আসন্ন ২০২৫ সালের ফাজিল (স্নাতক) পাস পরীক্ষায় নকল ও অনিয়ম ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। তিনি বলেছেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে কেন্দ্র বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে কেন্দ্র সচিবদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের উদ্যোগে ঢাকা বিভাগের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. ওয়ালিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, মাদরাসা পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হুসাইন আহমাদ, উপ-রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমদ মোমতাজী এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. জিয়াউর রহমান।
ইআবি উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা নকলের সুযোগ পেলে নিয়মিত ক্লাসে আসার আগ্রহ হারাবে। এতে মাদরাসায় শিক্ষার্থী বাড়ানোর প্রচেষ্টাও ব্যাহত হবে। নকল প্রতিরোধে শুধু শিক্ষার্থীদের শাস্তি দিলেই হবে না, পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং সেগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে৷
মাদরাসার সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে বিদ্যমান মাদরাসাগুলোতে শিক্ষার্থী বাড়ানোর দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে উপাচার্য বলেন, নতুন করে ফাজিল ও কামিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ফাজিল পাস ও কামিল মাস্টার্স কোর্সের পাঠ্যক্রম তৈরি করা হয়েছে। এতে কোর্সের সংখ্যা বেড়েছে। আগে ফাজিল পাস কোর্সে চারটি বিষয় থাকলেও এখন তা বেড়ে সাতটি হয়েছে। একইভাবে কামিল কোর্সেও চারটির পরিবর্তে সাতটি কোর্স রয়েছে। কোর্সের সংখ্যা বাড়ায় ফরম পূরণের ফিও বেড়েছে।





