Author: প্রিয় ক্যাম্পাস ডেস্ক

  • ১০ পদে কর্মী নেবে ভূমি সংস্কার বোর্ড

    ১০ পদে কর্মী নেবে ভূমি সংস্কার বোর্ড

    কর্মসংস্থান ডেস্ক : বাংলাদেশ ভূমি সংস্কার বোর্ড ও বোর্ডের আওতাধীন বিভাগীয় উপভূমি সংস্কার কমিশনার কার্যালয়ের শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ৬ ধরনের শূন্য পদে মোট ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

    পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর। পদসংখ্যা: ১টি। যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ শব্দ এবং ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে। বেতন: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।

    পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর। পদসংখ্যা: ১টি। যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ৪৫ ও ৭০, কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০। বেতন: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

    পদের নাম: গাড়িচালক। পদসংখ্যা: ৩টি। যোগ্যতা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। হালকা গাড়িচালনায় বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

    পদের নাম: অফিস সহায়ক। পদসংখ্যা: ৩টি। যোগ্যতা: এসএসসি পাস। বেতন: ৮,২০০-২০,০১০ টাকা।

    পদের নাম: নিরাপত্তাপ্রহরী। পদসংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাস। বেতন: ৮,২০০-২০,০১০ টাকা।

    পদের নাম: পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পদসংখ্যা: ১টি। যোগ্যতা: জেএসসি বা জেডিসি অথবা ৮ম শ্রেণি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। বেতন: ৮,২০০-২০,০১০ টাকা।

    আবেদনের পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এই লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় : ২৮ এপ্রিল, ২০২৫।

  • ইডকলে একাধিক পদে চাকরি, বেতন আকর্ষণীয়

    ইডকলে একাধিক পদে চাকরি, বেতন আকর্ষণীয়

    নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টে দুই ক্যাটাগরির পদে দুজনকে নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    ১. পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি), ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড এনার্জি ইফিশিয়েন্সি ফিন্যান্স (আইইইএফ)। পদসংখ্যা: ১। যোগ্যতা: ফিন্যান্সে বিবিএ/এমবিএ অথবা এমএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। সিজিপিএ ৩.০০ বা সমমান থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত সাত বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশিট ও প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারের কাজ জানতে হবে। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা: আকর্ষণীয় বেতন দেওয়া হবে।

    ২. পদের নাম: ম্যানেজার, ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্ট। পদসংখ্যা: ১। যোগ্যতা : ফিন্যান্সে বিবিএ/এমবিএ অথবা এমএসসি ডিগ্রি থাকতে হবে। সিজিপিএ ৩.০০ বা সমমান থাকতে হবে। ব্যাংক বা কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত পাঁচ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার ও স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের কাজ জানতে হবে। যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে। বেতন ও সুযোগ-সুবিধা : আকর্ষণীয় বেতন দেওয়া হবে।

    আবেদন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীদের ইডকলের ওয়েবসাইটের এই লিংকে গিয়ে নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে Apply Now বাটনে ক্লিক করে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০২৫।

  • ১৫ পদে ১০৮ জনের নিয়োগ দিচ্ছে বিডা

    ১৫ পদে ১০৮ জনের নিয়োগ দিচ্ছে বিডা

    কর্মসংস্থান ডেস্ক : প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত একাধিক শূন্য পদে জনবল নিয়োগের আবেদন শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এ প্রতিষ্ঠানে ১৫ ক্যাটাগরির পদে ৫ম থেকে ২০তম গ্রেডে ১০৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    ১. পদের নাম: সিস্টেম অ্যানালিস্ট। পদসংখ্যা: ১। যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি–সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। কোনো সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সহকারী সিস্টেম অ্যানালিস্ট, প্রোগ্রামার বা কম্পিউটার অপারেশন সুপারভাইজার হিসেবে অন্যূন তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স: অনূর্ধ্ব ৪০ বছর। বেতন স্কেল: ৪৩,০০০-৬৯,৮৫০ টাকা (গ্রেড-৫)।

    ২. পদের নাম: প্রোগ্রামার। পদসংখ্যা: ১। যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি–সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। কোনো সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র কম্পিউটার অপারেটর, সহকারী প্রোগ্রামার বা সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী হিসেবে অন্যূন চার বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বয়স: অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর। বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)।

    ৩. পদের নাম: সহকারী পরিচালক। পদসংখ্যা: ১৬। যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এমএস অফিস পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে একাধিক তৃতীয় শ্রেণি বা বিভাগ বা সমমানের সিজিপিএ বা জিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। বয়স: অনূর্ধ্ব ৩২ বছর। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)।

    ৪. পদের নাম: হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা।পদসংখ্যা: ১।যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যের কোনো বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অথবা অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এমএস অফিস পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে একাধিক তৃতীয় শ্রেণি বা বিভাগ বা সমমানের সিজিপিএ বা জিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। বয়স: অনূর্ধ্ব ৩২ বছর। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)।

    www.bahannonews.com
    ৫. পদের নাম: জনসংযোগ কর্মকর্তা। পদসংখ্যা: ১। যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক রিলেশনস, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বা ইংরেজি বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অথবা অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এমএস অফিস পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে একাধিক তৃতীয় শ্রেণি বা বিভাগ বা সমমানের সিজিপিএ বা জিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। বয়স: অনূর্ধ্ব ৩২ বছর। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)।

  • ডুয়েটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদে চাকরির সুযোগ

    ডুয়েটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদে চাকরির সুযোগ

    কর্মসংস্থান ডেস্ক : গাজীপুরে অবস্থিত ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এতে শিক্ষক–কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগ করা হবে। আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ২৪ এপ্রিল। চাইলে আপনিও আবেদন করতে পারেন।

    ১. কম্পট্রোলার। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০/- (গ্রেড-৩)

    ২. সহযোগী অধ্যাপক। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০/- (গ্রেড-৪)

    ৩. সহযোগী অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০/- (গ্রেড-৪)

    ৪. সহযোগী অধ্যাপক, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৫০,০০০-৭১,২০০/- (গ্রেড-৪)

    ৫. প্রভাষক। ক) পুরকৌশল বিভাগ: ২টি। খ) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ: ২টি। গ) যন্ত্রকৌশল বিভাগ: ২টি। ঘ) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ: ২টি। ঙ) ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ: ২টি। চ) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ: ৩টি। ছ) ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড ম্যাটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ: ৩টি। প্রভাষক পদের বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ৬. ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। পদসংখ্যা: ১টি। বেতন স্কেল: ৪৩,০০০-৬৯,৮৫০/- (গ্রেড-৫)

    ৭. ইনস্ট্রুমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার, প্রকৌশল অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২৯,০০০-৬৩,৪১০ /- (গ্রেড-৭)

    ৮. পাবলিকেশন কাম ইনফরমেশন অফিসার, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ৯. ড্রাফটিং ইনস্ট্রাক্টর, আর্কিটেকচার বিভাগ। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ১০. ডকুমেন্টশন অফিসার, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ১১. সেকশন অফিসার। ক) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ: ১টি পদে। খ) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ: ১টি পদে। গ) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল: ১টি পদে।ঘ) রেজিস্ট্রার অফিস (কাউন্সিল শাখা-১, শিক্ষা শাখা-১): ২টি পদে। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ১২. সিনিয়র ট্রান্সপোর্ট অফিসার, পরিচালক (যানবাহন) অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-১)

    ১৩. টেকনিক্যাল অফিসার, পুরকৌশল বিভাগ। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)।

    ১৪. প্রকিউরমেন্ট অফিসার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ১৫. পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কর্মকর্তা, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০/- (গ্রেড-৯)

    ১৬. সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার, যন্ত্রকৌশল বিভাগ। পদসংখ্যা: ২। বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/- (গ্রেড-১০)

    ১৭. ড্রাফটস্ম্যান, যন্ত্রকৌশল বিভাগ। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/- (গ্রেড-১০)

    ১৮. উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), প্রকৌশল অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০/- (গ্রেড-১০)

    ১৯. সিনিয়র অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর, রেজিস্ট্রার অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০/- (গ্রেড-১৩)

    ২০. টেকনিশিয়ান। ক) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ: ১টি পদে। খ) যন্ত্রকৌশল বিভাগ: ১টি পদে। বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০/- (গ্রেড-১৩)

    ২১. ড্রাইভার। পরিচালক (যানবাহন) অফিস। পদসংখ্যা: ২টি। বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০/- (গ্রেড-১৫)

    ২২. অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৯৩০০-২২,৪৯০/- (গ্রেড-১৬)

    ২৩. প্লাম্বার, প্রকৌশল অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০/- (গ্রেড-১৬)

    ২৪. সাব-স্টেশন অ্যাটেনডেন্ট/জেনারেটর অপারেটর, প্রকৌশল অফিস। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১,৮০০/- (গ্রেড-১৭)

    ২৫. ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট। ক) পুরকৌশল বিভাগ: ১টি। খ) যন্ত্রকৌশল বিভাগ: ২টি। গ) কম্পিউটার সেন্টার: ১টি।বেতন স্কেল: ৮,৫০০-২০,৫৭০/- (গ্রেড-১৯)

    ২৬. বাবুর্চি, বিজয় ২৪ হল। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৮,৫০০-২০,৫৭০/- (গ্রেড-১৯)

    ২৭. অফিস সহায়ক। ক) পুরকৌশল বিভাগ: ১টি। খ) বিজ্ঞান অনুষদ: ১টি গ) রেজিস্ট্রার অফিস: ১টি। বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০/- (গ্রেড-২০)

    ২৮. সহকারী বাবুর্চি, বিজয় ২৪ হল।পদসংখ্যা: ২। বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০/- (গ্রেড-২০)

    ২৯. সীক বয়, বিজয় ২৪ হল। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০/- (গ্রেড-২০)

    ৩০. পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) দপ্তর। পদসংখ্যা: ১। বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০/- (গ্রেড-২০)

    আবেদনের শর্ত : ১. আগ্রহী প্রার্থীকে আগামী ২৪/৪/২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ২. আবেদনকারী প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে Create Applicant Account–এ ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে প্রার্থিত পদের আবেদনপত্র Submit করতে হবে। এরপর How to pay বাটনে ক্লিক করে পেমেন্ট–সম্পর্কিত নির্দেশনা মেনে প্রার্থীকে প্রার্থিত পদের জন্য আবেদন ফি বাবদ ১ থেকে ১৮তম পদের জন্য ২০০/- টাকা, ১৯ থেকে ২৩তম পদের জন্য ১০০/- টাকা এবং ২৪ থেকে ৩০তম পদের জন্য ৫০/- টাকা নগদ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জমা দিতে হবে। ৩. ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য ১০ সেট, ৫ থেকে ১৮ নম্বর পদের জন্য ৭ সেট এবং ১৯ থেকে ৩০ নম্বর পদের জন্য ৫ সেট করে পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্র ২৪ এপ্রিল অফিস চলাকালে বিকেল ৪টার মধ্যে সরাসরি অথবা ডাকযোগে ‘রেজিস্ট্রার, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর’–এর বরাবর পৌঁছাতে হবে।

  • কারিনার শুরুর দিকে যেসব সিনেমা ফ্লপ হয়েছিল

    কারিনার শুরুর দিকে যেসব সিনেমা ফ্লপ হয়েছিল

    কারিনা কাপুর এখন বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা। কিন্তু তার ক্যারিয়ারের শুরুটা এত মসৃণ ছিল না। অনেক বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে তাকে এ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে টানা ১০টি সিনেমা মোটেই ব্যবসা করতে পারেনি। সিনেমা ফ্লপ হওয়ায় মানসিকভাবে রীতিমতো ভেঙে পড়েছিলেন কারিনা। এবার জেনে নেওয়া যাক এ নায়িকার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কোন কোন সিনেমা ফ্লপ হয়েছিল।

    মুঝসে দোস্তি কারোগে: ‘মুঝসে দোস্তি কারোগি’ সিনেমাটি ২০০২ সালে মুক্তি পায়। এতে অভিনয় করেছিলেন রানী মুখোপাধ্যায়, হৃতিক রোশন, কারিনা কাপুর খান। এর কাহিনি শুরু হয়েছিল দুই বন্ধুকে নিয়ে। যাদের ভালোবাসার মানুষ ছিল এক। সিনেমার কাহিনি মানুষের মনে দাগ কাটলেও কারিনার অভিনয় একেবারেই দর্শক হৃদয় জয় করতে পারেনি।

    জিনা সির্ফ মেরে লিয়ে: ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জিনা সির্ফ মেরে লিয়ে’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কারিনা কাপুর খান এবং তুষার কাপুর। এ সিনেমাটিও দর্শকদের একদমই পছন্দ হয়নি।

    তালাশ: ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমায় অক্ষয় কুমারের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কারিনা কাপুর। সিনেমায় অক্ষয়ের অভিনয় মানুষের ভালো লাগলেও তাকে ঠিক মনে ধরেনি দর্শকদের। সিনেমাটি বক্স অফিসে সেই সময় একেবারেই ভালো ব্যবসা করতে পারেনি।

    খুশি: ২০০৩ সালে ফারদিন খানের বিপরীতে খুশি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কারিনা কাপুর খান। এ সিনেমাটিও বক্স অফিসে একদম চলেনি।

    ম্যায় প্রেম কি দিওয়ানি হু: অভিষেক বচ্চন, হৃতিক রোশন এবং কারিনা কাপুর খান অভিনীত সিনেমাটির গল্প ছিল বেশ ইউনিক। কিন্তু এ সিনেমাতেও কারিনার ওভার অ্যাকটিং একদমই ভালো লাগেনি দর্শকদের।

    কার্গিল: ২০০৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কার্গিল’ সিনেমায় বেশ কয়েকজন তারকা অভিনয় করেছিলেন। সিনেমার গল্পও ছিল অসাধারণ। সবকিছুই ভালো ছিল কিন্তু তবুও সিনেমাটি বক্স অফিসে আলোর মুখ দেখতে পারেনি।

    চামেলি: ২০০৩ সালে কারিনার আরও একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। সিনেমাটির নাম ছিল ‘চামেলি’। রাহুল ঘোষের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কারিনা। এ সিনেমায় কারিনার অ্যাক্টিং ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু তাও সিনেমাটি দর্শকদের আকৃষ্ট করতে পারেনি।

    যুবা: অজয় দেবগন, অভিষেক বচ্চন, রানী মুখোপাধ্যায়, এষা দেওল, বিবেক ওবেরয় এবং কারিনা কাপুর খান অভিনীত এ সিনেমা গল্প ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী। কিন্তু কোথাও না কোথাও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দিতে পারেনি এটি। ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কারিনার ফ্লপ সিনেমার মধ্যে এটি একটি।

    দেব: ফারদিন খান এবং কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। ২০০৪ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমায় কারিনার অভিনয় ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু তাও বক্স অফিসের পরিসংখ্যান সিনেমাটিকে ফ্লপ সিনেমার তালিকাভুক্ত করে।

    ফিদা: শাহিদ কাপুর এবং ফারদিন খানের বিপরীতে খল চরিত্রে এ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন কারিনা কাপুর। দুর্দান্ত স্টোরি লাইন থাকা সত্ত্বেও সিনেমাটি হয়েছিল কোনো আলোচনায় আসতে পারেনি।

  • গাজার ঘটনায় বিশ্ব নেতাদের সমালোচনায় যা বললেন জয়া

    গাজার ঘটনায় বিশ্ব নেতাদের সমালোচনায় যা বললেন জয়া

    বিনোদন ডেস্ক : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বর্বরতা বেড়েই চলেছে। গত ১২ ঘণ্টায় দখলদাররা খান ইউনিস এলাকা লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি হামলা চালিয়েছে। সেখানে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন।

    ইসরায়েলি সেনারা খান ইউনিসের কয়েকটি আবাসিক ভবন ও অস্থায়ী তাঁবুতে হামলা চালিয়েছে। এতে অনেক মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। যারা সেখান থেকেই বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন। ধ্বংসস্তূপে মানুষ আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

    গাজার স্বাস্থ্য সেবা খাত ভেঙে পড়েছে। দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হাত থেকে সাধারণ মানুষই নয়, চিকিৎসকেরাও রক্ষা পাননি। তাদেরকেও হত্যা করা হচ্ছে।

    ইসরায়েলের এই বর্বরতার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন সর্বশ্রেণি পেশার মানুষ। বিশেষ করে আরব ও বিশ্ব নেতাদের সমালোচনায় মেতে উঠেছেন সাধারণ মানুষ থেকে তারকারাও।

    দুই বাংলার সমান জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বিশ্ব নেতাদের সমালোচনায় এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে তিনি লিখেছেন, দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি সেনারা ১৫ জন জরুরি চিকিৎসাকর্মীকে হত্যা করেছে। গাজায় যে নিষ্ঠুর আর হৃদয়হীন গণহত্যা ইসরায়েল চালিয়ে আসছে, এটা তারই অংশ। পৃথিবীকে তারা ফিলিস্তিনিশূন্য করার নিয়ত নিয়ে নেমেছে।

    গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নারী-শিশুদের ছিন্ন-ভিন্ন মরদেহ
    জয়া প্রশ্ন ছুঁড়ে লেখেন, বিশ্ববাসীর প্রতিবাদে ইসরায়েল ভ্রূক্ষেপ করবে না, সেটা জানি। কিন্তু বাকি বিশ্ব? বিশ্বের বড় বড় নেতারা? এভাবে বেশুমার শিশুহত্যা, নারীহত্যা, গণহত্যা সবার চোখের সামনে চলতে থাকবে?

    সবশেষ হৃদয়ভাঙা আকুতি নিয়ে জয়া লেখেন, মানুষের হৃদয়ের ওপর থেকে পর্দা সরুক। ফিলিস্তিনিরা মানুষের মতো বাঁচার সুযোগ পাক।

    এদিকে ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম আহমেদ রোববার বিকেলে নিজের ফ্রি প্যালেস্টাইন স্যুটের একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি যখন এই পোস্ট লিখছি ততক্ষণে গাজার অস্তিত্ব কী মুছে গেছে? আমরা কি পারলাম না এই শহরটাকে, এই দেশটাকে বাঁচাতে? ফিলিস্তিনের এই ধ্বংসাবশেষের দায় কি আমরা কেউ এড়াতে পারবো?’

    সিয়াম আরও লেখেন, ফিলিস্তিনের জন্য আমার মনের কান্না কখনো থামাতে পারিনি। যখন ‘জংলি’র গল্প লেখা হচ্ছিল তখনও পাখির জায়গায় আমি বারবার ফিলিস্তিনি শিশুদেরকেই কল্পনা করতাম। আমরা কি শিশুদের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী উপহার দিয়ে যেতে পারবো না? যখন যুদ্ধবিরতি চলছিল তখনও আমি শান্তি পাচ্ছিলাম না। শুধু মনে হতো, এই বিরতি কতক্ষণের? কতক্ষণ এই মানুষগুলো বাঁচবে আসলে? এই যে ঈদের পরপরই তাদের ওপর নরক নেমে আসলো, তার দায় কি এই পৃথিবী নেবে না?

    হতাশা প্রকাশ করে এই নায়ক লেখেন, এই বিশ্ব লিডারস, ইসলামিক স্কলারস, নোবেল লরিয়েটস, সাধারন মানুষ, আমরা কেউ কি এড়াতে পারবো এর দায়? আল্লাহ, তুমি জান্নাতের দরজা খুলে দাও। এই পৃথিবী আর গাজাবাসীর জন্য নয়। আমরা পারিনি, আমরা পারলাম না।

  • ডাইনির মতো হাসেন শ্রদ্ধা, সেজন্যই সুযোগ পান সিনেমায়!

    ডাইনির মতো হাসেন শ্রদ্ধা, সেজন্যই সুযোগ পান সিনেমায়!

    বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত স্ত্রী ও স্ত্রী টু দারুণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। সিনেমায় শ্রদ্ধা কাপুরের অভিনয়ও বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। এমনকী বক্স অফিসেও ভালো আয় এনে দিয়েছে এই দুইটি ছবি।

    তবুও সম্প্রতি এক মন্তব্যের কারণে সিনেমার প্রযোজক দীনেশ নিজানের ওপর ভীষণ বিরক্ত শ্রদ্ধার অনুরাগীরা। তিনি বলেছেন, শ্রদ্ধা কাপুর ডাইনির মতো হাসেন। এই কারণে তাকে স্ত্রী সিনেমায় কাস্ট করা হয়।

    কোমল নাহাটার সঙ্গে একান্ত কথোপকথনে অমর কৌশিক বলেন, ‘শ্রদ্ধার কাস্টিং (কৃতিত্ব) পুরো দীনেশ বিজনের প্রাপ্য। তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে একটি ফ্লাইটে আসছিলেন এবং বিমানে তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি আমাকে এসে বলেন যে, অমর শ্রদ্ধা বলে যে মেয়েটি আছে, সে পুরো ডাইনির মতো হাসে। দুঃখিত শ্রদ্ধা। তিনি এমনই কিছু বলেছিলেন। শব্দটা ডাইনিই ছিল, নাকি অন্য কিছু, আমি নিশ্চিত নই। তাই তার (শ্রদ্ধা কাপুর) সঙ্গে দেখা হলে, প্রথমেই আমি তাকে হাসতে বলেছিলাম।’

    দীনেশ বিজনের এই বক্তব্যে ক্ষেপেছেন অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। তারা সামাজিক মাধ্যমে অমর কৌশিক ও দীনেশ বিজনের বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেছেন।

    একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘প্রথমে আপনি তার নামে ছবির প্রচার করলেন, কোটি টাকা উপার্জন করলেন এবং তারপরে তাকে নিয়েই মস্করা করছেন।’

    একইসঙ্গে আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন- ‘এই নারীবিদ্বেষী পুরুষরা কখনোই তাদের কাজ এবং অভিনয়ের প্রশংসা করবে না, কিন্তু দেখুন তারা কীভাবে কথা বলছে।’

    তৃতীয় একজন লিখেছেন, ‘জঘন্য মানসিকতা। এদের নামে মামলা করা উচিত।’

    ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর, রাজকুমার রাও এবং অপারশক্তি খুরানা।

  • যেভাবে ‘জাতীয় ক্রাশ’ রাশমিকা মান্দানা

    যেভাবে ‘জাতীয় ক্রাশ’ রাশমিকা মান্দানা

    সাফল্য দিয়েই কেউ তারকা হন, আবার কেউ হয়ে ওঠেন মহাতারকা। লাভ করেন মানুষের ভালোবাসা, জনপ্রিয়তা। সবটা ‘সাফল্য’কে কেন্দ্র করেই নির্ধারিত হয়। বলতে চাইছি, এ ক্ষেত্রে ‘সাফল্য আর সাফল্যের মাত্রা’ই একমাত্র নির্ধারক। তা ছাড়া পৃথিবীতে কর্ম দিয়ে যত সহজে কৃতি স্থাপন করা যায়, অন্য কোনো পথে তা সম্ভব হয় না। পাড়ার সংগঠন থেকে সাজানো-গোছানো করপোরেট অফিস, সুন্দর মঞ্চ এমনকি শিল্প-সাহিত্য ও চলচ্চিত্র অঙ্গনেও এই একই দৃষ্টিপাত এবং অসংখ্য দৃষ্টান্ত খুঁজে নিতে কষ্ট হবে না।

    আজ ৫ এপ্রিল, তেমনই এক নারীর জন্মদিন। যে নিজের কাজ দিয়ে কেবল নিজের দেশ নয়, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে ইতিমধ্যে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে গেছেন। পৌঁছে গেছেন অগণিত মানুষের হৃদয়ে। তিনি আর কেউ নন ভারতের ‘জাতীয় ক্রাশ’খ্যাত অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। ভারতের ‘জাতীয় ক্রাশ’ হিসেবে যদিও তাঁকে অভিহিত করা হচ্ছে। তবে কেবল ‘ভারত’ই নয় বিশ্বের বহু দেশে তাঁকে দেখে, তাঁর সিনেমা কিংবা ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে তাঁর ছবি দেখে দর্শক বলে ওঠেন ‘হায়, মান্দানা!’

    ‘পৃথিবীর সব সৌন্দর্য যেন তাঁর মধ্যে, কোনো কমতি নেই। হাসি, চাহনি সব ভয়ংকর সুন্দর, অতুলনীয়।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছবি পোস্ট করে ভক্তদের অনেককে এভাবেই ভালো লাগা, ভালোবাসা প্রকাশ করতে দেখা যায়।

    রবীন্দ্রনাথের কবিতায় আছে, ‘তুমি কি কেবলই ছবি, শুধু পটে লিখা।/ ওই-যে সুদূর নীহারিকা/ যারা করে আছে ভিড় আকাশের নীড়,/ ওই যারা দিনরাত্রি/ আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী গ্রহ তারা রবি,/ তুমি কি তাদের মতো সত্য নও।’ ভক্তদের অনেকে রাশমিকাকে রবীন্দ্রনাথের কবিতার ‘সত্যে’র মতো ‘সত্য’ও মনে করে থাকেন।

    শুরুতে বলেছিলাম, ‘সাফল্য দিয়েই কেউ তারকা হন আবার কেউ হয়ে ওঠেন মহাতারকা। লাভ করেন মানুষের ভালোবাসা, জনপ্রিয়তা।’ তবে রাশমিকার ক্ষেত্রে কেউ কেউ বিষয়টা উপেক্ষা করতে চান। রাশমিকার জনপ্রিয়তার নেপথ্যে তাঁরা কেবল ‘সৌন্দর্য’কে দাঁড় করান। বিষয়টা নিয়ে সম্প্রতি কটাক্ষের স্বীকারও হয়েছেন অভিনেত্রী। কিন্তু সত্যিটা আসলে কী, রাশমিকা কেন এত জনপ্রিয়? আর কীভাবেই–বা ভারতের ‘জাতীয় ক্রাশ’ হয়ে উঠলেন তিনি?

    যদিও কনফুসিয়াস বলেছেন, ‘সবকিছুরই সৌন্দর্য আছে, কিন্তু সবাই তা দেখতে পায় না।’ প্রকৃতপক্ষে এটিই সত্য, সৌন্দর্য মূলত উপলব্ধিরই বিষয়। কিন্তু হলে কী হবে, সমাজে, সংসারে বাহ্যিক সৌন্দর্যের মূল্য যে অসীম। সেই বাস্তবতা থেকেই তো রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, ‘সৌন্দর্য হৃদয়ে প্রেম জাগ্রত করিয়া দেয় এবং প্রেমই মানুষকে সুন্দর করিয়া তোলে।’ তা ছাড়া চলচ্চিত্রজগতে নির্দিষ্ট শারীরিক গঠন থেকে শুরু করে নানা তকমা বিশেষ মূল্য পায়। তবে তকমাগুলোই শেষ কথা নয়। কারণ, তকমাগুলোকে থোড়াই কেয়ার করে চলচ্চিত্রশিল্পে ফুল ফুটিয়েছেন এমন অভিনেতা-অভিনেত্রীর সংখ্যাও কিন্তু কম নয়। আবার সব নির্দিষ্ট তকমা নিয়েও সফল হতে পারেননি এমন উদাহরণও আছে অনেক। তাই ‘সৌন্দর্য’ রাশমিকার জনপ্রিয়তার ‘একটি কারণ’ হলেও ‘একমাত্র কারণ’ দাবি করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ‘রাশমিকা’ এই সাফল্য এক দিনে পাননি।

    মডেলিং দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। সেই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিতে থাকেন। ‘ক্লিন অ্যান্ড ক্লিয়ার ফ্রেশ ফেস অব ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে হয়ে যান এই ক্যাম্পেইনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। তারপর বেঙ্গালুরুর লামোড টপ মডেল হান্টে জেতেন ‘টিভিসি’ খেতাব। ভারতীর গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এই প্রতিযোগিতায় নির্মাতা ও কলাকুশলীদের নজর কাড়তে সমর্থ হন তিনি।

    যে সূত্রে সুযোগ পান ‘কিরিক পার্টি’ চলচ্চিত্রে। ২০১৬ সালের কন্নড় সিনেমা ‘কিরিক পার্টি’ দিয়েই বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক হয়। তেলেগু সিনেমায় নাম লেখান ২০১৮ সালে। অভিনয় করেন ‘গীতা গোবিন্দম’ চলচ্চিত্রে। অপেক্ষাকৃত কম বাজেটের এই সিনেমা সুপারহিট হয়। সিনেমাটিতে রাশমিকার বিপরীতে ছিলেন বিজয় দেবরাকোন্ডা। আজ দর্শকের কাছে রাশমিকা-বিজয় দেবরাকোন্ডা জুটি যে বিশেষ মূল্য পায়। ‘গীতা গোবিন্দম’ দিয়েই তাঁর শুরুটা হয়েছিল। রোমান্টিক–কমেডি জনরার এই সিনেমা তরুণ-তরুণীরা ভীষণভাবে গ্রহণ করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন মান্দানা-বিজয়। মান্দানা চলে আসেন দর্শকের কাছে, আলোতে। সাফল্যের পরশ পাথর তাঁকে যেন স্পর্শ করে। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া কন্নড় সিনেমা ‘ডিয়ার কমরেড’ দিয়েও প্রশংসিত হন তিনি। এই সিনেমাতেও তাঁর বিপরীতে ছিলেন বিজয় দেবরাকোন্ডা। নারী ক্রিকেটার চরিত্রটিকে গল্পের আলোকে পরিপূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরে মান্দানা আলোচিত হন। পরে তেলেগু সিনেমা ‘সারিলেরু নিকিভারু’, ‘ভীষ্ম’ ও তামিল সিনেমা ‘সুলতান’ দিয়েও ভালো সাড়া পান তিনি।

    তবে ২০২১–কে মান্দানার ক্যারিয়ারের ‘বর দানে’র বছর বলা চলে। কেননা ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ দিয়ে রাশমিকা তুমুল পরিচিতি পেয়েছেন। অর্জন করে নিয়েছেন অগণিত মানুষের প্রিয় অভিনেত্রীর স্থান।

    ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ ছিল পুষ্পার উত্থানের গল্প। সংগত কারণেই শ্রীবল্লীর অভিনয়ের জায়গা ততটা ছিল না। আর সেই আক্ষেপই যেন ‘পুষ্পা ২’ দিয়ে মিটিয়ে নিয়েছেন পর্দার শ্রীবল্লী, বাস্তবের রাশমিকা।

    সন্দীপ রেড্ডির সিনেমা ‘অ্যানিমেলে’র কথাও বলতেই হবে। সিনেমাটিতে ‘গীতা’ চরিত্রে নিজেকে নিজেই ছাড়িয়ে গেছেন রাশমিকা। তা ছাড়া ‘ছাবা’, সিনেমাটি তো বক্স অফিসের রেকর্ড ওলট–পালট করে দিয়েছে। সম্ভাজি মহারাজের স্ত্রী মহারানি ইয়েসুবাইয়ের চরিত্রে আলো ছড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    তাই এই কথা বলতে কোনো রাখঢাক নেই যে নির্দিষ্ট কোনো চরিত্রে নয়, বরং সব চরিত্রেই সহজ-সাবলীলভাবে নিজেকে তুলে ধরতে পারেন রাশমিকা। তাঁর লুকগুলো যেমন কৃত্রিমতাবর্জিত। এক্সপ্রেশনও তেমন সহজ সুন্দর। তাই তো তিনি একটা হাসি দিলেই তরুণদের হৃদয়ে ঢেউ খেলে যায়। আর এ কারণেই তিনি ভারতের ‘জাতীয় ক্রাশ’ হয়ে উঠতে পেরেছেন।

    সেই সঙ্গে একটা প্রশ্নও চলে আসে, কেবল সৌন্দর্য দিয়ে এত বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়া কি সম্ভব?

  • ভর্তি বাণিজ্য : সাবেক সচিব মোরশেদ ও আইডিয়ালের অধ্যক্ষসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ভর্তি বাণিজ্য : সাবেক সচিব মোরশেদ ও আইডিয়ালের অধ্যক্ষসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে ১০৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর অভিযোগে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক সভাপতি আবু হেনা মোরশেদ জামান এবং সাবেক অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    রোববার (৬ এপ্রিল) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে উপপরিচালক মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    মামলার আসামিরা হলেন: আবু হেনা মোরশেদ জামান, শাহান আরা বেগম, ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য মো. শহীদুল ইসলাম, গোলাম আশরাফ তালুকদার, মো. মুজিবুর রহমান, মো. আব্দুর রব মিয়া, মোহাম্মদ আলী, আজিজা বেগম, মুনিরজাদী কাফিয়া আলম, মো. গোলাম মোস্তফা, এবং মাকসুদা আক্তার।

    এজাহারে জানা গেছে, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতিঝিল শাখায় ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ১০৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করেন। তারা অবৈধভাবে ১১ ধাপে শিক্ষার্থী ভর্তি করে, যার ফলে যোগ্য শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হন। এই কার্যক্রম দণ্ডবিধির ৪২০/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    শাহান আরা বেগমের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। ২০১৯ সালে, মতিঝিল শাখায় এসএসসি ফরম পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার পাশাপাশি, অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিশেষ বিবেচনায় পাস করার জন্য ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, বিভিন্ন শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তির জন্যও টাকার বিনিময়ে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

    তদন্তে উঠে এসেছে, শিক্ষার্থীপ্রতি চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা আদায় করা হত, যা প্রথমে স্কুল ফান্ডে জমা হলেও পরবর্তীতে তা ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মধ্যে ভাগ হয়ে যেত। এভাবে শাহান আরা বেগম কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ২০১৯ সালে, আইডিয়াল স্কুলের বনশ্রী শাখায় ‘বিশেষ ক্লাস’ নামে বাধ্যতামূলক অর্থ আদায়ের অভিযোগে দুদক অভিযান চালায় এবং প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত জব্দ করে। ২০১৯ সালের মে মাসে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড শাহান আরা বেগমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।

  • বিসিএস জটের নিরসন চান চাকরি প্রত্যাশারী

    বিসিএস জটের নিরসন চান চাকরি প্রত্যাশারী

    ৪৪ থেকে ৪৭তম বিসিএস জটে নিরসনের দাবি জানিয়েছেন চাকরি প্রত্যাশীরা। আর ‎৪৪তম বিসিএসের ভাইভা মে মাসের মধ্যে শেষ করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ও ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ৪৬তম বিসিএসের ভাইভা শুরুর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চলমান ৪৪ থেকে ৪৭তম বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে।

    ‎রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের মূল ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এসব দাবি জানান প্রার্থীরা।

    ৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম বিসিএসের প্রার্থী ও প্রার্থীদের মুখপাত্র মোস্তাকিন আশিক বলেন,”বিসিএসে জট সৃষ্টি হয়েছে। ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা চলছে। আর ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা মে মাসে শুরু হচ্ছে বলে ঘোষণা এসেছে। বহু প্রার্থী এ দুই বিসিএসেই অংশ নিচ্ছেন। ফলে তাদের একদিকে ভাইভা অন্য দিকে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মননিবেশ করতে হচ্ছে।

    “এদিকে ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা দেড় বছর আগে নেওয়া হলেও তার ফল হয়নি। আমরা এ জট নিরসনের দাবি জানিয়েছি। আমরা চাই ৪৪ থেকে ৪৭তম বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ। ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা মে মাসের মধ্যে শেষ করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ও ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে ৪৬তম বিসিএসের ভাইভা শুরুর দাবি জানিয়ছি। দাবি আদায়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন ও কমিশনকে স্মারকলিপি দিয়েছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই এই কমিশন সফল হোক। কমিশনের চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তিনি শিগগিরই আমাদের একটা সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেবেন বলে জানিয়েছেন।

    “দ্রুত রোডম্যাপ না দিলে আমরা ফের আন্দোলন করবো। সেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী সমবেত হবেন।”

    ‎৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম বিসিএসের প্রার্থী সাফায়েত বলেন, “আমরা ৪৪তম বিসিএস ব্যাচ সেই ২০২১ ‎সাল থেকে আটকে আছি। ‎বর্তমান ও আগের কমিশনসহ গত প্রায় এক বছর ধরে আমাদের ভাইভা চলছে।

    ‎এছাড়া ৪৫তম লিখিত রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার আগেই ৪৬তম লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘােষণা দেওয়া হয়েছে। যা প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।”

    বর্তমানে ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা চলছে। ২০২১ সালে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা এক দফায় শুরু হলেও গত ১৮ নভেম্বর তা বাতিল ঘোষণা করে পিএসসি। পরে গত ২২ ডিসেম্বর থেকে ফের ভাইভা শুরু হয়।

    প্রথম দফায় মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের ৮ মে। মাঝে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে তা প্রথম দফায় এবং সরকার পতনের পর ২৫ অগাস্ট দ্বিতীয় দফায় তা স্থগিত করা হয়।

    আগে ৩ হাজার ৯৩০ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। এতে মোট ১১ হাজার ৭৩২ জনের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। ‘ন্যায্যতা বজায় রাখতে প্রার্থীদের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে’ এ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

    ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশ করেছিল পিএসসি। ২০২৩ সালের ১৯ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জন প্রার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। ওই বছরের ৬ জুন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

    প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১২ হাজার ৭৮৯ জন লিখিত পরীক্ষায় বসেন চলতি বছর ২৩ জানুয়ারি, যা শেষ হয় ৩১ জানুয়ারি। লিখিত পরীক্ষার ফল এখনও প্রকাশিত হয়নি। পিএসসি গত নভেম্বরে জানিয়েছে, কমিশন সব উত্তরপত্র তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮ মে থেকে শুরুর ঘোষণা ইতোমধ্যে দিয়েছে কমিশন। দুই দফায় প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ করার পর উত্তীর্ণ ২১ হাজার ৩৯৭ জন প্রার্থী এ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

    ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি, যার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের ২৬ এপ্রিল। প্রিলিমিনারিতে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৬১ প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। ওই বছর ৯ মে প্রিলিমিনারি প্রকাশিত ফলে উত্তীর্ণ হন ১০ হাজার ৬৩৮ জন।

    গত বছরের ২৮ অগাস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সরকার পরির্তনের পর অস্থির সময়ের কারণে ২৫ অগাস্ট তা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

    ‘বৈষম্য দূরীকরণে’ প্রথম দফায় প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণদের সঙ্গে আরও সমসংখ্যক প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করে ফের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলে গত ১৮ নভেম্বর ঘোষণা দেয় পিএসসি।

    পরে গত ২৭ নভেম্বর আগে উত্তীর্ণ ১০ হাজার ৬৩৮ জনের সঙ্গে আরও ১০ হাজার ৭৫৯ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল ফের প্রকাশ করেছে পিএসসি।

    ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ২৭ জুন (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে পিএসসি। ৩ হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার এবং ২০১টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দিতে গত ২৮ নভেম্বর ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পিএসসি।

    গত ১০ ডিসেম্বর সকালে ১০টা থেকে অনলাইনে এ বিসিএসের আবেদনগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ৯ ডিসেম্বর তা স্থগিত করে পিএসসি।

    পরে গত ২৬ ডিসেম্বর ৪৭তম বিসিএসের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে, ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষা থেকে আবেদন ফি ও মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর কমানো হয়। এ বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে। ফলে মোট নম্বর ১১০০ থেকে পরিবর্তন করে ১০০০ করা হয়েছে। এ বিসিএসে প্রথমবারের মতো আবেদনের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়। ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় এ বিসিএসের আবেদন, চলে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।