এই পেজ থেকে মার্চ মাসে আমার বিরুদ্ধে পর্যন্ত পোস্ট হয়েছে। আমি ব্যবস্থা নিতে চাইলে পেজকে আমার বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় আর নইলে সাইলেন্ট ট্রিটমেন্ট সহ্য করতে হয়।’

    তার আরও অভিযোগ, ‘দিনের পর দিন হেন কোনো নোংরামি নাই যা এরা করেনি। জুলাইয়ের পরে এই পরিস্থিতিগুলো ডিল করতে গিয়ে মার্চ, এপ্রিল মাসে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যাই। যাদের সঙ্গে কাজ করতে চাচ্ছিলাম তারাও হেয়াররোডের আশায় তাকিয়ে থাকত। একদিকে আমার কথার সঙ্গে তাল মেলাত, অন্যদিকে রাতের বেলা হেয়ার রোডে গিয়ে পদ-পদবি নিয়ে বার্গেইনিং করত, সব খবর আমি পেতাম। আমি কনফ্রন্ট করলে আমাকেও বলা হত যাতে সুপ্রিম অথোরিটির সঙ্গে আমি পদ নিয়ে কথা বলে আসি। আমি সরাসরি বলি যে, আমি কেন ওদের কাছে পদ খুঁজতে যাব? ওরা আমাকে পদ দেওয়ার কে? ও কোন হনু হয়ে গেছে যে আমাকে এসে তারা পদ দেবে? ওর কাছে গিয়ে পদ আনতে হলে প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করার আর মানে কী?! এসবের ভাই-ব্রাদার রাজনীতির যন্ত্রণায় বদ্ধ জলাশয়ের মতো প্ল্যাটফর্ম আটকে ছিল। আমি কাজ করতে চাইলে আমাকে করতে দেবে না। বরং পেছনে কথা ছড়ানো হতো আমি প্ল্যাটফর্মের কাউকে কাজ করতে দিচ্ছি না, কাউন্সিল আটকে রেখেছি। নেতারা তাদের জুনিয়রদের দিয়ে প্রোপাগান্ডা সার্কুলেট করে বিভিন্ন ফোরামে।’

    তিনি লিখেছেন, ‘পরবর্তীতে আমি সিদ্ধান্ত নিই এভাবে হয় না। নির্বাহীর যারা অবশিষ্ট ছিল তাদের জানিয়ে দিই। মুখপাত্র পরিচয়টা বাদ দিয়ে শিক্ষার্থী পরিচয়টাকে আপন করা শুরু করি। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার জানতে পারি আমি নাকি বৈষম্যের কাউন্সিল আটকে রেখেছি। অথচ সবাই জানে কাউন্সিল মন্ত্রীপাড়ায় আটকে আছে। আর আমি এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেই নাই। আমি চুপ করে ছিলাম সেটা নিয়েও একটা না একটা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছিল। আমার এত ক্ষমতা, আমি কমিটি আটকে রেখেছি। অথচ আমি শাখা কমিটি নিয়ে কোনো অ্যাকশন নিতে পারিনি, ঢালাও ভাবে পেজ থেকে পোস্ট হওয়া উপজেলা কমিটিগুলোও আটকাতে পারিনি। অথচ যখন হেয়ার রোড থেকে আহ্বায়ক সিলেক্ট হলো, তখন নির্বাচন হতে ২০ দিনও লাগেনি। সর্বশেষ আসে কাউন্সিলে ভোট দিতে যাওয়ার বিষয়টা। আমি শেষ দিন পর্যন্ত কাউন্সিলে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যারা কাজ করতে চায়, তারা বেশির ভাগ এই কাউন্সিলে প্রার্থীই হওয়ারই সুযোগ পায়নি। ভোটার খুব লিমিটেড, যার মধ্যে একটি রাজনৈতিক দলের লোকজন সব।’

    উমামা লিখেছেন, ‘জুনিয়ররা ক্যাম্পাসে এসে আমার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে, যাতে ভোটটা দিতে যাই। স্বাভাবিকভাবেই আমি অপারগ ছিলাম। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার ১ মিনিট আগে আমি ভোটটা দিয়ে আসি। এতটুকুই যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি চেষ্টা করছি এখান থেকে ভালো কিছু হোক। আমি ভেতর থেকে চাচ্ছিলাম এই প্ল্যাটফর্মটির অন্তত ভালো কিছু হোক। কিন্তু বুঝতে পারছিলাম যেভাবে সাপের মতো আষ্টেপৃষ্ঠে প্ল্যাটফর্মকে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে, এখান থেকে ভালো কিছু অসম্ভব। এই নির্বাচনে কিছু প্রার্থী ছিল যাদের কাজ করার সত্যিকার ইচ্ছা ছিল। আমি ওই সাপোর্টটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে রাতের বেলা ফলাফলের পর দেখলাম নির্বাচনে অংশ না নেওয়া একজন এসে মেম্বার হয়ে গেছে কাউন্সিলের। এসব দেখে আমি অত্যন্ত লজ্জিত। সেই একই স্বেচ্ছাচারিতা, স্ট্যান্ডবাজি, ভাই-ব্রাদার কোরামের খেলা। এখন বোধ করি, এই প্ল্যাটফর্মের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।‘

    তিনি লিখেছেন, ‘অভ্যুত্থানের কথা চিন্তা করে আমি এই প্ল্যাটফর্ম থেকে সকল ধরনের সমর্থন ও কাউন্সিলে প্রদত্ত ভোট প্রত্যাহার করলাম। আমি অত্যন্ত অশান্তিতে আছি। অভ্যুত্থান যেমন স্বপ্ন দেখিয়েছে, গোষ্ঠীস্বার্থে এই প্ল্যাটফর্ম একইভাবে বহু মানুষের স্বপ্ন ও সময় নষ্ট করেছে। আমি অভ্যুত্থানের স্বপ্নকে রক্ষার জন্য এই প্ল্যাটফর্মে গিয়েছিলাম। প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার আগে আমাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, আমি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারব। কিন্তু প্ল্যাটফর্মের মুখপাত্র হিসেবে যাওয়ার পরেই টের পাই সংস্কার, জুলাই, শহীদ, আহত এসব মুখের বুলিমাত্র।’

    ‘শুধু আমি না, অনেক ছাত্ররাই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। সবার সঙ্গে শুধু ছলনা হয়েছে। যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, আমার সঙ্গে নোংরামি করেছে এতগুলা মাস, অভ্যুত্থানকে বাজারদরে কেনাবেচা করেছে, তাদের আমি কখনো ক্ষমা করব না। আমি রুহের ভেতর থেকে বদ দোয়া দিচ্ছি এই মোনাফেকদের।’

    উমামা আরও লিখেছেন, ‘রাজনৈতিকভাবে চাইলে অনেক সুবিধা আমি নিতে পারতাম। কিন্তু পারি নাই। আসে নাই ভেতর থেকে। অনেক বেশি মানুষ মারা গেছে আসলে। এতগুলা সন্তান এতিম হইছে, মেয়েরা বিধবা হইছে, বাবা-মা সন্তানহারা হইছে। আমি পারি নাই এসবকে পলিটিক্যালি ক্যাশ করতে। আমি গত ৮-৯ মাসকে ঝেড়ে ফেলে সামনে আগাতে চাই। অনেক ভালো ছেলে-পেলেকে এই প্ল্যাটফর্মে আমি দেখেছি, গুডউইল আছে যাদের। আমি পরামর্শ দেব, আপনারা সবাই যাতে পড়ার টেবিলে মনোযোগ দেন, কাজে মনোযোগ দেন। আমিও ভেঙে পড়ছি না, গুছিয়ে আনছি সবকিছু। ফি আমানিল্লাহ।’

  • ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান হাসনাত-সারজিসের

    ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান হাসনাত-সারজিসের

    আন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দিন ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে সরকারিভাবে ঘোষণা করা হলেও, এই সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

    বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পৃথক পোস্টে দুজন এই ঘোষণার বিরোধিতা করেন।

    হাসনাত আবদুল্লাহ তার পোস্টে লেখেন, ‘নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ৫ আগস্ট। ৮ আগস্ট না। ৫ আগস্টের সাধারণ ছাত্র জনতার এই অর্জনকে সরকারের কুক্ষিগত করার চেষ্টা মেনে নেয়া হবে না।’

    অপরদিকে সারজিস আলম মন্তব্য করেন, ‘৮ আগস্ট ২য় স্বাধীনতা শুরু হয়নি। ২য় স্বাধীনতা নষ্টের, ছাড় দেয়ার এবং বিপ্লব বেহাতের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এবং ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা দিবস’।’

    এর আগে গতকাল বুধবার (২৫ জুন) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, প্রতি বছর ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। দিবসটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত, সম্পাদক ইনামুল

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত, সম্পাদক ইনামুল

    নতুন নেতৃত্ব এলো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের। এক বছর মেয়েদের নতুন এ কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রিফাত রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইনামুল হাসান।

    বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত রূপায়ন টাওয়ারে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে এই নেতৃত্ব নির্বাচিত করা হয়। দুপুর ১২টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টায় পর্যন্ত। পরে নির্বাচিত সভাপতি, সেক্রেটারি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংগঠনটির মুখপাত্রের নাম ঘোষণা করা হয়।

    এছাড়াও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মইনুল ইসলাম, মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা।

    জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ অনেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) চলে যাওয়ায় বেশ কিছুদিন থেকেই নেতৃত্বের কিছুটা শূন্যতা ছিল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী কমিটিতে। সেই শূন্যতা পূরণেই অনুষ্ঠিত হয় প্রথম কাউন্সিল।

    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া ২৬ জনের ২৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করেন।

    এর আগে গত ২৩ জুন এ নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে সভাপতি পদে লড়েন সাবেক সমন্বয়ক রাশিদুল ইসলাম রিফাত, যিনি রিফাত রশীদ নামে পরিচিত। সম্প্রতি তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া এ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন (মঞ্জু)।
    সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য লড়েন তিনজন। তারা হলেন- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অভ্যুত্থানবিষয়ক বিশেষ সেলের সম্পাদক ও জুলাই ম্যাসাকার আর্কাইভের প্রতিষ্ঠাতা হাসান ইনাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সমন্বয়ক ইব্রাহীম নিরব এবং ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন মুন্না। এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদের জন্য লড়েন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য মইনুল ইসলাম, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শাখার সদস্য সচিব মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন এবং খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক তাসনিম আহমাদ।
    মুখপাত্র পদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য সিনথিয়া জাহীন আয়েশা, ঢাকা মহানগর শাখার মুখপাত্র নুপুর আক্তার নোভা এবং সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার আহ্বায়ক মো. লিখন হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
  • দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরে পেল জামায়াত, প্রজ্ঞাপন জারি

    দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরে পেল জামায়াত, প্রজ্ঞাপন জারি

    দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন পুনরায় বহাল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৪ জুন) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, Representation of the People Order, 1972 অনুযায়ী রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ওই আদেশের Article 90B এর শর্ত অনুযায়ী, দলটিকে ২০০৮ সালের ৫ নভেম্বর / ২১ কার্তিক ১৪১৫ তারিখে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিকস/প্র-৩/রাদ/৫(৪৪)/২০০৮/১১৪১ নম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের হওয়া রিট পিটিশন নম্বর 630 of 2009 এর রায়ের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর / ১৩ কার্তিক ১৪২৫ তারিখে দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল। পরে, Civil Appeal No. 139 of 2013 ও Civil Petition For Leave To Appeal No. 3112 of 2013 মামলায় আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায় বাতিল করে।

    আদালতের সেই রায়ের আলোকে, ২০১৮ সালের ২৮ অক্টোবর ইসির যে প্রজ্ঞাপনে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল, তা এখন বাতিল করা হয়েছে। ফলে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা পুনর্বহাল হয়েছে।

    এর আগে, জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রতীকের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। একই প্রজ্ঞাপনে ২০০৮ সালে দলটিকে প্রতীকসহ নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া, কোনো দলকে একবার প্রতীক দেওয়া হলে তা সেই দলের জন্য সংরক্ষিত থাকে আরপিও অনুযায়ী। দলটি প্রতীকসহ নিবন্ধন পাবে।

    তিনি আরও বলেন, গত ১ জুন মহামান্য আপিল বিভাগ ২০১৩ সালের হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দলটির নিবন্ধন পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে, আদালত কমিশনকে রায়ের অনুলিপি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। এজন্য আমরা আলোচনা করেছি। খুব শিগগিরই জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলটির পক্ষ থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে আবেদনও করা হয়েছে, তারা তাদের পুরোনো প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ফেরত চান। সেটিও আমরা গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করেছি।

    জানা যায়, ১৯৮৬ সাল থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু হয়। এরপর ২০০৮ সালে জামায়াত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ নিবন্ধন পায়। পরে, দলটির গঠনতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে ২০০৯ সালে একটি রিট করা হয়।

    রিটটি করেন বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির তৎকালীন মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মাওলানা জিয়াউল হাসানসহ আরও ২৫ জন। এর প্রেক্ষিতে, ২০১৩ সালের ১ আগস্ট, হাইকোর্টের লার্জার বেঞ্চ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে।

    এই বেঞ্চের সদস্য ছিলেন বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম (পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি পদে ছিলেন, পরবর্তীতে পদত্যাগ করেন) এবং বিচারপতি কাজী রেজাউল হক (পদত্যাগ করেন ১৯ নভেম্বর)।

    সবশেষে, আপিল বিভাগের রায়ে সেই রায় বাতিল হয়ে যায়। ফলে, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন আবার ফিরেছে। দলটি এখন আবার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকসহ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।

  • এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, জড়িতদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম

    এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, জড়িতদের গ্রেফতারের আল্টিমেটাম

    রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে ঢাকা মহানগরের নেতা আসিফ উদ্দিন সম্রাটসহ ৪ কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দলটি।

    সোমবার রাত ১১টার দিকে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এর প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দলটি।

    আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন দলের নেতারা। পরে দলের পক্ষ থেকে রমনা মডেল থানায় অভিযোগ করা হয়।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এনসিপি যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এবং নিবন্ধন নিচ্ছে তখনই ককটেল হামলা হয়েছে। হামলা করে এনসিপির লক্ষ্য থেকে সরানো যাবে না।

  • নারী কর্মীকে কুপ্রস্তাব: এনিসিপি নেতা সারোয়ার তুষারকে কারণ দর্শানো নোটিশ

    নারী কর্মীকে কুপ্রস্তাব: এনিসিপি নেতা সারোয়ার তুষারকে কারণ দর্শানো নোটিশ

    নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ জুন) যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নোটিশ প্রদান করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘নৈতিক স্খলনের অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় উক্ত বিষয়ে আপনার সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও ব্যাখ্যা আহ্বায়ক জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসিচব জনাব মোঃ আখতার হোসেন জানতে চেয়েছেন।

    এমতাবস্থায় উত্থাপিত নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগের কারণে আপনার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার লিখিত ব্যাখ্যা আগামী পাঁচ (০৫) দিনের মধ্যে ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ এবং এই বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি বরাবর প্রেরণ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। পাশাপাশি, বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আপনাকে দলের সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের যৌথ নির্দেশনা মোতাবেক এতদ্দ্বারা নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’

    সারোয়ার তুষারের বিরুদ্ধে দলের এক নেত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই নেত্রীর সঙ্গে তুষারের কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁস করে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তোলেন সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর।

    জাওয়াদ নির্ঝর দাবি করেন অডিওটি ৪৭ মিনিটের। তবে তিনি ৩ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের একটি অডিও নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন

  • ব্রাক, মানারাতসহ বেসরকারি ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি

    ব্রাক, মানারাতসহ বেসরকারি ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের গঠনতান্ত্রিক কার্যক্রম ও সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়াতে দ্বিতীয় দফায় দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি ঘোষণার খরব জানান। এর আগে বুধবার সংগঠনের সভাপতি মোঃ আবু হোরায়রা ও সাধারণ সম্পাদক এম. রাজীবুল ইসলাম তালুকদার বিন্দু এই কমিটিগুলো অনুমোদন করেন।

    ঘোষিত কমিটির বিস্তারিত সুপার ফাইভ (সভাপতি–সাংগঠনিক সম্পাদক):

    ১. ব্রাক ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: নাইমুর রহমান

    সিনিয়র সহ সভাপতি: আকাইদ হোসেন বিজয়

    সাধারণ সম্পাদক: মাহমুদ হাসান ফয়সাল

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: জিদান খান

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মুজতবা মাহবুব প্রান্ত

    ২. অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ আব্দুল হালিম

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মারজান আহমেদ উচ্ছাস

    সাধারণ সম্পাদক: সাগর হোসাইন

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মিঠুন মিনহাজ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তাইশা আফরোজ মুনা (নারী নেতৃত্ব)

    ৩. আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: রাশেদ মোঃ নাফিস হৃদয়

    সিনিয়র সহ সভাপতি: ফারুক আব্দুল্লাহ নাঈম (সিয়াম)

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ লিসানুল আলম

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: সাব্বির আহমেদ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তাহসিন আহমেদ

    ৪. ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ছাত্রদল

    সভাপতি: মেহেদী হাসান শুভ

    সিনিয়র সহ সভাপতি: শেখ গোলাম মাহবুব হিমেল

    সাধারণ সম্পাদক: এস. এম. সালমান ফারর্সী

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ আশিক বিল্লাহ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: এ. আরিয়ান

    ৫. সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    আহ্বায়ক: মোঃ ইয়াসিন আরাফাত

    সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ মনিরুজ্জামান (সাদ)

    সদস্য সচিব: মোঃ নাজমুস সাকিব

    ৬. নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ছাত্রদল

    আহ্বায়ক: ইমরানুল হাসান রিমু

    সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: রেজোয়ান মন্ডল রেজা

    সদস্য সচিব: শাহরিয়ার কবির মিকাইল

    ৭. বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ মুবিন মোল্লাহ

    সিনিয়র সহ সভাপতি: রেজুয়ান রহমান তামিম

    সাধারণ সম্পাদক: কাজী মোঃ হাসিবুল হাসান

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: আরমান পাশা

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তাজওয়ার হাসিন জুবরাজ

    ৮. ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদল

    সভাপতি: ইয়াছিন আরাফাত ছোটন

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন

    সাধারণ সম্পাদক: জিসান আহমেদ

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ সোহেল রানা

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ জিসান

    ৯. প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: তাহসীন মোঃ চৌধুরী (অমিও)

    সিনিয়র সহ সভাপতি: নূর মোহাম্মদ কাওছার

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ ফাহিম বকসী

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ রাকিবুল ইসলাম

    সাংগঠনিক সম্পাদক: শামীমা আক্তার (নারী নেতৃত্ব)

    ১০. প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ হাবিবুল্লাহ আকন্দ

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মারুফ শাহারিয়া

    সাধারণ সম্পাদক: গাজী আশিকুর রহমান

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মিত্র ঘোষ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: শাহেদ মল্লিক (শান্ত)

     

    ১১. ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    আহ্বায়ক: সৈয়দ রেজওয়ান রশীদ

    সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: ডি. এস. তাওহিদ আহমেদ (স্বপ্নীল)

    সদস্য সচিব: মোঃ গোলাম সরোয়ার রাব্বি

    ১২. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: আল আমানত কবির শাইক

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ আব্দুল আলীম পিয়াস

    সাধারণ সম্পাদক: রাতুল তালুকদার

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ আল শাহারিয়ার রাফি

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ নাহিদ হাসান

    ১৩. ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ছাত্রদল

    সভাপতি: দুদুল তালুকদার

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ মুনিফ সরকার শাদ

    সাধারণ সম্পাদক: শাবাব আনোয়ার

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ মোফরাদুল ইসলাম সাজ্জাদ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: জান্নাত আরা পায়েল (নারী নেতৃত্ব)

    ১৪. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: ইমাম হাসান জুয়েল

    সিনিয়র সহ সভাপতি: আব্দুল্লাহ আল নোমান সিকদার

    সাধারণ সম্পাদক: আব্দুল্লাহ আল নোমান

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ সাজিদুর রহমান সৌমিক

    সাংগঠনিক সম্পাদক: লিমন তরফদার স্বাধীণ

    ১৫. দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদল

    সভাপতি: রণি বর্মন

    সিনিয়র সহ সভাপতি: শিব্বির আহমেদ সজীব

    সাধারণ সম্পাদক: হাসান শাহারিয়ার শাওন

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোস্তফা মাহবুব সৌরভ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: ফাতিমা আক্তার (নারী নেতৃত্ব)

    ১৬. মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: মাইনুল হাসান নিশাত

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ ইলিয়াস হাওলাদার

    সাধারণ সম্পাদক: এ. আর. নাজমুল

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ হাসিবুল ইসলাম

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ রায়হান চৌধুরী

    ১৭. গণ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ নির্জন

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ মামুন হোসেন খান

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ আসাদুর রহমান বিজয়

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ আব্দুল্লাহ আল রাইভার

    সাংগঠনিক সম্পাদক: সবুজ আহমেদ

    ১৮. এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ অন্তর

    সাধারণ সম্পাদক: মুসা ইব্রাহিম অনিক

    ১৯. সিটি ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: ইয়ালিদ নাঈম

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মারজুক আহম্মেদ হিমেল

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ লিংকন মিয়া

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মুস্তাফিজুর রহমান

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তৌফিক আহমেদ পিয়াল

    কমিটি প্রসঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আবু হোরায়রা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন করার লক্ষ্যে, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, যাতে ২৪ এ গণঅভ্যুত্থানের মত দেশের যেকোন সংকটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ভূমিকায় রাখতে পারে। যেভাবে ভূমিকা রেখেছিল ২৪ এর গণঅদ্ভুত্থানে। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়াতে গুলি চালানো সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়াতে গুলি চালানো সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাবুকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল।

    বুধবার (১১ জুন) দুপুরে ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাবুকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।

    বিজ্ঞপ্তিতে আর উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সাথে কোনো রূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জাহিদুল ইসলাম বাবুর বিষয়ে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (১০ জুন) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জনতার হাতে অবরুদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে এলোপাতাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এ সময় মামুন নামে এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনার পর নিহত মামুনের পরিবার রাতেই রুপগঞ্জ থানায় জায়েদুল ইসলাম বাবুসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

  • ঈদের ছুটির মধ্যেই প্রায় ১৪ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছে এনসিপি

    ঈদের ছুটির মধ্যেই প্রায় ১৪ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছে এনসিপি

    চলমান ঈদুল আজহার ছুটির মধ্যেই ক্রাউডফান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করে ১৩ লাখ ৮১ হাজার ৮১০ টাকা অনুদান পেয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    বুধবার (১১ জুন) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (কোষাধ্যক্ষ) এস এম সাইফ মোস্তাফিজের এ-সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন তিনি।

    স্ট্যাটাসে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ লিখেন, ৫ জুন থেকে বাংলাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ক্রাউডফান্ডিং কার্যক্রম ‘আপনার অনুদানে আগামীর বাংলাদেশ’ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, ঈদের এই সরকারি বন্ধে ব্যাংকসহ অন্যান্য কার্যক্রম যেখানে বন্ধ, সেখানে বাংলাদেশে বসবাসরত ৩২৬৫ জন নাগরিক সর্বমোট ১৩,৮১,৮১০ (তের লাখ একাশি হাজার আটশ দশ টাকা) টাকা অনুদান পাঠিয়েছেন।

    তিনি লিখেন, আমাদের ওয়েবসাইটে ৭,৬৬,০০০ টাকা, সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪,৯৮,২১৪ টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ১,১৭,৫৯৬.৪১ টাকা অনুদান এনসিপি পেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইবোনেরা যোগাযোগ করছেন আমাদের এই ক্রাউড ফান্ডিং এ অনুদান দেওয়ার জন্য, তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা। আপনাদের এই আকুণ্ঠ ভালোবাসার জন্য। খুব শিগগিরই নিবন্ধন এবং কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আপনারাও আমাদের ওয়েবসাইটে কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন।

    এনসিপির এই নেতা লিখেন, ‘ধন্যবাদ সকলকে যারা এই ব্যস্ত সময়েও আমাদের স্বচ্ছতার রাজনীতির মডেলকে সাপোর্ট করে যাচ্ছেন। আশা করছি, এখন থেকে আমাদের ওয়েবসাইট donate.ncpbd.org এবং অন্যান্য মাধ্যমগুলোতে আরও বেশি সাপোর্ট আমরা পাব। দিনশেষে আপনারা সাথে থাকলে এই তরুণরা কখনো পথ হারাবে না।’