শিরোনাম
Advertisement
ক্যাম্পাসের বাইরে

শুরু হচ্ছে নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা

Advertisement

বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। তিনটি গ্রুপে অনুষ্ঠিতব্য এ প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী ৯ জনের জন্য মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিজয়ীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হবে। উপজেলা পর্যায় থেকে এ প্রতিযোগিতা শুরু হবে। উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ীরা জেলা পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ের বিজয়ীরা বিভাগীয় পর্যায়ে এবং বিভাগীয় পর্যায়ের বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো: মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিযোগিতাটি তিনটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ‘ক’ গ্রুপে ১২ বছর অনূর্ধ্ব প্রতিযোগীরা তাজবিদসহ ১০ পারা, ‘খ’ গ্রুপে ১৫ বছর অনূর্ধ্ব প্রতিযোগীরা তাজবিদসহ ২০ পারা এবং ‘গ’ গ্রুপে ১৮ বছর অনূর্ধ্ব প্রতিযোগীরা তাজবিদসহ পবিত্র কোরআনের পূর্ণ ৩০ পারা হিফজ বিভাগে অংশ নিতে পারবেন। জাতীয় পর্যায়ে প্রতিটি গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকারী পাবেন দুই লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দেড় লাখ টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী পাবেন এক লাখ টাকা। এবং ক্রেস্ট ও সনদপত্র। তিনটি গ্রুপে মোট ৯ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হবে।

রেজিস্ট্রেশন (ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সকল জেলা ও উপজেলা কার্যালয়) ১-৩০ নভেম্বর।
৫০০টি উপজেলা ও ৮টি মহানগরীর ১৫টি জোন অফিস ১-৩১ ডিসেম্বর ২০২৬।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪ জেলা কার্যালয় ১-৩১ জানুয়ারি ২০২৭।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৮টি বিভাগীয় কার্যালয় ১৫-৩১ মার্চ ২০২৭।
জাতীয়ভাবে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ১-২৮ এপ্রিল ২০২৭।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী

১. একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিটি গ্রুপে অনধিক ৫ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করতে পারবে।

২. প্রতিযোগিতায় নাম নিবন্ধনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপজেলা ও জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

৩. প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণেচ্ছু প্রতিযোগীদের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, জন্মনিবন্ধন সনদ/জাতীয় পরিচয়পত্রের ফোটোকপিসহ সাদা কাগজে দরখাস্ত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

৪. আবেদনপত্রে প্রতিযোগীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর স্পষ্ট ও নির্ভুলভাবে লিখতে হবে।

৫. জাতীয় পর্যায়ে ব্যতীত উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হবে না।

৬. নির্বাচনী পরীক্ষায় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ