Category: শিক্ষাঙ্গন

  • গণতন্ত্র চর্চা করলে সমাজের বৈষম্য হ্রাস পায় : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    গণতন্ত্র চর্চা করলে সমাজের বৈষম্য হ্রাস পায় : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, গণতন্ত্র চর্চা করলে সমাজের বৈষম্য হ্রাস পায়। তাই বিদ্যালয়, অফিসসহ সমাজের প্রতিটি পর্যায়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। যদি গণতান্ত্রিক চর্চা সমাজের প্রতিটি স্তরে চালু হয়, তাহলেই রাজনৈতিক স্তরে গণতন্ত্র স্থায়ী হবে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢাকায় মিরপুরে প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫ আয়োজনের অংশ হিসেবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদরা যে কারণে আত্মত্যাগ করেছিলেন, আমাদেরকে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে হবে। আমরা যদি বৈষম্যহীন একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাই, তাহলেই তাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো হবে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে। এসময় উপদেষ্টা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।

  • ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা পুরো সিলেবাসে হবে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা পুরো সিলেবাসে হবে

    দেশের আটটি সারা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা, আলিম পরীক্ষা ও সমমানের পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি বা পুরো সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে।

    দরকারি তথ্য
    ১. জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের জরুরি প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ সব ধরনের কার্যক্রম ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে।

    ২. এসব শ্রেণির শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের মে-জুন মাসে অনুষ্ঠিতব্য ‘এইচএসসি পরীক্ষা, আলিম ও সমমান’ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

    ৩. ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা, আলিম ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশের (এনসিটিবি) নির্ধারিত ‘পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি’ বা ‘পুরো সিলেবাস’ অনুযায়ী সব বিষয়ে ‘পূর্ণ সময়ে’ ও ‘পূর্ণ নম্বরে’ অনুষ্ঠিত হবে।

    ৪. সারা দেশের সব (আটটি) শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘অবহিত করা’সহ ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

    বিস্তারিত তথ্য জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

  • ঢাবিতে আইআইটিতে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা, আবেদন ফি ১৫০০

    ঢাবিতে আইআইটিতে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা, আবেদন ফি ১৫০০

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজিতে (আইআইটি) ২০২৫-২৬ সেশনে ফল সেমিস্টারে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ইনফরমেশন টেকনোলজি (পিজিডিআইটি) প্রোগ্রামে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    • কোর্সের বৈশিষ্ট্য
      ১. কোর্সের মেয়াদ এক বছর।
      ২. অফিস ছুটির পর সন্ধ্যাকালীন ক্লাস।
      ৩. মোট ক্রেডিট ৩৬।
      ৪. আটটি কোর্স, চারটি ল্যাব এবং প্রজেক্টের মেয়াদ এক বছর।
      ৫. ভর্তি পরীক্ষার ফি ১ হাজার ৫০০ টাকা।
      ৬. অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
    • আবেদনের যোগ্যতা
      ১. যেকোনো বিষয়ে গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি।
      ২. ন্যূনতম জিপিএ বা সিজিপিএ–২.৫০ বা সমমান থাকতে হবে।
      ৩. কোনো পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি থাকতে পারবে না।
    • ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত
      ১. আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ জুলাই ২০২৫।
      ২. লিখিত পরীক্ষার তারিখ: ২ আগস্ট ২০২৫, সময় বেলা ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট।
      ৩. মৌখিক পরীক্ষার তারিখ: ৯ আগস্ট ২০২৫।
      ৪. ফলাফল প্রকাশের তারিখ: ১০ আগস্ট ২০২৫।
      ৫. পিজিডিআইটি প্রোগ্রামে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ: ১২ থেকে ২৪ আগস্ট ২০২৫।
      ৬. ক্লাস শুরুর তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

    বিস্তারিত তথ্য জানতে ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

  • মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই : উপাচার্য আমানুল্লাহ

    মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই : উপাচার্য আমানুল্লাহ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। উন্নত বিশ্বে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যশিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্বাস্থ্য গুনগত শিক্ষার অন্যতম ভিত্তি।

    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম।

    উপাচার্য আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে যেসব পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তিনি আরও বলেন, মানসিকভাবে সুস্থ শিক্ষার্থীরাই পড়ালেখায় বেশি মনোযোগী হতে পারে, নতুন বিষয় দ্রুত আয়ত্ব করতে পারে এবং শেখার প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা হতাশা শিক্ষার্থীদের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায় এবং শেখার আগ্রহ কমিয়ে দেয়, যা গুণগত শিক্ষাকে ব্যাহত করে।

    তিনি আরো বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান বিশ্বের চাহিদা মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সিলেবাস সংস্কার, আইসিটিনির্ভর শিক্ষাসহ নানাবিধ পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইউনিসেফ, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) এবং এটুআই (এটুআই) সহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তিগুলো শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত করতে সহায়ক হবে।

    দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন কোর্স কো-অর্ডিনেটর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং রিসোর্স পার্সন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও মাল্টিডিসিপ্লিনারি ট্রেনিং সেন্টারের চাইল্ড সাইকোলজি বিভাগের সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর ড. ফাইজা আহমেদ। সমাপনী অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধানে ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীন।

    প্রসঙ্গত, এই কর্মশালায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ, ড. মালেকা কলেজ এবং মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের ১৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

  • দ্বিতীয় দফায় পেছাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরুর তারিখ

    দ্বিতীয় দফায় পেছাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরুর তারিখ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য সাবজেক্ট চয়েস, ভর্তি এবং ক্লাশ শুরুর তারিখ দ্বিতীয় দফায় পিছিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি উপকমিটির এক সভায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ায় ইউনিটসমূহের সাবজেক্ট চয়েস গ্রহণ, ভর্তির শেষ সময় এবং ক্লাস শুরুর তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত এবং ক্লাশ শুরু হবে ১৭ আগস্ট থেকে।

    এর আগে প্রথম দফায় গত ১ জুলাই থেকে ক্লাশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ৩ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই তারিখও পেছানো হয়েছে।

  • অবশেষে কুয়েটে উপাচার্য নিয়োগ, কাটছে অচলাবস্থা

    অবশেষে কুয়েটে উপাচার্য নিয়োগ, কাটছে অচলাবস্থা

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদ হেলালী।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    গত ১০ জুন কুয়েটে উপাচার্য নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার দেড় মাসের মাথায় ড. মো. মাকসুদ হেলালীকে এ পদে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হলো। দেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন করে উপাচার্য নিয়োগ পেলেন।

    এদিকে, প্রজ্ঞাপনে পাঁচটি শর্তে অধ্যাপক মাকসুদ হেলালীকে কুয়েটের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলো হলো- ১. উপাচার্য হিসেবে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ বছর হবে। ২. তিনি বুয়েট হতে অবসর গ্রহণের অব্যবহিতপূর্বে আহরিত বেতন-ভাতাদির সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। ৩. তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। ৪. তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।  ৫. রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

    গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষার্থীসহ শতাধিক আহত হন। পরে আন্দোলনের মুখে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে অপসারণ করে সরকার। এরপর গত ১ মে চুয়েটের অধ্যাপক হজরত আলীকে অন্তর্বর্তী ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে কুয়েট শিক্ষকদের বিরোধিতার মুখে ২২ মে তিনি পদত্যাগ করেন।

  • ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজ নিয়ে গঠিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে প্রস্তাবিত স্বতন্ত্র একাডেমিক কাঠামোর অধীনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ ও ২৩ আগস্ট। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে দুই ধাপে—প্রথম ধাপ ২২ আগস্ট বিকেলে এবং দ্বিতীয় ধাপ ২৩ আগস্ট সকালে।

    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস। তিনি জানান, ভর্তি সংক্রান্ত কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার কারিগরি সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। ভর্তি প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহের শনিবার আবারও একটি সভা ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকের পর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনলাইনে প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর আগে, গত ৯ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়। সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম কাশেম স্বাক্ষরিত স্মারকে উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ৭ জুলাইয়ের চিঠির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ‘ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রকল্পের আওতায় যে সাতটি সরকারি কলেজ রয়েছে, সেগুলো হলো—ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ এবং সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরেই স্বতন্ত্র প্রশাসনিক কাঠামোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এই উদ্যোগের ফলে এখন থেকে এসব সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীরা একটি স্বতন্ত্র নীতিমালার অধীনে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবেন।

  • একাদশে ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ, ৪৫ দিনে ভর্তি শেষ হবে

    একাদশে ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ, ৪৫ দিনে ভর্তি শেষ হবে

    বাংলাদেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এ বছরও এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই অনলাইনে ভর্তি হবে, কোনো ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। আর আবেদন শুরু হবে ৩০ জুলাই থেকে। চলবে ১১ আগস্ট পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের সই করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, যে শিক্ষাবর্ষে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং তার পূর্ববর্তী দুই বছরের মধ্যেও উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। বিদেশি বোর্ডের ক্ষেত্রে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মান নির্ধারণ করে অনুমোদন দিলেই ভর্তি করা যাবে।

    বিভাগ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা যেকোনো বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) আবেদন করতে পারবে। তবে ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবে না। মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে এসএসসি বা দাখিল ভোকেশনালে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের যে কোনো বিভাগে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

    সরকারি ও বেসরকারি কলেজে মোট আসনের ৯৩ শতাংশ থাকবে সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য, ১ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য এবং ১ শতাংশ অধীনস্থ দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে সংরক্ষিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সেসব আসনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

    এতে আরো বলা হয়েছে, সমান জিপিএ প্রাপ্ত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত মোট নম্বর দেখে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। যদি নম্বরও সমান হয়, তাহলে বিজ্ঞান বিভাগের ক্ষেত্রে গণিত, জীববিজ্ঞান ও ইংরেজি এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার ক্ষেত্রে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর পর্যায়ক্রমে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

    একই কলেজে এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব কলেজে নির্ধারিত বিভাগে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি হতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগের আসন পূরণ করার পর অবশিষ্ট আসনে বাইরের শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা যাবে। ভর্তি প্রক্রিয়া পুরোপুরি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে এবং কলেজগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত ফি নির্ধারণ করবে আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে। অনুমোদিত ফি-এর অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা যাবে না এবং রশিদ ছাড়া কোনো ফি গ্রহণ করা নিষিদ্ধ।

    তবে ভর্তি শেষে কলেজ পরিবর্তনের সুযোগ থাকলেও অন্য বিভাগ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে না। একইভাবে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর অন্য বিভাগে যাওয়া গেলে পরে বিজ্ঞান বিভাগে ফিরে যাওয়া যাবে না। একইসাথে বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো কলেজ শিক্ষার্থীকে ছাড়পত্র (টিসি) দিতে পারবে না এবং অন্য প্রতিষ্ঠানে সেই ছাড়পত্র দেখিয়ে ভর্তি নেওয়াও যাবে না। বোর্ডের অনুমতি সাপেক্ষে ছাড়পত্র দেওয়া ও গ্রহণ সংক্রান্ত তথ্য ১৫ দিনের মধ্যে বোর্ডে জমা দিতে হবে।

    নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো কলেজ যদি অনুমোদিত না হয় বা অনুমোদনবিহীন ক্যাম্পাসে কোনো বিষয়ে ভর্তি কার্যক্রম চালায়, তবে তাদের স্বীকৃতি ও এমপিও বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারি কলেজের ক্ষেত্রেও নীতিমালা লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    নতুন নীতিমালাটি দেশের সকল কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরবর্তী ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে অনলাইনে আবেদন, মেধা তালিকা প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস শুরু পর্যন্ত সমস্ত কার্যক্রম শেষ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • একাদশে ভর্তি খরচ সর্বোচ্চ ৮৫০০, সর্বনিম্ন ১৫০০

    একাদশে ভর্তি খরচ সর্বোচ্চ ৮৫০০, সর্বনিম্ন ১৫০০

    কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের গুনতে হবে সর্বনিম্ন এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। সরকারি নীতিমালায় অঞ্চলভেদে ভর্তির সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে আবেদন ফি ও বোর্ড নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত খরচও বহন করতে হবে শিক্ষার্থীদের।

    সম্প্রতি প্রকাশিত কলেজ ভর্তির নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তির অনলাইন আবেদনের জন্য নির্ধারিত ফি ২২০ টাকা। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রেড ক্রিসেন্ট ফি বাবদ ২৪ টাকা (৪০ টাকার ৬০ শতাংশ) আদায় করতে পারবে। আর শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত ফি রাখা হয়েছে মোট ৩৩৫ টাকা। এই টাকা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নিশ্চায়নের সময় বোর্ড শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নিবে। যারমধ্যে থাকবে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, রোভার বা রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা, বিএনসিসি ফি ৫ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি বাবদ ১০০ টাকা।

    আবার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও সেশন চার্জ নীতিমালায় বলা হয়েছে, কলেজগুলো বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে ভর্তি ও সেশন ফি নিতে পারবে। এরমধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৫ হাজার টাকা, অন্যান্য মেট্রোপলিটন (ঢাকা ছাড়া) বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা, জেলা শহরে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ২ হাজার টাকা, উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে এক হাজার টাকা লাগবে।

    অন্যদিকে, নন-এমপিও বা আংশিক এমপিও প্রতিষ্ঠানে ফি তুলনামূলক কিছুটা বেশি। তবে এই ধরনের প্রতিষ্ঠানেও উন্নয়ন ফি, ভর্তি ও সেশন চার্জও অঞ্চলভেদে কিছুটা ভিন্ন। নীতিমালায় সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ইংরেজি ভার্সনে ভর্তির ক্ষেত্রে। এতে ফি ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা। আর বাংলা ভার্সনের ভর্তি ফি ৭ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন (ঢাকা ব্যতীত) এলাকায় বাংলা ভার্সনে ৫ হাজার টাকা, ইংরেজি ভার্সনে ৬ হাজার টাকা, জেলা শহরে বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার টাকা, ইংরেজি ভার্সনে ৪ হাজার টাকা, উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা ভার্সনে ২ হাজার ৫০০ টাকা, ইংরেজি ভার্সনে ৩ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আর অতিরিক্ত নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বার্ষিক ক্রীড়া মঞ্জুরি ফি বাবদ ৪০০ টাকা শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে। একইসাথে নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনলাইনের বাইরে কোনো ম্যানুয়াল ভর্তি প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য হবে না। শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইন আবেদন ও নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বাংলাদেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এতে জানানো হয়েছে, আবেদন শুরু হবে ৩০ জুলাই এবং শেষ হবে ১১ আগস্ট। এবার সরকারি ও বেসরকারি কলেজে মোট আসনের ৯৩ শতাংশ থাকবে সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত। বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য, ১ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য এবং ১ শতাংশ অধীনস্থ দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে সংরক্ষিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সেসব আসনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

  • ৫২০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৬ কোটি টাকার অনুদান দিয়েছে সরকার

    ৫২০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৬ কোটি টাকার অনুদান দিয়েছে সরকার

    শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, স্থানীয় পর্যায়ে জবাবদিহি এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে দেশের ৫২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও কলেজে পাঁচ লাখ টাকা করে অনুদান পাঠিয়েছে সরকার। ‘পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (পিবিজিএসআই)’ স্কিমের আওতায় এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট থেকে বরাদ্দ হওয়া মোট ২৬ কোটি টাকা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাবেও পৌঁছে গেছে। আর এই অনুদানের একটি নির্ধারিত অংশ পাবে সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরাও।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই অনুদান দেওয়া হয়েছে ‘স্কুল/মাদরাসা/কলেজ ব্যবস্থাপনা জবাবদিহি অনুদান’ (এসএমএজি/এমএমএজি/জিবিএজি) হিসেবে। তবে, অনুদানের টাকা যথাযথভাবে এবং নিয়ম মেনে ব্যয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) একাধিক নির্দেশনাও দিয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট স্কিম অপারেশন ম্যানুয়ালের বিধান মেনে খাতভিত্তিক ব্যয়ের পরিকল্পনা করতে হবে। এ জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রকৃত চাহিদা চিহ্নিত করে রেজুলেশন নিতে হবে। এরমধ্যে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান অনুদানের ৫ লাখ টাকার মধ্যে ১ লাখ টাকা থেকে ২০ জন সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে। আর টাকা দিতে হবে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে এবং যথাযথ রেকর্ড রাখতে হবে। অবশিষ্ট চার লাখ টাকা ব্যয়ের খাত নির্ধারণ করবে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি। খাতভিত্তিক ব্যয়ে অগ্রাধিকার পাবে শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগ, যেমন- শিক্ষাসামগ্রী, টয়লেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন, ডিজিটাল ল্যাব, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ বা পাঠাগার সম্প্রসারণ।

    আর সব ক্রয় এবং ব্যয় সরকারি ‘ক্রয় আইন ও বিধিমালা’, ‘অপারেশন ম্যানুয়াল’ এবং ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নীতিমালা–২০২৩’ অনুসরণ করে করতে হবে। নির্ধারিত হারে ভ্যাট ও আয়কর কর্তন করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। প্রতিটি খরচের বিপরীতে স্টক রেজিস্টার, ক্যাশবই ও বিল-ভাউচার সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। টাকা ব্যয়ের পর পূর্ণাঙ্গ বিল-ভাউচার, মনিটরিং ও বাস্তবায়ন কমিটির যৌথভাবে স্বাক্ষরিত টপশিটসহ আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা ভবনের স্কিম দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রমাণপত্রের একটি সত্যায়িত অনুলিপি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া, মাঠপর্যায়ে অনুদান ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ তত্ত্বাবধানে অন্তত ৩০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পরিদর্শন কার্যক্রমের প্রতিবেদন আগামী তিন মাসের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।