Home প্রধান সংবাদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্তকর পরিস্থিতির মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) ।

রবিবার (২৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এক বার্তায় এ তথ্য জানান রেজিস্ট্রার ড. মো. জুলফিকার রহমান।

বার্তায় বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

বার্তায় আরও বলা হয়, ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের যে কোনো অসুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যথাযথভাবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হবে।

ইউআইইউ কর্তৃপক্ষ আগামী নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হবে এ বার্তায় জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে একযোগে পদত্যাগ করলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) উপাচার্য, অনুষদের ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানরা।

সাড়ে ৯টার পর ইউআইইউ’র অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

ওইদিন রাতে বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়টির ফেসবুকের ওই পোস্টে জানায়, ‘ইউআইইউ-এর উপাচার্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অযৌক্তিক দাবির প্রতিবাদে, সকল ডিন, প্রধান এবং পরিচালকরা যৌথভাবে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।’

পদত্যাগকৃতদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবুল কাসেম মিয়া, সিএসই বিভাগের প্রধান ড. মুহাম্মদ নুরুল হুদা, ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং এমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম রিজওয়ান খান, স্কুল অব বিজনেজ অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা, স্কুল অফ হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. হামিদুল হক, স্কুল অব সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. হাসান সারোয়ার, মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের (এমএসজে) বিভাগীয় প্রধান ড. শেখ মো. শফিউল ইসলামসহ আরও অনেকে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক ছাত্রীর বাবা মারা যান। ওই ছাত্রী মিডটার্ম পরীক্ষা পরে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর একটি আবেদন করেন। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের মুখে আজ একযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা একযোগে পদত্যাগ করলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here