Category: স্কলারশিপ

  • ইন্দোনেশিয়ার আইপিএস বৃত্তি, সুযোগ স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিতে

    ইন্দোনেশিয়ার আইপিএস বৃত্তি, সুযোগ স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডিতে

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৃত্তি নিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চীন ও ইউরোপের প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি। তবে পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় প্রতি আগ্রহও লক্ষ্যণীয়। সেই ইন্দোনেশিয়ার একটি বৃত্তি হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল প্রায়োরিটি স্কলারশিপ–আইপিএস। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্পূর্ণ অর্থায়িত আইপিএস বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ বৃত্তির আওতায় দেশটির মুহাম্মাদিয়াহ ইউনিভার্সিটি অব সুরাকার্তায় (ইউএমএস) পড়াশোনার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। বৃত্তি প্রোগ্রামটি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হবে।

    সুযোগ-সুবিধা
    আইপিএস বৃত্তির আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ টিউশন মওকুফ পাবেন
    জীবনযাত্রার ভাতা হিসেবে শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ১৭ লাখ ৫০ হাজার আইডিআর পাবেন
    বই ভাতা হিসেবে প্রতি মাসে মিলবে ৫০ হাজার আইডিআর
    স্বাস্থ্যবিমা
    বিমানে যাতায়াতের টিকিট

    পড়াশোনার বিষয় কী কী—
    শিক্ষা অনুষদ, অর্থনীতি ও ব্যবসা অনুষদ, আইন অনুষদ, প্রকৌশল অনুষদ, ফার্মেসি অনুষদ, মনোবিজ্ঞান অনুষদ, ভূগোল অনুষদ, ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ, স্বাস্থ্য অনুষদ, যোগাযোগ ও তথ্যবিজ্ঞান অনুষদ।

    আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য
    ছবি
    একাডেমিক সার্টিফিকেট
    একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
    ভাষা সার্টিফিকেট
    বৈধ পাসপোর্ট
    একাডেমিক সুপারিশপত্র
    মোটিভেশন লেটার
    তত্ত্বাবধায়কের সুপারিশপত্র
    মেডিকেল রিপোর্ট।

    আবেদনের যোগ্যতা
    ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকত্ব নেই, এমন যেকোনো দেশের শিক্ষার্থী এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন
    স্নাতকের জন্য আবেদন করতে উচ্চমাধ্যমিকের সনদ
    স্নাতকোত্তরের জন্য স্নাতকের সনদ
    পিএচডির জন্য স্নাতকোত্তরের সনদ থাকতে হবে।

    আবেদন পদ্ধতি : আবেদনের পদ্ধতিসহ আবেদনের বিস্তারিত তথ্য মিলবে এই লিংকে। এ লিংকে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহীরা।

    আবেদনের শেষ তারিখ : ১৫ মে, ২০২৫।

  • একাদশের শিক্ষার্থীরা পাবে ভর্তি সহায়তা, আবেদনের সময় আরো ৭ দিন

    একাদশের শিক্ষার্থীরা পাবে ভর্তি সহায়তা, আবেদনের সময় আরো ৭ দিন

    অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি নিশ্চিত করতে সহায়তা দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ টাকা পেতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের আবেদনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখন আগামী ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। অনলাইনে গত ৫ মার্চ আবেদন শুরু হয়েছিল। এ সংক্রান্ত চিঠি সব উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২৪ এপ্রিল ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে ভর্তি সহায়তা পেতে আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থী।

    এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করতে ভর্তি সহায়তা দেওয়া হবে।

    শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ভর্তি সহায়তা নির্দেশিকা’ অনুসারে শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তিতে আর্থিক সহায়তা পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ভর্তি সহায়তা দিয়ে থাকে। বর্তমানে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫ হাজার টাকা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ হাজার টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০ হাজার টাকা হারে ভর্তি সহায়তা দেওয় হয়।

    কারা আবেদনের যোগ্য—
    সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীর সন্তান আর্থিক অনুদান পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন। অন্য ক্ষেত্রে মা–বাবা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে। ই-ভর্তি সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করে আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্য সিস্টেম ব্যবহার করে আবেদন করা যাবে।

    ভর্তি সহায়তা পেতে শিক্ষার্থীদের ছবি, জন্ম নিবন্ধন সনদ, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের সুপারিশ প্রয়োজন হবে। আর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে মা–বাবা বা অভিভাবকদের কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রধানের প্রত্যয়ন বা সুপারিশ প্রয়োজন হবে।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫,০০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৮,০০০ টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০,০০০ টাকা হারে ভর্তি সহায়তা প্রদান করছে।

    *আবেদনের বিস্তারিত ও আবেদনের পদ্ধতি দেখুন এখানে

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স পড়ুয়ারা পাবেন বৃত্তি, আবেদন চলছে

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স পড়ুয়ারা পাবেন বৃত্তি, আবেদন চলছে

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের প্রথম বর্ষের আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও অন্যান্য সুবিধা দেবে।

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ২০২৫ সালে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ সহায়তা পাবেন শিক্ষার্থীরা। এ উপবৃত্তির আবেদন মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টায় আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১৫ মে পর্যন্ত।

    এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা জানিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে গত রোববার।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ২০২৫ সালে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপবৃত্তি, টিউশন ফি ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে।

    সরকারের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখা থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

  • যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ, আবেদন করুন দ্রুত

    যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ, আবেদন করুন দ্রুত

    যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দেয়। এ স্কলারশিপে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পড়ার সুযোগ আছে। এ বৃত্তির কেতাবি নাম ‘নটিংহাম ডেভেলপিং সল্যুশন স্কলারশিপ’। বাংলাদেশসহ আফ্রিকা বা কমনওয়েলথভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাজ্যের নটিংহামে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৮৮১ সালে নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ১৯৪৮ সালে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। যুক্তরাজ্যের বাইরে মালয়েশিয়া ও চীনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস রয়েছে। নটিংহামে পাঁচটি অনুষদ রয়েছে, যার মধ্যে ৫০–এর অধিক বিদ্যালয়, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও গবেষণাকেন্দ্র রয়েছে।

    স্নাতকোত্তরের বিষয়—
    প্রকৌশল অনুষদ
    মেডিসিন ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান অনুষদ
    বিজ্ঞান অনুষদ
    সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

    সুযোগ-সুবিধা—
    নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সম্পূর্ণ বা অর্ধেক মওকুফ করা হবে।

    আবেদন করতে পারবেন যেসব দেশের শিক্ষার্থীরা—
    আফ্রিকা (সব জাতি), অ্যাঙ্গুলা, অ্যান্টিগা ও বারমুডা, বাংলাদেশ, বার্বাডোজ, বেলিজ, বারমুডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, ব্রুনেই, কেম্যান আইল্যান্ডস, ডমিনিকা, ফকল্যান্ড আইল্যান্ডস, ফিজি, জিব্রাল্টার, গ্রানাডা, ভারত, জ্যামাইকা, কিরিবাতি, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নাউরু, নেপাল, পাকিস্তান, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া, সোলোমন আইল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কা, সেন্ট হেলেনা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডিনস, টোংগা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, ট্রিসটান দা কুনহা, তুর্ক ও কেইকস আইল্যান্ডস, টুভালু ও ভানুয়াতু।

    আবেদনের যোগ্যতা—
    ওপরে উল্লিখিত দেশের নাগরিক হতে হবে। আন্তর্জাতিক ও নতুন শিক্ষার্থী হতে হবে। স্কলারশিপে আবেদন করতে নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে। নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী বা সেখান থেকে স্নাতক করা কেউ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

    আবেদনের পদ্ধতি ও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

    আবেদনের শেষ দিন— আবেদনের সুযোগ আগামী ১৬ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত।

  • জিয়াংসু বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি

    জিয়াংসু বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি

    চীনের জিয়াংসু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপ ২০২৫-২৬-এর আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বৃত্তির আওতায় আগ্রহী শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।

    সুযোগ-সুবিধা : স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি—তিন ধরনের ডিগ্রির জন্য ভিন্ন ভিন্ন বৃত্তির সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে ইংরেজি ভাষায় স্নাতক প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথম বছর ১০ হাজার চায়নিজ ইউয়ান (১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৯০ টাকা) দেওয়া হবে।

    অধ্যয়নের ক্ষেত্রসমূহ : ইঞ্জিনিয়ারিং, বিমা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, হিসাবরক্ষণ, পরিসংখ্যান, অটোমেশন, বাণিজ্য, ব্যবসা, বিপণন, মানবসম্পদ, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

    আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য : বৈধ পাসপোর্টের কপি, সর্বশেষ ডিগ্রির ট্রান্সক্রিপ্ট, ডিগ্রির সার্টিফিকেট, ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সার্টিফিকেট, পরিবারের আর্থিক বিবরণী, গবেষণা প্রস্তাব (মাস্টার্স এবং পিএইচডি) ও দুটি সুপারিশপত্র (শুধু স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি)।

    আবেদনের যোগ্যতা : স্নাতক ডিগ্রির জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বয়স ২৫ বছরের কম হতে হবে। স্নাতকোত্তরের ৩০ বছরের কম ও পিএইচডির জন্য ৪০ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থী হতে হবে।

    আবেদন পদ্ধতি : আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এ লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনের শেষ তারিখ : আগামী ১৪ জুলাই ২০২৫।

  • ইউএই’র খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির সুযোগ

    ইউএই’র খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির সুযোগ

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮৯ সালে যাত্রা শুরু করা বিশ্ববিদ্যালয়টি আবুধাবিতে অবস্থিত বিজ্ঞানকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টি দিচ্ছে বৃত্তি। পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয়টির এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ পাবেন। এ ছাড়া আবাসন খরচ, বিমানে যাতায়াতের খরচসহ নানা সুযোগ-সুবিধাও আছে।

    বিদেশি ও দেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফান্ডেড বৃত্তি আছে। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামের সুযোগ আছে খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তিতে। ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য এ বৃত্তি দেবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ বৃত্তিটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত। শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    • আবেদনের যোগ্যতা-
      স্নাতকোত্তরের জন্য স্নাতক এবং পিএইচডির জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী থাকতে হবে
      একাডেমিক ফলাফল ভালো থাকতে হবে
      ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। আইইএলটিএসে স্কোর থাকতে হবে ৬ দশমিক ৫
      স্যাট-এ স্কোর ১৫৫০
      টোয়েফলে (ইন্টারনেট-বেসড টেস্ট) স্কোর ৯১
      স্টেটমেন্ট অব পারপাস-এসওপি (৫০০ থেকে ১০০০ শব্দ)
      বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সব প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে
      রেফারেন্স লেটার দুটি
      ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ
      রিকমেন্ডেশন লেটার
      পিএইচডিরর জন্য গবেষণাকর্ম থাকতে হবে।

    সুযোগ-সুবিধা—
    নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ
    স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা পাবেন ৮ হাজার দিরহাম উপবৃত্তি
    পিএইচডির জন্য পাবেন ১০ হাজার দিরহাম উপবৃত্তি
    স্বাস্থ্যবিমার সুযোগও
    শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনেও অংশগ্রহণের সুযোগ

    বৃত্তির সময়কাল—
    বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন দুই ধরনের কোর্স চালু রয়েছে। দুই ধরনের কোর্সের সময়কাল ভিন্ন। স্নাতকোত্তরে পূর্ণকালীন কোর্সে বৃত্তির মেয়াদ থাকবে ২ বছর। খণ্ডকালীন স্নাতকোত্তর শেষ করা যাবে ৩ বছরের মধ্যে। আর পিএইচডির ক্ষেত্রে এ বৃত্তির মেয়াদ থাকবে ৩-৪ বছর।

    অধ্যয়নের ক্ষেত্রসমূহ—
    খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিসিন, নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কলায় ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এসব ডিগ্রির আওতায় রাসায়নিক প্রকৌশল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিজ্ঞান ও প্রকৌশল, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, আন্তর্জাতিক ও নাগরিক নিরাপত্তা অধ্যয়ন, মহাকাশ প্রকৌশল, যন্ত্র প্রকৌশল, রোবোটিকস–এ পড়াশোনার সুযোগ আছে।

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র—
    একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
    আপডেটেড সিভি
    পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
    বৈধ পাসপোর্ট
    ব্যক্তিগত বিবৃতি
    স্টেটমেন্ট অব পারপাস
    দুটি রিকমেন্ডেশন লেটার।

    আবেদন পদ্ধতি : আগ্রহী প্রার্থীরা এ লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনের শেষ তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫।

  • বিনা খরচে পড়া যাবে তুরস্কের কোক বিশ্ববিদ্যালয়ে, সুবিধাও অনেক

    বিনা খরচে পড়া যাবে তুরস্কের কোক বিশ্ববিদ্যালয়ে, সুবিধাও অনেক

    উচ্চশিক্ষার জন্য তুরস্কে দুয়ার খুবই সম্ভাবনাময়। প্রতি বছরই বাংলাদেশ থেকে অনেক শিক্ষার্থী দেশটিতে পড়াশোনা করতে যান। সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করতে যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে স্কলারশিপসহ নানা সুযোগ-সুবিধাও। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ইস্তাম্বুলের কোক বিশ্ববিদ্যালয়। বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছরের মতো এবার স্কলারশিপ নিয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১৫ মে’র মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

    স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে রয়েছে যেসব সুবিধা

    সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ
    মাসিক উপবৃত্তি
    আবাসন সুবিধা
    বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমা
    বৈজ্ঞানিক ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ খরচ প্রদান

    পিএইচডি প্রোগ্রামে থাকছে যেসব সুবিধা
    সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ
    মাসিক উপবৃত্তি
    আবাসন সুবিধা
    বেসরকারি স্বাস্থ্যবিমা
    ফ্রি এইচজিএস (ফাস্ট ট্রানজিট পাস)
    বৈজ্ঞানিক ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ খরচ

    প্রয়োজন হবে যেসব কাগজপত্র
    পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি/ছবি
    পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)
    একাডেমিক সব সার্টিফিকেট ও মার্কশিট
    ইংরেজি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার সনদ (জিম্যাট/টোয়েফল)
    স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি)
    রেফারেন্স লেটার
    অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র
    তিনটি প্রবন্ধ
    অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন (নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে)

    আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কোক বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত শর্তাবলি মেনে আবেদন করতে হবে।

  • বাংলাদেশী শিক্ষকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেলোশিপ টিইএ

    বাংলাদেশী শিক্ষকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফেলোশিপ টিইএ

    ২০২৫–২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ফুলব্রাইট টিচিং এক্সিলেন্স অ্যান্ড অ্যাচিভমেন্ট (টিএই) প্রোগ্রামে ফেলোশিপের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। এই ফেলোশিপ মাধ্যমিক স্কুলশিক্ষকদের জন্য ছয় সপ্তাহের একটি বিনিময় কার্যক্রম। ২০২৬ সালের জানুয়ারি অথবা সেপ্টেম্বরে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষকেরা এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন আগামী ১২ এপ্রিল ২০২৫, শনিবার পর্যন্ত।

    যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের ব্যুরো অব এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্সের পৃষ্ঠপোষকতায় ফুলব্রাইট টিএই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান আইআরইএক্স। এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকেরা তাঁদের শিক্ষাবিষয়ে বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষাদানের দক্ষতা জোরদার করা এবং যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নিজেদের জ্ঞান বাড়ানোর অনন্য সুযোগ পাবেন। ২০২৬ সালের বসন্ত অথবা শরৎ মৌসুমে বাংলাদেশের শিক্ষকেরা যুক্তরাষ্ট্রে জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষাদানের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রোগ্রামে অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে যোগ দেবেন।

    প্রোগ্রামটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে অংশগ্রহণকারীদের নিজ দেশের পরিবেশে কোর্সের কাজ, শিক্ষাদানের পদ্ধতি, পাঠ পরিকল্পনা, শিক্ষাদানের কৌশল, সেই সঙ্গে ইন্টারনেট, ওয়ার্ড প্রসেসিং ও শিক্ষাদানের সরঞ্জাম হিসেবে কম্পিউটারের ব্যবহারবিষয়ক নিবিড় প্রশিক্ষণ। ছয় সপ্তাহের এই কার্যক্রমের আওতায় অংশগ্রহণকারীদের আমেরিকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে আরও রয়েছে কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই সপ্তাহের শিক্ষানবিশির সুযোগ। তা ছাড়া, মহামারির অবস্থা সাপেক্ষে কার্যক্রমের পুরো সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক স্থানগুলোয় ভ্রমণের সুযোগ ও শিক্ষাবিষয়ক সহায়তা প্রদান করা হবে শিক্ষকদের।

    ফেলোশিপের আর্থিক সুবিধা— ফেলোশিপের আওতায় আর্থিক সুবিধাদির মধ্যে রয়েছে জে-১ ভিসার জন্য সহায়তা, যাত্রা শুরুর আগে ঢাকায় পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠান, যুক্তরাষ্ট্রের ফিরতি ও অভ্যন্তরীণ বিমান ভাড়া, ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাগতজ্ঞাপক ও পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠান, শিক্ষা কার্যক্রমের ফি, আবাসন (সাধারণত কার্যক্রমের সঙ্গীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা) ও খাবার, দুর্ঘটনা ও স্বাস্থ্যবিমা, শিক্ষানবিশি স্কুলে যাতায়াত (প্রয়োজন হলে), *বইপত্র/পেশাগত উন্নয়ন ভাতা, যুক্তরাষ্ট্রে ফুলব্রাইট টিইএ কার্যক্রমের আওতায় আমন্ত্রক বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে সমাপনী সেমিনার, দুই সপ্তাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শিক্ষককে আতিথেয়তা দান এবং কার্যক্রমপরবর্তী বিভিন্ন অনুদানের জন্য আবেদনের সুযোগ।

    কাদের আবেদনের সুযোগ— আবেদনকারীকে নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।
    সমাজবিদ্যা, নাগরিক শিক্ষা, গণিত, বিদেশি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের পূর্ণকালীন শিক্ষক হিসেবে পাঁচ বছর বা ততোধিক সময় ধরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শিক্ষকদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বাংলাদেশি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। নেতৃত্বদানের দৃষ্টান্তমূলক যোগ্যতা থাকতে হবে। এই ফেলোশিপ কার্যক্রম শেষে ন্যূনতম পাঁচ বছর শিক্ষকতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করতে হবে। ইংরেজিতে লেখা ও কথা বলায় পারদর্শী হতে হবে।  যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনভাবে কাজকর্ম চালানোর জন্য ইংরেজি ভাষায় পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও পেশাগত ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ও কার্যকরভাবে বিভিন্ন ধারণা প্রকাশে সক্ষম হতে হবে। ওয়ার্ড প্রসেসিং, সাধারণ ফাইল ব্যবস্থাপনা ও মাইক্রোসফট অফিস বিষয়ে পরিচিতিসহ কম্পিউটার চালনার সাধারণ দক্ষতা থাকতে হবে। অনলাইন আবেদন পেশ করতে হবে।

    আবেদন কীভাবে করতে হবে  https://fulbright.irex.org/ –এ একটি আবেদন ফরম পাওয়া যাবে। তত্ত্বাবধায়ক সুপারভাইজার কর্তৃক পূরণ করা ইন্সটিটিউশনাল সাপোর্ট অ্যান্ড রেফারেন্স ফরম (আইএসআরএফ) পূরণ করে পাঠাতে হবে। ছুটির অনুমোদন ফরম (এলএএফ) https://fulbright.irex.org/ থেকে পুরণ করতে হবে। অনলাইন আবেদনে অসুবিধা হলে DhakaUSExchanges@state.gov. ই–মেইল করতে পারবেন আগ্রহীরা।

    কারা যোগ্য হবেন না— এ কার্যক্রমট শুধু মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের বর্তমান শিক্ষকদের জন্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, শিক্ষা প্রশাসক, পূর্ণকালীন শিক্ষক–প্রশিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি পর্যায়ে ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষকেরা (টিউটরেরা) আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন না।

    TOEFL বা IELTS লাগবে কি— উক্ত কার্যক্রমের জন্য ইংরেজি ভাষায় জোরালো দক্ষতা প্রয়োজন বিধায় সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের জন্য TOEFL বা IELTS পরীক্ষা সম্পন্ন করা আবশ্যক হবে। ফুলব্রাইট এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য কাগজ-কলমে দেওয়া আইইএলটিএস পরীক্ষার স্কোর ৬.০ বা তার বেশি অথবা ইংরেজি ভাষা পরীক্ষায় সমমানের স্কোর থাকতে হবে। বৈধ স্কোরধারী প্রার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা দেওয়া আবশ্যক হবে না। আমেরিকান সেন্টার আবশ্যক সকল পরীক্ষার আয়োজন করবে।

    আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনের সব নির্দেশনা ও জমার নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের ইংরেজিতে অনুষ্ঠিতব্য একটি সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে। যোগ্যতার শর্তাবলি পূরণে ব্যর্থ আবেদনগুলো বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হবে না। আইএসআরএফ (ISRF) ও এলএএফ (LAF) ফরমসহ আবেদন ফরম এখানে পাওয়া যাবে। আগে যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁরা আবার আবেদন করতে পারবেন। তবে পূর্বে আবেদন করা প্রার্থীদের মনে রাখতে হবে যে এটি একটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এবং সব প্রার্থীকেই কঠোর বাছাইপ্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

  • বিনামূল্যে পড়া যাবে কাতার ইউনিভার্সিটিতে

    বিনামূল্যে পড়া যাবে কাতার ইউনিভার্সিটিতে

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপ দিচ্ছে কাতার ইউনিভার্সিটি। ‘কাতার ইউনিভার্সিটি স্কলারশিপ প্রোগ্রাম ২০২৪’-এর আওতায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    • পাওয়া যাবে যেসব সুযোগ-সুবিধা

    সম্পূর্ণ টিউশন ফি ছাড়ের পাশাপাশি স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবাসন সুবিধা, বার্ষিক ভাতা, বিমানে যাতায়াতের টিকিটও পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের তরফ থেকে।

    • আবেদনে লাগবে যেসব যোগ্যতা

    আবেদনের জন্য সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ৩ আর আইএলটিএসে স্কোর ৬ থাকতে হবে অবশ্যই।

    • লাগবে যেসব কাগজপত্র

    স্কলারশিপের আবদনের জন্য পাসপোর্টের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, একাডেমিক সব সনদ, দুটি রেফারেন্স লেটার, জীবনবৃত্তান্ত, আইএলটিএস স্কোরের সনদ, রিসার্চ প্রপোজাল এবং জিআরই/জিম্যাট স্কোরের সনদ/অন্যান্য কাগজপত্র (যদি থাকে) পাঠাতে হবে।

    • আবেদনের প্রক্রিয়া

    অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি ৩৫০ কাতারি রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০ হাজার ৫৪২ টাকা (১ কাতারি রিয়াল= ৩০.১২ বাংলাদেশি টাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারির হিসাবে)।

    আগ্রহীরা আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। আবদনের ওয়েবসাইট: https://www.qu.edu.qa/sites/en_US/students/admission/scholarships

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করছে যুক্তরাষ্ট্র

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করছে যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করা হচ্ছে। হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ড, টাফ্টসের মতো প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু শিক্ষার্থী ও সদ্য স্নাতকদের ভিসা বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। খবর ব্লুমবার্গের।

    গত কয়েক দিনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতি থেকে জানা গেছে, ফেডারেল অভিবাসন রেকর্ড হালনাগাদ হওয়ার পরই কেবল এসব ভিসা বাতিলের তথ্য জানতে পারছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।

    ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, এ ধরনের ৩০০টির বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

    আমেরিকান ইমিগ্রেশন লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের শেভ দালাল-ধেইনি বলেন, কী ঘটছে, তা বোঝার চেষ্টা করছি আমরা। এর ব্যাপ্তি ও পরিধি বুঝতে তথ্য সংগ্রহ করছি।

    টাফ্টস ইউনিভার্সিটির তুরস্কের পিএইচডি শিক্ষার্থী রুমেইসা ওজতুর্ক এবং কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির সদ্য স্নাতক মাহমুদ খলিলের ভিসা বাতিলের ঘটনা আলোচনায় এসেছে। ওজতুর্ককে গত মাসে রাস্তা থেকে আটক করা হয়। অন্যদিকে, ফিলিস্তিন সমর্থনে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় খলিলের ভিসা বাতিল হয়। বর্তমানে দুজনকেই অভিবাসন কারাগারে আটক রেখে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে।

    লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ার একাধিক ক্যাম্পাসের কয়েক ডজন শিক্ষার্থী ও সদ্য স্নাতকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে। ইউসিএলএ, ইউসি বার্কলে, ইউসি ডেভিস, ইউসি সান দিয়েগো, ইউসি সান্তা ক্রুজ ও স্ট্যানফোর্ডের শিক্ষার্থীরা এতে আক্রান্ত হয়েছেন। ভিসা বাতিলের প্রতিবাদে দুজন শিক্ষার্থী ফেডারেল আদালতে মামলা করেছেন। তাদের দাবি, যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

    স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, ছয় শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিলের কথা জানা গেছে। হার্ভার্ডের তিন বর্তমান ও দুই সদ্য স্নাতকের ভিসা বাতিল হয়েছে বলে রবিবার নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ডার্টমাউথ কলেজ, মিনেসোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি, অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব অরেগনসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠানেও ভিসা বাতিলের ঘটনা ঘটেছে।

    স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    দালাল-ধেইনি বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ভিসা বাতিলের ক্ষমতা আগে থেকেই আছে। কিন্তু এবারের পদক্ষেপ আগের তুলনায় অনেক বেশি সুসংগঠিত ও বিস্তৃত।

    গত ৫ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে ভিসা বাতিলের ঘটনাও আলোচনায় আসে। বিক্ষোভকারীরা ওজতুর্ক ও খলিলের ঘটনাকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নজরদারি ও ক্যাম্পাসে বাকস্বাধীনতা হরণের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।