Category: শিক্ষা প্রশাসন

  • মাউশির সামনে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের অবস্থান

    মাউশির সামনে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের অবস্থান

    উৎসব ভাতা বাড়ানোর দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা। বর্তমান অন্তর্বতী সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ভাতা ২৫ শতাংশ বাড়ালেও কর্মচারীদের ভাতা না বাড়ানোয় তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

    রোববার বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসরকারি এমপিওভক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী পর্ষদ আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান আদনান হাবিব, সদস্য সচিব মোহাম্মদ আব্দুল করিম শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ লিমন বিশ্বাস, সহ-সভাপতি তুষার আহমেদ, বরিশাল জেলা সভাপতি মিরাজ ফকির, কুমিল্লা জেলা সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম।

    অবস্থান কর্মসূচি ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘আমাদের দাবি বর্তমান অন্তরবর্তী সরকার ঈদের আগে আমাদের ২৫ শতাংশ উৎসব বোনাস বৃদ্ধি করার দাবি। তা না হলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো।’ সারা দেশে ২ লাখের বেশি এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ের কর্মচারী আছেন। অল্প বেতনে তাঁরা যুগ যুগ ধরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁরা সরকারের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সরকার তাঁদের দাবির প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছে না।

    বক্তরা আরো বলেন, প্রায় ২১ বছর পর উৎসব ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু কর্মচারীদের জন্য কোন সুখবর নেই। সর্বশেষ ২০০৪ সালে জোট সরকারের আমলে উৎসব ভাতা বৃদ্ধি করা হয়।

    এ সময় আন্দোলনকারীরা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

  • প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি স্থগিত

    প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি স্থগিত

    তিন দফা দাবিতে সারদেশে সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের জন্য পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। দাবির বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দারের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষকদের বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষকরা। এর ফলে চারদিন পর শ্রেণিকক্ষে ফিরছেন তারা। আগামী রবিবার যথারীতি চলছে ক্লাস।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সচিবালয়ে বিকেল ৩টা থেকে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।

    এক বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের এক্য পরিষদ জানায়, আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত এই কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে দাবি আদায় নিশ্চিত করা হবে। সেই পর্যন্ত সবাইকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বৈঠকে ৩ দফা দাবির প্রতিটি দফা নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান তুলে ধরে চলমান কর্মসূচির বিষয়ে নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কর্মবিরতির মত কর্মসূচিকে নিরুৎসাহিত করেন এবং শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে ফিরে যেতে অনুরোধ জানান। এর ফলে চলমান কার্যক্রম সুষ্ঠু বাস্তবায়নের প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ের প্রতি সহযোগী মনোভাব রেখে চলমান কর্মসূচি ২৫ জুন পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

    এর আগে তিন দফা দাবিতে ৫ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত দিনে ১ ঘণ্টা, ১৬ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত ২ ঘণ্টা এবং ২১ মে থেকে আজ ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা।

    প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো-
    ১. কনসালটেশন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ।
    ২. ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।
    ৩. প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি প্রদান।

  • চতুর্থদিনের মতো কর্মবিরতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা

    চতুর্থদিনের মতো কর্মবিরতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা

    তিন দফা দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। তবে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বিভিন্ন জেলার অধিকাংশ স্কুলে পাঠদান চলমান রেখেছেন।

    এদিকে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অচলাবস্থা নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সহকারী শিক্ষকদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তালিকা চাওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বৈঠক হতে পারে। সেখানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় চৌধুরী উপস্থিত থাকতে পারেন।
    বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, এ বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে চলমান অচলাবস্থা নিরসনের উদ্যোগ হিসেবে সরকারের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন শিক্ষক নেতারা।

    আজ বৃহস্পতিবার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দেখা গেছে ঢিলেঢালা ভাব। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। সহকারী শিক্ষকরা স্কুলে গেলেও পুরোপুরি হচ্ছে না শ্রেণি কার্যক্রম। অনেকে প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করছেন। তবে, অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে আংশিক শ্রেণি কার্যক্রম চলছে।

    প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো-
    ১. কনসালটেশন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ।
    ২. ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।
    ৩. প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি প্রদান।

  • জবি সংগীত বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়

    জবি সংগীত বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অণিমা রায়। তিনি অধ্যাপক ড. ঝুমুর আহমেদের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

    বুধবার (২৮মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

    অফিস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিন, কলা অনুষদকে সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ২৪(৩) ধারা অনুযায়ী উক্ত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অণিমা রায়কে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হল।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন এবং এ আদেশ আগামীকাল ২৯ মে থেকে কার্যকর হবে।

  • বৃহস্পতিবার শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে বৈঠকে বসছেন গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    বৃহস্পতিবার শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে বৈঠকে বসছেন গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    তিন দফা দাবিতে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বৈঠকে বসছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন মোর্চার আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামছুদ্দীন মাসুদ।

    তবে এ বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে চলমান অচলাবস্থা নিরসনের উদ্যোগ হিসেবে সরকারের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন শিক্ষক নেতারা।

    অন্যদিকে, শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতির আজ (বুধবার) ছিল তৃতীয় দিন। দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা ক্লাস না নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে সময় কাটিয়েছে খেলাধুলা করে।

    শিক্ষকরা বলছেন, তারা দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফিরতে আগ্রহী। তবে দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষা কর্মকর্তারা আন্দোলনকারী শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে তাদের শোকজ করছেন। কেউ কেউ ডিজি অফিসের মৌখিক বা লিখিত নির্দেশনার কথা বলে এ পদক্ষেপ নিচ্ছেন, যা মাঠপর্যায়ে চাপ তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো-
    ১. কনসালটেশন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ।
    ২. ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।
    ৩. প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি প্রদান।

    শুধু তিন দফা দাবিই নয়, শিক্ষকরা শুক্রবার ও শনিবার ছুটি রাখার নিয়ম বহাল রাখা এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও তুলেছেন। এর আগে, গত ৫ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত এক ঘণ্টা, ১৬ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এবং ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন শিক্ষকরা। দাবিতে সমাধান না আসায় ২৬ মে থেকে তাঁরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেন, যা এখনো চলছে।

  • দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালানোর ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের

    দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালানোর ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের

    তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন সহকারী শিক্ষকরা। তারা বলছেন, যতদিন পর্যন্ত সরকার দাবি মেনে না নেবে ততদিন পর্যন্ত এমন অবস্থা চলমান থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) এক ভিডিও বার্তায় এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ।

    সরকার শিক্ষকদের দাবির ব্যাপারে উদাসীন– এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, বারবার জানানোর পরও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই আমরা অনির্দিষ্টকালের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছি। আমরা বারবার বলেছি আলোচনায় বসুন। কিন্তু সরকার আমাদের গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। এ অবস্থায় দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না। এর আগে ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা, ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এবং ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে।

    জানা গেছে, বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। তারা দীর্ঘদিন ধরে ১০ম গ্রেডের দাবি জানিয়ে এলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অন্তত শুরুতে ১১তম গ্রেডে বেতন চান। এছাড়াও চাকরিতে ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার জানিয়েছেন, বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের শুরুতে ১২তম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং চার বছর পর তারা ১১তম গ্রেডে পদোন্নতি পাবেন। মন্ত্রণালয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে সারা দেশে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় চার লাখ শিক্ষক কর্মরত আছেন। প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে ১১তম গ্রেডে বেতন পান। উচ্চ আদালতের রায়ে সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সহকারী শিক্ষকরাও তাদের বেতন গ্রেড বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

  • হামাস নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় কুমিল্লার শিক্ষিকাকে ওএসডি

    হামাস নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় কুমিল্লার শিক্ষিকাকে ওএসডি

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মেহেরুন্নেছাকে ওএসডি করা হয়েছে।

    রবিবার (২৫ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ওএসডিবিষয়ক এ আদেশ জারি করা হয়।

    আদেশে বলা হয়েছে, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে ওএসডি হিসেবে ময়মনসিংহের গৌরিপুর সরকারি কলেজে সংযুক্ত থাকবেন।

    রবিবার (৬ এপ্রিল) অধ্যাপক মেহেরুন্নেছা গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতার বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। ওই পোস্টে অধ্যাপক জানান, ‘গাজা নিয়ে ইসরায়েলকে দায়ী করার বিষয়টা কিন্তু ঘটনার পরের ঘটনা। মূল ঘটনা হলো, গাজার এই পরিণতির জন্য হামাসের কট্টর-প্রতিক্রিয়াশীল-একরোখা রাজনীতিই দায়ী।’

    তার এই পোস্টের স্ক্রিনশট মুহূর্তেই নিয়ে নেন শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে প্রতিবাদ জানান। এবং তারা বিক্ষোভ করে অধ্যাপককে ডিপার্টমেন্ট থেকে বয়কট করার ঘোষণাও দেন। পরে ওই পোস্ট ডিলিট করে ফেসবুক প্রোফাইল লক করে দেন অধ্যাপক মেহেরুন্নেছা। পরে ৭ এপ্রিল ক্ষমাপ্রার্থনা করে আরেকটি পোস্ট করেন তিনি।

  • শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। চারটি শর্তে তাদের ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। উৎসব ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত সম্মতিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এর ফলে আসন্ন ঈদুল আযহায় মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাবেন তারা। তবে কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধি করা হয়নি।

    সোমবার (২৬ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি শাখার উপসচিব মোসাঃ শরীফুন্নেসা স্বাক্ষরিত এক সম্মতিপত্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    সম্মতিপত্রে বলা হয়েছে, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ-এর আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণের উৎসব ভাতা নিম্নোক্ত শর্তাদি পালন সাপেক্ষে সরকারি অংশের এক মাসের মূলবেতনের ২৫ (পঁচিশ) শতাংশ হতে বৃদ্ধি করে ৫০ (পঞ্চাশ) শতাংশে নির্ধারণ করা হলো।’

    শর্তে বলা হয়েছে, ‘এ ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে যাবতীয় আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে; এ ভাতা সংক্রান্ত ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোন অনিয়ম দেখা দিলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ উক্ত অনিয়মের জন্য দায়ী থাকবেন; প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক আদেশ জারির তারিখ হতে এ ভাতা কার্যকর হবে এবং প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক জি,ও জারি করে জি,ওর ০৪ (চার) কপি অর্থ বিভাগে পৃষ্ঠাংকনের নিমিত্ত প্রেরণ করতে হবে।

    সম্মতিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ‘মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ-এর আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত কর্মচারীগণের উৎসব ভাতার হার বিদ্যমান ৫০ (পঞ্চাশ) শতাংশ বহাল থাকবে।

  • কর্মবিরতিতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা

    কর্মবিরতিতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা

    দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা সোমবার (২৬ মে) থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন শুরু করেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কনসালটেশন কমিটির সুপারিশ প্রত্যক্ষাণ করে ১১তম বেতন গ্রেডসহ তিন দফা দাবি আদায়ে এই আন্দোলন করছেন তারা।

    শিক্ষকরা বলছেন, তাদের দাবি ছিল দশম বেতন গ্রেড, সেই জায়গায় অন্তত ১১তম গ্রেডের প্রস্তাব করলেও মানা যেতো। কিন্তু ১২তম গ্রেড প্রস্তাব করা মানে শিক্ষকদের অসম্মান করা। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

    প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘সারা দেশের সরকারি সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে। সারা দেশের সব সহকারী শিক্ষক কর্মসূচি পালন করলেও এ বিষয়ে সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলতে থাকবে। তবে কোনও পরীক্ষা এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডের প্রস্তাবনা মেনে নিতে পারছি না। আমরা চাই ন্যূনতম ১১তম গ্রেডে সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রি পদে বেতন নির্ধারণ এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি। পাশাপাশি উন্নীত স্কেল ও উচ্চতর গ্রেডের সমস্যা সমাধান করে ১০ বছর এবং ১৬ বছর পূর্তিতে সহকারী শিক্ষকদের প্রথম ও দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা যেন নেয় মন্ত্রণালয়। তা না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

    তিন দফা দাবিতে এর আগে গত ৫ মে থেকে এক ঘণ্টার কর্মবিরতির মধ্য দিয়ে আন্দোলন-কর্মসূচি শুরু করেন তারা, যা চলে ১৫ মে পর্যন্ত। ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এরপর ২১ মে থেকে ২৫ মে অর্ধদিবসের কর্মসূচি পালন করেন তারা। রবিবার (২৫ মে) তাদের অর্ধদিবস কর্মসূচি পালন শেষ হলে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি।

    শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো– কনসালটেশন কমিটির সুপারিশের যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ; ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পেতে জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি দেওয়া।

  • প্রাথমিক শিক্ষকদের আজ থেকে লাগাতার কর্মবিরতি

    প্রাথমিক শিক্ষকদের আজ থেকে লাগাতার কর্মবিরতি

    ১১তম গ্রেডে বেতনসহ তিন দফা দাবিতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা আজ সোমবার থেকে লাগাতার পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন।

    প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই কর্মসূচি চলবে।

    আন্দোলনকারী সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো– পরামর্শক কমিটির সুপারিশের যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি।

    সহকারী শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নে সম্প্রতি ঢাকায় কয়েক দফা সমাবেশ করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পরামর্শক কমিটি সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১২তম গ্রেড বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। তবে তা সংস্কার করে এবার ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

    ঐক্য পরিষদ নেতা মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমরা ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত প্রতি কর্মদিবসে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছি। ১৭ মে থেকে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি শুরু করি। ২১ মে থেকে আধাবেলা কর্মবিরতি পালন করছি। এবার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সোমবার থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি করা হবে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পৌনে ৪ লাখেরও বেশি সহকারী শিক্ষক কর্মরত।