Author: প্রিয় ক্যাম্পাস ডেস্ক

  • স্বাধীনতা কি তবে ছিনতাই হয়ে গেছে

    স্বাধীনতা কি তবে ছিনতাই হয়ে গেছে

    অনেকেই মনে করেন যে আমাদের স্বাধীনতা ছিনতাই হয়ে গেছে। মনে করাটা যে একেবারে অযৌক্তিক তাও বলবার উপায় নেই। মুক্তি তো পরের কথা, এমনকি স্বাধীনতাও খুব একটা দৃশ্যমান নয়। বিশেষ করে সাধারণ মানুষ তো তাকে দেখতে পাচ্ছে না। কিন্তু ছিনতাইয়ের ঘটনা যদি ঘটেই থাকে, তবে কে করল ওই মর্মান্তিক কাজটা? কেউ কেউ বলেন, ছিনতাই করেছে মৌলবাদীরা।

    দেখাই তো যাচ্ছে তাদের জঙ্গি তৎপরতা ক্রমবর্ধমান, কেউ নেই তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মতো; হয়তো সামনে এমন সময় অপেক্ষা করছে যখন লেজই বরং কর্তৃত্ব করবে মাথার ওপর, মৌলবাদীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হবে সমাজ ও রাষ্ট্রে। অন্যরা বলেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, স্বাধীনতা চলে গেছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর হাতে। তারা এখন হর্তাকর্তা। সাম্রাজ্যবাদীরা পুঁজিবাদী; এবং পুঁজিবাদী ও মৌলবাদীদের ভেতর একটা আপাতদূরত্ব, বলা যায় প্রায় বৈরিতা থাকলেও অন্তরে তারা পরস্পর থেকে মোটেই দূরে নয়। উভয়ে গণবিরোধী, ব্যক্তিগত মালিকানায় ও মুনাফায় বিশ্বাসী এবং প্রকৃত গণতন্ত্রের শত্রুপক্ষ। তাদের নিকটবর্তিতা প্রশ্নাতীত।

    ওই যে উপলব্ধি, স্বাধীনতা ছিনতাই হয়ে যাবার, সেটা কি সঠিক? আরও একটি মৌলিক জিজ্ঞাসা অবশ্য দেখা দিয়েছে। স্বাধীনতা কি সত্যিকার অর্থে এসেছিল, নাকি যা ঘটেছিল সেটি হলো ক্ষমতার হস্তান্তর। সাতচল্লিশের ‘স্বাধীনতাটা’ যে মোটেই স্বাধীনতা ছিল না, ছিল ব্রিটিশ শাসকদের ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে-দেওয়া, ছেড়ে দিয়ে সেটি তুলে দিয়ে-যাওয়া তাদের অনুগত পাকিস্তানি শাসকশ্রেণির হাতে, তা তো আজ আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। একাত্তরে পাকিস্তানি শাসকেরা চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ক্ষমতা চলে এসেছে বাংলাদেশি শাসকশ্রেণির হাতে, সরাসরি না-হলেও তাকেও তো এক ধরনের ক্ষমতার হস্তান্তরই বলা চলে। ক্ষমতা যাদের কাছে যাবে বলে আশা ছিল তাদের কাছে যায়নি, যায়নি জনগণের কাছে, রয়ে গেছে ওই শ্রেণির হাতে।

    সংখ্যার হিসাবে দল যতই হোক শ্রেণি কিন্তু একটাই, শাসকশ্রেণি। ওই শাসকশ্রেণির বিভিন্ন অংশ ভিন্ন ভিন্ন নামে, নানা রকম পোশাকে, এমনকি পরস্পরবিরোধী আদর্শের আওয়াজ তুলে ক্ষমতায় আসা-যাওয়া করে। ওদের ভেতর পারস্পরিক সহনশীলতার অভাব রয়েছে, হিংস্রভাবে তারা একে অপরকে আক্রমণ করে। পারলে শেষ করে দিতে চায়। কিন্তু এদের মূল আদর্শ ও লক্ষ্য একটাই। সেটি হলো ক্ষমতায় যাওয়া এবং সেখানে টিকে থাকা; আর ক্ষমতায় থেকে তারা যা করতে চায় সেটি হলো অবাধ লুণ্ঠন এবং ক্ষমতাকে যাতে স্থায়ী করা যায় সে-ব্যবস্থা গ্রহণ। তাদের ভেতর যে লড়াইটা সেটি ওই ক্ষমতা দখল ও ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে। সেটি তাদের রাজনীতি; এবং এ বিষয়ে তো সন্দেহের কোনো সুযোগ নেই যে, ওই রাজনীতিই হচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশে রাজনীতির মূলধারা। বিশ্ব এখন গণমাধ্যমের (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট) আওতাধীন।

    ছবি সংগৃহীত

    গণমাধ্যম আসলে প্রচারমাধ্যম। বাংলাদেশের প্রচারমাধ্যম সম্পূর্ণরূপে শাসকশ্রেণির কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণের অধীনে রয়েছে; ফলে আমরা, সাধারণ মানুষেরা, প্রতিনিয়ত তাদের ঝগড়াবিবাদ তো বটেই, আরও যেটি গুরুত্বপূর্ণ সে লুণ্ঠনের আদর্শের সঙ্গে প্রত্যক্ষে-অপ্রত্যক্ষে পরিচিত হই। এই লুণ্ঠনকারীরা আমাদের বীর, তাদের বীরত্বই অনুকরণীয়।

    এ দেশে কখনোই জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একটি জনবিচ্ছিন্ন ও ক্ষুদ্র শাসকশ্রেণি দেশ শাসন করেছে। এটা ব্রিটিশ আমলে ঘটেছে, পাকিস্তান আমলেও সত্য ছিল, বাংলাদেশের কালেও মিথ্যা নয়। আগের দুই সময়ের মধ্যবিত্ত শ্রেণির ভেতর যে বুদ্ধিজীবীরা ছিল, শাসকশ্রেণিকে তারা বলত, ‘তোমরা ও আমরা’; তোমরা শাসক, আমরা শাসিত। এখন মধ্যবিত্তের ছোট একটি খণ্ড শাসকশ্রেণির অংশ হয়ে গেছে, বড় খণ্ড নেমে গেছে নিচে, জনগণের কাছাকাছি। এখনকার প্রধান বুদ্ধিজীবীরা শাসকশ্রেণির সঙ্গে আছে, যদিও দলীয়ভাবে তারা বিভক্ত, রাজনৈতিক নেতাদের মতো। তারা তাই ‘তোমরা ও আমরা’ কথাটা বলতে পারে না, বলে ‘আমরা ও তোমরা’, আমরা শাসকদের সহযোগী, আর তোমরা হচ্ছো জনসাধারণ। সশব্দে বলে না, কিন্তু তাদের অবস্থান, চিন্তাধারা ও বক্তব্য ওই বিভাজনটাকে জানিয়ে দেয়।

    এই যে শাসকশ্রেণি, সেটি অখণ্ড বটে। তাদের ভেতরকার যে কলহ সেটি শরিকদের যুদ্ধ ছাড়া আর কিছুই নয়। সম্পত্তির ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে ভাইয়ে-ভাইয়ে শত্রুতা হয়, রাজনীতিকে-রাজনীতিকে লড়াই বাধবে না কেন। এই শ্রেণি নানা উপাদানে গঠিত। এদের ভেতর ব্যবসায়ী, আমলা, পেশাজীবী সবাই রয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে যেটুকু স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে, তা যে এরা এনেছে তা নয়; ‘স্বাধীনতা’ এনেছে জনগণ, একবার ভোট দিয়ে; দ্বিতীয়বার ভোট এবং রক্ত দুটোর বিনিময়ে।

    শাসকশ্রেণির একাংশ তো স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধে ছিল; কেউ কেউ প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছে। ঘোরতর শত্রুতা করেছে জামায়াতিরা। পরে তারা ক্ষমতার একাংশ হয়ে গেছে। এই যে আপাত-অদ্ভুত ঘটনা, এর ব্যাখ্যা কী? ব্যাখ্যা অন্য কিছু নয়, সেটি এই যে, শ্রেণিগতভাবে এ মৌলবাদীরাও শাসকশ্রেণির বাইরে নয়, ভেতরেই আছে। আওয়ামী লীগ এদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করেছে, তাতে কোনো অসুবিধা হয়নি, যদিও ইতিহাসের নির্দেশ মানলে দু’পক্ষের থাকার কথা ছিল পরস্পরবিরোধী অবস্থানে। বিএনপির তো কথাই নেই, তারা তো জামায়াতকে কোলে টেনে নিয়েছে। দল সত্য নয়, সত্য হচ্ছে শ্রেণি। দল বা ইতিহাস দিয়ে লোক চেনা যায় না, খুব সহজে চেনা যায় শ্রেণিগত পরিচয় দিয়ে।

    আন্দোলন সংগ্রাম যা করবার তা মূলত জনগণকে করতে হয়েছে। ব্রিটিশ আমলে এটা সত্য ছিল, পাকিস্তান আমলেও সত্য থেকেছে। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর নির্বাচন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ সব কিছুতে জনগণ ছিল; কেবল ছিল না, তাদের কারণে ওইসব ঘটনায় সাফল্য এসেছে, দুর্ভোগ যা তাদের পোহাতে হয়েছে। কিন্তু সংগ্রামের যা অর্জন সেটি তাদের ঘরে যায়নি, পৌঁছে গেছে এখন যারা শাসক অর্থাৎ জনগণের শত্রু তাদের হাতে, তারাই ক্রমাগত হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে, বিচ্ছিন্ন হয়েছে জনগণ থেকে এবং নিপীড়ন চালিয়েছে ওই জনগণের ওপরই।

    ব্রিটিশ শাসনের কালে এই শাসকশ্রেণির যাত্রার সূত্রপাত ঘটে। সে সময়ে তারা উঠতি শ্রেণি, তারা চাইছিল ব্রিটিশ যখন চলে যাবে তখন তাদের হাতে যেন ক্ষমতা দিয়ে যায়; ক্ষমতা নিয়ে তাদের নিজেদের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব ছিল, যে দ্বন্দ্ব রূপ নিয়েছিল নির্মম সাম্প্রদায়িকতার। জনগণের ভেতর সাম্প্রদায়িকতা ছিল না, প্রতিবেশীকে তারা প্রতিবেশী হিসেবে দেখত, শাসনক্ষমতা পাবার জন্য লোলুপ শ্রেণিটি সাধারণ মানুষকে আত্মঘাতী সংঘর্ষে লিপ্ত করেছে। দুর্ভোগ যা সেটা সাধারণ মানুষকে ভোগ করতে হয়েছে, আর দুই দিকের দুই বিত্তবান শ্রেণি শাসনক্ষমতা পেয়ে নিজেদের বিত্তবেসাত বাড়িয়ে তুলেছে।

    পাকিস্তান আমলে শাসনক্ষমতা ছিল অবাঙালিদের হাতে; বাঙালি মধ্যবিত্ত কিছুটা সুযোগ-সুবিধা পেল ঠিকই, কিন্তু অবাঙালিদের তুলনায় সে প্রাপ্তিটা ছিল সামান্য; অবধারিত রূপেই একটা দ্বন্দ্ব বেধে উঠল দু’পক্ষের মধ্যে। জনগণের অসন্তোষটা ছিল আরও বড়; তারা কিছুই পায়নি, তারা ছিল বিক্ষুব্ধ। বাঙালি মধ্যবিত্ত চেয়েছে স্বায়ত্তশাসন, জনগণ চেয়েছে মুক্তি। কিন্তু জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক দল ছিল না। তারা ওই স্বায়ত্তশাসনকামী জাতীয়তাবাদীদের পেছনে যেতে বাধ্য হয়েছে। এবং তাদের কারণে অবাঙালি শাসকেরা এই দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছে। যুদ্ধটা ছিল জনযুদ্ধ।

    • সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী: ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

    লেখাটি দৈনিক সমকাল থেকে নেওয়া। 

  • জবি ভর্তিতে সাবজেক্ট চয়েস শুরু ৮ এপ্রিল

    জবি ভর্তিতে সাবজেক্ট চয়েস শুরু ৮ এপ্রিল

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য সাবজেক্ট চয়েস (বিষয় নির্বাচন) প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আগামী ৮ এপ্রিল থেকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি।

    বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মনজুর মোর্শেদ ভূঁইয়া জানান, ‘৮ এপ্রিল থেকে সাবজেক্ট চয়েস কার্যক্রম শুরু হবে এবং এটি চলবে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত।’

    কলা ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের পছন্দের বিষয় নির্বাচন করতে পারবে। এ সংক্রান্ত নোটিশ ইতোমধ্যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।’

    সাবজেক্ট চয়েসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (https://admission.jnu.ac.bd) গিয়ে লগইন করতে হবে। পরে নিজের ভর্তি পরীক্ষার রোল ও পিন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পছন্দের বিষয়গুলো তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন করে সাবমিট করতে হবে।

    উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ (এ ইউনিট), কলা ও আইন অনুষদ (বি ইউনিট), বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ (সি ইউনিট) এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ (ডি ইউনিট) এর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

  • ঢাবি, জবি ও বেরোবি খুলবে আজ

    ঢাবি, জবি ও বেরোবি খুলবে আজ

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে আজ রবিবার (৬ এপ্রিল) থেকে খুলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বাকি দুটি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ও রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)। এদিন থেকেই চালু হবে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

    গত ২৫ মার্চ ছিল ঈদের ছুটির আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কর্মকর্তাদের শেষ কর্ম দিবস। এর আগে গত ১৩ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন শুরু হয় ক্লাস কার্যক্রম, যা চলে ২০ মার্চ পর্যন্ত। ঈদের ছুটি কাটিয়ে রবিবার থেকে আবারো ক্লাসে ফিরবেন শিক্ষার্থীরা।

    গত ২৩ মার্চ থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। ছুটি শুরুর আগে ও পরের শুক্র ও শনিবারসহ মোট ১৬ দিনের ছুটি ছিল। ছুটি শেষ রবিবার থেকে যথারীতি ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলবে।

    এছাড়া গত ২৬ মার্চ বুধবার থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইনস্টিটিউট, বিভাগ ও প্রশাসনিক দপ্তর বন্ধ ছিল। ‎তবে এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি পরিষেবার চালু ছিল।

    রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ১২ দিনের ছুটি শেষ রবিবার থেকে যথারীতি ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চলবে। এর আগে ২৩ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস এবং ২৮ মার্চ প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

  • মেকআপ নিয়ে ঘুমালে হতে পারে যেসব মারাত্মক ক্ষতি

    মেকআপ নিয়ে ঘুমালে হতে পারে যেসব মারাত্মক ক্ষতি

    বাইরে থেকে ফিরে অনেকেই মেকআপ নিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। এ ছোট অভ্যাসটি আপনার ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে চেহারায় বয়সের ছাপ, মেকআপ পরিষ্কার না করে ঘুমালে দেখা দিতে পারে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা।

    রাতে আমাদের ত্বক পুরনো ত্বকের কোষগুলোকে নতুন কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করে। এ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া সুস্থ, উজ্জ্বল ত্বক বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেকআপ নিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস এই প্রক্রিয়াটিকে বাধাগ্রস্থ করে। যার ফলে ত্বকে নান জটিলতা দেখা দেয়।

    বন্ধ লোমকূপ

    সারাদিন আমাদের ত্বক ধুলো, তেল এবং অন্যান্য পরিবেশগত দূষণকারীর সংস্পর্শে থাকে। আপনি যখন মেকআপ দিয়ে ঘুমান তখন এগুলো ত্বকের ছিদ্রে আটকে যায়। মেকআপ আপনার লোমকূপকে ঘন এবং অবরুদ্ধ করে তোলে। এর ফলে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস, পিম্পল এবং অন্যান্য ধরণের ত্বকের সমস্যা হতে পারে। মেকআপ অপসারণ না করার সবচেয়ে দ্রুত পরিণতিগুলোর মধ্যে একটি হলো লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া। এতে আপনার ত্বক নিস্তেজ এবং প্রাণহীন হয়ে যায়।

    বয়সের ছাপ

    অনেক মেকআপ পণ্যে রাসায়নিক এবং প্রিজারভেটিভ থাকে যা ত্বকে বেশিক্ষণ রেখে দিলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হতে পারে। এই চাপ কোলাজেন এবং ইলাস্টিন ফাইবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়তা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। ফলাফল হিসেবে বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণ যেমন সূক্ষ্ম রেখা, বলিরেখা এবং ত্বকের স্বরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ত্বকের পুষ্টিতে বাধা

    ত্বক রাতের বোলায় ত্বকের যত্নের উপকরণ থেকে উপকারী উপাদানগুলো শোষণ করে। ত্বকে মেকআপ থাকলে তা বাধা তৈরি করে যা পুষ্টিকর উপকরণগুলোকে ত্বকে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। সঠিক হাইড্রেশন এবং পুষ্টির অভাবের ফলে ত্বককে ক্লান্ত এবং ডিহাইড্রেটেড দেখাতে পারে।

    চোখের ক্ষতি করে

    চোখের মেকআপ যেমন, মাস্কারা এবং আইলাইনার না মুছে ঘুমিয়ে পড়লে চোখ ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। চোখের মেকআপ তুলতে ভুলে গেলে চোখের জ্বালা হতে পারে এবং এর ফলে চোখের সংক্রমণ হতে পারে। এটি প্রদাহ, লালভাব এবং এমনকি কনজেক্টিভাইটিসের কারণ হতে পারে।

  • প্রভাষক পদে নিয়োগ দিবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

    প্রভাষক পদে নিয়োগ দিবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ‘প্রভাষক’ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ এপ্রিল বিকেল ০৪টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে চাকরির সুযোগ

    প্রতিষ্ঠানের নাম: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
    বিভাগের নাম: সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
    চাকরির ধরন: স্থায়ী
    প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
    বয়স: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর
    কর্মস্থল: গাজীপুর

    আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: অনলাইনে আবেদন করার পর আবেদন ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর-১৭০৪ বরাবর পাঠাতে হবে। আবেদনপত্র ডাকযোগে/কুরিয়ার সার্ভিস/সরাসরি পাঠাতে পারবেন।

    আবেদনের শেষ সময়: ০৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ বিকেল ০৪টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

  • সাংবাদিকদের ‘পিশাচ, বলদ’ বলে গালি দিলেন পরীমণি

    সাংবাদিকদের ‘পিশাচ, বলদ’ বলে গালি দিলেন পরীমণি

    মেয়েকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পিংকি আক্তার ঢাকার ভাটারা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পরীমণি পুরো বিষয়টি মিথ্যা ও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। এ নিয়ে গতকাল খবর প্রকাশ হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। আর তাতেই গণমাধ্যমের প্রতি চটেছেন এই নায়িকা।

    শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মধ্যরাতে ফেসবুক লাইভে এসে সাংবাদিকদের ‘গু, গোবর, পিশাচ’ বলে গালিগালাজ করেন পরীমণি।

    পরীমণি বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলের পর থেকে আমি অনেক হ্যারেজ হয়েছি। শুধু ফোনকল না, নানা রকমভাবে। আমার নামে অভিযোগ, আমি আমার গৃহকর্মীকে ফিজিক্যালি হার্ট করেছি। সে আমার নামে একটা সাধারণ ডায়েরি করেছে ভাটারা থানায়। যেহেতু থানার মাধ্যমে একটা অভিযোগ করা হয়েছে, সেটা তো আইনি প্রক্রিয়ায় চলে গেছে।’

    ‘যারা মিডিয়াকর্মী, তারা একটু অপেক্ষা করতে পারত না? তারা যে মেন্টাল টর্চারটা আমাকে দিলো। যেভাবে ফলাও করে তার অভিযোগটা প্রচার করা হলো, তার ইন্টারভিউ করা হলো। তার মানে কি তাকে প্রিভিলেজ দেওয়া হচ্ছে না? …যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে, কিন্তু সেটা প্রমাণিত হওয়ার আগেই আপনি তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দেবেন? আজকে পুরো মিডিয়া আমাকে দোষী সাব্যস্ত করে নিউজ করেছে। যেন প্রমাণ হয়ে গেছে আমি দোষী।’

    কয়েক দিন আগে পরীমণির হাতে মেহেদি দিয়ে ‘এস’ লেখা নিয়ে নিউজ হয়েছিল। এরপর ফেসবুকে গণমাধ্যমকর্মীদের ‘বলদ’ বলেছিলেন পরী। শুক্রবার মধ্যরাতের লাইভে সে প্রসঙ্গ আবারও তুলে পরীমণি বলেন, ‘হাতে এস লেখার কারণে আপনাদের বলদ বলেছি বলে কি এমন করছেন? তো বলদের প্রমাণ দিয়ে দিচ্ছেন। আপনারা আসলেই বলদ, সলিড বলদ। আপনারা গু, আপনারা গোবর, আপনারা পিশাচ।’

    জেলে যাওয়ার পরেও তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের নিউজ প্রকাশের সমালোচনা করেন। পরী বলেন, ‘যে কয়দিন আমি জেলে ছিলাম, সে সময় শুধু আমাকে নিয়েই নিউজ করা হয়েছে। আজ পরীমণি কি খেলেন, কোথায় ঘুমালেন, কম্বল দেওয়া হলো কি না, তাকে কোন থালায় খাবার দেওয়া হলো। এত নোংরাভাবে নিউজগুলো প্রকাশ করা হচ্ছিল, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ইন্টারেস্ট ফিল হয়। যেন একটা নাটকীয় ব্যাপার। এটা তো আমার ব্যক্তিগত জীবন। একটা জীবন তো সিনেমা হতে পারে না।’

    গৃহকর্মীর অভিযোগ নিয়ে পরী জানান, তার কাছে সবকিছুর প্রমাণ আছে। কিন্তু আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থেকে তিনি তা এখন প্রকাশ করছেন না। ভরসা রাখতে চান আইনের প্রতি। তবে শেষ দিকে উত্তেজিত হয়ে পরী জানান, আজ সবকিছুর প্রমাণ দিয়ে দেবেন।

  • ছাত্র প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান ইশরাকের

    ছাত্র প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগের আহ্বান ইশরাকের

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী ইশরাক হোসেন।

    শনিবার (৫ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে। না হলে যথাসময়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব ইনশাআল্লাহ।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘এবং সরকারে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হবে না।

  • ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষে ৪৬’র লিখিত নেওয়ার দাবি

    ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষে ৪৬’র লিখিত নেওয়ার দাবি

    ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ৪৬তম এর লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশ। একইভাবে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষে ৪৭তমের প্রিলিমিনারি নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ দাবিতে আগামীকাল রোববার (৬ এপ্রিল) সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

    শনিবার (৫ এপ্রিল) ৪৪, ৪৫ এবং ৪৬তম বিসিএসের লিখিত প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ‘মার্চ টু পিএসসি’ কর্মসূচির মুখপাত্র মোস্তাকিন আহমেদ আশিক।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক এ শিক্ষার্থী জানান, ‘৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর) ৬ মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনও অর্ধেক প্রার্থীর ভাইভা শেষ হয়নি। যে গতিতে পিএসসি আগাচ্ছে, তাতে আরও এক বছর সময় লাগবে ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা শেষ করতে। এর মধ্যে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা রয়েছে। মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রার্থী ৪৬ এর লিখিত দেবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে না কি লিখিত পরীক্ষার?

    মোস্তাকিন আহমেদ আশিক জানান, ‘আমাদের দাবি খুবই স্পষ্ট। আমরা একটি বিসিএসের সঙ্গে আরেকটি বিসিএস যেন জড়িয়ে না যায়। অর্থাৎ ৪৪ এর ভাইভা শেষে ৪৬ এর লিখিত এবং ৪৬ এর লিখিত শেষ হওয়ার পর ৪৭তম বিসিএসের প্রিলি নিতে হবে। এজন্য আমরা একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছি। আগামীকাল রোববার পিএসসিকে আমরা এ রোডম্যাপ দেব। একইসঙ্গে পিএসসির কাছ থেকে রোডম্যাপ নিয়েও আসবো। সারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা আমাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বলেও জানান তিনি।

  • জীবনের নতুন অধ্যায়ে শামীম হাসান সরকার

    জীবনের নতুন অধ্যায়ে শামীম হাসান সরকার

    জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান। গতকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মিরপুর ডিওএইচএসে শামীমের বাসায় সারলেন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।

    ওইদিন রাতেই শামীম হাসান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক নিজের প্রোফাইলে ‘গট ম্যারিড’ পোস্ট দিয়ে স্ত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করেন।

    শামীম হাসান সরকারের স্ত্রীর নাম আফসানা প্রীতি। তিনি ফরিদপুরের মেয়ে। পড়াশোনা করছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে।

    ইতোমধ্যে শামীম ও তার স্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশের তারকাঅঙ্গনও। জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী আনিকা কবির শখ তাদের বিয়ের ছবি প্রকাশ করে শুভকামনাও জানিয়েছেন।

    বিয়ে নিয়ে হরহামেশাই মজা করতে দেখা যায় অভিনেতা শামীম হাসানকে। তার বিয়ে নিয়ে মিডিয়াপাড়ায় গুঞ্জনও ছিল বেশ। কখনো অভিনেত্রী অহনা রহমান তো কখনো তানিয়া বৃষ্টির সঙ্গে বিয়ের সাজে ছবি পোস্ট করে ভক্তদের দ্বিধায় ফেলেছেন তিনি। তবে এবার আর মজা নয়, বাস্তবেই শুরু করলেন নতুন জীবনের অধ্যায়।

  • টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ হচ্ছে ৩২৯ উপজেলায়

    টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ হচ্ছে ৩২৯ উপজেলায়

    সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শোয়াইব আহমদ খান। বলছেন, এই লক্ষ্যে সরকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রকল্পের আওতায় ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

    শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. ফরিদুর রহমানসহ বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

    অনুষ্ঠানে শোয়াইব আহমদ খান বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশের দেড় কোটি লোক বিদেশে স্বল্প মজুরিতে চাকরি করার কারণে আশানুরূপ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার এই প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ, নবীগঞ্জ, বাহুবল, শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট ও লাখাই উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করা হবে। এই প্রকল্পের অধীনে প্রতিটি উপজেলায় ৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। কোনো দানশীল ব্যক্তি জমি দান করতে চাইলে তা সাদরে গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে নবীগঞ্জ ও বাহুবলের জন্য দুজন দানশীল ব্যক্তি ভূমি দান করেছেন বলে জানান শোয়াইব আহমদ খান।