সাংবাদিক নিধি রাজদানকে বিয়ে করেছেন ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। ৫৬ বছর বয়সী ওমর আবদুল্লাহ এবং ৪৯ বছর বয়সী নিধি রাজদান উভয়েরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০০৫ সালে বলিউডের গীতিকার ও সাংবাদিক নীলেশ মিশরাকে বিয়ে করেছিলেন নিধি রাজদান। ২০০৭ সালে তাদের পথ বেঁকে যায়।
বিয়ের এক দিন পর অনুসারীদের সঙ্গে এ খবর ভাগ করে নেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের খবর জানান মুখ্যমন্ত্রী। পোস্টে নিধি রাজদানকেও ট্যাগ করেছেন। ইনস্টাগ্রামে নিধি রাজদানের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ওমর আবদুল্লাহ লিখেছেন, “গতকাল একটি নতুন যাত্রা শুরু হল।” এদিকে নিধিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টের মাধ্যমে বিয়ের খবর জানিয়েছেন। ওমর আবদুল্লাহকে ট্যাগ করে তিনি লেখেন, “হয়ে গেছে।”
ইন্ডিয়া টুডে লিখেছে, মাস তিনেক আগে ওমর আবদুল্লাহকে তার স্ত্রী পায়েল আবদুল্লাহর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। গত ৩১ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট বলে, দুই পক্ষ পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদ এবং তাদের মধ্যে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তিতে রাজি হওয়ায় বিয়ে বিচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হবে। একে অপরের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোও প্রত্যাহারে রাজি হন তারা। দিল্লি হাই কোর্ট বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন নাকচ করলে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান ওমর আবদুল্লাহ। শুনানির সময় সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের আওতায় পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন তারা।
আদালতে ওমর আবদুল্লাহ ও পায়েল আবদুল্লাহর পক্ষে থাকা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবাল জানান, দুই পক্ষ নিজেদের বিরোধ মেটাতে রাজি হয়েছেন। ১৯৯৪ সালে দিল্লির ওবেরয় হোটেলে কাজ করার সময় পরিচয়ের সূত্র ধরে বিয়ে করেন ওমর আবদুল্লাহ ও পায়েল। তাদের দুই ছেলে জাহির ও জামির। ২০০৯ সাল থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। ২০১১ সালে বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ্যে আনেন ওমর আবদুল্লাহ। এর আগে সুপ্রিম কোর্টও পর্যবেক্ষণে বলেছিল, তারা বেশ কয়েক বছর ধরে আলাদা থাকছেন।









