Author: প্রিয় ক্যাম্পাস ডেস্ক

  • ৪৪ বিসিএসের চূড়ান্ত আর ৪৫’র লিখিত পরীক্ষার ফল জুনের মধ্যে

    ৪৪ বিসিএসের চূড়ান্ত আর ৪৫’র লিখিত পরীক্ষার ফল জুনের মধ্যে

    ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল জুনের মধ্যে প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। একইসঙ্গে ৪৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলও জুনের মধ্যে প্রকাশ করা হতে পারে। এই দুই বিসিএস ছাড়াও ৪৬ ও ৪৭তম বিসিএস নিয়েও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পিএসসি।

    রোববার (১৩ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে চার বিসিএসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় সংস্থাটি। এতে বলা হয়, কতিপয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় চলমান বিভিন্ন বিসিএস পরীক্ষা সম্পর্কে ভিত্তিহীন এবং খণ্ডিত তথ্য সরবরাহ করছে, যা বিসিএস পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।

    এমন পরিস্থিতিতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সব মহলের মধ্যে থাকা এসব বিভ্রান্তি দূর করার লক্ষ্যে তথ্য উপস্থাপন করছে।

    ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার আবশ্যিক বিষয়সমূহ আগামী ৮-১৯ মে’র মধ্যে এবং পদসংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ সম্ভাব্য জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

    ২২ এপ্রিল থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত থাকবে এবং স্থগিত মৌখিক পরীক্ষা ১৬ জুনের পর দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হবে। স্থগিত মৌখিক পরীক্ষার পরিবর্তিত শিডিউল শিগগির জানিয়ে দেওয়া হবে।

    ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল জুনের মধ্যে প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ৪৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল জুনের মধ্যে প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা পূর্বঘোষিত ২৭ জুনের পরিবর্তে ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

    ৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম নিয়ে সৃষ্ট জট নিরসনকল্পে সব বিসিএস প্রার্থীর উদ্বেগ বিবেচনায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যমান জট সমাধানের জন্য বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    এতে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য অপরিহার্য কিছু বিষয় যেমন প্রশ্নপত্র ছাপানো, পরীক্ষাকেন্দ্র নির্বাচন ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনায় কমিশনকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হয়।

    বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সময়ে সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত জানার জন্য প্রার্থীদের কমিশনের ওয়েবসাইটে নিয়মিত দৃষ্টি রাখার পাশাপাশি ওই ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যকেই একমাত্র নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র হিসেবে বিবেচনা করার জন্য বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

  • পেছাল ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

    পেছাল ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

    চাকরিপ্রত্যাশীদের দাবির মুখে ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ পিছিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৮ আগস্ট এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    রোববার (১৩ এপ্রিল) পিএসসির জনসংযোগ দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সাহিদা খাতুনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- ২৭ জুন এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

    তবে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৮ মে শুরু হবে।

  • ঢাবির বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু সকাল ৯টায়

    ঢাবির বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু সকাল ৯টায়

    বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আগামীকাল সোমবার (১৪এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপিত হবে। উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।

    ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ওইদিন সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ বের করা হবে।

    এর আগে সকাল ৮টা থেকে শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলবে। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হবে।

    শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা শুধু নীলক্ষেত ও পলাশী মোড় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।

    শোভাযাত্রা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রবেশ পথ ও সংলগ্ন সড়ক বন্ধ থাকবে। শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য রক্ষার্থে আশপাশ দিয়ে শোভাযাত্রায় প্রবেশ করা যাবে না। শেষ প্রান্ত দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

    নিরাপত্তার স্বার্থে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসন বিভাগ জানিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুদিনের ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা অব্যাহত রেখে অধিকতর অন্তর্ভুক্তিমূলক করার জন্য লোক-ঐতিহ্য ও ২৪ এর চেতনাকে ধারণ করে আরও বড় পরিসরে এবং বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে এবছর শোভাযাত্রায় সর্বজনীন অংশগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে। শোভাযাত্রায় এবছর ২৮টি জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিবৃন্দ অংশ নেবেন। এই বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় এবছর থাকবে ৭টি বড় মোটিফ, ৭টি মাঝারি মোটিফ এবং ৭টি ছোট মোটিফ।

    যে পথ দিয়ে হবে আনন্দ শোভাযাত্রার র্যালী

    পহেলা বৈশাখ ঘিরে যেসব নির্দেশনা
    পহেলা বৈশাখ ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলাচল নিয়ে এক গুচ্ছ নির্দেশনাও দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।

    এতে আরো বলা হয়েছে, পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোন ধরনের মুখোশ পরা এবং ব্যাগ বহন করা যাবে না। তবে চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভুভুজিলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা চলাকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের জন্য ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেইট, চারুকলা অনুষদ সম্মুখস্থ ছবির হাটের গেইট এবং বাংলা একাডেমির সম্মুখস্থ রমনা কালী মন্দির সংলগ্ন গেইট বন্ধ থাকবে।

    ক্যাম্পাসে নববর্ষের সকল ধরনের অনুষ্ঠান বিকাল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত প্রবেশ করা যাবে। ৫ টার পর কোনভাবেই প্রবেশ করা যাবে না, শুধু বের হওয়া যাবে।

    এছাড়াও নববর্ষ উপলক্ষ্যে আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) রবিবার সন্ধ্যা ৭টার পর ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোন গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না। নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে কোন ধরনের যানবাহন চালানো যাবে না এবং মোটরসাইকেল চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ।

    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসবাসরত কোন ব্যক্তি নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত মোড় সংলগ্ন গেইট ও পলাশী মোড় সংলগ্ন গেইট ব্যবহার করতে পারবেন।

    ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্প ডেস্ক, কন্ট্রোল রুম এবং অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প থাকবে। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল মাঠ সংলগ্ন এলাকা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকা, দোয়েল চত্বরের আশে-পাশের এলাকা ও কার্জন হল এলাকায় মোবাইল পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হবে।

    নববর্ষ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে স্থাপনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

  • ক্যাম্পাসে ফেরা নিয়ে মুখোমুখি শিক্ষার্থী- প্রশাসন, উত্তেজনা কুয়েটে

    ক্যাম্পাসে ফেরা নিয়ে মুখোমুখি শিক্ষার্থী- প্রশাসন, উত্তেজনা কুয়েটে

    নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বন্ধ থাকা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েটে) ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে কর্তৃপক্ষ তাদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়েছে। ছাত্রদের প্রবেশ ঠেকাতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ নিয়ে কুয়েটে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ২টায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ও হলে প্রবেশ করবেন বলে জানিয়েছেন।

    কুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে আজ ‘লং মার্চ টু কুয়েট’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১২ এপ্রিল) রাতে খুবি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফেসবুক পেজে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

    ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েট ক্যাম্পাসে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত একাডেমিক কার্যক্রম ও আবাসিক হলগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে, শিক্ষার্থীরা গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোববার দুপুর ২টায় বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে ঢুকে হলে ওঠার ঘোষণা দিয়ে আসছেন। তা ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাধিক সভা, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি, বিজ্ঞপ্তি জারি ও অভিভাবকদের মোবাইলে এসএমএস দিয়ে শিক্ষার্থীদের কুয়েটে না পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, হল বন্ধ থাকায় লেখাপড়া বিঘ্নিত হচ্ছে। অনেকের টিউশনিসহ আয়ের উৎস নষ্ট হচ্ছে। তারা শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে ক্যাম্পাসে ঢুকবেন। তারা যাতে ক্যাম্পাসে ফিরতে না পারেন সেজন্য কুয়েট কর্তৃপক্ষ নানা তৎরপতর চালাচ্ছে। এমনকি কুয়েট প্রশাসন বাইরের একজনকে উস্কানি দিয়ে তাকে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছে।

    কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে বন্ধ থাকা ক্যাম্পাসে না ফেরে সেজন্য শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরকে বিভিন্নভাবে বোঝানো হয়েছে। বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশ কমিশনারকেও অবহিত করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (নর্থ) আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, কুয়েটের পরিস্থিতি তারা অবগত আছেন। ক্যাম্পাসের ২টি গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • ‘কর্মমুখী’ কারিগরি শিক্ষাই পারে বিপুল জনগোষ্ঠীর পতন ঠেকাতে

    ‘কর্মমুখী’ কারিগরি শিক্ষাই পারে বিপুল জনগোষ্ঠীর পতন ঠেকাতে

    বার্ডস আই ভিউ বলে একটা কথা আছে। এর মানে পাখির চোখে দেখা। চোখের সামনে অনেককিছু বুঝতে পারবেন না, কিন্তু যখন উপর থেকে দেখবেন তখন পরিষ্কার ভিউ পাবেন। আমার কাছের লোকজন জানে আমি কেমন দেশপাগল। সবাই দেশ ছাড়তে চাইলেও আমি কখনো ছাড়তে চাইনি। এখন যখন বাইরে আসছি অনেককিছু উপর থেকে দেখে ক্লিয়ার হচ্ছে।

    আপনারা যখন দেখছেন উন্মাদ নির্বোধ বাঙ্গু জনতা আবারও মব ভায়োলেন্স তৈরি করে অস্থিরতা তৈরি করছে। আমার হাসি পাচ্ছে, দু:খ লাগছে। বহির্বিশ্বের তরুণ মিলেনিয়াল আর জেন জিরা ফেসবুকে এক্টিভ না, তাই নিজের দেশ নিয়ে অ্যামবারেসড হওয়া লাগবে না ভেবে স্বস্তি পাচ্ছি। টিকটক, ইনস্টা, স্ন্যাপচ্যাটে ভিডিও গেলে অবশ্য আর লজ্জা বাঁচানোর ভরসা নাই। কারণ পাকিস্তানেও দুইদিন পরপর এসব মব সহিংসতার ঘটনা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই দেখি। যাই হোক, নিজের জাতীয়তা তো বদলাতে পারবো না।

    ভদ্রতা, শিষ্টাচার, গণ পরিসরের আচরণ, সভ্য আচরণ এসব শেখাতেও আমরা ব্যর্থ। এসব ছাপিয়ে আমি আসলে ভাবি এতো বিরাট সংখ্যক তারুণ্যের অপচয়। এখানে অর্থনীতির ছাত্ররাও দেখি বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক তরুণের কথা জানে। কিন্তু ওদের বলতে পারি না এই বিপুল তারুণ্যকে কীভাবে নষ্ট করে ফেললাম আমরা। রাজনৈতিক সহিংসতা, ব্যক্তিতান্ত্রিক উন্নয়ন ধারণা ও তা থেকে উদ্ভূত দুর্নীতির ফলে আমরা সুদূরপ্রসারী কোন পরিকল্পনাই করিনি।

    বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে সুযোগ থাকার পরেও তারা শিক্ষায় বিনিয়োগ করেনি। অথচ এই একটা খাতের সামান্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি আর কারিগরি শিক্ষায় জোর দিলে এই বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য একটা লক্ষ্য থাকতো সামনে আগানোর। দেখুন, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য কিছু না কিছু মাধ্যম লাগে। রিটায়ারমেন্টের পর বাড়ি, শীতের ছুটিতে কক্সবাজার টাইপের লক্ষ্যও একটা মাধ্যম। আপনি ওইটুকু পাওয়ার জন্য সারাবছর বা সারাজীবন কাজ করেন। শুধুমাত্র মরার পরের জীবনকে টার্গেট করে কেউ বাঁচে না। যারা ধর্মগুরু তারাও না। যদি করতো তারা তাহলে নিজেরা মুমিনের মতো জীবন কাটাতো। কিন্তু তারা মোনাফেকি করে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষকে পরকালের মূলা ঝুলায়ে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে।

    আপনি ধর্মীয় শিক্ষা নেন বা একাডেমিক শিক্ষা, দুনিয়ায় যেহেতু বেঁচে থাকতে হবে টাকা উপার্জন আপনাকে করতেই হবে। বড়লোক বা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মাদ্রাসায় পড়লেও তারা পরবর্তীতে অন্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেয়। ব্যবসা বা অন্যান্য চাকরি করে। কিন্তু গরীব যে শিশু মাদ্রাসা বা এতিমখানায় যায় তার আসলে ভবিষ্যৎ থাকে না। অন্যরা বড় হয়ে ছাত্রলীগ/ছাত্রদলের মতো সংগঠনের সদস্য হয়। আর সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা অত্যন্ত ছোট বয়স থেকেই ধর্মীয় রাজনীতির অনুসারী হিসেবে গড়ে ওঠে।

    টেকনিক্যাল বা আধুনিক শিক্ষা না থাকায় তারা অন্য পেশাতেও পিছিয়ে থাকে। তার বয়সী অন্য শিশু যেখানে জাভা, পাইথন শিখতেছে এসব শিশু কিশোরদের একমাত্র রেফারেন্স পয়েন্ট ধর্মগ্রন্থ ও তার নানামুখী তাফসির। ধর্মগ্রন্থগুলো যতটা শান্তিপূর্ণ, এর ব্যাখ্যার উপর ভিত্তি করে সেটা কতটা মারণাস্ত্র হতে পারে তা আমরা বর্তমান দুনিয়ায় দেখতে পারছি।

    বাংলাদেশের মুসলমান সমাজের ক্ষেত্রেই দেখা যায় কুরআন বা হাদিসের বাণী পড়ে কেউ হয় আল্লাহভিরু মুসলমান আর কেউ হয় খুনে মানসিকতার জঙ্গি ভাবাপন্ন। একই কথা হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদি সব ধর্মের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এখন সমস্যা শুধু ধর্মীয় শিক্ষার না। এখানে পুরো শিক্ষাব্যবস্থাই একটা স্ক্যাম। একটা সমাজের সবার অনার্স, মাস্টার্স করার দরকার নাই। যারাই অল্টারনেটিভ পথ বেছে নিয়েছে এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং, ফিজিওথেরাপি, নার্সিং, টেকনিশিয়ান, কম্পিউটার শিক্ষার দক্ষতা অর্জন করেছে, তারা কিন্তু কেউ বসে থাকে না। ড্রাইভিং শিখে কাউকে বসে থাকতে দেখবেন না।

    যারা লেখাপড়া জানে না তারাও হেলপারি করে করে ড্রাইভারিটা শিখে নেয়, কারণ এই কর্মদক্ষতা ওকে কাজ দেবে ভবিষ্যতে। এবং এই দক্ষতাটা যদি কেউ বৈজ্ঞানিক উপায়ে শেখে তাহলে তা সে দেশের বাইরেও কাজে লাগাতে পারবে।

    ধরেন আপনি খুব ভালো টাইলস মিস্ত্রি। মানে আন্দাজে না একদম অংকের হিসাবনিকাশ করে টাইলসের কাজ বোঝেন। সঙ্গে যদি আপনার ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতা থাকে আপনি দেশের মধ্যেই বড় বড় প্রোজেক্ট পাবেন। আপনার যদি দক্ষতার ওপর সার্টিফিকেট থাকে ও আপনি ইংরেজি বা অন্য বিদেশি ভাষাটাও জানেন, আপনি একজন দক্ষ মানুষ হিসেবে বিদেশে আসতে পারবেন।

    তবে এই সংখ্যাটাও আশঙ্কাজনকভাবে কমছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল অভিবাসন প্ল্যাটফর্ম ‘আমি প্রবাসী’র বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৪ এ সেকথাই উঠে এসছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা ২৭ শতাংশ কমেছে। ২০২৩ সালে যেখানে প্রায় ১৪ লাখ (১৩,৯০৮১১) গেলেও ২০২৪ সালে বিদেশ যায় দশ লাখ (১০,০৯,১৪৬) জন বাংলাদেশি কর্মী। এর পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে দক্ষ কর্মী তৈরির অন্যতম মাধ্যম, কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তির সংখ্যা কমা।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কারিগরিতে ২০২৪ সালে ১ লাখ ১২ হাজার ১৬৬ জন ভর্তি হয় যা আগের বছর ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৭০ জন। যা অর্ধেকেরও কম। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই তারুণ্য যাচ্ছে কোথায়? নিশ্চয়ই তারা সাধারণ শিক্ষা বা মাদ্রাসায় ফিরে যাচ্ছে না। আমার ব্যক্তিগত ধারণা দৈনিক মজুরি, রিকশা চালানোর কাজে যুক্ত হচ্ছে অথবা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য হচ্ছে। কারণ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আসলে যাওয়ার আর জায়গা থাকে না। সচেতনতা না থাকায় এসব মানুষকে সহজেই ভুল পথে পরিচালিত করা যায়।

    সমস্যা হচ্ছে সবাইকে আইএ, বিএ পাস হওয়ার সেই ব্রিটিশ আমলের গর্বের চিহ্ন হিসেবে আজও আমরা শিক্ষাকে ভুল পথে পরিচালিত করছি। এখানে কোন পরিকল্পনা নাই। যে অংক পারে না সে হয় অংকের শিক্ষক, যে সমাজ, পৌরনীতি, রাষ্ট্রনীতি বোঝে না সে গিয়ে বাচ্চাদের সমাজবিজ্ঞান পড়ায়। মুখস্ত করতে দিয়ে ক্লাসরুমে ঘুমায়। এতে আমরা দীর্ঘ দশবছর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞান পড়িয়েও সভ্য নাগরিক তৈরি করতে পারি না। ইংরেজি দ্বিতীয় ভাষা হলেও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবে আমাদের জনগোষ্ঠীর মানুষ ইংরেজি ভাষাটাকে রীতিমতো ভয় পায়। অন্যান্য ভাষায় তো দক্ষতা অর্জন করেই না।

    এদিকে যারা করে তারা কিন্তু বসে থাকে না। কোন দক্ষতা অর্জনই বৃথা যায় না। অনলাইনে হোক, বাইরে যেয়ে হোক, নিজে উদ্যোক্তা হয়ে কিছু না কিছু কাজ তারা করেই। অন্যদিকে হাজার হাজার এমএ, বিএ’র কোন কাজ নাই। এসব তো কর্মমুখী শিক্ষা না, এতো এতো গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট দিয়ে কাজ নাই তো! বাংলা, ইংরেজি, সমাজ, অংক, পদার্থের মতো সাবজেক্ট পড়ে শিক্ষক হওয়া যায়। কিন্তু আমাদের কারিকুলাম ডিজাইন সেরকম না। ফলে গাদা গাদা সাবজেক্টের গ্র্যাজুয়েট আর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট আসলে সার্টিফিকেটধারী বেকার আর কম বেতনের কামলা ছাড়া কিছুই বানাতে পারছে না।

    এখন আপনি যে শিক্ষাতেই শিক্ষিত হোন, যখন কাজের মধ্যে থাকবেন তখন আসলে আপনার দুনিয়ার সমস্যা নিয়ে ভাবার সময় আসবে না। রিয়্যাক্ট করা তো অনেক দূরের চিন্তা। সুস্থ ও সুন্দর চিন্তার মধ্যে থাকলে ও ঘৃণার বাণী না শুনলে আপনিও মানবিক মানুষ হবেন। আপনার প্রতিবাদের ভাষা হবে সভ্য। আপনাকে তখন লোকে গুরুত্ব দেবে। আপনার কথা শুনবে। কিন্তু আপনারা যখন যুক্তিতর্ক, ভব্যতা-সভ্যতার ধার না ধেরে শুধু অন্ধ আক্রোশ আর রাগ দেখান, তখন আর মানুষ আপনাদের সিরিয়াসলি নেয় না। কিন্তু এটা বোঝানোর মতো মানুষ নাই খুব একটা।

    আমি বা আমার মতো দুয়েকজন বললে নানা ট্যাগে ট্যাগায়িত করে কেউ আসবো জান নিতে, কেউ আসবে গালি দিতে। যারা সচেতন বাবা-মা, তারা রিয়েলিটি বোঝার চেষ্টা করুন।

    ট্রাস্ট মি, বাংলাদেশের এসব প্রতিবাদ, প্রতিরোধে কিছুই যায় আসে না। বিশ্বের আর কোন মুসলিম দেশের মানুষ এগুলো করে না। অন্যদের প্রতিবাদের ভাষা সভ্য, দক্ষিণ এশিয়ানদের মতো এত ভায়োলন্ট না। পুরো দেশের চিন্তা না করে আপনি নিজ নিজ সন্তানকে যদি দুনিয়ায় কিছু করে খাওয়ার ও ঘৃণাজীবী না হওয়ায় শিক্ষা দেন, তাতেও লাভ হবে। একশটা ঘৃণাজীবীর মধ্যে দশজন মানবিক মানুষ থাকলেও লাভ। আমাদের বাবা-মায়েদের সচেতনতাই পারে দুনিয়ার বুকে ছোট্ট এই দেশটাকে মাথা উঁচু করে টিকায়ে রাখতে।


    রাজনীন ফারজানা: সাংবাদিক ও শিক্ষার্থী, ভ্রিজ ইউনিভার্সিটি ব্রাসেলস (ভিইউবি)|


  • সিলেটে শুরু জিম্বাবুয়ে সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্প

    সিলেটে শুরু জিম্বাবুয়ে সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্প

    চলতি মাসেই দুই ম্যাচের টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসবে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। এই টেস্ট সিরিজ নিয়ে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা শুরু হতে যাচ্ছে নাজমুল হোসেন শান্তদের। তাই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) রেখে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিরে যেতে হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য।

    আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) থেকে দুই ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে সিলেটে টাইগারদের ক্যাম্প শুরু হতে যাচ্ছে।

    এর আগে গত শনিবার থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের অনুশীলন ক্যাম্প। তবে তা একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

    তবে শনিবার সন্ধ্যায় প্রথম ধাপে কোচিং স্টাফের সব সদস্যরা সিলেট পৌঁছান। প্রথমে ডিপিএলে ম্যাচ খেলা জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা সিলেট আসলেও দ্বিতীয় ধাপে রোববার যোগ দিবেন বাকি ক্রিকেটাররা।

    দুই টেস্ট খেলতে আগামী ১৫ এপ্রিল বাংলাদেশে পা রাখবে জিম্বাবুয়ে দল। এরপর ২০ এপ্রিল সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুই দল প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হবে।

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ব্যর্থ মিশন শেষে পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি বাংলাদেশ দলের। আইসিসির ইভেন্ট থেকে ফেরার পর ক্রিকেটাররা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) খেলছেন।

  • স্বর্ণের দামের নতুন রেকর্ড

    স্বর্ণের দামের নতুন রেকর্ড

    স্বর্ণের দাম বেড়ে আবারো নতুন রেকর্ড গড়ল। এবার ভরিতে ৪ হাজার ১৮৭ টাকা বাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম।

    শনিবার (১২ এপ্রিল) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আগামীকাল রোববার (১৩ এপ্রিল) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে এক লাখ ৬৩ হাজার ২১৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৫৫ হাজার ৭৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১০ হাজার ২৭১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাতে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৫৯ হাজার ২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    স্বর্ণের দাম বাড়লেও হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ৫৮৬ টাকা।

  • সাংবাদিক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ুন দৈনিক ডেসটিনিতে

    সাংবাদিক হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ুন দৈনিক ডেসটিনিতে

    বর্ধিত কলবরে নব উদ্যমে আবারো প্রকাশ হতে যাচ্ছে একসময়ে জনপ্রিয় দৈনিক ডেসটিনি। পত্রিকাটির সম্পাদকীয় কার্যালয় ও প্রতি জেলা-উপজেলাতে প্রিন্টেড ভার্সনে এবং মাল্টিমিডিয়া বিভাগে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়ার জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করেছে দৈনিক ডেসটিনি। সাংবাদিকতা ছাড়াও প্রশাসনিক পদে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীরা সরাসরি বা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ৩০ এপ্রিল।

    • যেসব বিভাগে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে
      ০১. রিপোর্টার
      ০২. মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার
      ০৩. ডেস্ক রিপোর্টার
      ০৪. সাব এডিটর
      ০৫. ন্যাশনাল ডেস্ক
      ০৫. ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
      ০৬. স্পোর্টস ডেস্ক
      ০৭. জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি
      ০৮. এ্যাডমিন
      ০৯. একাউন্টস
      ১০. আইটি
      ১১. বিজ্ঞাপন
    • পদ সংখ্যা : নির্ধারিত নয়
    • শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্নাতক/স্নাতকোত্তর
    • অভিজ্ঞতা : অন্তত ১ বছর
    • বেতন : আলোচনা/দক্ষতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ বেতন

    আগ্রহী প্রার্থীরা মেইলের মাধ্যমে অথবা সরাসরি অফিসের ঠিকানায় আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৫ এর মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

    আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা : মাহতাব সেন্টার, লেভেল- ৪, ১৭৭ সৈয়দ নজরুল স্মরণী, বিজয় নগর ১০০০। অথবা সিভি মেইল করুন এই ঠিকানায়- dainikdestiny24@gmail.com।

  • ডিসেম্বরে নির্বাচন ধরে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ

    ডিসেম্বরে নির্বাচন ধরে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ

    আগামী ডিসেম্বর মাসে জাতীয় নির্বাচনের লক্ষ্য নিয়ে সংস্কার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    আজ শনিবার (১২ এপ্রিল) ঐকমত্য কমিশনের দুই সদস্যের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই তাগিদ দেন। বিকালে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ এবং সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য গঠন) মনির হায়দার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকে প্রফেসর আলী রীয়াজ ও ড. বদিউল আলম মজুমদার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে কমিশনের চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন। তারা জানান, বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের সুপারিশসমূহ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পৃথক পৃথকভাবে আলোচনা চলমান রয়েছে। শনিবার পর্যন্ত মোট ৮টি দলের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির সঙ্গে আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণ করা আছে।

    তারা আরো জানান, সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে জনমত যাচাই এবং সে বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    এ সময় কমিশনের সভাপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ডিসেম্বর মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা তথা সামগ্রিক সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেন।

  • ‘মার্চ ফর গাজা’ ঘোষণাপত্রে কী আছে

    ‘মার্চ ফর গাজা’ ঘোষণাপত্রে কী আছে

    ঘোষণাপত্র পাঠ এবং মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মার্চ ফর গাজা’। ফিলিস্তানের মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং গাজায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এই গণজমায়েতের আয়োজন করা হয়। এতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল নিয়ে এসে যোগ দেন লাখ লাখ জনতা। গণজমায়েতে সবার পক্ষে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট এই গণজমায়েতের আয়োজন করে।

    ঘোষণাপত্রে বলা হয়, আজ আমরা, বাংলাদেশের জনতা—যারা জুলুমের ইতিহাস জানি, প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করি—সমবেত হয়েছি গাজার মৃত্যুভয়হীন জনগণের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি ইতিহাসের সামনে দেওয়া আমাদের জবাব, একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ।


    এই পদযাত্রা ও গণজমায়েত থেকে আজ আমরা চারটি স্তরে আমাদের দাবিগুলো উপস্থাপন করবো-

    আমাদের প্রথম দাবিগুলো জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি। যেহেতু—জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সব জাতির অধিকার রক্ষার, দখলদারত্ব ও গণহত্যা রোধের সংকল্প প্রকাশ করে এবং—আমরা দেখেছি, গজায় প্রতিদিন যে রক্তপাত, যে ধ্বংস চলছে, তা কোনও একক সরকারের ব্যর্থতা নয়—বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার ফল এবং এই ব্যর্থতা শুধু নীরবতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং পশ্চিমা শক্তি বলয়ের অনেক রাষ্ট্র সরাসরি দখলদার ইসরায়েলকে অস্ত্র, অর্থ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে এই গণহত্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে এবং এই বিশ্বব্যবস্থা দখলদার ইসরায়েলকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে বরং রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। সেহেতু আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো দাবি জানাচ্ছি-

    ১. জায়নবাদী ইসরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে।

    ২. যুদ্ধবিরতি নয়, গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে।

    ৩. ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে।

    ৪. পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

    ৫. ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে হবে।

    ঘোষণাপত্রে বলা হয়, এই মুহূর্তে বিশ্বব্যবস্থা যে ন্যায়ের মুখোশ পরে আছে, গাজার ধ্বংসস্তূপে সেই মুখোশ খসে পড়েছে।

    এতে দ্বিতীয় দাবি করা হয় মুসলিম উম্মাহের নেতাদের প্রতি। বলা হয়, যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন কেবল একটি ভূখণ্ড নয়—এটি মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয়ের অংশ এবং গাজা এখন কেবল একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত শহর নয়, এটি আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার বেদনাদায়ক প্রতিচ্ছবি এবং উম্মাহর প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি রাষ্ট্র ও প্রতিটি নেতৃত্বের ওপর অর্পিত সেই আমানত—যা আল্লাহ প্রদত্ত ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্বের সূত্রে আবদ্ধ এবং ইসরায়েল একটি অবৈধ, দখলদার, গণহত্যাকারী রাষ্ট্র, যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা ও একটি পুরো জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে এবং ভারতের হিন্দুত্ববাদ আজ এই অঞ্চলে জায়নবাদী প্রকল্পের প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত দমন-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতে সম্প্রতি ওয়াকফ সম্পত্তি আইনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক অধিকার হরণ করা হয়েছে, যা উম্মাহর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা। সেহেতু, আমরা মুসলিম বিশ্বের সরকার ও ওআইসি’র মতো মুসলিম উম্মাহর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর কাছে দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই –

    ১. ইসরায়েলের সঙ্গে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সব সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করতে হবে।

    ২. জায়নবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে।

    ৩. গাজার মজলুম জনগণের পাশে চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে।

    ৪. আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসরায়েলকে এক ঘরে করতে সক্রিয় কূটনৈতিক অভিযান শুরু করতে হবে।

    ৫. জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিমদের অধিকার হরণ, বিশেষ করে ওয়াকফ আইনে হস্তক্ষেপের মতো রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে দৃঢ় প্রতিবাদ ও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান নিতে হবে।

    নেতারা বলেন, গাজার রক্ত প্রবাহে আমরা লজ্জিত হওয়ার আগেই, গাজার পাশে দাঁড়ানোই উম্মাহর জন্য সম্মানের একমাত্র পথ। এবং যে নেতৃত্ব আজ নীরব, কাল ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হবে।

    এতে বলা হয়, আমাদের তৃতীয় দাবিগুলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। যেহেতু, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তিতেই নিহিত রয়েছে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা। আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশ কেবল মানবতার নয়, ঈমানের পক্ষেও এক ঐতিহাসিক অবস্থানে আছে। এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সরকারের দায়িত্ব, জনগণের ঈমানি ও নৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রাখা। বাংলাদেশের জনগণ গাজার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে, তাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নীরবতা এই জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি অবজ্ঞার সামিল। সেহেতু, আমরা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই

    ১. বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘Except Israel’ শর্ত পুনর্বহাল করতে হবে এবং ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান আরও সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে।

    ২. সরকারের ইসরায়েলি যত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছেম, তা বাতিল করতে হবে।

    ৩. রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ৪. সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং আমদানি নীতিতে জায়নবাদী কোম্পানির পণ্য বর্জনের নির্দেশনা দিতে হবে।

    ৫. জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকারের অধীনে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে, যেহেতু হিন্দুত্ববাদ আজ শুধু একটি স্থানীয় মতবাদ নয় বরং আন্তর্জাতিক জায়নিস্ট ব্লকের অন্যতম দোসর।

    ৬। পাঠ্যবই ও শিক্ষা নীতিতে আল-আকসা, ফিলিস্তিন এবং মুসলিমদের সংগ্রামী ইতিহাসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    যাতে ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্ম নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয় নিয়ে গড়ে ওঠে। কারণ, রাষ্ট্র কেবল সীমানা নয়, রাষ্ট্র এক আমানত। আর এই আমানত রক্ষা করতে না পারলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না।

    আমাদের সর্বশেষ দাবিগুলো নিজেদের প্রতি যা মূলত একটি অঙ্গীকারনামা

    যেহেতু, আমরা বিশ্বাস করি, আল-কুদস কেবল একটি শহর নয়, এটি ঈমানের অংশ এবং আমরা জানি বাইতুল মাকদিসের মুক্তি অন্য কারও হাতে নয়, আমাদেরই কোনও প্রজন্মের হাতে তা লেখা হবে। আমরা বুঝি, জায়নবাদের প্রতিষ্ঠা মূলত আমাদের নিজেদের আত্মবিস্মৃতির ফল এবং আজ যদি আমরা প্রস্তুত না হই, তাহলে আল্লাহ না করুন কাল আমাদের সন্তানেরা হয়তো এমন এক বাংলাদেশ পাবে যেখানে হিন্দুত্ববাদ ও জায়নবাদ একত্রে নতুন গাজা তৈরি করবে। গাজা আমাদের জন্য এক আয়না—যেখানে আমরা দেখতে পাই, কীভাবে বিশ্বাসী হওয়া মানে কেবল বেঁচে থাকা নয়, সংগ্রামে দৃঢ় থাকা। সেহেতু আমরা এই মাটির মানুষ, এই মুসলিম ভূখণ্ডের নাগরিক, এই কওমের সন্তান এবং সর্বোপরি মুসলিম উম্মাহর সদস্য-একটি অঙ্গীকার করছি:

    ১. আমরা সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে বয়কট করবো সেই পণ্য, কোম্পানি ও শক্তিকে যারা ইসরায়েলের দখলদারত্বকে টিকিয়ে রাখে।

    ২. আমরা আমাদের সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করবো, যারা ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সব প্রতীক ও নিদর্শনকে সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার করবে, ইনশাআল্লাহ।

    ৩. আমরা আমাদের সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলবো, যারা নিজেদের আদর্শ ও ভূখণ্ড রক্ষায় জান ও মালের সর্বোচ্চ ত্যাগে প্রস্তুত থাকবে।

    ৪. আমরা বিভাজিত হবো না। কারণ আমরা জানি, বিভক্ত জনগণকে দখল করতে দেরি হয় না।