Category: প্রধান সংবাদ

  • জুলাই থেকে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকদের অনলাইন বদলি শুরু: শিক্ষা উপদেষ্টা

    জুলাই থেকে কলেজ পর্যায়ের শিক্ষকদের অনলাইন বদলি শুরু: শিক্ষা উপদেষ্টা

    আগামী জুলাই থেকে কলেজ পর্যায়ে অনলাইনে শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার।

    বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৫ এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    সি আর আবরার বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে সামান্য ভুল নিয়েও বই তুলে দিতে আমার মন সায় দিচ্ছেনা৷ তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতটা সম্ভব নির্ভুল বই দিতে কাজ করছি।

    উপদেষ্টা বলেন, দেশে বেকার সমস্যা সমাধানে কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ও নানা উদ্যোগ নিচ্ছে৷ আমরা চামড়া শিল্প, ওষুধ শিল্প, সিরামিক শিল্প সহ নানা খাতের শিল্প বিশেষজ্ঞ ও প্রতিনিধি নিয়েও আলাপ আলোচনা করেছি। আমরা মনে করি কারিগরি শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ সীমিত৷ এ সমস্যা সমাধানে আমরা যথাযথভাবে চেষ্টা করব।

  • যোগ্য উপাচার্য খুঁজতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিবে সরকার

    যোগ্য উপাচার্য খুঁজতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিবে সরকার

    পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে দেশের সরকারি বিশ্ববিদয়ালয়ের জন্য যোগ্য উপাচার্যদের খুঁজে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার।

    বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৫ এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, উপাচার্য নিয়োগে নানা অসঙ্গতির কারনে আমরা উপাচার্য নিয়োগের জন্য একটি বোর্ড তৈরী করেছি৷ আমরা উপাচার্য নির্বাচনের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিব৷ এতে আগ্রহীরা আবেদন করবেন৷ এরপর যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যোগ্যদের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে।

    উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি শিক্ষা ব্যবস্থার সন্ধিক্ষণে দাড়িয়ে আছে৷ আমরা চাই প্রয়ুক্তি এমনভাবে ব্যবহার হোক যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও সুবিধাভোগী হয়৷ আমরা চাই এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে যেখানে শিক্ষকরা পেশাগত মর্যাদা পায়।

    তিনি আরও বলেন, আমরা এমন এক বেতন ব্যবস্থা সৃষ্টি করা যেন তারা সন্মানজনক বেতন পান৷ আগামী জুলাই থেকে কলেজ পর্যায়ে অনলাইনে শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে৷ আমরা চাই একটা সচ্ছ বদলি প্রক্রিয়া৷ এসব কাজ সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

  • শেখ মুজিবসহ চার নেতাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়নি: উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

    শেখ মুজিবসহ চার নেতাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়নি: উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

    ক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মো. মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামান মুক্তিযোদ্ধা।

    বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান তিনি।

    ফারুক ই আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবে। যারা সশস্ত্রভাবে মুক্তিযুদ্ধ করেছে, যারা পরিচালনা করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ওই সরকারের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন।

    তিনি আরও বলেছেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রসহ কূটনীতিকরা সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। সহযোগী মানে এ নয় যে তাদের সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।

    উপদেষ্টা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে।

    ফারুক ই আজম বলেন, ১৯৭২ সালে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞাই বাস্তবায়ন করেছে। ২০১৮ ও ২০২২ সালে এটা পরিবর্তন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী দুইয়েরই সম্মান, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে। জাতিগতভাবে মুক্তিযুদ্ধ না করলে আমরা স্বাধীন হতে পারতাম না। মুক্তিযুদ্ধের চেয়ে গৌরব আমাদের জাতির ইতিহাসে আর কিছু হয়নি।

    এর আগে মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

  • ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

    ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

    রাজধানী ঢাকার দ্রুততম ও আধুনিক বাহন মেট্রোরেল চলাচল পবিত্র ঈদুল আজহার দিন অর্থাৎ ৭ জুন বন্ধ থাকবে।

    বুধবার (৪ জুন) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক (প্রশাসক) এ কে এম খায়রুল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আগামী ০৭ জুন (শনিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মেট্রো ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ঈদের পরদিন অর্থাৎ রোববার (৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে ৩০ মিনিট থেকে মেট্রোরেল চলবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আগামী সোমবার (৯ জুন) থেকে সরকারি ছুটির দিনের সময়সূচি অনুযায়ী মেট্রোরেল চলাচল করবে।

  • তাজউদ্দিনের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল হয় কীভাবে প্রশ্ন সারজিসের

    তাজউদ্দিনের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল হয় কীভাবে প্রশ্ন সারজিসের

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তাজউদ্দিন আহমদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    বুধবার (৪ জুন) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “তাজউদ্দিন আহমদ মাঠে থেকে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল হয় কীভাবে?”

    সারজিস আলম তার পোস্টে মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল “মুক্তিযোদ্ধার নামে সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার জন্য আওয়ামী আমলে যারা নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা সেজেছেন এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদের মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ইচ্ছাকৃতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে বন্দি হয়ে বিজয়ের পর পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের জেলে বন্দি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি সরাসরি মাঠে ছিলেন না।”

    সারজিস আলমের মতে, ” মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মাঠে থেকে যারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় সরাসরি অবদান রেখেছেন তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাতিল করার মতো অপ্রয়োজনীয় কাজ কোনোভাবেই কাম্য নয়।”

    তিনি ইতিহাসের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে বলেন, “ইতিহাস যেন কখনো ক্ষমতাসীনদের পক্ষের না হয়। ইতিহাসকে ইতিহাসের মতো করেই চলতে দেওয়া উচিত।”

  • বঙ্গবন্ধুসহ ৪ শতাধিক নেতার মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল

    বঙ্গবন্ধুসহ ৪ শতাধিক নেতার মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল

    শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল হয়ে গেছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) অধ্যাদেশে এসব নেতাদের পরিচয় ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করে জামুকা আইনের সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

    সংশোধিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের সদস্যরা হবেন ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিভাগ থেকে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এতে কারও নাম না থাকলেও নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী উল্লেখিত নেতাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল হয়ে গেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

    অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শুধু মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারই নন, আরও চার শ্রেণির স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই চার শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা হলেন প্রথমত, যেসব বাংলাদেশি পেশাজীবী বিদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশেষ অবদান রেখেছেন এবং বিশ্ব জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

    দ্বিতীয়ত, যারা মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর) অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারী বা দূতসহ অন্যান্য সহকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃতীয়ত, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সব শিল্পী ও কলাকুশলী এবং দেশ ও দেশের বাইরে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সব বাংলাদেশি সাংবাদিক। চতুর্থত, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

    বাতিল হওয়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০২২ অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুসহ প্রবাসী সরকারের এমএনএ বা এমপিএ এবং উল্লিখিত চার শ্রেণির সবাই বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃত ছিলেন। নতুন অধ্যাদেশে তাদের মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী করার ফলে তাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিচিতি বাতিল হয়ে গেল।

  • পাঁচটি বিসিএসের ফল প্রকাশের রোডম্যাপ জানাল পিএসসি

    পাঁচটি বিসিএসের ফল প্রকাশের রোডম্যাপ জানাল পিএসসি

    বিসিএস জট নিরসনের লক্ষ্যে ৪৪ থেকে ৪৮ বিসিএস পর্যন্ত পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছেন বালাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-পিএসসি। এরমধ্যে তিনটি বিসিএস পরীক্ষার ফল চলতি বছরেই প্রকাশ হবে। এই তিন বিসিএসের ফল প্রকাশের দিনক্ষণও ঘোষণা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ জুন) পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন ৪৪তম বিসিএস, ২২ সেপ্টেম্বর ৪৮তম বিসিএস এবং ১০ ডিসেম্বর ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।

    পিএসসি জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ফল প্রকাশ নিশ্চিত করতে ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল ১৯ জুন প্রকাশ করা হবে এবং একইসঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হবে। যেসব প্রার্থীর একাধিক বিসিএস পরীক্ষার সময়সূচি ওভারল্যাপ করতে পারে—তাদের জন্য কমিশন পৃথক ব্যবস্থা নিয়েছে। ৪৫তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা, যদি কারও ৪৬তম বিসিএসের লিখিত বা ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে সেই প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার এক মাস পূর্বে বা পরে।

    চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ)। সরকার ইতোমধ্যে ২৭ মে ২০২৫ তারিখে এই বিসিএসের গেজেট প্রকাশ করেছে এবং মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে, ২৯ মে, এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষা হবে ১৮ জুলাই এবং ফলাফল প্রকাশ করা হবে ২১ জুলাই। এরপর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে ২২ সেপ্টেম্বর।

    এছাড়া ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর এবং লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ নভেম্বর থেকে।

    পিএসসি আরো জানায়, নিয়মিত বিসিএসের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তির দুই মাস পর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশের দুই মাস পর লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে অনিবার্য কারণে নির্ধারিত সময়সূচি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলে জানায় কমিশন, তবে বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

  • প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমছে

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমছে

    আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে। গত অর্থবছরের (২০২৪-২৫) চেয়ে এ খাতে ৩ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ কমানো হয়েছে। 

    সোমবার (২ জুন) বিকেল ৩টায় ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা শুরু করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছর (২০২৪-২৫) এ খাতে প্রস্তাবিত বরাদ্দ ছিল ৩৮ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। সেই হিসাবে বরাদ্দ কমেছে ৩ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা।

    যদিও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় বাজেট কমিয়ে ৩৫ হাজার ১২৩ কোটি টাকা করা হয়।

    প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯৫ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা। গত অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৯৪ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়েছে ৯৩৫ কোটি টাকা।

    অর্থ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, গত কয়েক বছর ধারাবাহিকভাবে মাদরাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি বেড়েছে। এ খাত দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। ফলে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

  • শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে  ৯৩৪ কোটি টাকা

    শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে ৯৩৪ কোটি টাকা

    আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে মাত্র ৯৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। বরাদ্দ থাকছে ৯৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৯৪ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। যা সংশোধিত বাজেটে এসে দাড়াঁয় ৮৪ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা।

    সোমবার (২ জুন) বিকেল ৩টায় ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) এ খাতে প্রস্তাবিত বরাদ্দ ছিল ৩৮ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা। সেই হিসাবে বরাদ্দ কমেছে ৩ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা। যদিও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় বাজেট কমিয়ে ৩৫ হাজার ১২৩ কোটি টাকা করা হয়।

    এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগে প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় ৩ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষায় ৮৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

    আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৪৭ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৪৪ হাজার ১০৮ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ৩ হাজার ৪৫৬ কোটি টাকা বেশি। যদিও গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতের বরাদ্দ দাঁড়িয়েছিল ৩৯ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা।

    এছাড়া কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ পেয়েছে ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা, যা আগের বছরের মূল বাজেটে ছিল ১১ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা। যদিও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা খাতের জন্য বরাদ্দ দাঁড়ায় ৯ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, গত কয়েক বছর ধারাবাহিকভাবে মাদরাসায় শিক্ষার্থী ভর্তি বেড়েছে। এ খাত দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। ফলে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।

  • জুলাইয়ে হতাহত পরিবারের জন্য বাজেটে ৪০৫ কোটি বরাদ্দ

    জুলাইয়ে হতাহত পরিবারের জন্য বাজেটে ৪০৫ কোটি বরাদ্দ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে গত বছরের জুলাই-আগস্টে সংগঠিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

    সোমবার (২ জুন) বাজেট ঘোষণাকালে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ইতোমধ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণ, গবেষণা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে।

    এ ছাড়াও, ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তরের কার্যক্রম চলমান। খুব শিগগিরই শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ভাতা প্রদানে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি তাদের চিকিৎসা ও পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও গ্রহণ করা হচ্ছে।

    এদিকে, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে শক্তিশালী করতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে পেনশন ব্যতীত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দ ৯১ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বরাদ্দ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

    অর্থ উপদেষ্টার ভাষায়, “সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় দরিদ্র, প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানোর বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে।”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শহীদ পরিবার ও আহতদের স্বীকৃতি ও সহায়তার পাশাপাশি সার্বিক সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করার এই উদ্যোগটি সরকারের মানবিক দায় ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেই বিবেচিত হবে।