Category: শিক্ষাঙ্গন

  • ফাজিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৯৩ শতাংশ

    ফাজিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৯৩ শতাংশ

    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাজিল (স্নাতক) পাস পরীক্ষা-২০২৩ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৩ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ আলী ভাইস-চ্যান্সেলর এর কাছে পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন।

    এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ও প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবু জাফর খান, ট্রেজারার এ এস এম মামুনুর রহমান খলিলী, কামিল (স্নাকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ অলী উল্যাহ, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাযাআত উল্লাহ ফারুকী, রেজিস্ট্রার মোঃ আইউব হোসেন, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোছাব্বির মোহাম্মদ মুছা, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মোঃ রফিক আল মামুন, উপ-রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমদ মোমতাজী’সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ফলাফল প্রকাশকালে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শামছুল আলম নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এবং সল্পসময়ে ফলাফল প্রকাশ করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। একইসাথে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

    এ বছর মেধাতালিকায় ১ম বর্ষে পিরোজপুর জেলার ছারছীনা দারুস সুন্নাত কামিল মাদরাসা এবং ২য় বর্ষ ও তৃতীয় বর্ষে চট্টগ্রাম জেলার জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা পৃথকভাবে প্রথম স্থান অর্জন করায় সংশ্লিষ্ট মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষর্থীদের অভিনন্দন জানান ভাইস চ্যান্সেলর।

    এ বছর তিন বর্ষে সর্বমোট ১ লাখ ১৭ হাজার ২৯৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এর মধ্যে ১লাখ ৯ হাজার ৮২৮ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। পরীক্ষায় পাশের হার ১ম বর্ষ ৯০.৪৮ শতাংশ, ২য় বর্ষ ৯৪.৭৪ শতাংশ এবং তৃতীয় বর্ষ ৯৬.৫৫ শতাংশ ।

    উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা ফলাফল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.iau.edu.bd এ পাওয়া যাবে।

  • শেষ হলো এসএসসির লিখিত পরীক্ষা, ১৫ মে শুরু ব্যবহারিক

    শেষ হলো এসএসসির লিখিত পরীক্ষা, ১৫ মে শুরু ব্যবহারিক

    ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছিল গত ১০ এপ্রিল। এর মধ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) শেষ হয়েছে ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত লিখিত (তত্ত্বীয়) অংশের পরীক্ষা। আর মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরিচালিত দাখিল পরীক্ষা শেষ হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ মে)। একইদিন শুরু হবে স্কুলের ব্যবহারিক পরীক্ষা, যা চলবে ২২ মে পর্যন্ত। আর মাদ্রাসার ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৬-২২ মে পর্যন্ত।

    এ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডই নির্দেশ দিয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে নম্বরপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র বোর্ডে জমা দিতে। স্কুল ও মাদ্রাসার ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল সংক্রান্ত সব নথিপত্র বোর্ডে ২৫ মে’র মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

    জানা গেছে, চলতি বছর সারা দেশে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।

    সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল ঢাকা বোর্ডে –৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ জন। এরপরই রয়েছে দিনাজপুর বোর্ড (১ লাখ ৮২ হাজার ৪১০), রাজশাহী (১ লাখ ৮১ হাজার ৯০৪), কুমিল্লা (১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০), যশোর (১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪), চট্টগ্রাম (১ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮), ময়মনসিংহ (১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৭), সিলেট (১ লাখ ২ হাজার ৮৭২) এবং বরিশাল (৮৪ হাজার ১৮)।

    মাদ্রাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন। অন্যদিকে, কারিগরি বোর্ডে ছাত্র ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন ও ছাত্রী ৩৪ হাজার ৯২৮ জন অংশ নিয়েছে।

    পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত সারা দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হয়। প্রশ্নফাঁস রোধে পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় সরকার।

  • রাজু ভাস্কর্যে জাতীয় সংগীত গেয়ে ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

    রাজু ভাস্কর্যে জাতীয় সংগীত গেয়ে ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

    শাহবাগে জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    সোমবার (১২ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে ছাত্রদল, গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, ছাত্র ফেডারেশনসহ বাম অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।

    এর আগে, সন্ধ্যার পর থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা “একাত্তরের শহিদেরা, লও লও সালাম”, “চব্বিশের শহিদেরা, লও লও সালাম”, “একাত্তরের বাংলায়, রাজাকারের ঠাঁই নাই”, “আমার সোনার বাংলায়, রাজাকারের ঠাঁই নাই”, “পাকিস্তানের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান”সহ নানা স্লোগান দেন।

    উল্লেখ্য, গত ১০ মে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবিতে শাহবাগে অবরোধ চলাকালে জাতীয় সংগীত গাইতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা “ভুয়া ভুয়া” চিৎকার করতে থাকে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি।

    জাতীয় সংগীত অবমাননার ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ রাজু ভাস্কর্যে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাবীদের ভরাডুবি কেনো?

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাবীদের ভরাডুবি কেনো?

    এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী। ভর্তির সুযোগ পাওয়া তো দূরের কথা ন্যূনতম পাসের নম্বরও তুলতে পারেনি মানবিক ও বিজ্ঞান ইউনিটের ৯০ শতাংশ।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অটোপাস ও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ফলাফলকেন্দ্রিক পড়াশোনার কারণে জিপিএ-৫ পেলেও প্রতিযোগিতায় ছিটকে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। আর যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নের পাশাপাশি সমস্যা উত্তরণের উপায় খুঁজছে বোর্ড।

    ২০০১ সালে এসএসসি আর ২০০৩ এইচএসসি পরীক্ষায় চালু হয় জিপিএ পদ্ধতি। প্রথম বছর সারাদেশে মাত্র ৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। তবে সবশেষ এসএসসির ফলাফলে সর্বোচ্চ এই গ্রেড অর্জন করেছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী। দুই দশকের ব্যবধানে জিপিএ-৫’র এমন ছড়াছড়ি খুশির সংবাদ হলেও কতটুকু বেড়েছে শিক্ষার মান তা নিয়ে আছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা কতটুকু যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারছেন? এই প্রশ্নের খুঁজতে গেলে সামনে আসছে বেশ কিছু হতাশাব্যঞ্জক উত্তর।

    ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি ইউনিটে ভর্তির জন্য মোট তিন লাখ দুই হাজার ৬০৬ শিক্ষার্থী আবেদন করেন। বিজ্ঞান ইউনিট এবং কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে জিপিএ ৫ পাওয়া ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৬১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ২১ হাজার জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। আর উভয় ইউনিটে ফেলের হার ৯০ শতাংশের বেশি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত সরকারের সময়ে শিক্ষার মানের তুলনায় ফলাফলকে গুরুত্ব দেয়া, উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিথিলতা দেখানো ও নম্বর বাড়িয়ে দেয়ার প্রবণতার ফলে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছিটকে পড়ছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম বলেন, এবার ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মূল কারণ করোনার সময়ে অটোপাস ও শর্ট সিলেবাসে পরীক্ষা। এর প্রভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষণ ঘাটতি রয়েছে।

    আর চলতি বছর থেকে নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে পাসের হার ও জিপিএ-৫ বাড়ানোর প্রবণতা থেকে সরে এসে প্রকৃত মাপকাঠিতে দক্ষতা নির্ণয়ের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর বলেন, নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে পাসের হার ও জিপিএ-৫ বাড়ানোর প্রবণতা থেকে সরে আসতে হবে। না হলে শিক্ষার যথার্থ মূল্যায়ন হবে না।

    ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীর কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী কারিকুলাম ও বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।

  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ইউনিটের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ইউনিটের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এ, বি এবং সি ইউনিটের বিভাগসহ প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ মে) দিবাগত রাত ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে ভর্তি–ইচ্ছুকরা নিজ নিজ প্যানেলে প্রবেশ করে তাঁদের ফল দেখতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১ জুলাই। সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ এমদাদুল হক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

    গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে চার বছর পর এবার নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এবং সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২২ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ এবং সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ গত ২৫ এপ্রিল বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২৭ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়।

    • ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য যত নির্দেশনা
      বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ১২ থেকে ১৫ মের মধ্যে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে অফিস চলাকালে (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা) সশরীর উপস্থিত হয়ে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে বিভাগের মাধ্যমে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। ভর্তির জন্য পূরণ করা ফরমের সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের মূল কপি প্রদর্শন সাপেক্ষে এক কপি ফটোকপি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র/ট্রান্সক্রিপ্ট, সদ্য তোলা পাসপোর্ট আকারের চার কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি বাবদ ১৪ হাজার ৬০০ টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ডিন অফিসের উন্নয়ন ফি ও বিভাগের উন্নয়ন ফি প্রদান করতে হবে।
    • ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশন অন/অফের (চালু/বন্ধ) শেষ সময় ১৬ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে মাইগ্রেশন অফ করলে পরবর্তী সময়ে অন করার কোনো সুযোগ থাকবে না। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১ জুলাই। ভর্তি–সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে জানা যাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, এ বছর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় জিপিএর ওপর ৩০ নম্বর কমিয়ে ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীদের মেধাতালিকা তৈরি করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষা ১০০ নম্বরের এবং বাকি ২০ নম্বর থাকবে এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ওপর। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে এবার এ, বি এবং সি—তিনটি ইউনিটে মোট আবেদন জমা পড়েছে ৬৬ হাজার ৪০২টি। সে হিসাবে এবার প্রতি আসনের বিপরীতে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৪।

    এ ইউনিটে ৩২ হাজার ৬৫৭ জন আবেদনকারীর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ২১ হাজার ৯৯৪ শিক্ষার্থী। শতাংশ হিসাবে যা উপস্থিতির হার ৬৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এই ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ৩৫০টি। এ ইউনিটে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৪৮৯ জন, পাসের হার ৩৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ নম্বর ছিল ৭৭।

    বি ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২৩ হাজার ৭৯৩ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ১৬ হাজার ৭৫৮ জন এবং উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮ হাজার ৩৩২ জন। এর মধ্যে কলা ও মানবিকে ৬ হাজার ৮৫৬ জন, বিজ্ঞানে ১ হাজার ৫২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৪২৪ জন। জিপিএ ছাড়া সর্বোচ্চ নম্বর কলা ও মানবিকে ৮৬ দশমিক ২৫, বিজ্ঞানে ৭০ দশমিক ২৫ এবং বিজনেস স্টাডিজে ৭২ দশমিক ৫০ পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। পাসের হার ৪৯ দশমিক ৭১ শতাংশ।

    সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৯ হাজার ৯৫২ জন আবেদনকারীর মধ্যে ৭ হাজার ৬৪৬ জন পরীক্ষা দিয়েছেন, যা শতাংশ হিসাবে উপস্থিতির হার ৭৬ দশমিক ৮৩। সি ইউনিটে মোট ২৪০টি আসন রয়েছে। সি ইউনিটে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৩৩৩ জন। পাসের হার ৬৯ দশমিক ৭৫ এবং সর্বোচ্চ নম্বর ৮৮।

  • মাদরাসার ছুটির তলিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে

    মাদরাসার ছুটির তলিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে

    ২০২৫ সালের মাদরাসার সংশোধিত ছুটির তলিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বৃহস্পতিবার (৯ মে) ছুটির তলিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধনের কথা জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে জারি করা দেশের ০৩টি সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি (স্বতন্ত্র, এবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) মাদরাসার জন্য ২০২৫ সালের (১৪৩১-১৪৩২ বঙ্গাব্দ) ছুটির তালিকা ও শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জির আংশিক সংশোধন করা হলো।

    • অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ জুন ২০২৫। এ পরীক্ষা চলবে ১৭ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত। এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে এ বছরের ৩ আগস্ট।
    • নির্বাচনী পরীক্ষা ১৬ অক্টোবর ২০২৫ শুরু হয়ে চলবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে।
    • এ বছরের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ২০ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। পরীক্ষা শেষ হবে ১১ ডিসেম্বর ২০২৫। বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫।
    • শিক্ষাপঞ্জির সংশোধিত তালিকা দেখুন এখানে…
  • বেসরকারি মেডিকেলে তিন শতাধিক দরিদ্র শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ

    বেসরকারি মেডিকেলে তিন শতাধিক দরিদ্র শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ

    সরকারের কঠোর নীতিমালার কারণে চলতি বছর বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হতে যাচ্ছেন দেশের প্রকৃত দরিদ্র পরিবারের তিন শতাধিক মেধাবী মেডিকেল শিক্ষার্থী। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ গত ১৫ এপ্রিল এ নীতিমালা জারি করেছে। ফলে চলতি বছর প্রকৃত মেধাবী ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানেরা বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তির এ সুযোগ পেতে যাচ্ছেন।

    এর আগে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ভর্তি কোটায় প্রভাবশালীদের গরিব আত্মীয়স্বজন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। নীতিমালায় কঠোর বিধান যুক্ত করার কারণে প্রভাবশালীরা এবার দরিদ্র কোটায় ভর্তির সুযোগ নিতে পারবেন না।

    স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব সরোয়ার বারী জানান, তিনি নিজেও একজন মেডিকেল শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষার্থীদের কষ্টের কথা বোঝেন। তাই বছরের শুরুতে যখন মোট ভর্তিযোগ্য আসনের ৫ শতাংশ কোটার প্রসঙ্গ এসেছে, তখন তিনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টার অনুমোদন নিয়ে দরিদ্র কোটায় প্রকৃত মেধাবী কিন্তু অসচ্ছলদের খুঁজে বের করতে একটি নীতিমালার প্রয়োজন বলে মনে করেন। সে অনুযায়ী একটি নীতিমালা তৈরি করে তা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হলে তিনি সেটা অনুমোদন দেন। পরে এই কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের আবেদনগুলো যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট)। এই নীতিমালা পরবর্তী সরকার অনুসরণ করলে আগামী দিনেও প্রকৃত মেধাবী ও অসচ্ছল পরিবারের সন্তানেরা মেডিকেল কলেজে ভর্তিদৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারবে।

    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ জানায়, দরিদ্র ও অসচ্ছল কোটায় ২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তবে বুয়েটের বাছাইয়ে টিকেছিলেন প্রকৃত মেধাবী অসচ্ছল পরিবারের ৩২৮ জন শিক্ষার্থী। ১২ মে পর্যন্ত সারা দেশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে এই ভর্তিপ্রক্রিয়া চলবে।

    এদিকে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীর এমবিবিএস পড়ার জন্য যেখানে ২৭ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়, সেখানে এই দরিদ্র বা অসচ্ছল কোটায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের কোনো টাকাপয়সা দিতে হবে না। তাঁদের শুধু মাসে খাওয়া খরচ হিসেবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ করতে হবে। তাঁদের ভর্তি ফি, টিউশন ফি, সেশন ফি, লাইব্রেরি ফি থেকে শুরু করে প্র্যাকটিক্যাল—সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণও বিনা মূল্য করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মল্লিকা খাতুন জানান, এ বছর ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার ২৯২টি আসনের বিপরীতে ৫ শতাংশ দরিদ্র কোটায় যাতে প্রকৃত মেধাবীরাই টিকে থাকেন, এ জন্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টার অনুমোদন নিয়ে নীতিমালাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে প্রকৃত দরিদ্র মেধাবীরাই এ কোটায় ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

    মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, দরিদ্র কোটা ছাড়াও যাঁরা সাধারণ কোটায় ২৭ থেকে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ভর্তি হচ্ছেন, তাঁদেরও আগের মতো এককালীন নয়, ভর্তির সময় মাত্র ২০ শতাংশ টাকা দিয়ে ভর্তির সুযোগ করে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এর কারণ অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে একসঙ্গে ২৭ লাখ টাকা দিয়ে ভর্তি হওয়া খুবই কষ্টের ব্যাপার। তিনি জানান, আগে সেশন ফি মাসে ১০ হাজার টাকা হিসাবে ৫ বছরের টাকা অর্থাৎ ৬০ মাসের জন্য ৬ লাখ টাকা আগেভাগেই নিয়ে নেওয়া হতো। এ বছর তা প্রতি সেশনের জন্য প্রতি মাসে নেওয়ার বিধান করে হয়েছে। তাই শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সেশন ফি হিসেবে এককালীন নয়; বরং প্রতি মাসের সেশন ফির টাকা প্রতি মাসে দেবে, অগ্রিম নয়।

    সরকারের ভিজিএফ কার্ডধারী পুরুষ বা নারীর সন্তান, মন্ত্রিসভা বিভাগের জারি করা দরিদ্র এলাকার বাসিন্দার সন্তান, প্রতিবন্ধীর সন্তান, এতিম সন্তান এবং বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তার সন্তান বা বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার চেয়ে কম আয়ের লোকের সন্তান, এভাবে দরিদ্র পরিবার চিহ্নিতকরণের অনেকগুলো ক্যাটাগরি দেওয়া হয় নীতিমালায়। নীতিমালা দেখতে এখানে ক্লিক করুন…

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ২য় বর্ষের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ২য় বর্ষের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট ২য় বর্ষ পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। রুটিন অনুযায়ী ২৩ জুন শুরু হবে পরীক্ষা এবং শেষ হবে ২৪ জুলাই। প্রথম দিনে বাংলা জাতীয় ভাষা এবং বাংলা জাতীয় ভাষা বিকল্পপত্র কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা প্রতিদিন দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী শেষ হবে পরীক্ষা। বুধবার (৭ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।

    রুটিন প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, কলেজের অধ্যক্ষগণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হতে কলেজের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে বিতরণ করবেন। বিতরণের আগে প্রবেশপত্রের অধ্যক্ষের নির্ধারিত স্থানে সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষ মহোদয়ের স্বাক্ষর করবেন। পরীক্ষা শুরুর ৩ দিন আগে প্রবেশপত্র বিতরণের কাজ শেষ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্রে দেয়া বিষয় কোড অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশ নিবে । ব্যবহারিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরে জানানো হবে।

    ব্যবহারিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরীক্ষার্থীবৃন্দ নিজ দায়িত্বে জেনে নিবেন। ব্যবহারিক পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক বিষয়ের কেন্দ্র ফি সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিক পরীক্ষা কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। ওয়েবসাইট হতে কলেজ পরীক্ষার্থীর রোল বিবরণী ডাউনলোড করে ২ কপি প্রিন্ট আউট নিয়ে ১ কপি সংশ্লিষ্ট কলেজে সংরক্ষণপূর্বক ১কপি কেন্দ্র ফি বাবদ আদায়কৃত ৪৫০ টাকার মধ্যে ৩০০ টাকা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (যে কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে কেন্দ্রের) কাছে পরীক্ষার ৩ দিন আগে জমা দিতে হবে। অবশিষ্ট ১৫০ টাকা দিয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের পরীক্ষা সংক্রান্ত ব্যয় নির্বাহ করবেন। পরীক্ষার হলে হাজিরা নেয়ার সময় মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র দেখাতে হবে।

  • মাদরাসার পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের নতুন সূচি প্রকাশ

    মাদরাসার পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের নতুন সূচি প্রকাশ

    চলতি বছর (২০২৫ শিক্ষাবর্ষে) দেশের মাদরাসাগুলোর পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সময়সূচিতে আংশিক পরিবর্তন এনেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ মে) কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত একটি সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসাএবং সব বেসরকারি (স্বতন্ত্র, এবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল) মাদরাসার জন্য ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি হালনাগাদ করা হয়েছে। সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩০ জুন, যা চলবে ১৭ জুলাই পর্যন্ত। আর এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ৩ আগস্ট।

    এরপর, নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত এবং ফল প্রকাশ করা হবে ১০ নভেম্বর। আর শিক্ষাবর্ষের শেষ ধাপ অর্থাৎ বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে ২০ নভেম্বর এবং শেষ হবে ১১ ডিসেম্বর। এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ৩০ ডিসেম্বর। এই প্রজ্ঞাপনে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ নতুন সময়সূচি অনুসারে মাদরাসার পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • ছাত্রলীগের পর এবার ছাত্রদলের ‘প্রচার সম্পাদক’ সাকিব আল হাসান

    ছাত্রলীগের পর এবার ছাত্রদলের ‘প্রচার সম্পাদক’ সাকিব আল হাসান

    কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন সাকিব আল হাসান রাফি। সংগঠনটি নিষিদ্ধ হলেও এখনও কমিটি বহাল। সম্প্রতি কলেজটিতে কমিটি ঘোষণা করেছে ছাত্রদল। সেই কমিটিতেও আছে সাকিব আল হাসান রাফির নাম। পদও আছে আগের মতোই ‘প্রচার সম্পাদক’।

    এমন ঘটনা ঘটেছে পটুয়াখালীর মহিপুর থানার মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের নেতারা।

    গত ৬ মে কলেজ শাখা ছাত্রদলের ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামীম চৌধুরী ও সদস্য সচিব জাকারিয়া আহম্মেদ কমিটির অনুমোদন দেন।
    কমিটিতে সাকিব আল হাসান রাফি ছাড়াও আরো দুই-একজনের বিরুদ্ধে বিগত সময়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বিষয়টি নিয়ে গতকাল বুধবার কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটির একাংশ। সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সহসভাপতি রাইসুল ইসলাম রুপু বলেন, ‘এই কমিটিতে যারা বছরের পর বছর ছাত্রদলের রাজনীতি করেছে, তাদের মূল্যায়ন হয়নি।

    একটি পক্ষ চক্রান্ত করে বিতর্কিত লোকজনকে বসিয়েছে। আমরা এই কমিটি বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নতুন সভাপতি রবিউল ইসলামও। তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে যে ছবিগুলো ছড়ানো হয়েছে, সেগুলো আমাকে দিয়ে জোর করে তোলা হয়েছিল। আমি অনেক আগে থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এসব ছবি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ।’