শিরোনাম
Advertisement
ক্যাম্পাসের ভেতরে

চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে উপাচার্য ঢাকায়, দায়িত্ব নিচ্ছেন না কেউ

Advertisement

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। তাঁকে না জানিয়ে এ দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘দরকার হলে আমাকে ডিন থেকে বাদ দিয়ে দেন, আমি এসবে নেই।’

জানা যায়, দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় অবস্থানের কারণে উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলম তাঁর অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্ব পালনের জন্য অধ্যাপক আবু কাউছারকে দায়িত্ব দেন। গতকাল মঙ্গলবার এক ইমেইল বার্তায় তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।

তবে এ দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে অধ্যাপক আবু কাউছার বলেন, ‘আমাকে জিজ্ঞাসা করে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি (উপাচার্য) নিজে থেকে একটা ইমেইল লিখলেই কি আমি এ দায়িত্ব পালন করব? আমি তাঁকে মোবাইলে তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছি, প্রত্যাখ্যান করেছি।’

এর আগে গত রোববার এক দিনের জন্য উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয় তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন ড. কাজী দেলোয়ার হোসেনকে। ইউজিসির একটি সভায় অংশ নিতে উপাচার্য ঢাকায় অবস্থান করবেন জানিয়ে ইমেইল বার্তায় এ দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়।

এক দিনের সর্বাত্মক একাডেমিক শাটডাউন শেষে মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও ক্লাসে ফিরেছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ফের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ ৪০ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে ১ নভেম্বর ক্লাস শুরুর পর নতুন করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সোমবার এক দিনের জন্য বন্ধ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম।

গত ২১ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগের প্রতিবাদে পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলন ও সর্বাত্মক শাটডাউন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রধান দাবি ছিল অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল করা। আন্দোলনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অসহযোগিতা যুক্ত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়।

এ বিভাগের আরও সংবাদ