Category: খবর

  • নিহতদের ‘জাতীয় শহীদ’ ও ড. ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা কেন নয়

    নিহতদের ‘জাতীয় শহীদ’ ও ড. ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা কেন নয়

    আবু সাঈদ ও মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ জুলাই অভ্যুত্থানে সারাদেশে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের ‘জাতীয় শহীদ’ ও সংস্কার কার্যক্রমে সফলতার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    একই সঙ্গে জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের তালিকা কেন করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১৪ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি এ বিষয়ে পদক্ষেপ চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ইমদাদুল হক নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার পরও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি রিট আবেদন করেন।

  • প্রাথমিকে মাতৃভাষা ও গণিতের উপর আরো গুরুত্ব দিতে হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রাথমিকে মাতৃভাষা ও গণিতের উপর আরো গুরুত্ব দিতে হবে : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাতৃভাষা ও গণিতের উপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থীকে যদি গণিত বিষয়ে যথাযথ ধারণা দেয়া যায়, তবে সেটা তার জীবনের জন্য একটি বড় ভিত্তি। এর ফলে সে নিজ উদ্যোগেই পড়তে পারবে এবং এগিয়ে যাবে।

    রবিবার (১৩ জুলাই) হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত ‘প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অংশীজনের সাথে দিনব্যাপী মতবিনিময় সভায়’’প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন।

    গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে সাক্ষর করে গড়ে তুলতে পারি তাহলে সামগ্রিক শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, যদি সমাজের পশ্চাৎপদ অংশকে সাক্ষর করে গড়ে তোলা যায়, তাহলে তারা জীবনে অনেক এগিয়ে যাবে। যা সামাজিক বৈষম্য নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ ও হাওর অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়। এ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, অনেক সমস্যার স্থানীয়ভাবেই সমাধান সম্ভব। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে যথাযথ উদ্যোগের অভাবে এসব সমস্যার সমাধান হয় না। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় সহজেই সমস্যাগুলো সমাধান করা যায়।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মো. ফরিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান, পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সিলেট বিভাগের উপপরিচালক মো. নূরুল ইসলাম।

  • সুপ্রিম কোর্টের ১৮ বিচারককে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার

    সুপ্রিম কোর্টের ১৮ বিচারককে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার

    সুপ্রিম কোর্টের ১৮ বিচারককে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাদের অবসরে পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-১) আজিজুল হকের সই করা প্রজ্ঞাপন এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের নিম্নবর্ণিত সদস্যদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮- এর ৪৫ ধারার বিধান মতে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হলো।

    অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নামের তালিকা নিচে দেওয়া হলো—

  • এসএসসি-সমমানে পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ, কমেছে জিপিএ-৫

    এসএসসি-সমমানে পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ, কমেছে জিপিএ-৫

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, এবার মোট জিপিয়ে-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। গতবছরের পরীক্ষায় জিপিয়ে-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ শিক্ষার্থী। সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ৪৩ হাজারের বেশি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    গত ১০ এপ্রিল শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়—যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় এক লাখ কম। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ ছাড়া, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৯ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এই হার ৭৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

    শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ১৯৮৪টি
    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারা দেশে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৮৪টি। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৪ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি। সেই হিসেবে এবার শতভাগ পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমেছে ১ হাজার ৯৮৪টি।

    ১৩৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি
    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করেছে। গত বছর শূন্য পাস করা এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫১টি। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৪টিতে।

    পাসের হার ও জিপিএ-৫, দুদিকেই মেয়েরা এগিয়ে
    আগের তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ ও পাসের হারে এগিয়ে আছে মেয়েরা।পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ছিলেন ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩৮৯ জন, ছাত্র ৯ লাখ ৫১ হাজার ৬৯৭ জন। এদের মধ্যে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪৫ জন ছাত্রী ও ৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ জন ছাত্র পাস করেছে। এ হিসাবে ছাত্রীদের পাসের হার ৭১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। অপরদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭৩ হাজার ৬১৬ জন ছাত্রী এবং ৬৫ হাজার ৪১৬ জন ছাত্র। এবার ছাত্রদের চেয়ে ৮ হাজার ২০০ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

    পাসের হারে টানা ১০ বছর এগিয়ে ছাত্রীরা
    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৭১.০৩ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৬৫.৮৮ শতাংশ। সেই হিসাবে এবারও পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। এ নিয়ে টানা ১০ বছর এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা। বিগত ১১ বছরের এসএসসি ও সমমানের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবশেষ ২০১৫ সালে ছাত্রীদের চেয়ে পাসের হারে এগিয়ে ছিল ছাত্ররা। সে বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। তার মধ্যে ছাত্রদের পাসের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ছিল ৮৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এরপর থেকে প্রতিবছর পাসের হারে এগিয়ে ছাত্রীরা।

    বোর্ডভিত্তিক পাসের হার
    এবার সবচেয়ে বেশি পাস করেছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এ বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর আছে—যশোর বোর্ড: ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ, কারিগরি বোর্ড: ৭৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ড: ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ড: ৬৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ড: ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ, ঢাকা বোর্ড: ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ড: ৬৭ দশমিক ০৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ড: ৬৩ দশমিক ৬০ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ড: ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ, বরিশাল বোর্ড: ৫৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

    সাধারণ ৯ বোর্ডে পরীক্ষার্থী: ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন। তার মধ্যে— ছাত্র: ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ জন, ছাত্রী: ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন। এবার সর্বমোট ২ হাজার ২৯১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অংশগ্রহণ করেছে ১৮ হাজার ৮৪টি প্রতিষ্ঠান। মাদরাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থী : ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন। এর মধ্যে— ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন ছাত্র ও ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন ছাত্রী ৭২৫টি কেন্দ্রে, ৯ হাজার ৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছে। তারমধ্যে— ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন ছাত্র এবং ৩৪ হাজার ৯২৮ জন ছাত্রী।

    এবার সবগুলো শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে— ঢাকা বোর্ড: ৩৭ হাজার ৬৮ জন, চট্টগ্রাম বোর্ড: ১১ হাজার ৮৪৩ জন, কুমিল্লা বোর্ড: ৯ হাজার ৯০২ জন, ময়মনসিংহ বোর্ড: ৬ হাজার ৬৭৮ জন, যশোর বোর্ড: ১৫ হাজার ৪১০ জন, বরিশাল বোর্ড: ৩ হাজার ১১৪ জন, দিনাজপুর বোর্ড: ১৫ হাজার ৬২ জন, সিলেট বোর্ড: ৩ হাজার ৬১৪ জন, রাজশাহী বোর্ড: ২২ হাজার ৩২৭ জন। অন্যান্য বোর্ডের ফলাফল— মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড: জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৬ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড: জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কম।

    এবারের এসএসসি পরীক্ষায় নকল করে বহিষ্কার ৭২১ শিক্ষার্থী
    ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় নকলসহ বিভিন্ন অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে সারা দেশে ৭২১ শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছে। তবে এই সংখ্যা গত ছয় বছরের তুলনায় সবচেয়ে কম। ২০২০ সালে যেখানে ১ হাজার ১৫৫ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছিল, সেখানে চলতি বছর এই সংখ্যা কমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২০২০ সালে সর্বোচ্চ ১৪৩ জন শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়। প্রতি বছর এই সংখ্যা কমতে কমতে ২০২৫ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে। একই ধারা কুমিল্লা বোর্ডেও লক্ষ্য করা যায়। ২০২০ সালে যেখানে ৭৭ জন বহিষ্কার হয়েছিল, চলতি বছর সেখানে বহিষ্কৃত হয়েছে ৪৮ জন। বরিশাল বোর্ডে ২০২০ সালের তুলনায় এখন বহিষ্কারের হার অনেকটাই কমে এসেছে—১০২ থেকে ২৮ জনে নেমে এসেছে সংখ্যা। দিনাজপুর বোর্ডেও ১০৫ থেকে কমে ৫৯ জনে ঠেকেছে বহিষ্কারের হার।

    ময়মনসিংহ বোর্ডে যদিও ২০২৩ সালে বহিষ্কারের সংখ্যা ছিল ৮১ জন, চলতি বছর তা কমে ৬৪ জন হয়েছে। রাজশাহী বোর্ডে এ বছর মাত্র ৭ জন বহিষ্কৃত হয়েছে, যা অন্যান্য বোর্ডের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম। যশোর বোর্ডে বহিষ্কৃত হয়েছে ১৫ জন, আর সিলেট বোর্ডে মাত্র ২ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে সর্বনিম্ন বহিষ্কার হয়েছে—শুধু ১ জন। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এ বছর বহিষ্কৃত হয়েছে ৩২৫ জন শিক্ষার্থী। যদিও ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩৬১ জন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এ বছর বহিষ্কৃত হয়েছে ১৩১ জন। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৮৬ জন, তবে ২০২০ সালে যা ছিল ২২৯ জন।

    অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে ছাত্রী ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন। সারা দেশের ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবশ্য এর আগে ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন। সে তুলনায় ২০২৫ সালে পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় এক লাখ। আর ২০২৪ সালে তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৪৮ হাজার পরীক্ষার্থী কমেছিল।

    সব বোর্ডেই গণিতে ভরাডুবি
    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সব বোর্ডেই গণিতে পাসের হার আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় গণিতেই বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। ফলে সব শিক্ষাবোর্ডে গণিতেই ভরাডুবি ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। ১১টি বোর্ডের বিভিন্ন বিষয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো ফল হয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে গণিতে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এই ফল অন্যান্য বোর্ডের তুলনায় অনেকটাই ভালো হলেও বাকি সব বোর্ডেই চিত্রটা হতাশাজনক।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে গণিতে পাস করেছে ৭৫ দশমিক ১৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। রাজশাহী বোর্ডে এ হার কিছুটা ভালো—৮৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। যশোর বোর্ডেও তুলনামূলক ভালো ফল হয়েছে, পাসের হার ৮৫ দশমিক ০২ শতাংশ। তবে কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ফল অনেকটাই খারাপ। কুমিল্লা বোর্ডে গণিতে পাসের হার ৭২ দশমিক ০১ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৭১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে মাত্র ৬৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। বরিশাল বোর্ডে এই হার আরও কম—মাত্র ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে গণিতে পাস করেছে ৮১ দশমিক ৫৩ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও আশানুরূপ নয়। সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ১৭ শতাংশ। এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডেও গণিতে পাসের হার কম, যেখানে ৭৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

    বিদেশে পাসের হার ৮৭.৩৫ শতাংশ
    ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার গড় পাসের হার ৬৮.৪৫ শতাংশ। ২০২৪ সালে এ পাসের হার ছিল ৮৩.০৪ শতাংশ। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিদেশ থেকে অংশ নিয়েছে ৪২৭ জন। সেখানে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৭৩ জন, ফেল করেছে ৫৪ জন। বিদেশের পাসের হার শতকরা ৮৭.৩৫ শতাংশ।

  • অতীতের মতো ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে রেজাল্ট দেওয়া হবে না : শিক্ষা উপদেষ্টা

    অতীতের মতো ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে রেজাল্ট দেওয়া হবে না : শিক্ষা উপদেষ্টা

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার জানিয়েছেন, আগামীকাল (১০ জুলাই) এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এই ফলাফলে অতীত ঐতিহ্যের আলোকে শিক্ষার্থীদের মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্টে শিক্ষার্থীদের মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন করা হচ্ছে। অর্থাৎ তারা যেভাবে পরীক্ষা দিয়েছে, প্রকৃত মূল্যায়নে সেই ফলাফল তাদের হাতে পৌঁছানো হবে। ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অতীতের মতো রেজাল্ট আর দেওয়া হবে না। বুধবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এস কথা বলেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি শিক্ষার্থীরা যেভাবে পরীক্ষা দিত, প্রকৃত মূল্যায়নে তাদের রেজাল্ট প্রকাশ করা হতো। কিন্তু গত ১৬ বছরে যে সরকার ছিল, তাদের আমলে সরকারের সাফল্য দেখানোর জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা বাড়িয়ে ফুলিয়া ফাঁপিয়ে ফলাফল প্রকাশ করা হতো। এমনকি সেই ফলাফল প্রকাশ নিয়ে এক ধরনের ফটোসেশনের আয়োজন ছিল রাষ্ট্র প্রধানের। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ পরীক্ষার ফলাফলের বই নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতেন এবং প্রধানমন্ত্রী তখন তাদেরকে নিয়ে ফটোসেশন করে রেজাল্ট প্রকাশ করতেন। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার এটাকে বাহুল্য মনে করছে এবং এটা থেকে সরে এসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতার প্রকৃত মূল্যায়নে শিক্ষা বোর্ডগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।

    অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, এবার ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না। অর্থাৎ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ নিজেরাই তাদের কার্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই তাদের রেজাল্ট পাবেন। অতীতে (গত ১৬ বছরের আগে) যেভাবে শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্যায়নের পরিমাপ ছিল, আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের প্রকৃত মেধা প্রকাশ করতে পারে, সেজন্য এবার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছাড়াও শিক্ষক, অভিভাবক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে এবার যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। এজন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    তিনি বলেন, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের নকলে উৎসাহিত ছিল না। আগামীকাল রেজাল্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে তারা তাদের সেই মেধার যথাযথ মূল্যায়ন দেখতে পাবে। আগের মতো ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে রেজাল্ট দেওয়ার সেই পূর্ব অবস্থা থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে রেজাল্ট প্রকাশের কারণে অতীতে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত মূল্যায়ন না হওয়ায় তাদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। পরীক্ষায় পাশের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও বেশি পরিমাণে দেখানো হয়েছে। আমরা এবার জিপিএ-৫ নয়, প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন দেখতে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীরা যাতে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তাদের মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন দেখতে পায়, বর্তমান সরকারের সেই আন্তরিক ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষা উপদেষ্টা।

    এবার দুই মাসেরও কম সময়ে এসএসসির ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আগে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তিন মাস বা সাড়ে তিন মাস পর প্রকাশ করা হতো। শিক্ষার্থীদের সময়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে এবার দুই মাসের কম সময়ে রেজাল্ট প্রকাশ করা হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দুই মাস হতে আরও পাঁচ দিন বাকি আছে। তাই বলা যায়, আমরা দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই রেজাল্ট প্রকাশ করতে যাচ্ছি। দুই মাসের মধ্যে রেজাল্ট প্রকাশ করায় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে দুই মাস বেশি ক্লাস করার সুযোগ পাবে। তাদের শিক্ষা জীবন সমৃদ্ধ হবে।

  • প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ হচ্ছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ হচ্ছে : শিক্ষা উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপনের কাজ চলছে। আমরা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে টেকনিক্যাল জ্ঞান সমৃদ্ধ জনশক্তি গড়ে তুলতে চাই। এজন্য কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করে গড়ে তুলতে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।

    বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।

    শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে ৪৯৩ উপজেলায় টেকনিকাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপনের কাজ পর্যায়ক্রমে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। দেশে এবং বিদেশে শ্রমবাজারে চাকরির সুযোগ বাড়াতে যুব সমাজকে টেকনিক্যাল শিক্ষায় শিক্ষিত করার বিকল্প নেই।

    ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার জানান, বিভিন্ন জেলায় এরই মধ্যে ৮৫টি স্কুল তাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া শুরু করেছে। বাকিগুলোর জন্য দ্রুত জমি অধিগ্রহণ থেকে শুরু করে ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগে থেকে ১০০টি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের কার্যক্রম চলছিল। পরে আরো ৩২৯টির জমি অধিগ্রহণসহ সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করছি কারিগরি অধিদপ্তর সেভাবেই তাদের কার্যক্রম এগিয়ে নিবে যাবে।

    কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব কেএম কবিরুল ইসলাম জানান, সারাদেশে প্রাথমিকভাবে বাস্তবায়নাধীন ১০০টি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের মধ্যে ৭৫টির শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। ১৫টির কাজ শেষ হয়েছে এবং অবশিষ্টগুলোর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। ফলে আগামী শিক্ষাবর্ষে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজগুলো কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে। প্রতিটি টেকনিক্যাল স্কুলের জন্য তিন একর করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এবং সেখানে মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হোস্টেল নির্মাণ করা হবে। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য ডরমেটরি, প্রিন্সিপালের আবাসিক ভবন এবং একাডেমিক কাম ওয়ার্কসপ ভবন তৈরি করা হবে। ছাত্রদের জন্য কোনো হোস্টেল নির্মাণের বরাদ্দ না থাকলেও আগামীতে ছাত্র হোস্টেল নির্মাণের বিষয়ে সরকার আন্তরিক।

    কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শোয়াইব আহমাদ খান বলেন, প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে প্রায় ৮৪০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রি ভোকেশনাল এবং নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কমপক্ষে চারটি করে ট্রেডে পড়াশোনা করানো হবে। এছাড়া এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং এইচএসসি (ভোকেশনাল) কোর্সসহ বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতিটি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে প্রায় ৭৫ জন শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। প্রতি স্কুলে ২০০ আসনে একটি করে ছাত্রী হোস্টেল, শিক্ষক ডরমেটরী, আধুনিক গবেষণাগার থাকবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় কারিগরি শিক্ষার সুযোগ আরও প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীরা কর্মসংস্থানের জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পাবে। প্রতিটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের চারটি ট্রেড, ল্যাব ও ওয়ার্কশপের যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কেনা ও সরবরাহ, টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৬ হাজার ৪০০টি স্থায়ী পদ সৃষ্টি এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কাজ সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন পদে ৪০০টি জনবলের জন্য পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত কয়েক লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করবে।

    প্রাথমিকভাবে যেসব উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন করা হচ্ছে- ঢাকার ধামরাই ও নবাবগঞ্জ, ফরিদপুরের শালথা, বোয়ালমারী ও ভাঙ্গা, গাজীপুরের কাপাসিয়া, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি ও টুঙ্গিপাড়া, জামালপুরের মাদারগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের ইটনা, কুলিয়ারচর ও মিঠামইন, মাদারীপুরের শিবচর, মানিকগঞ্জের শিবালয় ও হরিরামপুর, ময়মনসিংহের ধোবাউড়া ও নন্দাইল, নারায়ণগঞ্জ সদর, নরসিংদীর বেলাবো, নেত্রকোণার দুর্গাপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও বালিয়াকান্দি, শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ ও ডামুড্যা, শেরপুরের নালিতাবাড়ি, টাঙ্গাইলের গোপালগঞ্জ ও নাগরপুর, রাজশাহীর চারঘাট ও তানোর, বগুড়ার দুপচাচিয়া, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর, নওগাঁর পত্মীতলা ও সাপাহার, নাটোরের গুরুদাসপুর ও সিংড়া, চাপাইনবাবগঞ্জের নাচাল, পাবনার সাঁথিয়া, সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুর, রংপুরের পীরগঞ্জ, দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ ও নবাবগঞ্জ, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও সাঘাটা, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ, নীলফামারীর ডিমলা ও সৈয়দপুর, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও তেতুলিয়া, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর ও পীরগঞ্জ, বরিশালের আগৈলঝরা ও হিজলা, বরগুণার আমতলী, ভোলার লালমোহন, ঝালকাঠির রাজাপুর, পটুয়াখালীর গলাচিপা, পিরোজপুরের নাজিরপুর, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, রাউজান ও সীতাকুন্ড, বান্দরবনের নাইক্ষংছড়ি, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার কসবা, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ও কচুয়া, কুমিল্লার বরুড়া, চৌদ্দগ্রাম ও মুরাদনগর, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও টেকনাফ, ফেণীর ছাগলনাইয়া, নোয়াখালীর চাটখিল, খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, রাঙামাটির কাউখালী, সিলেটের বিয়ানী বাজার ও গোলাপগঞ্জ, হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও মাধবপুর, মৌলভীবাজারের রাজনগর ও জুড়ি, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার, খুলনার বটিয়াঘাটা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া, বাগের হাটের মোংলা ও রামপাল, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, যশোরের কেশবপুর, মনিরামপুর ও শার্শা, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, মাগুরার মোহাম্মদপুর ও শালিথা, মেহেরপুরের মুজিবনগর, নড়াইলের কালিয়া, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করতে চাহিদা চাইলো সরকার

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করতে চাহিদা চাইলো সরকার

    সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ চূড়ান্ত করতে চাহিদাপত্র চেয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এরইমধ্যে একটি অফিস আদেশ জারি করে সব সরকারি স্কুল, কলেজ ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোকে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বাজেট তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজেট চাহিদা না পৌঁছালে বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে অধিদপ্তর।

    সম্প্রতি, অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বাজেট) মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা একটি অফিস আদেশ নির্ধারিত ছক অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে হার্ডকপি আকারে তা ডাকযোগে অথবা বাহক মারফত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

    এতে আরও বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাজেট চাহিদার বিস্তারিত বিবরণী নির্ধারিত ছকে (১০ পৃষ্ঠার ফরম্যাট) পূরণ করতে হবে। এ ছক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট [www.dshe.gov.bd] (http://www.dshe.gov.bd)–এর ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট উইংয়ের বিজ্ঞপ্তি অপশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। বাজেট চাহিদা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ আগামী ১৫ জুলাই।

    আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মূল বাজেট চাহিদার পাশাপাশি পিআরএল-এ (অবসরে যাওয়ার আগে ছুটি) যাচ্ছেন এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এবং শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা সংক্রান্ত বাজেট চাহিদার জন্য পৃথক ছকপত্র পূরণ করে পাঠাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাহিদাপত্র প্রেরণ না করলে বাজেট প্রণয়ন ও বরাদ্দ বিতরণে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা অফিস বাজেট বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অধিদপ্তর কোনো দায় নেবে না বলে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া, চাহিদাপত্র শুধুমাত্র লিগ্যাল সাইজের কাগজে এবং নির্ধারিত ছক অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। ভিন্ন বিন্যাস বা অসম্পূর্ণ তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

    চিঠিটি জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, জোনাল প্রজেক্ট অফিসার এবং মাউশির অধীন সব আঞ্চলিক ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য মাউশির ইএমআইএস সেলকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • প্রকৃত গণতন্ত্র নিশ্চিত হলেই বৈষম্য নিরসন হয় : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রকৃত গণতন্ত্র নিশ্চিত হলেই বৈষম্য নিরসন হয় : গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, যদি প্রকৃত গণতন্ত্র নিশ্চিত হয়, তাহলেই বৈষম্য নিরসন হয়।

    মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও প্রার্থনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্র কখনো তার নাগরিককে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করে তাদের অধিকারকে আলাদা করে না। একটি আধুনিক রাষ্ট্রের চোখে প্রতিটি নাগরিক সমান- গণতন্ত্রেরও মূল কথা এটাই। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদরা যে কারণে আত্মত্যাগ করেছেন আমাদেরকে সেই স্পিরিট ধারণ করতে হবে। আমরা বৈষম্যহীন একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রচেষ্টা চালিয়ে গেলেই তাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো হবে।

    মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের বাসুদেব ধর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার।

  • দ্রুত ‘শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ কার্যক্রম চালুর দাবি

    দ্রুত ‘শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ কার্যক্রম চালুর দাবি

    আইন পাসের প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও ‘শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শরীয়তপুরের বিশিষ্টজনরা। দ্রুত এই স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন ফোরাম’ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ দাবি জানান।

    ফোরামের সদস্য সচিব ও শিল্পপতি শিকদার মো. মেসবাহউদ্দিন বলেন, “২০২১ সালে সরকার শরীয়তপুরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করে এবং ২০২৩ সালে আইনও পাস হয়। কিন্তু এরপর আর কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি এই জটিলতা নিরসনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

    মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফোরামের আহ্বায়ক, আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার, শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ বলেন, শরীয়তপুরের উর্বর ভূমিতে “ধান, পাট, গম, পেঁয়াজ, কালোজিরা, ধনিয়া, সরিষা, মিষ্টি আলু, টমেটো, আদা ইত্যাদি ফসলের উৎপাদনে শরীয়তপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। বিশেষ করে পাট, পেঁয়াজ, আদা, টমেটো প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে বিবেচিত। তিনি কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রাগ্রসর বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা এবং জাতীয় পর্যায়ে উন্নত শিক্ষাদান ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, আইন পাশ হওয়ার পরেও একটি জন-আকাঙ্ক্ষার বিশ্ববিদ্যালয় এভাবে বাস্তবায়ন থেমে থাকতে পারে না। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানাচ্ছি।

    মোটেক্স ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ কবির রানা দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের এই অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের জন্য শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ আহসানউল্লাহ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় জেলার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

    ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি গ্লোবাল নেশনের সম্পাদক ও প্রকাশক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, কৃষি প্রধান পেশার জনপদ শরীয়তপুর। জেলার নামে আইন পাশ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত বাস্তবায়ন হোক। তাহলে নতুন নতুন গবেষণায় সমৃদ্ধ হবে জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে সারা দেশের মানুষ।

    সিটি ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জুলফিকার হাসান বলেন, লাইভস্টক, এগ্রো বিজনেস আর ফিশারিজ—এই তিনের মেলবন্ধন হলো শরীয়তপুর। তিনি দ্রুত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে নিয়োগ সম্পন্ন করে কাজ শুরু করার তাগিদ দেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এম. নুরুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের যা যা উপযোগিতা থাকতে হয় শরীয়তপুরে তার সব গুণ বিদ্যমান। সরকারের কাছে এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দাবিও ছিল। সেই দাবির প্রেক্ষিতে একটা বিশ্ববিদ্যালয় আইনও পাশ হয়েছে। তাহলে কেনো এই দীর্ঘসূত্রতা?” এই বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

    গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, পালং-জাজিরা ফোরামের সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমান, ধলপুর আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ বাচ্চু, অধ্যাপক এমএ শাহাবুদ্দিন, তরুণ ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী সাইয়েদ জোবায়ের, ঢাকাস্থ শরীয়তপুর স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ারের সাবেক সভাপতি তাহমিদ জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত জাজিরার শিক্ষার্থীদের সংগঠন পদ্মার সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

  • সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে বেরিয়ে কলেজছাত্রী নিখোঁজ, রাতে সভারে উদ্ধার

    সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে বেরিয়ে কলেজছাত্রী নিখোঁজ, রাতে সভারে উদ্ধার

    এইচএসসি পরীক্ষার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪।

    রবিবার (২৯ জুন) দিবাগত রাতে ঢাকার সাভার এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয় বলে র‍্যাব জানায়।

    এর আগে, রবিবার সকাল ৮টার দিকে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ভাটারা এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফ।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুর ১টার দিকে তার পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাহিরা বাড়ি না ফেরায় পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে খোঁজ নিতে যায়। সেখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারেন, মাহিরা ওই দিন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতই হননি।

    এ ঘটনায় রবিবার সন্ধ্যার দিকে মাহিরার পরিবার রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এরপর থেকেই তার খোঁজে তৎপরতা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    তবে কীভাবে ওই এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছিলেন, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।