Category: শিক্ষাঙ্গন

  • আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পৃথক হলো ‘সাত কলেজ’

    আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পৃথক হলো ‘সাত কলেজ’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজ সম্পূর্ণ পৃথক হয়েছে। পৃথকীকরণের অংশ হিসেবে সকল প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক দায়-দায়িত্ব এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য, ছবি ও ভর্তি পরীক্ষা বাবদ ফি প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সাত কলেজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘সম্মানজনক’ পৃথকীকরণের প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হলো।

    বৃহস্পতিবার ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান উপাচার্যের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তবর্তীকালীন প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াসের কাছে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষরা। উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রস্তাবিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

    ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর এই সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। নানা সময় পৃথকের দাবি উঠার পর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি জরুরি সভায় সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থেকে বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়। পরে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাত কলেজের সমন্বয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয় না হওয়া পর্যন্ত এটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসকের অধীনে চলবে। সাত কলেজের একজন অধ্যক্ষ এটির প্রশাসক থাকবেন। তবে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত যে সব শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি হয়েছেন, তাদের পড়াশোনা সম্পূর্ণ করার কাজটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করবে।

  • পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না : শিক্ষা উপদেষ্টা

    পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার) বলেছেন, এসএসসি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণে অভিযুক্ত শিক্ষকদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্র-ছাত্রীরা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন। আমরা দেখলাম এর মধ্যে অনেকেই পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফলে কৃতকার্য হয়েছেন তথা পাস করেছেন। এটা খুবই ভালো কথা যে ছাত্র-ছাত্রীরা ফেল থেকে পাশ করেছেন। তবে আমাদের কথা হল পরীক্ষার খাতা এমনভাবে দেখতে হবে যাতে একজন শিক্ষার্থীও তার সঠিক মূল্যায়ন করা থেকে বঞ্চিত না হয়। পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কোন অবহেলা সহ্য করা হবে না। কারণ সরকারের পক্ষ থেকে এ খাতে শিক্ষকদেরকে যথোপযুক্ত সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়। তাই শিক্ষকদেরকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়ন করতে হয়। এ বিষয়ে কোনো শৈথিল্য সহ্য করা হবে না।

    চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টের পর ৩ লাখ ২৭ হাজার ২৭১ জন শিক্ষার্থী তাদের পরীক্ষার খাতা পুন:মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারীদের মধ্যে পরীক্ষায় ফেল থেকে পাস করেছেন ২ হাজার ৯৬ জন। নতুন জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৯৫১ জন। ফেল করা থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ১৩৯ জন। তার মানে দাঁড়ালো পুনঃনিরীক্ষণে আবেদনকারীদের তুলনায় রেজাল্ট চেঞ্জ হয়েছে ৩ দশমিক ০৩ পার্সেন্ট।

    সি আর আবরার বলেন, পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল দেখে তিনি অবাক হয়েছেন। এর ফলাফলে পার্সেন্টেজ যাই হোক না কেন যারা এর সঙ্গে জড়িত থাকবে তাদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। খুব শিগগিরই সারা দেশের শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের ডেকে বৈঠক করে এ বিষয়ে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তাদের কাছ থেকে পাওয়া মতামতের ভিত্তিতেই পরবর্তী দিকনির্দেশনা নেয়া হবে।

    তিনি আরো বলেন, এসএসসি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তাদেরকেই আইনের আওতা নিয়ে আসা হবে। সম্ভবত তাদেরকে আর বোর্ডের পরীক্ষার খাতা দেওয়া হবে না। অভিযুক্তদেরকে পরীক্ষা থেকে দূরে রাখা হবে। পরীক্ষার খাতা বিতরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড গুলোকেও আরো সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে একটি মানদণ্ড ঠিক করে দেয়া হবে। পরীক্ষার খাতা অবমূল্যায়নের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত নিয়ম-কানুন জারি আছে। তারপরও দেখা যায় অনেক শিক্ষক নিজে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন না করে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দিয়ে অথবা সন্তানদেরকে দিয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করিয়ে থাকেন, এমন অভিযোগও অনেক সময় পাওয়া যায়। তাই আমি বলবো এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরো বেশি সতর্ক ও সচেতন হতে হবে।

    শিক্ষা উপদেষ্টা আরো বলেন, সম্পূর্ণ ফেল করা থেকে যারা পাশ করলেন, তাদের সংখ্যা প্রায় ২ হাজারের উপরে। এদের প্রতিটা দিন কেটেছে কত কষ্টে সেটা আমি একজন শিক্ষক হিসেবে অনুমান করতে পারি। তাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। অতীতের সরকারের মত ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে এখন আর রেজাল্ট দেওয়া হবে না, আগেই বলা হয়েছে। তেমনি ভাবে কেউ যদি ভালো লিখে পরীক্ষার খাতায়, তাহলে সেও যাতে পাশ করে সেটাও নির্দেশনা আছে। অর্থাৎ কারো ক্ষেত্রেই পরীক্ষার খাতা অবমূল্যায়ন সহ্য করা হবে না। অর্থাৎ পরীক্ষার্থীর যতটুকুই লেখেছে ততটুকুই যেন সঠিক নাম্বার সে পায়, সেটা শিক্ষকদেরকে নিশ্চিত করতে হবে।

  • ঢাবি থেকে আলাদা হলো সাত কলেজ, সকল দায়িত্ব ও তথ্য হস্তান্তর

    ঢাবি থেকে আলাদা হলো সাত কলেজ, সকল দায়িত্ব ও তথ্য হস্তান্তর

    অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা হলো রাজধানীর সরকারি সাত কলেজ। এসব কলেজের সকল প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক দায়-দায়িত্ব এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য, ছবি ও ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা বাবদ ফি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্র্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তবর্তীকালীন প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াসের কাছে সকল দায়িত্ব ও তথ্য হস্তান্তর করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান । এর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকারি সাত কলেজের সম্মানজনক পৃথকীকরণের কাজ চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হলো।

    দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদসহ অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক, সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাগণ এবং কলেজের অধ্যক্ষগণ উপস্থিত ছিলেন।

    উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকারি সাত কলেজের সম্মানজনক পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রস্তাবিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

  • রাকসুর ভোটকেন্দ্র হলে চায়না ছাত্র সংগঠনগুলো

    রাকসুর ভোটকেন্দ্র হলে চায়না ছাত্র সংগঠনগুলো

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে আবাসিক হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে ভোটকেন্দ্র স্থাপনসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে ক্যাম্পাসে সক্রিয় কয়েকটি ছাত্র সংগঠন।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারা এ দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছাত্র সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র গণমঞ্চ, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ছাত্র ফেডারেশন।

    তাদের অন্য দাবিগুলো হলো– সাইবার বুলিং রোধে একটি কার্যকর সেল গঠন করতে হবে এবং ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ’ নামক গ্রুপসহ অনলাইনে অপপ্রচার চালানো বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজ বন্ধ করতে হবে; গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কর্মসূচিতে হামলা এবং গত জুলাই মাসে আন্দোলন চলাকালে ও এরপরে বিভিন্ন ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িতদের ভোটাধিকার বাতিল করতে হবে এবং ছবিসহ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র সংগঠনগুলোর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকার। তিনি বলেন, ‘গত ২৮ জুলাই প্রকাশিত রাকসুর খসড়া তফসিলে আবাসিক হলে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের কথা বলা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথে বড় বাধা। আমরা অবাক হয়ে লক্ষ করলাম, প্রায় সকল অংশীজনের জোরালো আপত্তি সত্ত্বেও প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।’

    আবাসিক হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় দাবি করে নাসিম সরকার বলেন, ‘আবাসিক হলগুলোতে একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকায় সেখানে কোনোভাবেই সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়।’

    ভোটার তালিকায় ছবি না থাকায় ‘প্রক্সিভোট’ হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের আগে ও পরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও দখলদারিত্বের সঙ্গে সম্পৃক্তদের রাকসুতে অংশগ্রহণের নৈতিক ভিত্তি নেই। অথচ আমরা লক্ষ করেছি, অনেক গুরুতর অপরাধীকেও ভোটার তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে। এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দখলদার গোষ্ঠী প্রক্সি ভোট প্রদানের প্রচেষ্টা করতে পারে।’

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়া শুভ, ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) সভাপতি রাকিব হোসেন, ছাত্র ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ কাইসার আহমেদ, ছাত্র ফেডারেশনের সদস্য সচিব ওয়াজিদ শিশির অভি।

  • ডাকসু নির্বাচন: দ্বিতীয় দিনে মনোনয়ন ফরম কিনলেন ১৩ প্রার্থী

    ডাকসু নির্বাচন: দ্বিতীয় দিনে মনোনয়ন ফরম কিনলেন ১৩ প্রার্থী

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরও ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। এরমধ্যে ৩ জন প্রার্থী ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) ও অন্যান্য পদে বাকি ১০ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

    বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত চিফ রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    তিনি বলেন, মঙ্গলবার ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র গ্ৰহণ করেছে ৭ জন। যার মধ্যে ভিপি পদে ছিল দুজন। আজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ১৩ জন, যার মধ্যে ভিপি পদে ৩ জন। এখন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। একই সঙ্গে দুদিনে হল সংসদ নির্বাচনের জন্য ১৮টি হল থেকে মোট ১৮টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ডাকসুর সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ পদের বিষয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর উত্থাপিত আপত্তি গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং এক্ষেত্রে কমিশনের কোনো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। এ পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

  • ‘মানসিক চাপে’ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

    ‘মানসিক চাপে’ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের শরিফা ইয়াসমিন সৌমা (২১) নামে এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ৩১১ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত শরিফা ইয়াসমিন সৌমা এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং খুলনার খালিশপুরের তায়েদুর রহমান এবং ফাতেমা আক্তার দম্পতির মেয়ে।

    পুলিশ জানায়, সৌমা শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চিরকুট ও ইনজেকশন সিরিঞ্জ উদ্ধার করেছে। ৪-৫ পৃষ্ঠার ওই চিরকুটে তিনি মানসিক চাপ ও নানা কষ্টের কথা লিখেছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম। তিনি জানান, সৌমার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ মর্গে সংরক্ষিত আছে।

    এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরোয়ার্দী হোসেন বলেন, সৌমার কক্ষে আরেকজন ছাত্রী থাকেন। আজ সকালে ওই ছাত্রী ক্লাসে যাওয়ার সময় সৌমাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমের দরজা স্বাভাবিকভাবে চাপানো অবস্থায় পায়।

  • প্রথম দিনে ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়ন নিলেন ৭ প্রার্থী

    প্রথম দিনে ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়ন নিলেন ৭ প্রার্থী

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য মনোনয়নপত্র বিতরণের প্রথম দিনে ৭ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন।

    মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। ডাকসুর প্রার্থীরা সিনেট ভবনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষ থেকে এবং হল সংসদের প্রার্থীরা নিজ নিজ হল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রথম দিনে ডাকসুর প্রার্থী হিসেবে ৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। যাঁদের মধ্যে সহসভাপতি পদে ২ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ১ জন এবং ৪ জন সদস্য পদে ফরম নিয়েছেন। আর হল সংসদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের প্রথম দিনের হিসাবটা এখনো পাওয়া যায়নি।

    এর আগে আজ মঙ্গলবার থেকে ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়। এই কার্যক্রম চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত।

    সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের তৃতীয় তলায় চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে প্রার্থীরা সরাসরি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। সংগ্রহ করা ফরম ১৯ আগস্ট বিকেল ৩টার মধ্যে জমা দিতে হবে।

    হল সংসদের মনোনয়নপত্রও একই সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট হলের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন এবং হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫-এর ভোট গ্রহণ হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। ২৮ বছর পর ওই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের তথ্য চাইলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের তথ্য চাইলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহে মাঠে নেমেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ, কারিগরি ও মাদরাসাসহ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের বীরগাথা লিখিত আকারে আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সেবা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাবের মো. সোয়াইবের সই করা এক নির্দেশনায় বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী ঘটনা। শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু করেছে। শহীদেরা শুধু শিক্ষার্থী ছিলেন না, তারা ছিলেন পরিবর্তনের মশালবাহী, গণতন্ত্রের সৈনিক। তাদের অবদান চিরকাল স্মরণীয় রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে (সরকারি গেজেট অনুযায়ী) শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের ছবি ও তথ্যসহ সর্বোচ্চ দুই পাতার একটি প্রবন্ধ প্রস্তুত করে পাঠাতে হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান একটি কমিটি গঠন করে প্রবন্ধটি লিখে সম্পাদনা করবেন। হার্ডকপি পাঠানোর পাশাপাশি সফটকপি নিকস বাংলা ১৪ ফন্টে apa@moedu.gov.bd ঠিকানায় ই-মেইল করতে হবে।

    একইসঙ্গে প্রবন্ধের সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, সরকারি গেজেট বা অন্যান্য নথি যুক্ত করতে হবে। ই-মেইলে এসব প্রমাণের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষক এবং প্রবন্ধ-সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরসহ প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সরকারি কলেজগুলোকে পৃথকভাবে চিঠি দিয়ে ১৪ আগস্টের মধ্যে ddgovtcollege@gmail.com ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। আর পুরো প্রক্রিয়ার ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব বদরুল হাসান লিটন। প্রয়োজনে তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করারও অনুরোধ করা হয়েছে।

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস শুরু ২২ সেপ্টেম্বর

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস শুরু ২২ সেপ্টেম্বর

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অনলাইন প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ শেষ হবে ২৮ আগস্ট রাত ১২টায়। আর ভর্তি প্রক্রিয়ার পর ক্লাস শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর।

    ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে— বাংলাদেশে স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা বা বিজ্ঞান শাখা থেকে ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ এবং ২০২০, ২০২১, ২০২২ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভোকেশনাল বা বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অথবা ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও শর্তসাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন।

    তবে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং (কম্পিউটার, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি) বা ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে নির্ধারিত সিজিপিএ ২.৫ (সিজিপিএ স্কেল ৫.০ অনুযায়ী) এবং সংশ্লিষ্ট এসএসসি জিপিএ পূরণকারী শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। আর উচ্চমাধ্যমিকে যে বিষয়গুলো পড়ানো হয়েছে সেগুলো থেকেই আবেদনযোগ্য কোর্স নির্ধারণ করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট পঠিত বিষয়ের (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ২.৫ থাকতে হবে। এরসঙ্গে বিশেষ ক্যাটাগরি ও বিদেশি সার্টিফিকেটধারীরাও শর্ত মেনে আবেতন করতে পারবেন৷

    দ্বৈত ভর্তি ও পূর্ববর্তী রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে জানানো হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২২-২০২৩ বা ২০২০-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে কোনো স্নাতক (সম্মান), স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল বা স্নাতক (পাস) কোর্সে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ইস্যু হয়ে থাকলে সে শিক্ষার্থী ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে অনার্স প্রফেশনাল ভর্তি হতে পারবেন না। তবে যদি পূর্বের ভর্তি বাতিল করে থাকেন তবে আবেদন করার সুযোগ থাকবে। একই বা বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে দ্বৈত ভর্তি ধরা পড়লে উভয় ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।

    ভর্তি কার্যক্রমে ১ম মেধা তালিকা, ২য় মেধা তালিকা, কোটার মেধা তালিকা ও ১ম ও ২য় রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তৃতীয় রিলিজ স্লিপে আবেদন করার সুযোগ থাকবে না। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদা বা ভিন্নভাবে সক্ষম কোটায় কোনো প্রার্থী ১ম বা ২য় মেধা তালিকায় স্থান পেলেও পরে কোটায় পুনরায় স্থান পাবেন না।

    আবেদনকারীরা ভর্তি ওয়েবসাইটের প্রফেশনাল ট্যাবে গিয়ে এপ্লাই নাউ অপশনে ক্লিক করে তথ্য পূরণ করতে পারবেন৷ প্রাথমিক আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০০ টাকা৷ আর কলেজগুলোকে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভর্তি ওয়েবসাইটের কলেজ লগইন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

  • ঢাকার ৭ কলেজকে ৪টি স্কুলে ভাগ করে চলবে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম : শিক্ষা সচিব

    ঢাকার ৭ কলেজকে ৪টি স্কুলে ভাগ করে চলবে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম : শিক্ষা সচিব

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত সচিব মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, ঢাকা মহানগরীর সাত কলেজকে চারটি স্কুলে (স্কুল অব সায়েন্স, স্কুল অফ আর্টস এন্ড হিউম্যানিটিজ, স্কুল অব বিজনেস স্টাডিজ এবং স্কুল অব ল এন্ড জাস্টিস) ভাগ করে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে’ পাঠদান ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সাত কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ চালুর প্রক্রিয়া চার ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

    সোমবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষা সচিব বলেন, স্কুলগুলোর পরিচয় হবে কলেজভিত্তিক। বিরাজমান বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনায় নিয়ে নতুন ধরনের কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ৪০% অনলাইনে ও ৬০% অফলাইনে ক্লাস চলবে। সাবজেক্ট বদলানো যাবে ৩য় বর্ষে।

    ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়েছে, সেটা মেনে নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য সবচেয়ে যেটা ভালো হবে, সেটাই করা হবে। আমরা সুন্দর একটা সমাধানে যাব। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। সব কলেজকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, শুধু ঢাকা কলেজ নয়, প্রত্যেকটা কলেজকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সবাইকে নিয়েই আমরা সবচেয়ে ভালো কিছু আশা করছি।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাঁচটি কলেজে বিদ্যমান এইচএসসি পর্যায়ের পড়াশোনাও অব্যাহত রাখা হবে। থাকছে হাইব্রিড পদ্ধতিতে পাঠদান, ল্যাপটপ ও কম খরচে ইন্টারনেটের মতো নানান ব্যবস্থা। পুরোনো শিক্ষার্থীরা আগের অ্যাকাডেমিক কাঠামোতে তাদের পড়াশোনা শেষ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা হবে ইন্টারডিসিপ্লিনারি ও হাইব্রিড ধরনের। সব ধরনের পরীক্ষাসমূহ সশরীরে দিতে হবে। সব শিক্ষার্থী প্রথম চারটি সেমিস্টারে নন-মেজর কোর্স অধ্যয়ন করবে। পরবর্তী চার সেমিস্টারে ডিসিপ্লিন অনুযায়ী মেজর কোর্স অধ্যয়ন করবে। পঞ্চম সেমিস্টার অর্থাৎ তৃতীয় বর্ষে শর্তপূরণ সাপেক্ষে শিক্ষার্থী ইচ্ছানুযায়ী ডিসিপ্লিন পরিবর্তন করতে পারবে। তবে ক্যাম্পাস পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল, সিনেট ও সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে। একজন প্রক্টর থাকবেন। এছাড়া প্রতিটি কলেজে একজন পুরুষ এবং একজন নারী ডেপুটি প্রক্টর থাকবেন। অর্থাৎ সাত কলেজে ১৪ জন ডেপুটি প্রক্টর থাকবেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্য কোথায় প্রশ্নের জবাবে ইউজিসি সদস্য বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম থেকে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত সবাই নন-মেজর কোর্স পড়বেন, এরপর সবার ডিসিপ্লিন নির্ধারণ হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, নন-মেজর কোর্স করার পর নির্দিষ্ট মার্কস বেঁধে দেওয়া হবে, সেখানে ওই পর্যন্ত মার্কস পেলে সে হয়তো অ্যাকাউন্টিং পড়তে পারবে কিংবা ম্যানেজমেন্ট পড়তে পারবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হবে ধাপে ধাপে। খসড়া আইন অনুমোদন এবং অধ্যাদেশ জারির পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে উপাচার্য নিয়োগসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলবে। সবার জন্য সুবিধাজনক স্থানে প্রস্তাবিত কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস নির্ধারণ করা হবে। সাত কলেজের পাঁচটিতে পূর্বের ন্যায় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায় চালু থাকবে। স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা টাইম, স্পেস ও রিসোর্স শেয়ারিং পদ্ধতিতে একই ক্যাম্পাস ব্যবহার করবে। বিভিন্ন পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা পূর্বের বিদ্যমান অ্যাকাডেমিক কাঠামো অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম সমাপ্ত করবেন। অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সময়মতো পরীক্ষা নেওয়া, রেজাল্ট দ্রুত প্রকাশ করা, সেশনজট কমাতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    আরো জানানো হয়, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া এবং কলেজসমূহের প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগকৃতদের বণ্টন করা হবে। বাজেট গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা হবে কেন্দ্রীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে। প্রতিটি কলেজে থাকবে আধুনিক মানসম্পন্ন লাইব্রেরি, ক্যাফেটেরিয়া, মেডিকেল সেন্টার ও পরিবহন ব্যবস্থা। কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। প্রতি ডিসিপ্লিনে যৌক্তিকভাবে ছাত্র সংখ্যা নির্ধারণ করবে কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে প্রথম বর্ষেই ল্যাপটপ ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী প্রদান করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের ব্যবস্থা থাকবে। প্রশাসনিক কার্যক্রম (ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন, আবেদন) আইটি বেজড ডিজিটাল সিস্টেমে সম্পাদিত হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা যে কোনো ধরনের অনুসন্ধান আইটি প্লাটফর্মের মাধ্যমে করতে পারবে।