শিরোনাম
Advertisement
ক্যাম্পাসের বাইরে

সবাই মিলে পরিশ্রম করে দেশকে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Advertisement

সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সবাই মিলে পরিশ্রম করে দেশকে গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক সবার অঙ্গীকার। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ এই বাংলাদেশের নাগরিক। এই দেশ সবার, তাই দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দায়িত্বও সবার। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীরে এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি সড়ক পথে রংপুরের ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরের উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি সংসদ সদস্য নিপুল রায় চৌধুরী, বিএনপির সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ড, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি একটি উৎসবের সময়। এ উৎসবকে সামনে রেখে তিনি সব ধর্মের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলে দেশকে স্বাধীন করেছে। একইভাবে এখন দেশের উন্নয়ন ও গঠনের কাজেও সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সমাজের প্রতিটি শ্রেণির মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রয়োজনের বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং কৃষক কার্ডও চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য গুরুজনদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমাজের প্রত্যেকটি শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। দেশের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে সব শ্রেণির মানুষের পাশে থাকার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ