করোনা সংক্রমন বাড়তে থাকায় চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষাথীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে নিদেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর মোর্চা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। একইসঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে এবং ডেঙ্গুরোধে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে বলা হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।
সোমবার (১৬ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।
তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় সবার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে। ডেঙ্গুরোধে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কেন্দ্র সবার স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিও এক জরুরি স্মারকে এমন নির্দেশনা দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে কেন্দ্রের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর আগে মশা নিধনের ওষুধ স্প্রে করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা কক্ষের আসন বিন্যাস যথাযথভাবে বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী করতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেডিকেল টিম সক্রিয় রাখতে হবে এবং সিভিল সার্জন বা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। একইসঙ্গে জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যবিধি মানা নিশ্চিত করতে হবে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের ভিড় বা জটলা এড়াতে প্রচারণা চালাতে হবে।
সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সাবভেরিয়েন্টের সংক্রামণ বৃদ্ধি পাওয়ার এবং অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। গত ৪ জুন জারি করা ওই নির্দেশনায় সংক্রামণ প্রতিরোধে বারবার প্রয়োজনমত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার, আক্রান্ত ব্যাক্তির থেকে ৩ ফুট দূরে অবস্থান, অপরিস্কার হাতে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং হাঁচি কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা কাপড় দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সাবভেরিয়েন্টের সংক্রামণ বৃদ্ধি পাওয়ার এবং অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। গত ৪ জুন জারি করা ওই নির্দেশনায় সংক্রামণ প্রতিরোধে বারবার প্রয়োজনমত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার, আক্রান্ত ব্যাক্তির থেকে ৩ ফুট দূরে অবস্থান, অপরিস্কার হাতে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং হাঁচি কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা কাপড় দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ নির্দেশনাগুলো স্কুল-কলেজে মেনে চলতে রোববার নির্দেশনা জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। একইসঙ্গে ২৬ জনের কোভিড শনাক্ত হওয়ার খবরও দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর দেশে শনিবার পর্যন্ত ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার ২২৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫০৩ জনের।
কোভিড মহামারী শুরুর পর প্রথম বছর ২০২০ সালে ৭৫৫৯ জনের প্রাণ কেড়েছিল করোনাভাইরাস। এরপর সবচেয়ে বেশি ২০ হাজার ৫১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল ২০২১ সালে। এরপর ২০২২ সালে ১৩৬৮ জন এবং ২০২৩ সালে ৩৭ জন এবং ২০২৪ সালে ২২ জন রোগী মারা যায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে।

Leave a Reply