Category: খবর

  • নিউমার্কেটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    নিউমার্কেটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    রাজধানীর নিউমার্কেট থানাধীন বিশ্বাস বিল্ডার্স সিটি কমপ্লেক্সের ১৮ তলার একটি কক্ষ থেকে ফাতেমা আনোয়ারা ইশা (২৬) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    রোববার (২৯ মে) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউমার্কেট থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. হালিম বলেন, ‘আমরা আজ বিকেলের দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল বহুতল ভবনের ১৮ তলায় ওই শিক্ষার্থীর নিজ কক্ষ থেকে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় টাই পেঁচানো অবস্থায় অচেতন দেহটি উদ্ধার করি। পরে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, ওই শিক্ষার্থী আর বেঁচে নেই।’

    নিউমার্কেট থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. হালিম বলেন, ‘আমরা ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি তিনি ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পাশাপাশি অনলাইন বিজনেস করতেন।’

    মো. হালিম জানান, আজ দুপুরের পর কাউকে কিছু না বলে নিজের কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে রাখে ইশা। বেশ কিছু সময় পার হলে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে তার স্বজনরা দেখতে পায় গলায় টাই পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে ইশা। পরে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই শিক্ষার্থীর অচেতন দেহটি উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • লেকে মিলল ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থীর লাশ, মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন

    লেকে মিলল ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থীর লাশ, মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন

    বগুড়ার শাজাহানপুরের মাঝিরা বি-ব্লক এলাকায় বোট ক্লাবের লেক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হাসিন রাইহান সৌমিকের (২৭) মরদেহ উদ্ধার নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

    সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ বলছে, তিনি লেকে নেমে আত্মহত্যা করেছেন। আবার তার বাবা, চাচা ও পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন, পূর্ব বিরোধে সৌমিককে শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্বজনরা জানান, হাসিন রাইহান সৌমিক বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বোচারপুকুর গ্রামের তৌফিকুর রহমান হেলালের ছেলে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলার নূর মসজিদ এলাকায় ‘কোহিনুর গার্ডেনের’ ৫ম তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। সৌমিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স শেষ করেন। বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস ডালাসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

    সৌমিক গত ২৬ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে হাঁটার জন্য বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলার বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ও তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। পরদিন তার বাবা তৌফিকুর রহমান বগুড়া সদর থানায় ছেলে নিখোঁজের ব্যাপারে সাধারণ ডায়েরি করেন। তারপর থেকে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীরা দিনরাত তাকে খোঁজাখুঁজি করেন।

    এদিকে রোববার বেলা ১০টার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা বি-ব্লক এলাকায় বোট ক্লাবের লেকে তার মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা এসে সৌমিকের মরদেহ শনাক্ত করেন। তার প্যান্টের পকেটে পলিথিনে মোড়ানো মানিব্যাগ ও ব্লুটুথ পাওয়া গেছে।

    শাজাহানপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাসুদ করিম জানান, সুরতহালে তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রাতে সৌমিক নিজেই লেকে নামেন। এরপর তার মৃত্যু হয়। মরদেহ বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে; ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    লেক থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় উপস্থিত শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের সদস্য তাজুল ইসলাম জানান, লেকে যে পরিমাণ পানি ছিল তাতে একজন যুবকের পড়ে ডুবে যাওয়া সম্ভব নয়। লাশ পানিতে উপুড় হয়ে ভাসছিল। নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল।

    বাবা তৌফিকুর রহমান হেলাল ও চাচা সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবিব রতন জানান, ঢাবি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স মেধাবী সৌমিক বৃত্তি নিয়ে আমেরিকায় উচ্চতর ডিগ্রি নিতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার কোনো হতাশা ছিল না। এছাড়া বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে আত্মহত্যার কোনো কারণ নেই।

    তারা দাবি করেন, ফ্ল্যাটের এসির পানি পড়া নিয়ে ঈদের আগে নিচতলার এক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে সৌমিকের ঝগড়া হয়েছিল। তাদের ধারণা, ওই ঘটনার জেরে সৌমিককে পরিকল্পিতভাবে শাজাহানপুরে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    সৌমিকের বাবা ও চাচা আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত চক্র সৌমিকের নামে ঢাকায় যাওয়ার বাসের টিকিট সংগ্রহ করেছে। এছাড়া তার মোবাইল ফোনে বরিশাল ও ঢাকার মতিঝিল থেকে আসা ফোনের রেকর্ড রয়েছে। ওই চক্র এ হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ঢাকার টিকিট সংগ্রহ দেখায়। শিগগিরই তারা এ ব্যাপারে হত্যা মামলা করবেন। বাবা তৌফিকুর রহমান হেলাল ছেলের হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন।

    এদিকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে সৌমিকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার মরদেহ দাফনের জন্য গ্রামের বাড়ি সোনাতলার বোচারপুকুর গ্রামে নেওয়া হয়েছে। সৌমিকের মৃত্যুতে শুধু তার পরিবারে নয়; পুরো গ্রামবাসী ও বন্ধু-বান্ধবদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: তদন্তে মিলেছে ৩০ জনের সম্পৃক্ততা

    শহিদ আবু সাঈদ হত্যা মামলা: তদন্তে মিলেছে ৩০ জনের সম্পৃক্ততা

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহিদ রংপুরের আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    গত ২৪ জুন তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছে তদন্ত সংস্থা। প্রতিবেদনে আবু সাঈদ হত্যার সঙ্গে ৩০ জনের সম্পৃক্ততা মিলেছে বলে জানা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হতে পারে।

    এ মামলায় চার আসামি কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন- রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় ও ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গতবছরের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ।

  • মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ‘পাবলিক’ করার নির্দেশ

    মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ‘পাবলিক’ করার নির্দেশ

    যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ও অন্যান্য ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পরীক্ষা করতে বিদেশে অবস্থানরত মার্কিন কূটনীতিকদের সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তারই অংশ হিসেবে হিসেবে এবার ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের সেটিংস “পাবলিক” করতে বললো মার্কিন দূতাবাস।

    বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “যেসব ব্যক্তি ভিসার জন্য আবেদন করছেন, তাদের সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা সেটিংস ‘পাবলিক’ বা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে তাদের পরিচয় ও প্রবেশযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করবে।”

    এ নিদের্শনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এর আগে, গত এপ্রিলে রুবিও যখন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছিলেন তখন মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছিল, মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রশাসনের সমালোচকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতেই এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন।

    জানা গেছে, এই সিদ্ধান্ত আসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ সই করার নয় সপ্তাহ পর। সেই আদেশের মাধ্যমে কিছু বিদেশি নাগরিককে বহিষ্কার করার অভিযান শুরু হয়। এর যার মধ্যে “মার্কিন নাগরিক, সংস্কৃতি, সরকার, প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠার মূলনীতির প্রতি বৈরী মনোভাব” থাকতে পারে-এমন ব্যক্তি রয়েছেন।

    ট্রাম্প আরও একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যার মাধ্যমে তিনি “বিরোধী মনোভাবসম্পন্ন” বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করতে বলেন, বিশেষ করে যারা গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধবিরোধী বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন।

    রুবিওর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কিছু শিক্ষার্থীর ভিসার আবেদন পাঠানো হয়েছে প্রতারণা প্রতিরোধ ইউনিটের কাছে। বিশেষ এই ইউনিট ওই শিক্ষার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় তৎপরতা যাচাই করবে। যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ও ইহুদিবিরোধী মনোভাবের ইঙ্গিত মিললে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

    প্রতারণা প্রতিরোধ ইউনিট সাধারণত দূতাবাস বা কনস্যুলেটের কনস্যুলার শাখার অংশ, যা ভিসা আবেদনকারীদের স্ক্রিনিং করতে সহায়তা করে।

  • ফেসবুকের ‘ভিডিও’ থেকে আয় করা যাবে না আর

    ফেসবুকের ‘ভিডিও’ থেকে আয় করা যাবে না আর

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে যারা আয় করতেন, তাদের জন্য বড় ধাক্কা হতে যাচ্ছে মেটার নতুন সিদ্ধান্ত। এবার থেকে ফেসবুকে আর আলাদাভাবে ভিডিও পোস্ট করা যাবে না- সব ভিডিও-ই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘রিলস’ হিসেবে গণ্য হবে। এর ফলে ফেসবুকের ভিডিও প্ল্যাটফর্মে আয়ের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মেটা।

    সাম্প্রতিক এক ঘোষণায় মেটা জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে যে ভিডিওই আপলোড করবেন না কেন- তা ছোট হোক অথবা দীর্ঘই হোক, সেই সব ভিডিওই নিজে থেকে রিল হিসেবেই পোস্ট হবে। আগে ভিডিও ও রিলস ছিল আলাদা দুটি ফিচার। এবার থেকে ভিডিও ও রিলসের ব্যবধান মুছে যাচ্ছে।

    এতদিন ফেসবুকে ভিডিও এবং রিলের জন্য আলাদা আলাদা টুল ছিল। এখন একটি সিঙ্গেল সিম্পল ইন্টারফেসে সব কিছুকে নিয়ে আসতে চলেছে মেটা। এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা সহজেই ভিডিও ক্রিয়েট, এডিট এবং শেয়ার করতে সক্ষম হবেন।

    এই নতুন আপডেটের সঙ্গে সঙ্গে একাধিক ক্রিয়েটিভ টুলও পাওয়া যাবে। যা ভিডিওকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সাহায্য করবে। ভিডিওর কোনো ধরা বাধা সময়ও থাকবে না। যত বড় ইচ্ছা তত বড় ভিডিও আপলোড করতে পারবেন রিলসে।

    এক সময় রিলসের ক্ষেত্রে টাইম লিমিট ছিল ৬০ সেকেন্ড অথবা ৯০ সেকেন্ড। কিন্তু এখন এমন কোনো কিছুই আর থাকবে না। ব্যবহারকারী চাইলে ৩০ সেকেন্ডের শর্ট ক্লিপ অথবা একটি ১০ মিনিটের টিউটোরিয়াল ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। তবে সেই সবকিছুই রিলস হিসেবে আপলোড হবে।

  • গাজায় শিগগিরই ‘যুদ্ধবিরতি’ হবে: ট্রাম্প

    গাজায় শিগগিরই ‘যুদ্ধবিরতি’ হবে: ট্রাম্প

    গাজায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নেদারল্যান্ডসে ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ খবর দেন।

    ট্রাম্প বলেন, ‘গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের ব্যাপারে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।’ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ তাকে জানিয়েছেন খুব শিগগিরই গাজায় ‘যুদ্ধবিরতি’ হবে। খবর সিএনএনের।

    গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় আজ অন্তত ৫১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় হাসপাতাল সূত্র। নিহতদের মধ্যে অন্তত ১৪ জন মারা গেছেন ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলোর কাছে, যেখানে খাবার সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তারা। খবর আল-জাজিরার।

    এক সময় এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় তুললেও, এখন তা প্রতিদিনকার বিষয় হয়ে উঠেছে। ক্ষুধা ও নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে বেঁচে থাকা গাজার হাজারও মানুষ জীবন ঝুঁকি নিয়েও খাদ্যের খোঁজে বের হচ্ছেন।

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া ইসরাইলের এ বর্বরতায় গাজায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫৬ হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে ১,৩১,৮৪৮ জন। সহিংসতার শিকার অধিকাংশই বেসামরিক জনগণ, যার মধ্যে বহু নারী ও শিশু রয়েছে।

    এদিকে ন্যাটো সম্মেলনে গিয়ে ইরানে সম্প্রতি চালানো মার্কিন হামলাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমি হিরোশিমা বা নাগাসাকির উদাহরণ দিতে চাই না, কিন্তু বাস্তবে সেগুলো যুদ্ধের ইতি টেনেছিল – যেমনটা এবার ইরানের ক্ষেত্রেও ঘটেছে।

    ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘কয়েক দশক পিছিয়ে গেছে’, এবং এটি ইরানের জন্য এমন এক ‘ভয়াবহ অভিজ্ঞতা’ ছিল, যা তাদেরকে ভবিষ্যতে কখনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে বাধা দেবে।

    ট্রাম্প বলেন, তিনি এখন ইসরাইলের কাছ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছেন এবং তার দাবি—এ হামলা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসের’ একটি নিদর্শন হয়ে থাকবে।

  • ২৮ জুন ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি ঘোষণা

    ২৮ জুন ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি ঘোষণা

    অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে আগামীকালের (বৃহস্পতিবার) আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে দাবি আদায়ে ২৮ জুন লাগাতার কমপ্লিট শাটডাউনের পাশাপাশি ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।

    বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর ঐক্য পরিষদের সভাপতি অতিরিক্ত কমিশনার হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার ও অতিরিক্ত কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতাসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আগামীকাল (২৬ জুন) বিকেল ৫টায় বিসিএস (কর) ও সিসিএস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ক্যাডারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা। আমরা বরাবরই আলোচনার পক্ষে। আর আলোচনার পক্ষে ছিলাম বলেই ২০ মে উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় অংশগ্রহণ করি। সংস্কার ঐক্য পরিষদের ১৩ জন প্রতিনিধিসহ মোট ২৬ জন সভায় উপস্থিত ছিলেন। এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দুজন প্রতিনিধিকে মোট ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।’

    ‘আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পরও আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে অর্থ উপদেষ্টা উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান। অর্থাৎ আমাদের আলোচনার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। অন্যদিকে তিনি এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদের আগামীকালের আলোচনার জন্য আহ্বান করেননি, চিঠিও পাঠাননি। সেহেতু এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করব না আমরা।’

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ‘কিছুক্ষণ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একজন বিতর্কিত সদস্যের স্বাক্ষরিত সভার নোটিশ এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ নোটিশের মাধ্যমে আগামীকাল অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সভার প্রস্তুতি গ্রহণ করার লক্ষ্যে আজ (বুধবার) সকাল ১০টায় একটি সভা আহ্বান করা হয়েছে।’

    ‘তবে নোটিশটি এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদকে পাঠানো হয়নি। কিন্তু মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি। ধরে নেওয়া যায়, একদিন আগের তারিখ দিয়ে জারিকৃত এই সভার নোটিশটি একটি আই-ওয়াশ ছাড়া কিছুই নয়। তদুপরি, ঐক্য পরিষদ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত কমিটির সঙ্গে আলোচনা করার কোনো সুযোগ নেই মর্মে ঐক্য পরিষদ মনে করে।’

    ‘এ অবস্থায় আমাদের দাবি অনতিবিলম্বে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ৪৪ আমলার তালিকায় তিন নম্বরে থাকা বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণের মধ্য দিয়েই সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কারের যাত্রা শুরু হবে। এর আগে কোনো আলোচনা নয়।’

  • মামলা থেকে নাম বাদসহ হয়রানী বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন

    মামলা থেকে নাম বাদসহ হয়রানী বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন

    বেআইনী ভাবে সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগ এনে যশোরের চৌগাছা থানার মাকাপুর গ্রামের ৩৬ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদি পুলিশ।

    গত ০৬ মে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ০৭ মে চৌগাছা থানার এসআই মেহেদী হাসান মারুফ বাদি হয়ে মামলাটি করেন। ওই মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন থেকে ২৩ জনকে বাদসহ হয়রানী বন্ধের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদনপত্র দেওয়া হয়েছে।

    আবেদনকারী স্নেহলতা পারভীন বলেন, ‘গত ০৬ মে কথিত এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্য প্রণোদিত একটি মামলা করা হয়। ঘটনার দিন সাধারণ পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য গ্রামের বাজার থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করতে গেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সেখানের যে ভিডিও রয়েছে সেটিতেও তা স্পষ্ট। তবে, হয়রানী এবং গ্রামের সাধারণ মানুষকে ফাঁসাতে ৩৬ জনসহ আরও ১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করে। এরপর থেকে নানা ভাবে গ্রামে হয়রানী ধড়পাকড় করে পুরুষ শূন্য করা হয়।’

    তিনি অভিযোগ করেন, এ কে এম মর্তুজা রাসেল অধৈব ভাবে জমি দখল করতে চৌগাছা থানার ওসিকে ম্যানেজ করছেন। রাসেলের পক্ষ নিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষকে নানা ভাবে হয়রানি করে আসছে। যার অংশ হিসেবে এই মামলা করা হয়েছে। মামলা খারিজসহ সাধারণ মানুষকে হয়রানী বন্ধের জন্য বিভিন্ন সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে গেলে তিনি কোনো সহযোগীতা করেননি। হয়রানী বন্ধের জন্য এসপি অফিসেও জানানো হয়েছে। মামলার পর দিন ০৮ মে ওসির নির্দেশে এসআই মারুফ, আশরাফ, হোসেন পাটুয়ারীসহ আরও ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য মিলে গ্রামের ছানাউল্লার ঘরের তালা ভেঙে ২৫ বস্তা ধান নিয়ে যায়।

    স্নেহলতা পারভীন বলেন, ‘মো. শফি ধান থানায় নিতে তার ইঞ্জিন চালিত গাড়ি (ট্রলি) ব্যবহার করেন। একইসঙ্গে ওই ঘটনার শুরু থেকে পুলিশের কাজে সাহায্য করেন।’

    তিনি বলেন, ‘ঈদ-উল-আজহার আগে হাইকোর্ট থেকে এই মামলায় জামিন নেওয়া হয়েছে। গ্রামের মানুষ হয়রানী বন্ধের দাবি নিয়ে ঢাকার প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনও করেছেন। তবে কোনো ভাবেই হয়রানী বন্ধ না হওয়াতে ডাকযোগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করা হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু বিচার আশা করছি।

    এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘যাচাই বাছাই করেই মামলাটা নেওয়া হয়েছে। আসামিপক্ষ তো অনেক বক্তব্যই দেবে। আমাদের অফিসার তদন্ত করছে। তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক ঘটনা যেটি সেটিই রিপোর্ট হবে।’

  • মাসিক ভাতা পাবেন ‘জুলাই যোদ্ধারা’, সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার

    মাসিক ভাতা পাবেন ‘জুলাই যোদ্ধারা’, সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার

    চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আহত ‘জুলাই যোদ্ধারা’ আগামী মাস থেকে মাসিক ভাতা পাবেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। তিনি বলেছেন, মাসিক ভাতার পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে “আহত যোদ্ধারা” আজীবন সরকারি মেডিক্যাল হাসপাতালগুলোতে বিনা খরচে চিকিৎসা পাবেন।

    সোমবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ অফিস কক্ষে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা জানান।

    উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করতে ৫৪ বছর লেগেছে। কিন্তু আমরা (বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) মাত্র সাত-আট মাসের মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী শহীদ যোদ্ধা ও আহতদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করে ফেলেছি। এটাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। আগামীতেও আহত যোদ্ধারা যাতে নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি বা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারেন, সেভাবে তাদেরকে পুনর্বাসনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

    উপদেষ্টা জানান, জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের জন্য ইতোমধ্যে আলাদা অধিদপ্তর স্থাপন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১০ম তলায় এ অধিদপ্তরের জন্য বিশ জন অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে অধিদপ্তর থেকে জুলাই যোদ্ধাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করা হচ্ছে।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, জুলাই যোদ্ধারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ। বাংলাদেশ আজীবন তাদেরকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। এ দেশের সরকার ও জনগণ তাদের ত্যাগের মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।

    ফারুক-ই-আজম আরো বলেন, শহীদদের অনেকেরই হয়তোবা খোঁজ আমরা রাখি নাই বা রাখতে পারিনি। তবে গণঅভ্যুত্থানের এতোদিন পরেও যদি কেউ অধিদপ্তরে এসে অভিযোগ করে যে, তার কোন স্বজন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধান তিনি চান। সেক্ষেত্রে যাদেরকে গণকবর দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করে হলেও তাদের আবেদনের বিষয়ে সরকার আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করবে। তাদের জন্য সরকারের আন্তরিকতার কমতি থাকবে না।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ‘জুলাই যোদ্ধারা’ ক্যাটাগরি অনুযায়ী এককালীন ও মাসিক ভাতা পাবেন। জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহতদের ‘ জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আহত জুলাই যোদ্ধারা ‘এ’ ‘বি’ এবং ‘সি’ এই তিন ক্যাটাগরিতে মাসিক ভাতা পাবেন। ক্যাটাগরি ‘এ’ মাসে ২০ হাজার টাকা, ‘বি’ ক্যাটাগরি মাসে ১৫ হাজার এবং ‘ক্যাটাগরি’ ক্যাটাগরি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। সে অনুযায়ী সনদ ও পরিচয়পত্র দেয়া হচ্ছে।

    তিনি জানান, গেজেট আকারে ৮৩৪ জন ‘জুলাই শহীদের’ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রত্যেক জুলাই শহীদ পরিবার এককালীন ৩০ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে। আর বাকি ২০ লাখ টাকা দেয়া হবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অর্থাৎ আগামী জুলাই মাসে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে। তাছাড়া শহীদ পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে প্রতি মাসে ভাতা দেয়া হবে। শহীদ পরিবারের সক্ষম সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন সরকারি ও আধা-সরকারি চাকরিতে।

    তিনি বলেন, আহত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে যারা চিকিৎসা নেয়ার পরও অন্যের সহায়তা ছাড়া জীবন যাপন করতে পারছেন না, যেমন যার দুটি চোখই অন্ধ হয়ে গেছে। অথবা এমন অঙ্গহানি হয়েছে যার কারণে তার পক্ষে একা একা চলাফেরা করা অসম্ভব, তারা ‘এ’ ক্যাটাগরির জুলাই যোদ্ধা হিসাবে বিবেচিত হবেন। এই ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ৪৯৩ জন। তারা এককালীন ৫ লাখ টাকাসহ মাসিক ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। যার মধ্যে ২ লাখ টাকা তারা ইতোমধ্যে পেয়েছেন। বাকী ৩ লাখ টাকা আগামী জুলাই মাসে পাচ্ছেন। তারা বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে আজীবন চিকিৎসা সুবিধা ও উপযুক্ত মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে দেশি-বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা, কর্মসহায়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন সুবিধা, পরিচয়পত্র পাবেন। গুরুতর আহত ৭ জনকে ইতোমধ্যে তুরস্কে পাঠানো হয়েছে। অনেককে থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

    ‘ক্যাটাগরি- বি’ তে রয়েছেন ৯০৮ জন। যারা গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন, কিন্তু অন্যের সহায়তা ছাড়া মোটামুটি চলাফেরা করতে পারেন, যেমন যাদের এক চোখ বা এক পা নষ্ট হয়ে গেছে বা এমন অঙ্গহানি হয়েছে যে, তারা একা মোটামুটি চলতে ফিরতে পারেন। অর্থাৎ চিকিৎসার পর অন্যের আংশিক সহায়তায় জীবনযাপনে সক্ষম যোদ্ধারা আছেন ‘বি’ ক্যাটাগরিতে। তাঁরা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন। এর মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নগদ (ব্যাংক চেকের মাধ্যমে) ১ লাখ টাকা পেয়েছেন। আর আগামী মাসে বাকি ২ লাখ টাকা পাবেন। তাছাড়া এই বি” ক্যাটাগরির যোদ্ধারা ১৫ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন। সাথে প্রশিক্ষণ ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি ও আধা-সরকারি কর্মসংস্থানে চাকরি ও পরিচয়পত্র পাবেন।

    চিকিৎসার পর বর্তমানে যারা সুস্থ তাদের ‘সি’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা। তিনি বাসসকে বলেন, ১০ হাজার ৬৪২ জন ‘জুলাই যোদ্ধাকে’ এই ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তারা এককালীন ১ লাখ টাকা পেয়েছেন। এছাড়া আগামী মাস থেকে ১০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন। সাথে পাচ্ছেন পুনর্বাসন সুবিধা এবং পরিচয়পত্র।

    উপদেষ্টা বলেন, এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ৫ আগস্টকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় দিবস হিসাবে আগামীতে এই দিবসকে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে পালন করা হবে।

    তিনি বলেন, ৮৩৪ শহীদ পরিবারের মধ্যে ১৩৪ জনের পরিবারকে ওয়ারিশ জটিলতার কারণে পাওনা পরিশোধে বিলম্ব হচ্ছে। তাও অতি দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন। আহত যোদ্ধাদের তালিকায় যে সব ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে সেটারও সমাধান করা হচ্ছে।

  • গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মাসব্যাপী আয়োজন, কর্মসূচিতে যা থাকছে

    গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মাসব্যাপী আয়োজন, কর্মসূচিতে যা থাকছে

    আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত জুলাই স্মৃতি উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    আজ (২৪ জুন) মঙ্গলবার একটি সরকারি ঘোষণায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এছাড়া ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

    ১ জুলাই
    মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে শহিদদের স্মরণে এদিন দোয়া ও প্রার্থনা। জুলাই ক্যালেন্ডার দেওয়া হবে। জুলাই হত্যাযজ্ঞের খুনিদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচির শুরু হবে; যা চলবে ১ আগস্ট পর্যন্ত। জুলাই শহীদ স্মরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি চালু হবে।

    ৫ জুলাই
    বিভিন্ন সময়ে অবৈধ আওয়ামী সরকারের জুলুম নির্যাতন প্রচারে ৫ জুলাই দেশব্যাপী পোস্টারিং কর্মসূচি চালু।

    ৭ জুলাই
    ৭ জুলাই Julyforever.org নামক একটি ওয়েবসাইট চালু।

    ১৪ জুলাই ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’
    ১৪ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার, একজন শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য; যা চলবে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত। জুলাই নারী দিবস হিসেবে এই দিনটিকে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিন প্রত্যেক জেলায় জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন। শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ৬৪টি জেলায় ও দেশের প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাইয়ের ভিডিও প্রদর্শন। টিএসসিতে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, প্রজেকশন ম্যাপিং ও জুলাইয়ের গান। ড্রোন শো।

    ১৫ জুলাই ‘আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া’
    ১৫ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ। ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও জুলাইয়ের গান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলইডি ওয়াল ইনস্টলেশন। প্রজেকশন ম্যাপিং। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।

    ১৬ জুলাই ‘কথা ক’
    ১৬ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে তিনটি বিভাগীয় শহরে ‘ভিআর শো’ প্রদর্শন। রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ আবু সাঈদ স্মরণ অনুষ্ঠান। জুলাইয়ের গান এবং ড্রোন শো প্রদর্শন। চট্টগ্রামে জুলাইয়ের গান এবং ড্রোন শো প্রদর্শন।

    ১৭ জুলাই ‘শিকল-পরা ছল’
    ১৭ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। প্রতীকী কফিন মিছিল। দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মরণ’ অনুষ্ঠান। বিভিন্ন প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের ১৭ জুলাইয়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা অনুষ্ঠান। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী।

    ১৮ জুলাই ‘আওয়াজ উডা’
    ১৮ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। ১ মিনিটের প্রতীকী ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, জুলাইয়ের গান, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও ড্রোন শো, ঢাকার বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘জুলাই স্মরণ’ অনুষ্ঠান। ট্র্যাশন শো ও ম্যারাথন।

    ১৯ জুলাই ‘কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙ্গা’
    ১৯ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। শহিদদের স্মরণে সমাবেশ-১ নরসিংদী, সাভার। ঢাকাসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জুলাইয়ের তথ্যচিত্র প্রদর্শন। এইদিনটিকে গণহত্যা ও ছাত্রজনতার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ২০ জুলাই ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’
    ২০ জুলাইয়ের স্মরণ ভিডিও শেয়ার। ঢাকা-সহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জুলাইয়ের তথ্যচিত্র প্রদর্শন। শহিদদের স্মরণে সমাবেশ-২ (স্থান—বসিলা, মিরপুর ১০)।

    ২১ জুলাই ‘রক্ত গরম মাথা ঠান্ডা’
    ২১ জুলাইয়ের স্মরণ ভিডিও শেয়ার। ঢাকাসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জুলাইয়ের তথ্যচিত্র প্রদর্শন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে সব মাদ্রাসায় জুলাইয়ের স্মরণে অনুষ্ঠান। শহিদদের স্মরণে সমাবেশ-৩ (স্থান-যাত্রাবাড়ি)।

    ২২ জুলাই ‘আভাস’
    ২২ জুলাইয়ের স্মরণে ভিডিও শেয়ার। জাহাঙ্গীরনগরে ‘অদম্য-২৪’ স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন। জুলাইয়ের পঙ্‌ক্তিমালা। রাজু ভাস্কর্যের সামনে জুলাইয়ের কবিতা পাঠ করবেন কবিরা।

    ২৩ জুলাই ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’
    ২৩ জুলাইয়ের স্মরণ ভিডিও শেয়ার। রেমিটেন্স যোদ্ধাদের সংযুক্ত করে অনুষ্ঠান। বৈশ্বিক সংহতি: জুলাই আন্দোলনে বিদেশি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মধ্যে যারা ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের নিয়ে অনলাইন ও অফলাইন আয়োজন। দূতাবাসগুলোতে জুলাইয়ের কিছু নির্বাচিত ছবি ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী। গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচি। জুলাই গ্রাফিতি প্রদর্শনী।

    ২৪ জুলাই ‘কি করেছে তোমার বাবা’
    ২৪ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার শিশু শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী কর্মসূচি, দেশব্যাপী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘২৪-এর রঙে গ্রাফিতি ও চিত্রাঙ্কন’ প্রতিযোগিতা, নারায়ণগঞ্জে শিশু শহীদ রিয়া গোপের স্মরণে অনুষ্ঠান, শিশু শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান, জুলাইয়ের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী ও গান, শিশু অ্যাকাডেমিতে জুলাইয়ের শিশু শহীদদের থিম করে একটি আইকনিক ভাস্কর্য স্থাপন, শিশুদের জন্য জুলাই আন্দোলনকে উপজীব্য করে গ্রাফিক নভেল প্রকাশ। এই দিনটি আয়োজন করা হয়েছে শিশু শহীদদের স্মরণে

    ২৫ জুলাই ‘চলো ভুলে যাই’
    ২৫ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। মঞ্চে বিপ্লব: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছোট নাট্যমঞ্চ প্রস্তুত করে নাটক দেখানো হবে।

    ২৬ জুলাই ‘পলাশীর প্রান্তর’
    ২৬ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের জমায়েত ও অনুষ্ঠান। মাদ্রাসার ভূমিকা নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শনী। জুলাইয়ের র‍্যাপ গানের অনুষ্ঠান। বাংলা একাডেমিতে জুলাইয়ের প্রকাশিত বই নিয়ে বইমেলা।

    ২৭ জুলাই ‘ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর গান’
    ২৭ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ। কালচারাল প্যারাডাইম শিফট তথ্যচিত্র ও বৌদ্ধ পূর্ণিমা নিয়ে ভিডিওচিত্র প্রচার।

    ২৮ জুলাই ‘চলো ভুলে যাই’
    ২৮ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। প্রধান উপদেষ্টার একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। জুলাইয়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের অভিজ্ঞতা নিয়ে অনুষ্ঠান। ‘মনসুন আর্কাইভ’র প্রকাশ। ‘চিকিৎসা নেই, লাশ নেই’ শীর্ষক তথ্যচিত্রটি প্রদর্শনী। সারা দেশে রক্তদান ও মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন।

    ২৯ জুলাই ‘বাংলা মা’
    ২৯ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। জুলাই অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক বুদ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডিসকাশন। গাজীপুরে অথবা সাভারে শ্রমিকদের সমাবেশ।

    ৩০ জুলাই ‘চল চল চল’
    ৩০ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। অনলাইনে জুলাই স্মরণ। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রাখা সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠান। জুলাই অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক বুদ্ধিবৃত্তিক প্যানেল ডিসকাশন।

    ৩১ জুলাই ‘কাণ্ডারি হুঁশিয়ার’
    ৩১ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। দেশব্যাপী সব কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির স্মরণে অনুষ্ঠান।

    ৩২ জুলাই (আগস্ট ১) ‘গণজোয়ার’
    ৩২ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। ৬৪টি জেলায় জুলাই নিয়ে বানানো তথ্যচিত্র প্রদর্শন। সব বাংলাদেশি দূতাবাসে জুলাই নিয়ে বানানো নির্বাচিত তথ্যচিত্র প্রদর্শনী। ‘২৪ জুলাই ফটোগ্রাফারের চোখ দিয়ে’ কফি টেবিল বুক প্রকাশনা। জুলাই হত্যাযজ্ঞের খুনিদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচির সমাপ্তি।

    ৩৩ জুলাই (আগস্ট ২) ‘আমি বাংলায় গান গাই’
    ৩৩ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। বাংলাদেশের সব জেলার ‘জুলাইয়ের মায়েরা’ শীর্ষক বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রজেকশন ম্যাপিং।

    ৩৪ জুলাই (আগস্ট ৩) ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’
    ৩৪ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। শাহবাগ থেকে শহিদ মিনার পর্যন্ত শোভাযাত্রা। রিকশায় জুলাইয়ের গ্রাফিতি অঙ্কন ও রিকশা মিছিল। ৬৪টি জেলায় জুলাই নিয়ে বানানো তথ্যচিত্র প্রদর্শনী।

    ৩৫ জুলাই ( আগস্ট ৪ ) ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’
    ৩৫ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। সারা দেশে জুলাই যোদ্ধাদের সমাগম, জুলাইয়ের কার্টুনের প্রদর্শনী। ৬৪টি জেলায় ‘স্পটলাইট অন জুলাই হিরোজ’ শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনী।

    ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) ‘শোনো মহাজন’
    ৩৬ জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার। ৬৪ জেলার কেন্দ্রে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ। শহিদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ, শহিদদের জন্য প্রার্থনা, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অভিমুখে বিজয় মিছিল, এয়ার শো। গানের অনুষ্ঠান, ‘জুলাইয়ের ৩৬ দিন’সহ জুলাইয়ের অন্যান্য ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, ড্রোন শো এবং র‍্যাপের সঙ্গে বচসা।

    এর আগে ১৯ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে স্মরণ করতে ১ জুলাই থেকে কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানান মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    তিনি বলেন, জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। কিন্তু মূল ইভেন্ট শুরু হবে জুলাইয়ের ১৪ তারিখ থেকে। এটি চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত।