Category: খবর

  • বেরোবিতে শহীদ পরিবারের প্রতি ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধা: মঞ্চের নিচে বসলেন উপদেষ্টারা

    বেরোবিতে শহীদ পরিবারের প্রতি ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধা: মঞ্চের নিচে বসলেন উপদেষ্টারা

    শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। বুধবার (১৬ জুলাই)  ‘জুলাই শহীদ দিবস’-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শহীদ আবু সাঈদসহ ২২ শহীদ পরিবারের সদস্যরা মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন, আর নিচের সারিতে বসেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

    শহীদদের পরিবারকে মঞ্চে বসিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিচে বসার এই নজিরবিহীন দৃশ্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন ও গভীর দেশপ্রেমের পরিবেশ সৃষ্টি করে। হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অতিথিদের চোখে তা হয়ে ওঠে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ স্মরণে ‘জুলাই শহীদ দিবস’-২০২৫ পালন করে। একইসঙ্গে এই দিনে স্মরণ করা হয় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শহীদ আবু সাঈদের পিতা মো. মকবুল হোসেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শহীদদের বিধবা স্ত্রীরা, পিতা-মাতা ও ঘনিষ্ঠ স্বজনেরা। অন্যদিকে দর্শকসারিতে অতিথি হিসেবে অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের দুই উপদেষ্টা- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এবং পানি সম্পদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. তানজীমউদ্দিন খান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, ছয়টি অনুষদের ডিন, প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. রাবিউল ফয়সালসহ বিশিষ্টজনরা।

    শহীদ আবু সাঈদের গ্রামের বাড়ি বাবনপুরে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে দিনের সূচনা হয়। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে উপাচার্য ড. মো. শওকত আলীর নেতৃত্বে শিক্ষক-কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। পরে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে কালো ব্যাজ ধারণ করেন এবং সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বিশাল শোকর‌্যালি বের করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেট থেকে শুরু হয়ে র‌্যালিটি শহরের মডার্ন মোড় প্রদক্ষিণ করে শহীদ আবু সাঈদ গেটে এসে শেষ হয়। এতে অংশ নেন হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

    র‌্যালি শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শহীদ আবু সাইয়েদ গেট ও জাদুঘর এবং শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। শহীদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ স্মারক নির্মাণকে ইতিহাসচর্চা ও প্রজন্ম-সংলাপের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটোরিয়ায় শহীদ স্মরণে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির পরিসমাপ্তি ঘটবে।

  • সারা দেশে ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

    সারা দেশে ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্লকেড কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

    বুধবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রশিদুল ইসলাম রিফাত।

    তিনি লিখেছেন, গোপালগঞ্জে জুলাইয়ের নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সারা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ব্লকেড কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সারা দেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব ইউনিটকে স্থানীয় ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দলসহ সর্বস্তরের ছাত্রজনতাকে সঙ্গে নিয়ে ব্লকেড কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় সড়ক অবরোধ করে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের গাড়িবহরে হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে জেলা শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ বাধা দিতে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছুড়তে দেখা গেছে। এ সময় নেতাকর্মীদের গাড়িবহর লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে এনসিপি নেতাদের নিয়ে পিছু হটতে দেখা যায়।

  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে আশ্বাস শিক্ষা উপদেষ্টার

    প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে আশ্বাস শিক্ষা উপদেষ্টার

    প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও একীভূত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রস্তাবনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কৃষ্টি, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্যা চেইঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান), সাইটসেভার্স এবং ভিজ্যুয়াল ইমপেয়ার্ড পিপলস সোসাইটি (ভিপস)-এর একটি যৌথ প্রতিনিধি দল উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দল প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য একীভূত, সমন্বিত ও বিশেষ শিক্ষাব্যবস্থা আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব তুলে ধরেন।

    প্রতিনিধিদল প্রস্তাব করেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হোক, যা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার নিশ্চয়তায় কাজ করবে। এছাড়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে অভিন্ন শ্রুতিলেখক নীতিমালা প্রণয়ন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) ব্রেইল শাখা চালু এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধীদের জন্য পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রমে সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়নেরও আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা কার্যক্রম সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার দাবি জানান প্রতিনিধিরা।

    শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার প্রতিনিধিদের প্রস্তাবনাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

    প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন কৃষ্টির সভাপতি সাবরিনা সুলতানা, সহ-সভাপতি ইফতেখার মাহমুদ, বি-স্ক্যান এর সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুব, সাইটসেভার্স এর অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন কো-অর্ডিনেটর খন্দকার সোহেল রানা এবং ভিপস এর নির্বাহী সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

  • শাহবাগে নারীদের সাহসী উত্থান উদযাপনে মশাল মিছিল

    শাহবাগে নারীদের সাহসী উত্থান উদযাপনে মশাল মিছিল

    ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে নারী শিক্ষার্থীদের উত্থান স্মরণ এবং অভ্যুত্থানের অংশীদার সব নারী যোদ্ধা, শহীদ নারীদের শ্রদ্ধা ও অভিবাদন জানাতে সমাবেশ ও মশাল মিছিল করেছে নারী সংহতি।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    মশাল হাতে নারীরা ঘুরে আসেন শাহবাগ মোড়, টিএসসি চত্বর। আলোয় আলোয় তারা জানান দেন–নারীবিদ্বেষের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এখনও শেষ হয়নি।

    সমাবেশে নারী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠকরা অংশ নেন। তুলে ধরেন অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশেও নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বীকৃতির প্রশ্নে রয়েছে অনেক অপূর্ণতা।

    নারীর প্রতি সহিংসতা, সামাজিক বৈষম্য ও বঞ্চনার প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, এই লড়াই শুধু স্মৃতি নয়, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্যও জরুরি।

    সমাবেশ ও মশাল মিছিলে সভাপতিত্ব করেন নারী সংহতির সভাপতি শ্যামলী শীল। অনুষ্ঠারে আরও উপস্থিত ছিলেন নারী সংহতির সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা চন্দ, সহ-সাধারণ সম্পাদক রেবেকা নীলা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কানিজ ফাতেমা প্রমুখ।

  • ১৬ জুলাই রাষ্ট্রীয় শোক

    ১৬ জুলাই রাষ্ট্রীয় শোক

    ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রী পরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় শোক পালন করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

    এতে বলা হয়, সরকার এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।

    এদিন শহীদদের মাগফেরাতের জন্য বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

  • ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণে ব্যয় হবে ১১১ কোটি টাকা

    ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণে ব্যয় হবে ১১১ কোটি টাকা

    জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এটি রূপান্তরে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১১ কোটি ১৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

    আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে জাদুঘরের রূপান্তরের কার্যক্রম সমাপ্ত করতে এই জাদুঘরের ‘সিভিল’ ও ‘ই/এম’ অংশ নির্মাণ বা সংস্কারকাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনীতি বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন, শহীদদের স্মারকের পাশাপাশি বিগত সরকারের ১৬ বছরের নিপীড়নের বিভিন্ন ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে এ জাদুঘরে।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    জাদুঘরের ই/এম অংশ বলতে ইলেকট্রো মেকানিক্যাল অংশকে বোঝায়। যার মধ্যে ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল অংশ থাকে। যেমন—ইলেকট্রিক তার, সুইচসহ বিভিন্ন ইলেকট্রিক ও মেকানিক্যাল সামগ্রী।

    আর সিভিল অংশ বলতে ইলেকট্রো মেকানিক্যাল অংশ বাদে বাকি অংশকে বোঝায়। অর্থাৎ ই/এম এবং সিভিল এই দুটি অংশের মধ্যে জাদুঘরের সম্পূর্ণ অংশই থাকবে।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের এই সময়ের মধ্যে জাদুঘরের ই/এম অংশ নির্মাণ/সংস্কার করা সম্ভব হবে না। এ জন্য এই নির্মাণ বা সংস্কারকাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করা হবে।

    মেসার্স শুভ্রা ট্রেডার্স-কে দিয়ে এই কাজ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গণপূর্ত বিভাগ। এ জন্য ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪০ কোটি ৮২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

    জাদুঘরের ই/এম অংশ নির্মাণ বা সংস্কারকাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার জন্য বৈঠকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে বৈঠকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সিভিল অংশের কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অবলম্বন করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে দিয়ে এই কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গণপূর্ত বিভাগ। এ জন্য ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

    অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তা অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ৫ আগস্ট এই জাদুঘরের উদ্বোধন করা হতে পারে।

  • মোহাম্মদপুরে ছাদ থেকে পড়ে আহত সেই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    মোহাম্মদপুরে ছাদ থেকে পড়ে আহত সেই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় দোতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুশরাত জাহান শিমু (১৪) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    সোমবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সে মারা যায়।

    মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উক্যমং রাখাইন জানান, শিক্ষার্থীর পরিবারের আবেদনের পর মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকালে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    তিনি জানান, গত ৩ জুলাই ঢাকা উদ্যান ভাড়া বাসায় দ্বিতীয় তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আহত হয় নুসরাত। ওইদিন তাদের পারিবারিক একটি অনুষ্ঠান ছিল। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ছাদে গিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যায়।

    পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, পরে সেখান থেকে নিউরো সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের স্থায়ী বাসিন্দা হলেও তারা থাকতো ঢাকা উদ্যান এলাকায়। তার বাবার নাম ইলিয়াস কাঞ্চন সোহাগ।

  • ‘জুলাই উইমেন্স ডে’র মাঝরাতে ২০০০ ড্রোন প্রদর্শনী

    ‘জুলাই উইমেন্স ডে’র মাঝরাতে ২০০০ ড্রোন প্রদর্শনী

    ঘড়ির কাটায় তখন রাত সাড়ে এগারোটা। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে আগত শত শত উল্লাসিত ছাত্র জনতা অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আকাশের দিকে। মুহূর্তেই ২ হাজার ড্রোনের আলোকসজ্জা ও কারুকার্যে আকাশে ভেসে ওঠে ১৪ ই জুলাই এর প্রতিচ্ছবি।

    স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সময়ের গুম, হত্যা, ধর্ষণ, লুটতরাজ ও নৈরাজ্যসহ নানা বিষয় উঠে আসে ড্রোনের এই প্রদর্শনীতে। এরপর পর্যায়ক্রমে আকাশে ভেসে ওঠে বিডিআর বিদ্রোহ, গুম হওয়া ইলিয়াস আলী, আরমান, মাইকেল ও সুমনের প্রতিচ্ছবি।

    এছাড়াও প্রদর্শনীতে ফুটে ওঠে শাপলা ম্যাসাকার, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড, সরকারের মদদ পুষ্ট লুটপাট কারীদের ছবি, লাইলাতুল ইলেকশনের ইতিহাস।

    এরপর প্রায় দশ মিনিট রংবেরঙের আলোয় ২০০০ ড্রোনের প্রদর্শনীতে একে একে ‘১৪ জুলাই,’ ‘পোস্ট ডিলিট করো,’ ‘তুমি কে, আমি কে,’ ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে,’ ‘জন্মভূমি অথবা মৃত্যু,’ ‘শোনো মহাজন, আমরা অনেকজন’- এসব স্লোগান তুলে ধরা হয় এই ড্রোন প্রদর্শনীতে। প্রদর্শনীর শেষে ড্রোনগুলো ফিরে যায় পশ্চিম আকাশে।

    গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি পুনর্জাগরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই বিপ্লবী সংগীত শিল্পী ও জুলাই যোদ্ধা ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান ‘এই মেয়ে শোন’, আমি জুলাইয়ের গল্প বলবো’, ‘আমার নাম প্যালেস্টাইন’, প্রভৃতি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন।

    এর আগে ওইদিন বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

    সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্মিত একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়। এরপর দিপক কুমার গোস্বামী ‘স্পিকিং’ ও ‘জুলাই বিষাদ সিন্ধু’ চলচ্চিত্রসমূহ যথাক্রমে প্রদর্শিত হয়।

    এ সময় দর্শক সারীতে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

    এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান, নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক লতিফুল ইসলাম শিবলী, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ও উপ প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার সহ সরকারি ও বেসরকারি উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক উমামা ফাতেমা বলেন, “জুলাই কারো একার না। জুলাই সবার, জুলাই পুরো বাংলাদেশের। আমরা জুলাই বিক্রি করি না, কাউকে বিক্রি করতেও দেবো না।”

    জুলাই আন্দোলনের আরেক সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম বলেন “মেয়েদের জন্য আলাদা করে একটা অনুষ্ঠান করতে হবে, এরকমটা আমরা চাই নাই। আমরা চেয়েছিলাম একটা পরিবর্তন হোক। জুলাইয়ের এতগুলো মেয়ে এখন কেন নাই, কেন তাদেরকে আলাদা করে এড্রেস করা লাগে? বাকি দিনগুলোতে তারা সম্মান পায় না? এই কথাগুলো বলা দরকার।”

    জুলাইয়ে নারী হিসেবে নয়, নাগরিক হিসেবে পথে নেমেছিলেন বলেও জানান নুসরাত তাবাসসুম।

    স্লোগান গার্লরা মঞ্চে এসে স্লোগান দেয়ার পর পারসা মাহজাবীন ‘চলো ভুলে যাই’, ‘মুক্তির মন্দির’ ও ‘মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম’ গান পরিবেশন করে। ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’, ‘পলাশীর প্রান্তর’, ‘ঘুরে দাঁড়াও’ ও ‘বাংলাদেশ’ গানসমূহ পরিবেশন করেন শিল্পী এলিটা করিম। এফ মাইনর আলো আসবেই, ডাহুক ও মেয়ে গানসমূহ পরিবেশন করেন।

    এভাবেই বর্নাঢ্য আয়োজনে সমবেত ও একক সংগীত পরিবেশন এর মধ্য দিয়ে ১৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণের অনুষ্ঠান শেষ হয়।

    গত বছরের ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মেয়েরা বেরিয়ে এসে জুলাই আন্দোলনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছিল, যার মধ্য দিয়ে পতন হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকারের। জুলাই আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে সেই দিনটিকে ‘জুলাই কন্যা দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

  • ৬৪ জেলায় হবে ‘জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ’

    ৬৪ জেলায় হবে ‘জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ’

    জুলাই আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে দেশের ৬৪টি জেলায় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী। তিনি বলেন, আজ নারায়ণগঞ্জ থেকে এ নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে এবং আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে সবগুলো নির্মাণ স্মৃতিস্তম্ভ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

    সোমবার (১৪ জুলাই) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    ফারুকী বলেন, ‘এই স্মৃতিস্তম্ভগুলো হবে লেখানির্ভর, কারণ জুলাই আন্দোলন মূলত স্লোগান, কবিতা, বিবৃতি ও লেখার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে শহিদদের আত্মত্যাগকে পৌঁছে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

    রাজধানীর বাইরের কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে ফারুকী বলেন, ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ আবু সাঈদ ও অন্যান্যদের স্মরণে শ্রদ্ধা জানাবেন উপদেষ্টারা।

    চট্টগ্রামে ওই দিন কাজীর দেউড়ি স্টেডিয়ামে ঢাকা-চট্টগ্রামের শিল্পীদের অংশগ্রহণে একাধিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে, যার পর্দা নামবে ড্রোন আর্ট প্রদর্শনীর মাধ্যমে। ওই দিন সকালেই সংবাদ সম্মেলনে কনসার্টের চূড়ান্ত লাইনআপ প্রকাশ করা হবে।

    তিনি আরও জানান, আগামী ৫ আগস্ট গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের’ উদ্বোধন করা হবে, যদিও সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য তা পরবর্তীতে উন্মুক্ত করা হবে।

  • গণভবনে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট

    গণভবনে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট

    গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর রূপান্তরের কাজ এগিয়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। আগামী ৫ আগস্ট জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সারওয়ার ফারুকী।

    তিনি বলেন, গণভবন একটা ক্রাইম জোন। এখান থেকেই হত্যা গুম-খুনের পরিকল্পনা করা হয়। ভবনটিকে এমনভাবে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে যাতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের বাস্তবচিত্র ফুটে ওঠে।

    সোমবার (১৪ জুলাই) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, গণভবন শুধু দুঃশাসনের প্রতীক নয়, এটা এক ক্রাইম জোন। এখানে বসেই হত্যা গুম খুনের পরিকল্পনা করেন ফ্যাসিবাদী হাসিনা। গণভবনকে মূল আদলে রেখেই ফুটিয়ে তোলা হবে হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামল। যেখানে ব্যবহার করা হবে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তি। যাতে মানুষ সহজেই স্বৈরাচারের ভয়াবহতা অনুধাবন করতে পারে।

    শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বের জন্যই জুলাই স্মৃতি যাদুঘর উন্মুক্ত থাকবে বলেও জানান উপদেষ্টা।