Category: রাজকাহন

  • এনসিপির স‌ঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক করলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার

    এনসিপির স‌ঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক করলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার

    ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বৈঠক করেছেন। মাস খানেকের ব্যবধানে এই দ্বিতীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো।

    বুধবার (২৮ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা অংশ নেন। হাইকমিশন জানায়, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই আলোচনাও সে লক্ষ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ এপ্রিল এনসিপি নেতাদের সঙ্গে প্রথম দফার বৈঠক করেছিলেন সারাহ কুক।

  • জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যেই হতে হবে: তারেক রহমান

    জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যেই হতে হবে: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘নির্বাচন নিয়ে এখন টালবাহানা শুরু হয়েছে। অল্প সংস্কার না বেশি সংস্কার এ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই হতে হবে।’

    বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে তারুণ্যের সমাবেশের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেছেন, এই সরকারের কেউ যদি ক্ষমতায় থাকতে চায় বা রাজনীতি করতে চায় তাহলে আপনাদের বলব, ক্ষমতা ছেড়ে রাজনীতিতে আসেন। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বলতে চাই, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হতে হবে। আবারও বলছি, ডিসেম্বরে মধ্যেই নির্বাচন হতে হবে। আর সবাইকে বলছি, আপনারাও নির্বাচনের জন্য প্রস্ততি নিন। নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা শুরু হয়েছে। অল্প সংস্কার না বেশি সংস্কার এ নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলতে চাই, জনগণের কাছে যান, তারা কী বলতে চায় তা মন দিয়ে শুনুন। সে অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন।

    তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, জনগণই বিএনপির ক্ষমতার মূল উৎস। ক্ষমতায় না থাকলেও বিএনপি জনগণের উন্নয়নের কথা সবসময় চিন্তা করে। বিএনপি নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করবে। যেকোনো দলের কর্মসূচি পালনের জন্য দরকার একটি নির্বাচনী সরকার। আর বিএনপির শুরু থেকেই এই নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আর কথা বলার রাজনীতি নয়, এখন বাস্তবায়ন ও দৃষ্টান্ত স্থাপনের সময়। দেশের বহুল জনসংখ্যাকে যদি জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তাহলে আমরা আর পিছিয়ে থাকতে হবে না। আমরা দেখেছি আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখিয়ে আজ ইশরাকের শপথে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ইশরাকের শপথ গ্রহণে বাধা দিয়ে আজ স্বৈরাচারের ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ায় সরকার পরিচালনায় একটি কথা আছে- গণতন্ত্র সবার আগে। কিন্তু কথাটি শুধু লেখামাত্র। তাই বলতে চাই, এমন কিছু করা যাবে না, যাতে মানুষের বিশ্বাস বা আস্থার জায়গায় থাকা না যায়। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা যেন থাকে সেটি খেয়াল রাখতে হবে।

    এ সময় স্লোগান দিয়ে তিনি বলেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয় সবার আগে বাংলাদেশ।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, নারী-পুরুষ সবার জন্য মৌলিক কর্মমুখী শিক্ষা সর্বোচ্চ জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বিএনপি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। তাদের মধ্যে গ্রামীণ পর্যায়ে যারা অসচ্ছল রয়েছে তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড করার উদ্যোগ নিয়েছি। রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে তাদের আর্থিক সহায়তার আওতায় আনা হবে। এতে একদিকে তাদের আর্থিক সংকট কাটবে এবং স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ হবে।

    তিনি আরও বলেন, কৃষকদের জন্য ফারমার্স কার্ড প্রণয়ন করা আমাদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এই ফারমার্স কার্ডে জমির পরিমাণসহ যাবতীয় তথ্য থাকবে। কাজের সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণে বিভিন্ন সেক্টরকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলা হবে। বিএনপি ই-কমার্স ও আইটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন করতে চায়। দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায়। এ জন্য এক থেকে তিন বছরের কর্মপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকারি ও প্রাইভেট সেক্টরকে সমন্বয়ে কাজ করছে বিএনপি। খাল খনন ও বৃক্ষ রোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতি পাঁচ বছরে ২৫-৩০ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।

    তারেক বলেন, উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি শুরু করেছেন জিয়াউর রহমান। জনগণই বিএনপির মূল ভিত্তি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশ ও জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাষ্ট্র গঠন করবে।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও সালাউদ্দিন আহমেদ।

    যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন ও ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

    যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

  • ছাত্রশিবির ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক করে তুলেছে: উমামা ফাতেমা

    ছাত্রশিবির ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক করে তুলেছে: উমামা ফাতেমা

    ছাত্রশিবির ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক (বিষাক্ত) করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা। বলেছেন, যারা এতদিন ছাত্রলীগের মধ্যে মিশে ‘সার্ভাইভ’ করার ভং ধরে সেই ছাত্র সংগঠন কি না এখন আরেকজনরে ট্যাগ দিতে আসে। গত ১৫ বছর ছাত্রলীগের হয়ে এদের অনেকে হলে হ্যাডম দেখাতো। ছাত্রশিবির ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক করে তুলেছে।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    ফেসবুকে তিনি লেখেন, এদের সাধারণ ছাত্র ভং ধরে বারংবার ছাত্রদের সাবোটেজ করার কারণে আসল সাধারণ ছাত্রদের কথা বলার পরিবেশ সংকুচিত হয়েছে। অন্যদিকে, ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারা নিয়ে কোনো প্রকার সুস্থ আলাপ তোলা শুরু যায়নি এদের ডিস্টার্বেন্সের কারণে।

    তিনি লেখেন, একটা অদ্ভুত বিষয় আমি খেয়াল করেছিলাম, গত ৮ মার্চ আসিয়া ধর্ষণের বিচারের দাবিতে সুফিয়া কামাল হল থেকে আমরা মেয়েরা মিছিল বের করে গোটা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করি। হলপাড়ায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আমরা স্লোগান দিচ্ছিলাম। কিন্তু কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী হলপাড়া থেকে বের হচ্ছিল না। এই হচ্ছে এদের সাধারণ শিক্ষার্থীগিরির নমুনা। পান থেকে চুন খসলে যেখানে এরা মিছিল বের করে সেখানে আসিয়ার জন্য এরা মিছিলে যুক্ত হতে পারে না।

    উমামা ফাতেমা লেখেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করব, এসব পার বাটপারদের থেকে সাবধান থাকুন। ছাত্রলীগের আমলে লীগের বিরুদ্ধে মিনিমাম সংগ্রাম এরা করেনি, উল্টো অন্য ছাত্রদের উপর নির্যাতনকে হালাল করেছে। আর এখন যাকে তাকে লীগের দোসর ট্যাগ দিয়ে নিজের পলিটিক্যাল এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে এই বাটপাররাই।

    তিনি আরও লেখেন, আমার খুব পরিষ্কার মনে আছে, ২০২৪ সালের ডামি ইলেকশনের বিরুদ্ধে আমরা ৩১ জুলাই থেকে রাজু ভাস্কর্যে ডামি নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলন করছিলাম। এ রকম ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তৎকালীন লীগের আড়ালে থাকা কিছু ভাইব্রাদার আন্দোলন করছিল ঢাবিতে ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলের জন্য। আমরা তখন তাদেরকে আমন্ত্রণ জানাই আমাদের আন্দোলনে যোগ দেয়ার জন্য। এরা ২০২৪ নির্বাচনের পুরোটা সময় মুখ ফুটে একটা শব্দও বের করেনি। মানে কি বলব! যাদের কাছে একটা দেশে দিনেদুপুরে ভোটডাকাতির টপিক থেকে শেখ হাসিনার তৈরি প্রশাসনের আনা ট্রান্সজেন্ডার কোটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল এরা এখন জুলাই এর ঠিকাদারি ব্যবসা করে। এই ঠিকাদারদের হাতে জুলাইও নিরাপদ না।

  • খুনিদের বিচারের আগে সরকার যেন দায়িত্ব না ছাড়ে: সারজিস

    খুনিদের বিচারের আগে সরকার যেন দায়িত্ব না ছাড়ে: সারজিস

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হাজারের ওপর মায়ের বুক খালি করেছে। ভাই-বোনদের হত্যা করেছে। এই খুনিদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার যেন অন্য কারো হাতে দায়িত্ব ছাড়ার চিন্তা না করে। আমরা বাংলাদেশে ওই খুনিদের বিচার দেখতে চাই।

    সোমবার (২৬ মে) দুপুরে এনসিপির পক্ষ থেকে উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী জেলার ৬ উপজেলায় পথসভা এবং লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির মধ্যে ডোমারে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সারজিস বলেন, আগামী নির্বাচনে অন্ধ ভক্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। জাতীয় নাগরিক পার্টির কাউকে ভালো লাগলে ভোট দেবেন, না হলে দেবেন না। কারণ আগের নির্বাচনগুলোতে নেতারা জনগণের পকেটে টাকা দিয়ে ক্ষমতায় এসে বয়স্ক ভাতাসহ সবকিছু মেরে দিয়েছে। সামনের দিনে টাকা ছাড়া কাজ হবে না, এই চর্চা আর থাকবে না।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, নির্বাচন দ্রুত দিতে হবে এটা কোনো কথা হতে পারে না। বরং স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার জন্য সামগ্রিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে বিচার ও সংস্কার পাশাপাশি চালিয়ে যখন নির্বাচন দেওয়ার উপযুক্ত সময় হবে, তখন যেন এটি হয়।

    এসময় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম-মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, সাদিয়া ফারজানা দিনা, আসাদুল্লাহ আল গালিব ও আবু সাঈদ লিওনসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • দুই উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি, এনসিপির নয়: হাসনাত

    দুই উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি, এনসিপির নয়: হাসনাত

    আমরা জানিয়েছি, দুজন ছাত্র উপদেষ্টা সরকারে রয়েছেন। তারা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি বা এনসিপির প্রতিনিধি হিসেবে এ সরকারে নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

    রোববার (২৫ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরের দুই নম্বর গেট এলাকার বিপ্লব উদ্যানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

    দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে শনিবার (২৪ মে) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে তারা কী জানিয়েছেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা জানিয়েছি, দুজন ছাত্র উপদেষ্টা সরকারে রয়েছেন, তারা গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন। সুতরাং এ বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে তাঁদের সম্মানহানি যেন না হয়। প্রতিনিয়ত তাদের (দুই ছাত্র উপদেষ্টা) যেভাবে এনসিপির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, আমরা সে বিষয়ের নিন্দা জানিয়েছি।

    তিনি বলেন, ‘পলিসির জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে। আবার যখন সংকট আসে, তখন বিভেদ কাটিয়ে উঠে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। এটাই হচ্ছে আমাদের জাতীয় চরিত্র। ফলে পলিসির জায়গা থেকে বিভেদ-মতপার্থক্য, এ বিষয়গুলো যেমন চলমান রয়েছে, আবার জাতীয় সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সামগ্রিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

    হাসনাত বলেন, ‘যখনই জাতীয় সংকট এসেছে, যখনই দেশি-বিদেশি বা অভ্যন্তরীণ দেশবিরোধী কোনো ষড়যন্ত্রের চেষ্টা হয়েছে, সামগ্রিকভাবেই আমরা গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে সে ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করেছি।’

    পথসভা আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিচার, সংস্কার ও আগামী নির্বাচন নিয়ে আমরা কী ভাবছি, তা মানুষকে জানানোর জন্য এই কর্মসূচি। একই সঙ্গে মানুষ কী ভাবছে, তা–ও আমরা জানার চেষ্টা করছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার, নতুন সংবিধান, গণপরিষদ ও আইনসভা নির্বাচন এবং আহত ও শহিদ পরিবারে পুনর্বাসন—এসব বিষয়কে আমরা গতকাল প্রধান উপদেষ্টার কাছে জানিয়েছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করা—এই সার্বিক বিষয়গুলো নিয়ে জনগণের যে মতামত রয়েছে, সেগুলো জানার জন্যই আমরা চট্টগ্রাম দক্ষিণের মধ্য দিয়ে পথসভা শুরু করেছি।’

    রোববার (২৫ মে) দিনব্যাপী চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, দোহাজারী, চন্দনাইশ, পটিয়া ও বোয়ালখালীতে পথসভা করবে এনসিপি। এতে হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও উপস্থিত আছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, যুগ্ম সদস্যসচিব মীর আরশাদুল হক প্রমুখ।

  • ২ ছাত্র উপদেষ্টাসহ তিনজনের পদত্যাগ দাবি বিএনপির

    ২ ছাত্র উপদেষ্টাসহ তিনজনের পদত্যাগ দাবি বিএনপির

    অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে দুই ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি জানিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারও পদত্যাগ দাবি জানিয়েছেন দলটি।

    শনিবার যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ একথা জানান।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তাদের পদত্যাগের কথা আমরা লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছি। আগেও জানিয়েছি। নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং দুই ছাত্র উপদেষ্টার কারণে এ সরকারের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাদেরকে বাদ দেওয়ার জন্য আজকেও লিখিত বক্তব্যে দিয়েছি, মুখেও বলেছি।

    কোনো আশ্বাস পেয়েছেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেই আশ্বাস উনারা দেখবেন। আমরা আমাদের বক্তব্যে দিয়েছি।

    নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, সুনির্দিষ্টভাবে এ রকমের কোনো কথা হয়নি। উনি সুনির্দিষ্টভাবে জানাই নাই। আমরা আমাদের দাবি জানিয়েছি। হয়তো বা উনারা উনাদের প্রেসের মাধ্যমে জানাবেন। সেজন্য আমরা উপেক্ষা করব। এখনই কোনো প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন নাই। উনার প্রেস কী বলেন, তারপরে আমরা প্রতিক্রিয়া দেব।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে বৈঠকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

  • একটি ভাবনা সারারাত জাগিয়ে রেখেছে তাসনিম জারাকে, জানালেন নিজেই

    একটি ভাবনা সারারাত জাগিয়ে রেখেছে তাসনিম জারাকে, জানালেন নিজেই

    জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর গত রাতটি অন্যতম কঠিন রাত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা।

    শুক্রবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

    তাসনিম জারা লিখেছেন, রাজনৈতিক শক্তিগুলোর ক্ষুদ্র স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও পারস্পরিক অবিশ্বাস আমাদের গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে। স্বল্পমেয়াদি হিসাব-নিকাশের জন্য এমন এক জাতির আশাকে আমরা ধ্বংস হতে দিতে পারি না, যে জাতি স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছে।

    পোস্টে জারা লেখেন, গত রাত (বৃহস্পতিবার) ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে অন্যতম কঠিন রাত। একটি ভাবনা যা আমাকে সারারাত জাগিয়ে রেখেছে, সেটিই আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। এটা দোষারোপের সময় নয়। এটা আত্মসমালোচনার সময়।

    এনসিপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আরও লেখেন, ইতিহাস আমাদের শেখায়— যারা পরিবর্তনকে ভয় পায়, তারা প্রায়ই বিভাজন ও মেরুকরণকে ব্যবহার করে পুরানো শাসনব্যবস্থাকে নতুন মুখোশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। আমরা যেন সেটা এখানে ঘটতে না দিই। আমাদেরকে দলাদলির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। এই বিপ্লব ছিল জনগণের। আর সেই জনগণের প্রতিই আমাদের দায়িত্ব— সংযম দেখানো, সংলাপে এগিয়ে আসা এবং ঐক্য ধরে রাখা।

    তিনি আরও লেখেন, এই মুহূর্তটি যেন বিভেদের নয়, বরং ঐক্যের দিকে একটি মোড়বদলের প্রেরণা হয়ে ওঠে।

  • সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে ফের শাহবাগ অবরোধ ছাত্রদলের

    সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে ফের শাহবাগ অবরোধ ছাত্রদলের

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ফের শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছে ছাত্রদল।

    বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল পৌনে ১১টায় তুমুল বৃষ্টির মধ্যেই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন তারা।

    এতে শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে পার্শ্ব রাস্ত খোলা থাকায় রিকশাসহ কিছু কিছু যানবাহন সেখান দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীবহনকারী যানবাহনকে চলাচলে ছাড় দিতে দেখা গেছে।

    এদিকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ‘রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘কে বলে রে জিয়া নাই, জিয়া আছে বাংলায়’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়।

    আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্যর হত্যা মামলার তদন্তে গাফিলতির প্রতিবাদে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল ঘাতকসহ সব আসামিকে গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু বিচারে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে তারা শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিকাল ৫টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। শাহবাগ ছাড়াও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালেও তাদের অবস্থান নেয়ার কথা রয়েছে।

    সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে শাহবাগ অবরোধ করে আন্দোলন করছে ছাত্রদল।

  • হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

    বুধবার (২১ মে) এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাতের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার ধানমণ্ডি থানার আওতাভুক্ত একটি আবাসিক এলাকায় ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে তিনজন ব্যক্তিকে আটক করে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ। উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক ওই তিনজনের অন্যতম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, মোহাম্মদপুর থানার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাব্বিকে নৈতিকতা স্খলনজনিত কারণে অব্যহতি প্রদান করা হয়। এতদ্বসত্ত্বেও, আপনি সংশ্লিষ্ট থানায় উপস্থিত হয়ে আটক তিনজনের মুচলেকা প্রদান করে থানা থেকে তাদেরকে জামিন করিয়েছেন।

    এতে আরও বলা হয়, ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে আপনার ব্যাখ্যা এবং আপনার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার লিখিত বিবরণ আগামী তিন দিনের মধ্য শৃঙ্খলা কমিটির প্রধানের নিকট উপস্থাপন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।

    এদিকে মঙ্গলবার (২০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে হান্নান মাসউদ এর কারণ ব্যাখ্যা করেন।

    স্ট্যাটাসে হান্নান মাসউদ লেখেন, ‘মোহাম্মদপুর থানা বৈবিছাআ’র আহ্বায়কসহ তিনজনকে আটক করা হয় মবসৃষ্টির চেষ্টাকালে, যার ফলে বৈবিছাআ’র পরিচয়ে স্টুডেন্টরা ধানমন্ডি থানায় গিয়ে ঝামেলা সৃষ্টি করছিল।’

    ‘এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারের অনুরোধে আমি সেখানে যাই। সেখানে গেলে প্রশাসনের অনুরোধে বিষয়টির মধ্যস্থতা করি। যেহেতু প্রশাসন ওদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ রুজু করেননি এবং করতেও চাচ্ছিল না।’

    প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী একটা মঞ্চের ব্যানারে নিয়মিত মব সৃষ্টি করা ব্যক্তিদের মধ্যেও একজন সেখানে ছিল, যেটা পরবর্তীতে আমি জানতে পারি। এই বিষয়ে প্রশাসনকে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ এই মব সৃষ্টির মূল হোতারা দ্রুত এরেস্ট হবে।’

    ডিএমপিকে তাদের ব্যাপারে ইনফর্ম করা হয়েছে বলেও লেখেন হান্নান মাসউদ।

    এর আগে সোমবার রাতে ধানমন্ডিতে মব সৃষ্টি করে একজন পাবলিসার্সকে স্বৈরাচারের দোসর আখ্যা দিয়ে তার বাসার সামনে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক। পরে সেখান থেকে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে ধানমন্ডি থানা পুলিশ।

    পরে মঙ্গলবার (২০ মে) জাতীয় নাগরিক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসুদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু।

    এই প্রসঙ্গে হান্নান মাসুদকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এমনি খোঁজ-খবর নিতে এসেছি। একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল সেটা মীমাংসা করা হলো। এই ঘটনায় বাইরের অনেকেই জড়িত আছে। সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’

  • সাম্য হত্যার বিচার না হলে সারাদেশ অচল করে দেয়া হবে: রাকিব

    সাম্য হত্যার বিচার না হলে সারাদেশ অচল করে দেয়া হবে: রাকিব

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্যের হত্যার বিচার না হলে ঢাকাসহ সারাদেশ অচল করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

    মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে সাম্য হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করে ছাত্রদল। সেখানে তিনি এ কথা বলেন।

    রাকিব বলেন, ছাত্রদলের ওপর কোনো আঘাত এলে সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবিলা করা হবে। প্রশাসন প্রকৃত খুনিদের বিষয়ে আশ্বস্ত করতে পারেনি। আটক তিনজন কি প্রকৃত খুনি? যারা ঢাবির মেধাবী ছাত্রের খুনিদের গ্রেফতার করতে পারেনি, তারা আর কী করবে— তা বুঝে গেছে মানুষ, এমন সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, অনিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলে সরকার ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদি করতে চায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রাকিব।

    রাজপথে সাম্য হত্যার বিচার করা হবে জানিয়ে রাকিব আরও বলেন, আগামীতে বৃহত্তর কর্মসূচি পালন করব। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, সব বাধা অতিক্রম করে রাজপথে ছাত্রদল থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    এদিন শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করলে, সেখানকার সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কর্মসূচি শেষে শাহবাগ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত মিছিল করে ছাত্রদল। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।