Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পিএসসির সংবাদ সম্মেলন, কমিশন যা যা চাইছে

    ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পিএসসির সংবাদ সম্মেলন, কমিশন যা যা চাইছে

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ‘কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা’ জানতে বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে কমিশনের চেয়ারম্যান তার সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় কমিশনের অন্যান্য সদস্য ও কমিশন সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

    কমিশনের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান কমিশন গঠনের পর থেকে আজ পর্যন্ত ৪৪তম বিসিএসের সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারে ৫৩৪৪ জন, কারিগরি ক্যাডারে ৫৪৪ জনসহ মোট ৫৮৮৮ জনের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল এ বছরের জুনের মধ্যে প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৮ আগস্টে অনুষ্ঠিত হবে। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার আবশ্যক বিষয়গুলো আগামী ৮ থেকে ১৯ মের মধ্য এবং পদসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়ে জুলাইয়ে মধ্যে সম্পন্ন হবে।

    পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রশ্নকারক পূর্বে প্রশ্ন প্রস্তুত করে এনে জমা দিতেন, বর্তমানে পিএসসিতে এসে প্রশ্ন করেন। কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে ২২–০৪–২০২৫ পর্যন্ত ৩৬টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর, ইনস্ট্রাক্টরসহ ১২২ ক্যাটাগরির পদে ৩ হাজার ৭১২ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন করেছে। ফলাফল প্রক্রিয়ায়ণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও দ্রুত করার লক্ষ্যে মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডের লিথোকোড ফর্মের ডিজাইন ও মূল্যায়নপদ্ধতিতে সংস্কার আনা হয়েছে।

    ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘উত্তরপত্র পরীক্ষণের স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সার্কুলার সিস্টেম (Circular System) চালু করা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে Community Based Invigilation System চালু হবে। Next Generation Answer Script Design করা হবে। প্রক্সি পরীক্ষার্থীদের প্রতিরোধের জন্য প্রার্থীদের Thumb Print সংগ্রহ করে ভেরিফিকেশনের পদ্ধতি নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে।’

    বিসিএসের জট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে চলমান চারটি বিসিএসের জট নিরসনে পরিকল্পনা রয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে জট নিরসনের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে। এ লক্ষ্যে কমিশন কোনো পরীক্ষা পেছানোর চিন্তা করছে না।

    এক বছরের মধ্যে একটি বিসিএস সম্পন্ন করা সম্ভব কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ৪৭তম বিসিএস এক বছর বা তার চেয়ে কিছু বেশি সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার রোডম্যাপ করা হচ্ছে।

    ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল না করে আরও ১০ হাজার পরীক্ষার্থীকে কেন উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হলো সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে কমিশন সদস্য মো. সুজায়েত উল্যা বলেন, ৪৬তম বিসিএসের প্রিলি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসসংক্রান্ত অভিযোগ সিআইডি তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অবৈধ সুবিধাভোগী প্রার্থীরা অবশ্যই শনাক্ত হবেন। শনাক্ত হলে সব প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষার নির্বাচন প্রক্রিয়ার যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, তাদের পরীক্ষার ফলাফল বাতিলসহ সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ থাকবে। বিকল্প হিসেবে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ যদি প্রথম নির্বাচিত ১০ হাজার ৬৩৮ জনের মধ্যে ঢুকে গিয়ে অন্যদের বঞ্চিত করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে আরও কিছুসংখ্যক প্রার্থীকে প্রিলিমিনারিতে নির্বাচিত করে অর্থাৎ cut off কিছুটা নিচে নামিয়ে এরূপ বঞ্চনার অবসান ঘটানো যেতে পারে। আরও সমসংখ্যক অর্থাৎ আরও ১০ হাজার ৬৩৮ জন প্রার্থীকে উত্তীর্ণদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে এ বিষয়টির সমাধানের পক্ষে কমিশন মত প্রদান করে।

    বিসিএসের সিলেবাস পরিবর্তন বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সদস্য মো. নাজমুল আমীন মুজমদার বলেন, ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) হলে ৪৯তম বিসিএস থেকে সিলেবাস পরিবর্তন করা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিভিল সার্ভিসের সিলেবাস সংগ্রহ করে গবেষণা করা হচ্ছে।

  • খাগড়াছড়ি থেকে অপহৃত চবির ৫ শিক্ষার্থী ফিরে এসেছে

    খাগড়াছড়ি থেকে অপহৃত চবির ৫ শিক্ষার্থী ফিরে এসেছে

    ৯ দিন আগে খাগড়াছড়ি থেকে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে মুক্তি দিয়েছে অপহরণকারীরা।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিপন ত্রিপুরা। তবে কোথায়-কখন তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি।

    এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বিজু উৎসব শেষে খাগড়াছড়ি থেকে চট্টগ্রামে ফেরার পথে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহৃত শিক্ষার্থীরা হলেন রিশন চাকমা, দিব্যি চাকমা, মৈত্রীময় চাকমা, লংঙি ম্রো এবং অলড্রিন ত্রিপুরা। তারা সকলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অপহৃত ৫ শিক্ষার্থীকে মুক্তি দেওয়ায় সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের সদস্যরা।

    শিক্ষার্থীদের অপহরণের জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করে আসছে সন্তু লারমার জেএসএস সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউপিডিএফ।

    এর আগে অপহৃত শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে গত সোমবার ইউপিডিএফের গোপন আস্তানায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। এসময় চাঁদা আদায়ের রশিদ, ল্যাপটপ, মোবাইল, সামরিক ইউনিফর্মসহ বিপুল প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

  • কুয়েটের ভিসি ও প্রো-ভিসির পদত্যাগ

    কুয়েটের ভিসি ও প্রো-ভিসির পদত্যাগ

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভিসি মুহাম্মদ মাছুদ ও প্রো-ভিসি শেখ শরীফুল আলম পদত্যাগ করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এখন তাদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে।’

    এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত সংকট নিরসন এবং শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সহউপাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। অনতিবিলম্বে একটি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ দুটি পদে নতুন নিয়োগ প্রদান করা হবে। অন্তর্বর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম চালু রাখার স্বার্থে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের মধ্য থেকে একজনকে সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদল-যুবদলের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হন। এ ঘটনার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৩ এপ্রিল বন্ধ থাকা কুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

    গত ১৪ এপ্রিল রাতে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০১তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় কুয়েটে ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারির সহিংসতার ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    এসব ঘটনায় কুয়েট উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদকে অপসারণের এক দফা দাবিতে ২২ এপ্রিল বিকেল থেকে আমরণ অনশনে বসেছিলেন ২৯ শিক্ষার্থী। বুধবার শিক্ষা উপদেষ্টা গিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ভিসির পদত্যাগের আলটিমেটামে দেন।

    উপাচার্য মুহাম্মদ মাছুদের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থীরা প্রায় ৫৮ ঘণ্টা পর তাঁদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে তাঁদের জুস পান করিয়ে অনশন ভাঙান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য (ইউজিসি) অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান।

  • ঢাকা, সিটি ও আইডিয়াল কলেজ: ৬ মাসে ১২০ বার সংঘর্ষ

    ঢাকা, সিটি ও আইডিয়াল কলেজ: ৬ মাসে ১২০ বার সংঘর্ষ

    কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না ঢাকা, সিটি ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের। ৬ মাসে এ তিন কলেজের শিক্ষার্থীরা মারামারি-সংঘর্ষে জড়িয়েছেন প্রায় ১২০ বার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইগো ও হিরোইজম থেকে সংঘাতের সূত্রপাত। কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, জড়িতদের টিসি দেয়ার পাশপাশি এ তিন কলেজে যাতে ভর্তি না হতে পারে সে-ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আর পুলিশ বলছে, সংঘর্ষ হলেই এখন থেকে মামলা করা হবে।

    রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ব্যবসায়িক এলাকায় দেড় কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান- ঢাকা, সিটি ও আইডিয়াল কলেজ। তিন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ২০ থেকে ২৫ হাজার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি থেকে মাঝে মাঝেই রণক্ষেত্রে রূপ নিচ্ছে মিরপুর সড়কের নিউমার্কেট মোড় থেকে সায়েন্সল্যাব মোড় পর্যন্ত। কখনও কখনও ছড়িয়ে পড়ছে সড়কের দুই পাশের গলিতেও।

    একাধিক সংঘর্ষ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এসব এলকায় বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে পড়ালেখা করে এই তিন কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখানে কথাকাটি, চায়ের দোকানে বসা নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রেমঘটিত বিষয় ও সামাজিকমাধ্যমে মন্তব্যের মতো বিষয়গুলো সংঘাতের নেপথ্যের কারণ।

    কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না ঢাকা, সিটি ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের। ৬ মাসে এ তিন কলেজের শিক্ষার্থীরা মারামারি-সংঘর্ষে জড়িয়েছেন প্রায় ১২০ বার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইগো ও হিরোইজম থেকে সংঘাতের সূত্রপাত। কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, জড়িতদের টিসি দেয়ার পাশপাশি এ তিন কলেজে যাতে ভর্তি না হতে পারে সে-ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আর পুলিশ বলছে, সংঘর্ষ হলেই এখন থেকে মামলা করা হবে।

    • ডিএমপির সূত্র মতে শিক্ষার্থীরা মারামারি-সংঘর্ষে জড়িয়েছেন প্রায় ১২০ বার।
    • শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বলেন, গুটিকয়েক উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রের জন্য সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে তিন কলেজেরই।
    • নিরাপত্তাহীনতায় তিন কলেজ এলাকার বাসিন্দারাও। ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।
    • সংঘর্ষ থামাতে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিশেষজ্ঞ জানান, দায়বদ্ধতা আছে অভিভাবকদেরও।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মো. মজিবুর রহমান বলেন, এই তিন কলেজের বিষয়টি এখন তিক্ততার পর্যায়ে চলে গেছে। প্রধান দায়টা হলো সরকারের। যারা এখন ক্ষমতায় আছে, যাদের কাজ এখন আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা, সাধারণ জনগণকে নিরাপত্তা দেয়ার। সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে হবে এ সরকারকে। এই কাজগুলো এ সরকারকে করতে হবে।

    কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছে, শিক্ষার্থীদের মারামারি বন্ধে তিন কলেজ মিলে কমিটি গঠন করে নিয়মিত টহল দেয়া হচ্ছে। তদন্তে দোষী হলে নেয়া হচ্ছে কঠোর ব্যবস্থাও।

    ঢাকা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক পারভীন সুলতানা হায়দার বলেন, প্রতিটি ক্লাশে ক্লাশে গিয়ে তাদের বোঝানো হয়েছে। তাদের বোঝানো হয়েছে যে, তোমরা মারামারি-বিবাদ এসবের মধ্যে জড়িও না। তোমরা তোমাদের নিরাপদ রাখো এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করো, বাবা-মাকে স্বস্তিতে রাখো এবং দেশবাসীকেও।

    সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক এফএম মোবারক হোসেন বলেন, ঢাকা ও আইডিয়াল কলেজের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। যৌথভাবে মহড়া দেয়া হচ্ছে এবং একটি টিমও গঠন করা হয়েছে। তারাও দায়িত্ব পালন করছে।

    আইডিয়াল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ রেযওয়ানুল হক বলেন, যারা এ সমস্ত কর্মকাণ্ডগুলো করছে, তদন্তে প্রমাণ হলে কিন্তু আমরা সরাসরি টিসি দেয়া হচ্ছে। একটা সমস্যা হলো ধরুন সিটি কলেজ থেকে কাউকে টিসি দেয়া হলো, সে গিয়ে আইডিয়ালে ভর্তি হচ্ছে, আবার আইডিয়াল থেকে টিসি দেয়া হচ্ছে সে গিয়ে অন্য কলেজে ভর্তি হচ্ছে। এ শিক্ষার্থীরা কিন্তু এ এলাকার মধ্যে থাকছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা বসতে যাচ্ছি। এ ৫ কলেজের মধ্যে কোনো ছাত্রকে টিসি দেয়া হয়, তাহলে তাকে কেউ এ ৫ কলেজের মধ্যে তাকে ভর্তি নেবে না।

    পুলিশ বলছে, প্রতি মাসে ঢাকা কলেজ ৭ থেকে ৮টি, সিটি কলেজ ৬ থেকে ৭টি আর আইডিয়াল কলেজ ৫ থেকে ৬টি মারামারি ও সংঘর্ষে জড়াচ্ছে।

    ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মো. মাসুদ আলম বলেন, মিছিলে যারা থাকেন, অনেকে তারা জানেন না কি কারণে তারা এই মিছিলে এসেছেন। অনেক রকম উদ্যোগ নিয়েছি। মামলা নিয়েছি কারণ মামলার ভয়ের যেন তারা শান্ত হয়। শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ থামাতে কাজ করছে সেনাবাহিনীও।

  • কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

    কুয়েট ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

    খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক মাছুদের পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ ব্লকেড করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একদল শিক্ষার্থী।

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে দশটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলপাড়া থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন তারা। এসময় শিক্ষার্থীরা ‘ব্লকেড, শাহবাগ ব্লকেড, আমার ভাই অনশনে, ইন্টেরিম কী করে, শিক্ষা- সন্ত্রাস একসঙ্গে চলে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    এর আগে রাত ১০টার মধ্যে কুয়েটের উপাচার্য পদত্যাগ না করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে জড়ো হন। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে এসে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে তাঁরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।

    এদিকে একই দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আমরণ অনশনে বসেছেন গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ১০-১২ নেতা। গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব মহির আলম, কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী, ছাত্রসংসদ নেতা রেজেয়ান আহমেদ রিফাত, রিমন চৌধুরী প্রমুখ অনশনে বসেছেন।

  • কারিগরি ছাত্ররা ক্লাসে ফিরবে বলে জানালো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    কারিগরি ছাত্ররা ক্লাসে ফিরবে বলে জানালো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কারিগরি ছাত্ররা আন্দোলন-কর্মসূচি প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানায়।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কারিগরি ছাত্র আন্দোলন ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক ও রেল অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এতে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশের ছাত্র প্রতিনিধিরা গত ২১ এপ্রিল কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে এ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সাক্ষাৎ করেন।

    এ সময় কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ছাত্র প্রতিনিধিদের ছয় দফা দাবির মধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণের লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ (টিএমইডি) আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ আন্দোলনরত ছাত্রদের সকল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইতোমধ্যে যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণের লক্ষ্যে এ বিভাগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর, আইইবি, আইডিইবি এবং ছাত্র প্রতিনিধিসহ আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটি স্বপ্ন, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী দাবিগুলো পূরণে সুপারিশ প্রণয়ন করবে। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সঙ্গে ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ফলপ্রসূ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনরত ছাত্ররা তাদের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফিরে যাবে এবং শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবে মর্মে ঘোষণা করেছেন। আন্দোলনরত ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহারের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা দূর হয়ে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়।

  • কুয়েটের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে যাবে ইউজিসি

    কুয়েটের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে যাবে ইউজিসি

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এ চলমান অনশন কর্মসূচির প্রেক্ষিতে  ইউজিসি থেকে একটি প্রতিনিধিদল সেখানে যাবেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। 

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, কুয়েটের শিক্ষার্থী আন্দোলন ইস্যুতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে। উনি ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছেন। আগামীকাল ইউজিসি থেকে একটি প্রতিনিধিদল সরেজমিন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে কুয়েটে যাবেন। তারপর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

  • ফের ঢাকা ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

    ফের ঢাকা ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

    রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

    এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকার সায়েন্স ল্যাব মোড়ে ঢাকা কলেজ ও ঢাকা সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবার ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেন দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেলা একটার দিকে পুলিশ শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়। দুইটার দিকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের দিক থেকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা সিটি কলেজের সামনে এসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

    বেলা সোয়া দুইটার দিকে সিটি কলেজের সামনে সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়। আর টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছেন। এর মধ্যেই সড়কে যান চলাচল করছে।

    সায়েন্স ল্যাব মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বেলা পৌনে তিনটার দিকে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে দেখা গেছে পুলিশকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা সিটি কলেজের কাছাকাছি চলে আসেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পুলিশকে লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিতে দেখা গেছে।

    একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে সিটি কলেজের নামফলক থেকে ঢাকা অংশটি ভেঙে ফেলতে দেখা যায়। হাতে ভাঙা একটি অংশ নিয়ে তাঁরা সড়কে অবস্থান নেন। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সুজন আলী বলেন, গতকাল সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা তাঁদের মারধর করেছেন। এর জের ধরেই তাঁরা আজ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

    সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের দায়ী করা হচ্ছে। অথচ যারা ওই মারধরে জড়িত, তাঁরা কেউই সিটি কলেজের শিক্ষার্থী নয়। আজ সকালে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা অতর্কিত হামলা করে। তারপর থেকেই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজেদের নামপ্রকাশ করে বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

    পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জিসানুল হক বেলা আড়াইটার দিকে বলেন, বেলা ১১টার পর থেকে দুই কলেজের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।

    এর আগে ১৫ এপ্রিল এই দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। এই দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

    নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুল ইসলাম বেলা একটার দিকে বলেন, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি ছিল, এখন সেটা আর নেই। শিক্ষার্থীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে সে সময় জানান নিউমার্কেট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুল ইসলাম।

  • এসএসসি ও সমমানে চতুর্থ দিনে বহিষ্কার ৭৫ জন পরীক্ষার্থী

    এসএসসি ও সমমানে চতুর্থ দিনে বহিষ্কার ৭৫ জন পরীক্ষার্থী

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার চতুর্থ দিনে ৭৫ জন পরীক্ষার্থী এবং তিনজন কক্ষ পরিদর্শকসহ মোট ৭৮ জন বহিষ্কৃত হয়েছেন; অনুপস্থিত ছিলেন ২৮ হাজার ১২০ জন পরীক্ষার্থী।

    এসএসসি ও সমমানের চতুর্থ দিনের পরীক্ষা শেষে সোমবার (২১ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

    এদিন এসএসসিতে গণিত ও দাখিলে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা হয়। এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে কোনো পরীক্ষা ছিল না।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে চতুর্থ দিনে ২৮ হাজার ১২০ জন পরীক্ষার্থীর অনুপস্থিতি এবং ৭৮ জন বহিষ্কৃত হওয়ার তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন পরীক্ষায় ১৬ লাখ ৬২ হাজার ১৪৩ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেন ১৬ লাখ ৩৪ হাজার ২৩ জন।

    পরীক্ষার ৩ হাজার ১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে বিদেশের ৯টি কেন্দ্র ছাড়া ৩ হাজার ৭টি কেন্দ্রের তথ্য দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি

  • ঢাকা পলিটেকনিকের নতুন অধ্যক্ষ সাহেলা পারভিন

    ঢাকা পলিটেকনিকের নতুন অধ্যক্ষ সাহেলা পারভিন

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান খানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাহেলা পারভীনকে।

    বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে সই করেছেন উপ-সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার।

    প্রজ্ঞাপন বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের অধীন, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সাহেলা পারভীনকে আধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান খানকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এর আগে, বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি আদায়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সাতরাস্তা মোড়ে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ঢাকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সারাদেশে জেলায় জেলায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

    দিনভর বিক্ষোভ-অবরোধের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। ঘোষণা অনুযায়ী আজ সকাল থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে রেলপথ ব্লকেড করার কথা ছিল। তবে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ও শিক্ষা উপদেষ্টার আহ্বানে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তারা। বৈঠক শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেলপথ ব্লকেড কর্মসূচি শিথিল থাকবে।