Author: প্রিয় ক্যাম্পাস ডেস্ক

  • এনসিটিবির নতুন সচিব অধ্যাপক সাহতাব

    এনসিটিবির নতুন সচিব অধ্যাপক সাহতাব

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নতুন সচিব নিযুক্ত হয়েছেন অধ্যাপক মো. সাহতাব উদ্দিন। তিনি ইডেন মহিলা কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।

    রোববার (৬ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।

    একই প্রজ্ঞাপনে শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বর্পূণ পদের আরো কয়েকজনকে বদলি করে নতুন পদায়ন দেয়া হয়েছে।

  • গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

    গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার সারাদেশে ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

    ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনে চলমান নিষ্ঠুর হামলার প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে এবং অবৈধভাবে নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রনেতারা। তারা আগামীকাল সোমবার ফিলিস্তিনি যুবকের আয়োজিত ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি সফল করার জন্য অনুরোধ করেছেন। পাশাপাশি, সারা দেশে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একযোগে সংহতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের ডাকও দেওয়া হয়েছে।

    রোববার দুপুরে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলনের দুই সংগঠক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এ বি জোবায়ের এ কর্মসূচি সফল করতে প্রতিটি বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান। পরে এ কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানিয়ে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন ঢাবি ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম। পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও এ কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানানো হয়।

    কর্মসূচি অনুযায়ী আগামীকাল সোমবার বিকাল ৪টায় ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘MARCH For Palestine’ এর আহ্বানে সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সারা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়।

    ফেসবুক পোস্টে ছাত্রনেতা এবি জোবায়ের বলেন, আগামীকাল (সোমবার) বিশ্বব্যাপী হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে আমাদের মজলুম গাজাবাসী ভাইবোনেরা। গণহত্যা বন্ধ করার দাবিতে বিশ্বের সব দেশে একযোগে স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, অফিস, আদালত সব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আগামীকাল ৭ এপ্রিল সারাদিন বাংলাদেশেও জেনারেল স্ট্রাইক পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল আপনারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, অফিস-আদালত বন্ধ রাখুন। ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করুন। চলুন বৈশ্বিকভাবে একযোগে দাবি জানাই, ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন।

    সাদিক কায়েম বলেন, ইয়া গাযযাহ! তোমাদের শাহাদাত ও লড়াইয়ের প্রতি আমাদের সংহতি। বি-ইযনিল্লাহ, অচিরেই আমরা তোমাদের লড়াইয়ে শামিল হবো। গাজার প্রতি বৈশ্বিক সংহতির অংশ হোন। আগামীকাল সোমবার, ৭ এপ্রিল ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’- এই কর্মসূচি সফল করুন।

    এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রেজওয়ান আহমেদ রিফাত বলেন, ‘MARCH For Palestine’ এর আহ্বানে আগামীকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিতে সংহতি সমাবেশ করার আহ্বান। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বিকাল ৪টায় সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

    তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে আগামীকাল সারা বিশ্বব্যাপী হরতাল পালন করা হবে। একই সঙ্গে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের এই প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার আহ্বান রইল।

  • চীনে বিনা খরচে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ

    চীনে বিনা খরচে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ

    প্রতিবারের ন্যায় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে চীন সরকার। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো মেধাবীদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা রেখেছে। এগুলোর আওতায় টিউশন ফি মওকুফসহ আবাসন, চিকিৎসা সুবিধা এবং মাসিক ভাতারও সুবিধা রয়েছে। এশিয়ার দেশটিতে অধ্যয়নের এমন সুবর্ণ সুযোগ বাংলাদেশি মেধাবীদের জন্যও অফুরন্ত সম্ভাবনার নামান্তর। চলুন, চীনের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি স্কলারশিপের ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে নেই।

    ২০২৫ সালে চীনের উচ্চশিক্ষায় শীর্ষ ১০টি স্কলারশিপ

    সিএসসি স্কলারশিপ (CSC Scholarship)
    এই বৃত্তি প্রকল্পটির পূর্ণরূপ Chinese Scholarship Council। এর মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীরা চীনের ২৮০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক, মাস্টার্স এবং পিএইচডি অধ্যয়নের সুযোগ পান। চীনা সরকার এই স্কলারশিপের অধীনে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও মৌলিক স্বাস্থ্য বীমা প্রদান করে থাকে। প্রদেয় মাসিক ভাতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ চাইনিজ ইউয়ান, যা বাংলাদেশি টাকায় ৫৮ হাজার ৬৪৫ টাকার (১ চাইনিজ ইউয়ান = ১৬ দশমিক ৭৬ বাংলাদেশি টাকা) সমতূল্য।

    ইতোমধ্যে যে শিক্ষার্থীরা চীনের কোনও বৃত্তি পেয়েছে তাদের জন্য CSC Scholarship প্রযোজ্য নয়।

    এর আবেদনের জন্য নিবন্ধন করতে হবে সিএসসি পোর্টালে-
    (https://studyinchina.csc.edu.cn/?S8cMF5lUCwGD=1742626962725#/register)। অতঃপর যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সেখানে পৃথকভাবে আবেদন জমা দিতে হবে।

    তিয়াঞ্জিন গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Tianjin Government Scholarship)
    একক ভাবে নান্কাই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদেরকে দেয়া হয় তিয়াঞ্জিন গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ। স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি লেভেলের জন্য উন্মুক্ত এই প্রকল্পে মাসিক সর্বোচ্চ ২ হাজার ইউয়ান (৩৩ হাজার ৫১১ টাকা) পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

    আবেদনের শেষ সময় সাধারণত মে মাসের শেষের দিকে হয়ে থাকে। আবেদনকারীদেরকে https://tju.at0086.cn/StuApplication/Login.aspx লিঙ্কের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। নান্কাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চূড়ান্ত অনুমোদনই শিক্ষার্থীদের Tianjin Government Scholarship প্রাপ্তির প্রধান মাপকাঠি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে- https://sie.tju.edu.cn/en/jxj/tjszfjxj/ লিঙ্কে।

    সাংহাই গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Shanghai Government Scholarship)
    চীনের প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক পরিচালিত অনুদানগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে এই সাংহাই গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ। পিএইচডি, মাস্টার্স, এবং নূন্যতম স্নাতকের ক্ষেত্রে প্রদানকৃত এই অনুদান তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। টাইপ এ (মাস্টার্স বা পিএইচডি), টাইপ বি (স্নাতক), এবং টাইপ সি (দীর্ঘমেয়াদী উচ্চতর অধ্যয়ন, যেমন চীনা ভাষা কোর্স)।

    সাংহাই সরকার এগুলোর মধ্যে দুই ক্যাটাগরিতে স্কলারশিপ প্রদান করে। টাইপ এ’তে ফুল ফান্ডিং দেয় (ভর্তি ফি, আবাসন, চিকিৎসা বীমা এবং মাসিক ভাতা প্রদান) এবং টাইপ বি’তে আংশিক ফান্ডিং (শুধুমাত্র টিউশন ফি ও স্বাস্থ্য বীমা।

    Shanghai Government Scholarship চীনা ভাষা কোর্সের মতো দীর্ঘমেয়াদী কোনও অধ্যয়নের জন্য প্রযোজ্য নয়।

    ডিগ্রী বিশেষে স্কলারশিপের মূল্যমান ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ ইউয়ান (৪১ হাজার ৮৮৯ থেকে ৫৮ হাজার ৬৪৫ টাকা) পর্যন্ত।

    আবেদনের সাধারণ সময় জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত এবং আবেদনের প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে- https://www.study-shanghai.cn/c.asp?action=AS_SS_Entry

    বেইজিং গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Beijing Government Scholarship)
    চীনের প্রাদেশিক সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম স্কলারশিপ কর্মসূচি হচ্ছে এটি। সরাসরি বেইজিং সরকার থেকে হওয়া এই অর্থায়নের একমাত্র সুবিধাভোগী হচ্ছে পিএইচডি, মাস্টার্স ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা।

    স্কলারশিপের আওতায় প্রদেয় আর্থিক সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ইউয়ান (৬ লাখ ৭০ হাজার ২২৬ টাকা)। সাধারণত প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে জুনের মধ্যে আবেদন কার্যক্রম শেষ করা হয়।

    Beijing Government Scholarship প্রদানকারী সুনির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা পাওয়া যাবে- https://english.beijing.gov.cn/studyinginbeijing/choices/-লিঙ্কে। এখান থেকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের পর তৎসংলগ্ন ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে আবেদনের প্রক্রিয়া।

    হুবেই গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Hubei Government Scholarship)
    এই স্কলারশিপটিও স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। স্নাতক শিক্ষার্থীরা বছরে ১০ হাজার ইউয়ান (১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫৬ টাকা) এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা ১৫ হাজার ইউয়ান (২ লাখ ৫১ হাজার ২৩৫ টাকা)। পিএইচডি শিক্ষার্থীরা পান ২০ হাজার ইউয়ান (৩ লাখ ৩৫ হাজার ১১৩ টাকা)। সাধারণ গবেষণা স্কলারশিপ হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদের ভিত্তিতে ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ইউয়ান (৮৩ হাজার ৭৭৮ থেকে ৩ লাখ ৩৫ হাজার ১১৩ টাকা) প্রদান করা হয়ে থাকে।

    স্কলারশিপের জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয় প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে। আবেদনের জন্য Hubei Government Scholarship প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করার পর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    সিআইএস স্কলারশিপ (CIS Scholarship)
    শিক্ষা খাতে এই সরকারি প্রকল্পটির পূর্ণরূপ Confucius Institute Scholarship। এর আওতাভূক্ত প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে- চীনের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য পিএইচডি গবেষণা, গবেষণামূলক সফর, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ, এবং চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি কোর্স। ১৫০টিরও বেশি চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই আর্থিক সুবিধা গ্রহণের ব্যবস্থা রয়েছে।

    CIS Scholarship-এ টিউশন ফি, আবাসন ব্যয়, চিকিৎসা বীমা এবং মাসিক ভাতা অন্তর্ভূক্ত। স্নাতক বা চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি কোর্স গ্রহণকারীরা মাসিক ২ হাজার ৫০০ ইউয়ান (৪১ হাজার ৮৮৯ টাকা) পেয়ে থাকেন। মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে মাসিক ৩ হাজার ইউয়ান (৫০ হাজার ২৬৭ টাকা)।

    সাধারণত মে এবং নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে দুটো পৃথক শিডিউলে আবেদন গ্রহণ করা হয়। অনলাইন আবেদনের সাইট: http://www.chinese.cn/page/#/pcpage/project_detail

    ইউনান প্রোভিন্সিয়াল গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Yunnan Provincial Government Scholarship)
    বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের অধীনে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই স্কলারশিপ। এর নেপথ্যের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সিএসসি। এই ব্যবস্থায় স্নাতক, মাস্টার্স, ডক্টরেট, প্রশিক্ষণ ও স্বল্পমেয়াদী কোর্সের জন্য আবেদন করা যায়।

    ফুল ফান্ডিং-এর এই প্রকল্পে রয়েছে টিউশন ফি মওকুফ, বিনামূল্যে অন-ক্যাম্পাস আবাসন, মাসিক ভাতা এবং চিকিৎসা বীমা ও সুরক্ষা সুবিধা। সাধারণত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলে আবেদন গ্রহণ কর্মসূচী।

    Yunnan Provincial Government Scholarship-এ আবেদনের প্ল্যাটফর্ম ইউনান নরমাল ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাই; http://ynnu.at0086.cn/student

    জিঞ্জিয়াং উইঘুর অটোনমাস রেজিন গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Xinjiang Uygur Autonomous Region Government Scholarship)
    স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সরকার পরিচালিত এই বৃত্তি প্রকল্পে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডির পাশাপাশি চীনা ভাষা কোর্সও বিনা খরচে অধ্যয়ন করা যায়। পূর্ণ অর্থায়নের এই সুবিধায় জীবনযাত্রার ভাতা, আবাসন, চিকিৎসা বীমা ও টিউশন ফি অন্তর্ভূক্ত।

    সাধারণত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ থাকে। স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটির অধীনে নির্ধারিত কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের সবগুলো বিষয়ের জন্য এই আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। এই তথ্যসহ স্কলারশিপের যাবতীয় কার্যক্রমের জন্য রয়েছে স্বতন্ত্র স্কলারশিপ ম্যানেজমেন্ট ইন্ফরমেশন সিস্টেম।

    এই সিস্টেম (http://studyinchina.csc.edu.cn/#/register) Xinjiang Uygur Autonomous Region Government Scholarship-এর আবেদনের জন্য নিবেদিত প্ল্যাটফর্ম। একই ভাবে আবেদন জমা দিতে হয় জিঞ্জিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (http://xju.at0086.cn/StuApplication/Login.aspx)।

    নাঞ্জিং গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ (Nanjing Government Scholarship)
    এই সরকারি স্কলারশিপটি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্নাতক ও মাস্টার্স পর্যায়ে আংশিক ফান্ডিং দেয়। এর পাশাপাশি অন্য কোনো সংস্থার বৃত্তি একত্রে গ্রহণ করার নিয়ম নেই।

    Nanjing Government Scholarship শুধুমাত্র নাঞ্জিং ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে দেয়া হয়। স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি একাডেমিক বছরে সরকার থেকে আসে ১০ হাজার ইউয়ান (১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫৬ টাকা)। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে আসে ৫ হাজার ইউয়ান (৮৩ হাজার ৭৭৮ টাকা)।

    মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি বছর ২০ হাজার ইউয়ান (৩ লাখ ৩৫ হাজার ১১৩ টাকা) করে পান। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শুধু জীবনযাত্রার ব্যয়টা মওকুফ করে।

    আবেদন কার্যক্রম অব্যাহত থাকে সাধারণত এপ্রিল মাসের মধ্যভাগ পর্যন্ত। প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হয় https://nuist.17gz.org/member/login.do ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এ সময় প্রোগ্রাম হিসেবে নির্বাচন করতে হয় ‘চাইনিজ লোকাল গভর্ণমেন্ট স্কলারশিপ’।

    ইয়াংঝৌ ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ (Yangzhou University Scholarship)
    এই বৃত্তির ম্যাধমে ইয়াংজৌ ইউনিভার্সিটি তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বৈশ্বিক ছাত্রছাত্রীদের পূর্ণ অর্থায়ন নিশ্চিত করে। একাডেমিক ডিগ্রীগুলোর মধ্যে রয়েছে স্নাতক, মাস্টার্স এবং পিএইচডি। এই প্রকল্পের মধ্যে সুবিধা হিসেবে রয়েছে টিউশন ফি মওকুফ, আবাসন ও মাসিক ভাতা।

    প্রার্থীদের জানুয়ারি থেকে মে মাসের মাঝামাঝিতেই শেষ করতে হয় যাবতীয় আবেদন প্রক্রিয়া।

    Yangzhou University Scholarship-এ স্নাতক পর্যায়ে শুধুমাত্র আবাসনের ব্যয় ও টিউশন ফি মওকুফ করা হয়। মাস্টার্সে টিউশন ও আবাসন ব্যয় ছাড়াও রয়েছে প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ ইউয়ান (২৫ হাজার ১৩৩ টাকা) করে জীবিকা ভাতা। এটি চলে ১০ মাস পর্যন্ত।

    পিএইচডিতে টিউশন ও আবাসন ব্যয়ের পাশাপাশি গবেষকরা মাসে ২ হাজার ৫০০ ইউয়ান (৪১ হাজার ৮৮৯ টাকা) পর্যন্ত জীবিকা ভাতা পেয়ে থাকেন। এর স্থায়ীত্বকাল ১০ মাস পর্যন্ত।

    পূর্ণ আবেদন সম্পন্ন করার জন্য প্রার্থীদের যেতে হবে-
    https://yzu.at0086.cn/StuApplication/Login.aspx ওয়েবসাইটে।

    এই ১০টি চায়না স্কলারশিপ চীনের শিক্ষা খাতে দেশটির সরকারের অবদানকে অর্থবহ করে তুলেছে। বৃত্তি প্রকল্পগুলোর প্রত্যেকটিই ব্যাচেলর থেকে শুরু করে পিএইচডি পর্যন্ত সকল পর্যায়ের মেধাবীদের জন্য প্রযোজ্য।

  • বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষা ২৫ এপ্রিল

    বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষা ২৫ এপ্রিল

    বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির (এনরোলমেন্ট) এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ এপ্রিল। এদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষা হবে। এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০৬২৭ জন।

    রোববার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আগামী ২৫ এপ্রিল বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪০ হাজার ৬২৭ জন।’

    এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে সর্বশেষ আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উল্লেখ্য, একজন আইনের শিক্ষার্থীকে আইনজীবী হতে হলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের তিন ধাপের (এমসিকিউ, রিটেন ও ভাইভা) পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হয়।

  • দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি

    দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘোষণার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

    রবিবার (৬ এপ্রিল) শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মোসাদ্দিক আলী ইবনে মুহম্মদ এ স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের অনুপস্থিতিতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

    স্মারকলিপিতে বলা হয়, ফ্যাসিবাদ মুক্ত নতুন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অশেষ শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় স্বাধীনতা পরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রশাসক হিসেবে আপনাদেরকে পেয়ে আমরা আনন্দিত। স্বৈরাচারের ধ্বংস করে রেখে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালযের সকল কাঠামোকে নৈতিকতার ভিত্তিতে পুনরায় বিনির্মাণের যে চ্যালেজ আপনারা নিয়েছেন এবং ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন তাতে আমরা সর্বক্ষণ আপনার পাশে আছি।

    ডাকসুর রোডম্যাপ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, অভ্যুত্থানের প্রায় আট মাস পেরিয়ে গেলেও আমাদের প্রাণের দাবি ডাকসু নির্বাচনের কোনো রূপরেখা আমরা আজও পাইনি। ডাকসুর রূপরেখার দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ আন্দোলন করে আসছি। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের ভয়াবহ গড়িমসি আমরা লক্ষ্য করছি। আমরা গত জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চে ডাকসুর দাবিতে অনেকদিন ধারাবাহিক আন্দোলন করেছি। জানুয়ারির মাঝামাঝিতে আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় উপাচার্য বলেছিলেন কয়েকদিনের মধ্যে ইন্সটিটিউশনাল ই-মেইলের মাধ্যমে ডাকসুর গঠনতন্ত্র এবং ডাকসু নির্বাচন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত গ্রহণ করবেন।

    কিন্তু সেটি গ্রহণ করতে প্রশাসনের ২ মাসের বেশি সময় লেগেছে। মার্চের শেষে এসে এই মতামত গ্রহণ করা হয়। আমরা গত আগস্টে শুনেছিলাম যে ৩/৪ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করা হবে অথচ ৮ মাস অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এখনো ডাকসু নির্বাচনের কোনো রোডম্যাপই আমরা পাইনি। যেখানে রাবি এবং জাবিতে ইতোমধ্যেই তাদের ছাত্রসংসদ নির্বাচনের রূপরেখা ঘোষণা করেছে।

    ডাকসুর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, বাংলাদেশের এই স্বাধীনতাকে চিরস্থায়ী করতে, পতিত স্বৈরাচারের উত্থান রুখে দিতে এবং নব্য স্বৈরাচার প্রতিরোধ করতে, দেশের মানুষের গণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে, স্থায়ীভাবে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ সম্মত ক্যাম্পাস বিনির্মাণ করতে, লেজুরবৃত্তিক ভয়াবহ দলীয় ছাত্র রাজনীতির কড়াল গ্রাস থেকে ক্যাম্পাস নিরাপদ রাখতে ও সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় করতে ডাকসুর বিকল্প নেই।

    এতে আরও বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা ডাকসু নির্বাচনের রূপরেখা চাই। আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কখনো স্মারকলিপি কখনো বিক্ষোভ মিছিল কিংবা কখনো প্রশাসনের সাথে সাক্ষাৎ করে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপের দাবি করেছিলাম। আজও সেই নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই স্মারকলিপি নিয়ে এসেছি। আমরা প্রশাসনের নিকট আশা রাখব যে তারা আমাদের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে কালবিলম্ব না করে ডাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। আমরা আন্দোলন করতে করতে ক্লান্ত, জুলাই অভ্যুত্থানে এত রক্ত ঝরার পরও কোনো যৌক্তিক দাবি আদায়ে বারবার আন্দোলন করার প্রয়োজন হওয়াটা দুঃখজনক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি আমাদের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চার প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে ব্যর্থ হয় এবং ডাকসু নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি প্রদান করা অব্যাহত থাকে তাহলে আমরা ডাকসুর দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।

  • মাউশির কলেজ শাখার নতুন পরিচালক আব্দুল হান্নান

    মাউশির কলেজ শাখার নতুন পরিচালক আব্দুল হান্নান

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) নতুন কলেজ পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান। এর আগে তিনি অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত ছিলেন।

    রোববার (০৬ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো: মাহবুব আলম স্বাক্ষরিক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্ণিত কর্মকর্তা আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হবেন। অন্যথায় একই তারিখ অপরাহ্নে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত মর্মে গণ্য হবেন। বর্ণিত কর্মকর্তা আবশ্যিকভাবে তার পিডিএস এ লগইনপূর্বক অবমুক্ত ও যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

    ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপত নেহাল আহমেদ পদত্যাগ করেন। এরপর মাউশির (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক রেজাউল করিমকে ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের পদে পদায়ন করা হয়। এরপর থেকে পরিচালক পদটি শূন্য ছিল।

  • কোন বয়সের নারীরা বেশি আকর্ষণীয়?

    কোন বয়সের নারীরা বেশি আকর্ষণীয়?

    সৌন্দর্য নিয়ে দুটি কথা প্রচলিত রয়েছে। প্রথমত, সৌন্দর্য কোনো বয়সের ওপর নির্ভর করে না। আর দ্বিতীয়ত, সৌন্দর্য দেখার দৃষ্টিভঙ্গি একেক জনের একেক রকম। তাই বলা যায় এই দুটো বিষয়ই একরকম মিথ। তবুও অনেকে জানতে চান, ঠিক কোন বয়সে নারী সবচে সুন্দর থাকেন?

    কেউ বলেন নারীরা ১৮ তে সবচে আকর্ষণীয়। কেউবা ভাবেন ২০ বা ২৫ এ। আসলে নারীর বয়স আর সৌন্দর্য নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তিতে থাকেন পুরুষরা। ঠিক কোন বয়সে নারীদের সবচেয়ে সুন্দর দেখায় সে ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন। তবে অনেক গবেষণার ফল অনুযায়ী, নারীরা একটি বিশেষ বয়সেই সবচেয়ে বেশি সুন্দরী হয়ে ওঠেন। কী বলছে গবেষণা?

    সৌন্দর্য একটি ব্যক্তিগত উপলব্ধির বিষয় এবং সমাজ ও সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে এর পরিবর্তন হয়। এই বিষয়টিকে বোঝার জন্য নর্ডকেম (Nardchem) নামে একটি সংস্থা একটি গবেষণা পরিচালনা করে।

    বলা হয়, ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সের নারীরা ১৮-১৯ বছর বয়সীদের তুলনায় বেশি আকর্ষণীয় হন। কারণ, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা মানসিকভাবে আরও পরিণত হন, আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠেন এবং নিজেদের গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলেন। যা তাদের ব্যক্তিত্ব আর শারীরিক সৌন্দর্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

    এই গবেষণায় প্রায় ১৬ হাজার নারী অংশ নিয়েছিলেন। তারা স্বীকার করেছেন যে ২৩ থেকে ২৭ বছর বয়সের মধ্যে তাদের সবচেয়ে সুন্দর দেখায়। আসলে, এই বয়সে নারীরা আরও পরিণত হয়ে ওঠেন, যা তাদের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তোলে।

    ‘অ্যালুর’ (Allure) নামক সংস্থার করা একটি গবেষণায় জানা যায়, পুরুষদের মতে নারীরা ২৯ বছর বয়সে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অন্যদিকে, নারীরা নিজেদের সৌন্দর্যের চূড়ান্ত বয়স হিসেবে বেছে নিয়েছেন ৩১ বছরকে।

    ‘অ্যালুর’ এবং আরেকটি সংগঠনের যৌথ গবেষণায় ২০০০ জনের ওপর আরেকটি সমীক্ষা চালানো হয়। এতে দেখা যায়, পুরুষ ও নারীরা উভয়েই মনে করেন, ৩০ বছর বয়সে নারীরা সবচেয়ে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেন।

    গবেষণার ফল এমন কিছু বললেও, কার চোখে কাকে কোন বয়সে আকর্ষণীয় লাগে এটি একান্তই নিজস্ব বিষয়। আপনার মত কী? কোন বয়সে নারীদের সবচেয়ে সুন্দর দেখায় বলে মনে করেন? মতামত জানান কমেন্টে।

  • ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রীর ৩ বছর কারাদণ্ড

    ইভ্যালির রাসেল ও তার স্ত্রীর ৩ বছর কারাদণ্ড

    প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইভ্যালি বিভিন্ন মাধ্যমে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে। এতে আকৃষ্ট হয়ে মুজাহিদ হাসান ফাহিম তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ বাইক অর্ডার করেন। যার মূল্য পরিশোধ করেন। তবে কর্তৃপক্ষ ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। পরে তিনি ধানমন্ডি অফিসে যোগাযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ পাঁচ লাখ টাকার চেক দেন।

    ব্যাংকে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ না থাকায় চেকটি নির্ধারিত তারিখে ব্যাংকে জমা না দিতে অনুরোধ করেন। পরে চেকটি ব্যাংকে জমা দেননি। পরবর্তীতে বাদী টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। টাকা ফেরত না পেয়ে মুজাহিদ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে আদালতে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

  • ‘বিতর্কিত’ আল হারামাইনে নাহিদের চিকিৎসায় সমালোচনার ঝড়

    ‘বিতর্কিত’ আল হারামাইনে নাহিদের চিকিৎসায় সমালোচনার ঝড়

    রাজধানী ঢাকা ছেড়ে সিলেটে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তাও বিতর্কিত ব্যবসায়ী, মানি লন্ডারিং ও হুন্ডি ব্যবসায় অভিযুক্ত দুবাইর আল হারামাইন পারফিউমের মালিক মাহতাবুর রহমান নাসিরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আল হারামাইন হাসপাতালে। একটি ছবিতে সস্ত্রীক তাকে হাসপাতালে বসে থাকতে দেখা গেছে। তাদের হাতে ছিল ফুলের তোড়া। এ সময় তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

    এ খবর জানাজানি হলে সিলেটে তোলপাড় শুরু হয়। গতকাল শনিবার বিষয়টি ছিল সিলেটের টক অব দ্য টাউন। ঢাকায় চিকিৎসার জন্য বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও নাহিদ গেল বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন মফস্বল শহর সিলেটে বিমান থেকে নেমেই আল হারামাইনে গিয়ে চিকিৎসা নিলেন এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন- এ প্রশ্ন এখন সবার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। বিষয়টি আগে থেকে মিডিয়া বা কাউকে জানানো হয়নি। এমনকি হাসপাতাল থেকেও কাউকে কিছু বলা হয়নি।

    এ প্রসঙ্গে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব প্রীতম দাশ বলেন, ঈদের ছুটিতে সিলেট আসার জন্য বিমানে উঠার সময় পা মচকে যায় নাহিদ ইসলামের। তাৎক্ষণিক তিনি কোনো সমস্যা অনুভব না করলেও সিলেট বিমানবন্দরে নেমে শ্রীমঙ্গল আসার পথে ব্যথা অনুভব করেন। পরে তাৎক্ষণিক খোঁজখবর নিয়ে তাকে আল হারামাইন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালটির অর্থোপেডিক ডাক্তার জোবায়ের আহমদের কাছে চিকিৎসা নেন তিনি। তবে হাসপাতাল পরিদর্শনের বিষয়টি সঠিক নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আল হারামাইন হাসপাতালের জিএম পারভেজ আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার পায়ে আঘাত পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে এসেছিলেন নাহিদ। অর্থোপেডিক্স ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

    এদিকে নাহিদ ইসলাম এমন সময় সিলেটে গিয়ে বাংলাদেশে থাকা বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মাহতাবুর রহমান নাসিরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আল হারামাইন পরিদর্শন করেন, যখন নাসিরের বিরুদ্ধে মামলা ঝুলছে। তার মাথার ওপর অভিযোগের পাহাড়। দুদক মাঠে ব্যস্ত রয়েছে হুন্ডিসহ নানা অভিযোগের তদন্তে।

    সিলেটে নাসিরের বাসা কাজী ক্যাসলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে! এমনকি যখন নাসিরের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা ও তাকে অবৈধ সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে ব্যাংকের সিলেট লালদীঘির পাড় শাখার ব্যবস্থাপক পিযুষ কুমার সরকারকে শাস্তিমূলক বদলি করেছে, তখন আল হারামাইনে নাহিদের এই সফর আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে।

    এনসিপির নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ২টার দিকে ইউএস-বাংলার ফ্লাইটে (বিএস-৫৩৫) স্ত্রীসহ ঢাকা থেকে সিলেট আসেন নাহিদ ইসলাম। পরে বিকেল ৩টার দিকে সিলেট নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় অবস্থিত আল হারামাইন হাসপাতালে যান।

    সেখানে ঘণ্টাখানেক অবস্থানের পর সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। শুক্রবার রাতে তিনি শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বনবিভাগের একটি বাংলোতে অবস্থান করেন। গতকাল শনিবার শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকায় ফিরেন তিনি।

    মাহতাবুর রহমান নাসির বর্তমানে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে তার ব্যবসা ও আল হারামাইন হাসপাতাল দেখাশোনা করেন তার বড় ভাই ওয়ালিউর রহমান। বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে ছিলেন।

    কিছুদিন আগে দেশে পারফিউম ব্যবসার আড়ালে সবচেয়ে বড় হুন্ডি তৎপরতার প্রমাণ পায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) অনুসন্ধান চালিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের জন্য অভিযুক্ত করে আল হারামাইন পারফিউমসকে।

    কোম্পানির মালিক সিলেটের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান নাসির। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এ ব্যবসায়ী এখন গোল্ডেন ভিসার আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বসবাস করছেন।

    দুদুকের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, মাহতাবুর রহমান নাসিরের পুরো ব্যাবসায়িক নেটওয়ার্কই হুন্ডি তৎপরতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। পারফিউম বা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার আড়ালে তার প্রধান ব্যবসা মূলত এক দেশের অর্থ অন্য দেশে পাচার করা। মাহতাবুর রহমান নাসির এনআরবি ব্যাংকের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান।

    এই ব্যাংকের মাধ্যমেই তিনি টাকা পাচার করতেন। বিশ্বের অন্তত ৮৬টি দেশে হুন্ডির মাধ্যমে দেশ থেকে মাহতাবুর রহমান টাকা পাচার করেন বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

    বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিটি টার্মেই তিনি নিয়েছেন বিশেষ সুবিধা। সব মিলিয়ে সরকারি মন্ত্রী আমলাদের খুশি করে পরপর ১১ বার হয়েছিলেন সিআইপি। আওয়ামী সরকারের তহবিলের অন্যতম জোগানদাতাও তিনি। আলোচিত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজেরও পতন শুরু হয় এই মাহতাবুর রহমান ও তার সহযোগীদের হাত ধরেই।

    আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ছিলেন মাহতাবুর রহমান

    মাহতাবুর রহমান ছিলেন এই বেসরকারি বিমান সংস্থাটির এমডি। পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানটির ১২টি বিমান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়ন অনুপযোগী হয়ে আছে।

    একটি সূত্র জানিয়েছে, বিদেশে টাকা পাচার, ব্যাংক থেকে নিয়মবহির্ভূত সুবিধা নেওয়ার জন্য তিনি এনআরবি ব্যাংক সিলেট শহরের লালদিঘী শাখার ম্যানেজার পিযুষ কুমার সরকারকে খাস লোক বানিয়ে সেই শাখায় বসিয়েছিলেন। এই শাখাতেই আল হারামাইনের সব হিসাবে লেনদেন করা হতো।

    ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেনের যাবতীয় কার্যক্রম দেখাশোনা করতেন পিযুষ কুমার সরকার। তার মাধ্যমেই সিলেট থেকে টাকা পাচার হতো। এ অভিযোগে শাখার ব্যবস্থাপককে গত ১৫ মার্চ শাস্তিমূলক বদলি করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

    দুদকের জালে মাহতাবুর রহমান নাসির যখন ফেঁসে যান, সেখানে নাম ঝড়িয়ে পড়ে শাখা ব্যবস্থাপক পিযুষ কুমারের। তারপরই ব্যাংকের এমডি তারেক রিয়াজ খান তাকে বদলি করেন। তবে বদলি হলেও পদায়ন না হওয়ায় এখন তিনি সিলেটে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছেন।

    মাহতাবুর রহমান নাসির প্রথম আলোচনায় আসেন সিলেটের ইসলামপুর এলাকায় বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণের মধ্য দিয়ে। প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে অজপাড়াগাঁয়ে তিনি গড়ে তোলেন প্রাসাদসম অট্টালিকা। পরে শহরের মেজরটিলার ইসলামপুরে নির্মাণ করেন আরেক অত্যাধুনিক প্রাসাদসম ‘কাজী প্যালেস’। এই বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৫০০ কোটি টাকা। যা এযাবৎকালের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাড়ি হিসেবে আলোচিত।

    অন্যদিকে গত ২২ জানুয়ারি মাহতাবুর রহমান নাসির ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।

    ব্যাংক হিসাবে জব্দের তালিকায় আছেন মাহতাবুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ এমাদুর রহমান, ভাই মোহাম্মদ ওলিউর রহমান, ভাতিজা মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান ও মোহাম্মদ এহসানুর রহমান এবং আল হারামাইন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সাব্বির আহমেদ।

    এনবিআরের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ‘মাহতাবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রের সদস্য। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের হুন্ডির ব্যবসা রয়েছে। দেশ থেকে অর্থ পাচারেরও অন্যতম বড় রুট হলো এ পরিবার। এনবিআরসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে এ-সংক্রান্ত অনেক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    এ পরিপ্রেক্ষিতেই মাহতাবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে। ব্যাংক হিসাব ছাড়াও পরিবারটির বিভিন্ন সদস্যের নামে থাকা ১১৪টি দলিল জব্দ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা তাদের সম্পদও শনাক্ত করার কাজ চলছে।’

  • টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে খুলল অফিস-আদালত

    টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে খুলল অফিস-আদালত

    ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা নয়দিনের ছুটি শেষে খুলল দেশের সব সরকারি অফিস-ব্যাংক-আদালত। সেইসঙ্গে রোজার আগের সূচিতেও (৯টা থেকে ৫টা) ফিরছে সব অফিস। ফলে আবার কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে সব অফিস। প্রথমদিনই অফিস-আদালতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের কুশল বিনিময় করতে দেখা গেছে। অফিসগুলোতে রয়েছে ঈদের আমেজ।

    ঈদের আগে ২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার ছিল শেষ কর্মদিবস। পরদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি দিয়ে শুরু হয় টানা নয়দিনের সরকারি ছুটি। এর মধ্যে ৩১ মার্চ সোমবার দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন হয়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৩১ মার্চ সাধারণ ছুটি। ঈদের আগের দিন ৩০ মার্চ ও ঈদের পরের দিন ১ ও ২ এপ্রিলও ছুটি ছিল। ৩ এপ্রিল ছুটি হয় নির্বাহী আদেশে। সবমিলিয়ে এবার ঈদের ছুটি হয় পাঁচদিন। আর দুই দফায় শুক্র ও শনিবার মিলিয়ে আরও চারদিন ছুটি যোগ হয়। সব মিলিয়ে মোট নয় দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পান সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা।