ঈদ মানেই উৎসব, আনন্দ আর ভালোবাসা ভাগাভাগির এক উজ্জ্বল উপলক্ষ। ঈদের দিনটি যেন পুরো বছরের জমিয়ে রাখা আবেগের এক রঙিন বিস্ফোরণ। নতুন জামা, প্রিয়জনদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, আর রান্নাঘরে রকমারি পদ তৈরির আনন্দে দিনটা হয়ে ওঠে বর্ণিল। কারও জন্য ঈদ মানে ফ্যাশন, সাজসজ্জা; কারও জন্য রান্নার ঘ্রাণে ভরা সকাল।
আর কেউ কেউ এই দুই অভিজ্ঞতাকে মিলিয়ে নিজস্ব এক ঈদের গল্প লেখেন। ঠিক তেমনই একজন হচ্ছেন সারা জেরিন। এ বছরের ঈদটা তার জন্য একটু ব্যতিক্রম। জীবনে প্রথমবারের মতো মাকে ছাড়া ঈদ করছেন তিনি। মনখারাপের সুর তাই রয়ে গেছে সারাজুড়ে। তিনি বলেন,’এইবার ঈদে মা পাশে নেই, মনটা খারাপ ছিল। তবুও ছোট বাচ্চাটার জন্য একটু চেষ্টা করছি। ঈদ বলে কথা, ওর যেন আনন্দে ঘাটতি না হয়।’
ঈদের সাজে হালকা ছোঁয়া
ঈদের সাজে এবার একটু সংযত, একটু মিনিমাল লুকে নিজেকে সাজিয়েছেন সারা জেরিন। আগে ঈদ মানেই ছিল বড় শপিং, নতুন ডিজাইনের জামা, ম্যাচিং এক্সেসরিজ। কিন্তু এবারের ঈদে শপিংয়ে খুব একটা আগ্রহ ছিল না তার। বাচ্চাদের আগ্রহ ধরে রাখার জন্য তাদের শপিং করলেও নিজের জন্য কিছুই কেনেননি। তবে বাচ্চার আনন্দের খাতিরে কয়েকটি ড্রেস নিতে পারে বলে জানান তিনি।
রান্নায় মায়ের ছোঁয়া
রান্নাঘর যেন সারা জেরিনের স্মৃতির আবরণ। মা না থাকলেও তার রান্না করা খাবারের স্বাদ এখনো জিভে লেগে আছে। আর সেই স্বাদই নিজের রান্নায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন তিনি। আগে রান্না কম করলেও এবার ঈদের কয়েকদিন আগেই তৈরি করে ফেলেছেন মেনু। রান্না করবেন পায়েস এবং গরুর নানা পদ।
গ্রামের মাটিতে ঢাকার স্বাদ
ঈদের পরদিন সারা যাচ্ছেন খুলনায়। গ্রামের বাড়ির ঈদ মানেই অন্যরকম ভালো লাগা। সেখানেও রান্না করবেন তিনি, তবে এবার একটু ব্যতিক্রম স্বাদে। ঢাকার কিছু ফিউশন পদ নিয়ে যাচ্ছেন খুলনায়। বিফ স্টেক, কাবাব-পরোটা।
সন্তানকে ঘিরে একটা ঈদ, অনেক রঙ
সারা জেরিনের ঈদ মানে শুধু পোশাক বা রান্না নয়, বরং ভালোবাসা, দায়িত্ব আর স্মৃতিকে ধরে রাখা। মা না থাকলেও তার তৈরি করা আদর্শ আর আনন্দের রীতি এখন সারার হাতে। আর সে দায়িত্বই তিনি সন্তানদের পালন করছেন নিজের মতো করে সাজে, রান্নায় আর মমতায়। সন্তানদের ঘিরে ঈদকে সাজিয়ে নিতে চান অমূল্য স্মৃতির উপলক্ষ হিসেবে
এইবার ঈদে সারা জেরিন অভিনীত নাটক আসছে পরিচালক রাজিব মনি দাসের
সম্পত্তি বন্টন ও জামায় শ্বশুর জুয়ারি সাথে আছে তারিক স্বপন আর পরিচালক মেঘহিম পরিচালিত দুই মা; সাথে আছে অনিক রহমান অভি ।