Category: শিক্ষাঙ্গন

  • প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ অনলাইন বদলি কার্যক্রম শুরু আজ

    প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ অনলাইন বদলি কার্যক্রম শুরু আজ

    আজ থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ অনলাইন বদলি কার্যক্রম। যা চলবে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত। এসময়ের মধ্যে নির্ধারিত সময়সূচি ও নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষকরা অনলাইনে বদলির আবেদন করতে পারবেন। যা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন স্তরে যাচাই ও অনুমোদনের মধ্য দিয়ে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। বুধবার (৭ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মাহফুজা খাতুনের সই করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ৬ মের একটি নির্দেশনার ভিত্তিতে বদলি কার্যক্রমের সময়সূচি ও নিয়মাবলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত সহকারী শিক্ষকরা অনলাইনে বদলির আবেদন করতে পারবেন। পরবর্তী ধাপে প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় উপপরিচালক পর্যায়ক্রমে যাচাই ও অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করবেন। এই অনলাইন বদলি কার্যক্রমের পুরো প্রক্রিয়া ২৩ মের মধ্যে শেষ হবে। আর ২০ মে আবেদনগুলোর স্বয়ংক্রিয় মনোনয়ন সম্পন্ন হবে এবং ২১ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এসব আবেদন যাচাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বদলির জন্য শিক্ষকরা সর্বোচ্চ তিনটি বিদ্যালয় পছন্দক্রমে নির্ধারণ করতে পারবেন। তবে কেউ চাইলে একটি বিদ্যালয়ও নির্বাচন করতে পারবেন। একবার বদলির আদেশ জারি হলে তা বাতিলের জন্য পরবর্তীতে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। এক্ষেত্রে, বদলি কার্যক্রমের যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণরূপে ‘সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা ২০২৩’ অনুসরণ করে করতে হবে। আবেদন যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সতর্কতার সঙ্গে আবেদন ও কাগজপত্র যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাচাই শেষ করা আবেদন পরবর্তীতে আর পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকবে না।

    অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ২১৬টি উপজেলা ও থানায় ইতোমধ্যেই ১০ শতাংশের বেশি শিক্ষক অন্যান্য উপজেলা থেকে বদলি হয়ে এসেছেন। তাই এসব উপজেলা বর্তমানে আন্তঃবিভাগ অনলাইন বদলির আওতাভুক্ত থাকবে না। তবে বাকি ২৭১টি উপজেলা ও থানায় এই কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

  • দাওরার সনদের নিয়ে ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক

    দাওরার সনদের নিয়ে ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক

    ‘দাওরায়ে হাদীস’ সনদধারীদেরকে সরকারি বেসরকারি কর্মক্ষেত্রগুলোতে চাকরির সুযোগ প্রদানের এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ প্রদান এবং দাওরায়ে হাদীসের সনদের মান কার্যকর করার বিষয়ে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম. খালিদ হোসেনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন আল-হাইআতুল উলইয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের নয় সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল।

    আজ (৫ মে) সোমবার দুপুর ২টায় সচিবালয়ে ধর্ম উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। হাইআতুল উলইয়ার কো-চেয়ারম্যান মাওলানা শায়খ সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন হাইআতুল উলইয়ার সদস্য মাওলানা মুফতি আরশাদ রাহমানী, হাফিজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন আহমদ গহরপুরী, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আব্দুল বছীর, মুফতি মোহাম্মাদ আলী এবং মাওলানা নেয়ামাতুল্লাহ আল ফরীদী।

    এর আগে বেলা ১১টায় সংস্থাটির কার্যালয়ে ‘দাওরায়ে হাদীসের সনদ কার্যকরকরণ বিষয়ক সাবকমিটি’র সভায় সভাপতির বক্তব্যে হাইআতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা দেশের আদর্শ নাগরিক। দেশের সেবা করার সুযোগ এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তাদের একটি ন্যায্য অধিকার ও ন্যায়সঙ্গত দাবি।

    ‘দাওরায়ে হাদীসের সনদ কার্যকরকরণ বিষয়ক সাবকমিটি’ দাওরায়ে হাদীস সনদধারীদেরকে দেশসেবায় চাকরির সুযোগ দিতে প্রাথমিকভাবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত করে :

    • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষক পদে নিয়োগদান;
    • ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বিভিন্ন ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগদান;
    • মডেল মসজিদসহ সরকারি মসজিদ এবং সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের মসজিদের ইমাম ও খতিব পদে নিয়োগদান;
    • সামরিক, আধাসামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীতে ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগদান;
    • জেলখানার ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগদান;
    • মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) পদে নিয়োগদান।

    সাবকমিটির সভায় কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদেরকে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি’ বিষয়ে এমফিল ও পিএইচডি করার এবং ‘ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি’ ব্যতীত অন্য যে কোন বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তির সুযোগদান অতীব প্রয়োজনীয় মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় প্রাথমিকভাবে সরকারের ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের এবং পরবর্তীতে শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    হাইআতুল উলইয়ার উপরোক্ত প্রস্তাবনাগুলোকে স্বাগত জানান ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম. খালিদ হোসেন। ‘দাওরায়ে হাদীসের সনদ কার্যকরকরণ বিষয়ক সাবকমিটি’র অদ্যকার সভায় কওমি মাদরাসার স্বকীয়তা ও বৈশিষ্ট অক্ষুন্ন রাখার উপর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। কওমি মাদরাসাগুলোকে সব ধরনের সরকারী হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখতে সভায় দারুল উলূম দেওবন্দের আট মূলনীতি কঠোরভাবে পালনের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

  • আড়াই মাস পর কুয়েট খুললেও হচ্ছে না ক্লাস

    আড়াই মাস পর কুয়েট খুললেও হচ্ছে না ক্লাস

    টানা ৭৪দিন পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) খুললেও কোনো ক্লাস নিচ্ছেন না শিক্ষকরা।

    রোববার (৪ মে) কুয়েটের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষক সমিতি ক্লাস বর্জন করায় হচ্ছে না ক্লাস।

    কুয়েটের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।

    কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ ইলিয়াছ আক্তার বলেন, শিক্ষক সমিতি ক্লাস বর্জন করায় কুয়েটে ক্লাস হচ্ছে না।

    শিক্ষকরা ক্লাসে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। আজ ভিসি শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন।
    এদিকে দীর্ঘদিন ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় লেখাপড়ায় পিছিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া সেশনজটেরও আশঙ্কা করছেন তারা।

    কুয়েট শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. ফারুক হোসেন বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, ভিসিসহ শিক্ষকদের লাঞ্ছনাকারীদের সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরব না। আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের কথা নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত ভিসিকে জানিয়ে দিয়েছি।

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে শিক্ষার্থীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভিসি, প্রোভিসি এবং ডিএসডাবলিউর পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। ‎দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস টানা আন্দোলন এবং ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমৃত্যু অনশন কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে অপসারণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম কাসেম স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (১ মে) কুয়েটের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হযরত আলী। শুক্রবার (২ মে) রাতে তিনি কুয়েটে পৌঁছান। শনিবার (৩ মে) অনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

  • রাবির ‘সি’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ, যেভাবে পাবেন পরীক্ষার্থীরা

    রাবির ‘সি’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ, যেভাবে পাবেন পরীক্ষার্থীরা

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার সি ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। এই ইউনিটের প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটের ভর্তি পরীক্ষায় পাসের হার যথাক্রমে ৪৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ ও ৩২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এ ছাড়া অ–বিজ্ঞান গ্রুপে পাসের হার ৮১ দশমিক ৯৭।

    শনিবার (৩ মে) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে লগইন করে ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ফলাফল দেখতে পারবেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, ভূবিজ্ঞান, কৃষি, ফিশারিজ ও ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সস অনুষদভুক্ত ২৬টি বিভাগ সি ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত। সি ইউনিটে প্রথম শিফটে ৪৮ হাজার ১১০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ হাজার ৭৬৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ১৭ হাজার ৫০১ জন ভর্তি–ইচ্ছুক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পাসের শতকরা হার ৪৪ দশমিক শূন্য ১ এবং প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৯।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটে ৪৮ হাজার ১০৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৯৩ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পাসের শতকরা হার ৩২ দশমিক ৬৬ এবং প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৪ দশমিক ৫০। এ ছাড়া অ–বিজ্ঞান ২ হাজার ৬০২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ১১৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৩৭ জন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পাসের শতকরা হার ৮১ দশমিক ৯৭ এবং প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮০।

    উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেখা যাবে। প্রকাশিত ফলে কোনো ভুলভ্রান্তি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সংশোধন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

  • চাকরি ছেড়েছেন সরকারি স্কুলের আরো ১২ সহকারী শিক্ষক

    চাকরি ছেড়েছেন সরকারি স্কুলের আরো ১২ সহকারী শিক্ষক

    দেশের বিভিন্ন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করা আরো ১২ জন সহকারী শিক্ষককে অব্যাহতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এ নিয়ে চলতি মাসের শুরুতে মোট ২৪ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়েছে।

    সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মোসাম্মদ রহিমা আক্তারের সই করা এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত, এসব শিক্ষকরা অন্যত্র চাকরি হয়ে যাওয়ায় অব্যাহতির জন্য আবেদন করেছিলেন। পরে মাউশির অফিস আদেশের মাধ্যমে এই শিক্ষকদের অব্যাহতি মঞ্জুর করা হয়েছে।

    আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে সরকারি কোনো পাওনা সামনে এলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা তা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন। একইসঙ্গে, যেহেতু শিক্ষকরা স্বেচ্ছায় এবং চাকরির নির্ধারিত সময়সীমার আগে অব্যাহতি চেয়েছেন, তাই তারা পেনশন বা আনুতোষিকের মতো কোনো আর্থিক সুবিধা এবং অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।

    এর আগে গত ১৬ এপ্রিল আরো ১২ জন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চাকরি ছেড়েছিলেন। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মোট ২৪ জন শিক্ষকের এই অব্যাহতি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট আরো প্রকট করে তুলেছে। তবে, শিক্ষকদের এই অব্যাহতভাবে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কারণ সম্পর্কে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

    উল্লেখ্য, সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি বা ইস্তফা দেওয়ার প্রক্রিয়া মূলত সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এবং বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (বিএসআর) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। সাধারণভাবে, একজন সরকারি কর্মচারী চাকরিকালীন যেকোনো সময় স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতি চাইতে পারেন। সেজন্য সাধারণত নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিতে হয়। পরে ওই আবেদনপত্র কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করার পরেই কার্যকর হয়।

  • আইইউটির ভর্তি পরীক্ষায় ফল প্রকাশ, প্রথম হলেন তাকিয়া তাসনিম

    আইইউটির ভর্তি পরীক্ষায় ফল প্রকাশ, প্রথম হলেন তাকিয়া তাসনিম

    ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শুক্রবার (২ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফল অনুযায়ী প্রথম হয়েছেন তাকিয়া তাসনিম। মেধাতালিকায় মোট তিন হাজার ৯৯৩ জন শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন।

    মেধাতালিকা অনুযায়ী, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন মো. সাদমান সামি এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেছেন আহসান মোহাম্মদ মাহিন। সেরা দশে স্থান পাওয়া অন্য কৃতি শিক্ষার্থীরা হলেন—মো. ফাহিম আল শাহরিয়ার (চতুর্থ), আতিয়া জান্নাত (পঞ্চম), খন্দকার আহনাফ আবিদ (ষষ্ঠ), সাফিন রহমান খান (সপ্তম), সুপ্রশু সমর্পিতা চৌধুরী (অষ্টম), ফয়সাল আবিদ (নবম) এবং ইলহাম হাসিনুর (দশম)।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসংক্রান্ত অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্ত শিক্ষার্থীদের আগামী ৬ মে দুপুর ২টা থেকে ১৬ মে বিকেল ৫টার মধ্যে তাদের পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে দাখিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আগ্রহের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিভাগ পছন্দের সুযোগ পাবেন তারা (শিক্ষার্থীরা)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিষয় পছন্দ দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে পরবর্তী ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বাতিল বলে গণ্য করা হবে।

    উল্লেখ্য, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) ইসলামী সহযোগী সংস্থা (ওআইসি) পরিচালিত বাংলাদেশের একটি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিবিএ ইন টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট ও ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন টেকনিক্যাল এডুকেশনসহ বিভিন্ন বিভাগে দেশের ও দেশের বাইরের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সুযোগ পান।

  • মাদরাসা কমিটিতে সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক-স্নাতকোত্তর ডিগ্রি

    মাদরাসা কমিটিতে সভাপতি হতে লাগবে স্নাতক-স্নাতকোত্তর ডিগ্রি

    বেসরকারি মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটি এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হতে হলে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে আলিম ও সমমানের মাদরাসার ক্ষেত্রে সভাপতি পদপ্রার্থীকে অবশ্যই কামিল অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। অন্যদিকে, দাখিল ও সমমানের মাদরাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হতে প্রয়োজন হবে ফাজিল অথবা স্নাতক ডিগ্রি।

    কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করার জন্য মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ এপ্রিল মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডও এ বিষয়ে একটি ‘স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি’ প্রকাশ করে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রবিধানমালা অনুযায়ী, অ্যাডহক কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে সভাপতি মনোনয়নের সময় এই শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা করতে হবে। আলিম পর্যায়ের মাদরাসার জন্য কামিল বা স্নাতকোত্তর এবং দাখিল পর্যায়ের মাদরাসার জন্য ফাজিল বা স্নাতক ডিগ্রিধারীরাই কেবল সভাপতি পদের জন্য বিবেচিত হবেন। একইসঙ্গে এই নতুন নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড তাদের আওতাধীন সব মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও পরিচালনা কমিটিকে অনুরোধ জানিয়েছে।

    উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপ বেসরকারি মাদরাসাগুলোর ব্যবস্থাপনা কমিটিতে মানসম্মত নেতৃত্ব নির্বাচন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • জাকসু নির্বাচন ৩১জুলাই, তফসিল ঘোষণা

    জাকসু নির্বাচন ৩১জুলাই, তফসিল ঘোষণা

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ জুলাই।

    বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে জাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

    জাকসুর নির্বাচনের তফসিল

    উপাচার্য জানান, জাকসুর গঠনতন্ত্রের ৮ এর খ. ধারা অনুযায়ী আগামী ৩১ জুলাই সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রব, জাকসু পরিবেশ পরিষদের সদস্য সচিব বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার

    এর আগে গত মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে জাকসুর সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে ‘পরিবেশ পরিষদ: জাকসু নির্বাচন ২০২৫’-এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং ক্রিয়াশীল শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা বৈঠক শেষে বুধবার (৩০ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টায় আজকে জাকসুর তফসিল ঘোষণার বিষয়ে সম্মত হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

  • অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

    অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্তকর পরিস্থিতির মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) ।

    রবিবার (২৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এক বার্তায় এ তথ্য জানান রেজিস্ট্রার ড. মো. জুলফিকার রহমান।

    বার্তায় বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

    বার্তায় আরও বলা হয়, ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের যে কোনো অসুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যথাযথভাবে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হবে।

    ইউআইইউ কর্তৃপক্ষ আগামী নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হবে এ বার্তায় জানানো হয়েছে।

    এর আগে গতকাল শনিবার (২৭ এপ্রিল) রাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে একযোগে পদত্যাগ করলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) উপাচার্য, অনুষদের ডিন এবং বিভাগীয় প্রধানরা।

    সাড়ে ৯টার পর ইউআইইউ’র অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

    ওইদিন রাতে বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়টির ফেসবুকের ওই পোস্টে জানায়, ‘ইউআইইউ-এর উপাচার্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অযৌক্তিক দাবির প্রতিবাদে, সকল ডিন, প্রধান এবং পরিচালকরা যৌথভাবে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।’

    পদত্যাগকৃতদের মধ্যে রয়েছেন-সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবুল কাসেম মিয়া, সিএসই বিভাগের প্রধান ড. মুহাম্মদ নুরুল হুদা, ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং এমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম রিজওয়ান খান, স্কুল অব বিজনেজ অ্যান্ড ইকোনমিকসের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুসা, স্কুল অফ হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক ড. হামিদুল হক, স্কুল অব সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. হাসান সারোয়ার, মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের (এমএসজে) বিভাগীয় প্রধান ড. শেখ মো. শফিউল ইসলামসহ আরও অনেকে।

    এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক ছাত্রীর বাবা মারা যান। ওই ছাত্রী মিডটার্ম পরীক্ষা পরে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর একটি আবেদন করেন। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিলে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের মুখে আজ একযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা একযোগে পদত্যাগ করলেন।

  • কুবি ‘বি’ ইউনিটে পাসের হার ৪৯.৭১

    কুবি ‘বি’ ইউনিটে পাসের হার ৪৯.৭১

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ‘বি’ ইউনিটের (কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং আইন অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষায় ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টায় এই ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এবার এই ইউনিটে পাসের হার শতকরা ৪৯.৭১ শতাংশ। এছাড়া আগামীকাল সোমবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সাবজেক্ট চয়েস দিতে পারবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন তিনি বলেন, আজ রাত ১২টা থেকে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ প্রোফাইলে রেজাল্ট দেখতে পারবেন। ‘বি’ ইউনিটে মোট পাসের হার ৪৯.৭১ শতাংশ।

    সাবজেক্ট চয়েসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (২৮ এপ্রিল) দুপুর ১২ টা থেকে আগামী ০৫ মে পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ প্রোফাইল থেকে পছন্দ মতো বিষয় নির্বাচন করতে পারবেন।’

    চলতি শিক্ষাবর্ষে ‘বি’ ইউনিটে ৪৪০ টি আসনের বিপরীতে ২৩ হাজার ৭৯৩ টি আবেদন জমা পড়লেও ১৬ হাজার ৭৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে শতকরা ৪৯.৭১ শতাংশ পরিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। মানবিক থেকে অংশগ্রহণকারী পরিক্ষার্থীদের পাশের হার ৮৬.২৫ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ৭২.৫০ শতাংশ এবং বিজ্ঞান থেকে ৭০.২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল চার টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ২১ টি কেন্দ্রে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।