Category: খবর

  • সচিবালয়ের সব ফটক বন্ধ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন

    সচিবালয়ের সব ফটক বন্ধ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন

    ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে এবার ফটকগুলোর সামনে অবস্থান নিয়েছেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে সব ফটকটই বন্ধ রয়েছে।

    সোমবার (২৬ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়জুড়ে বিক্ষোভ শেষে গেটগুলোর সামনে অবস্থান নেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১, ২ ও ৪ নম্বর গেট বন্ধ করে দেয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভে অংশ নিতে কাজ ফেলে নিচে নেমে এসেছেন।

    এসময় বন্ধ না করায় জোর করেই তিন নম্বর গেট বন্ধ করে দেন কর্মচারীরা। এরপরে থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়।

    এরআগে সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মো. বাদিউল কবীর ও মহাসচিব নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়। এরপর সোয়া ১১টার দিকে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের অপর অংশ।

    বিক্ষোভ মিছিলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘অবৈধ কালো আইন, বাতিল কর করতে হবে’, ‘কর্মচারী মানে না, অবৈধ কালে আইন’, ‘মানি না মানবো না, অবৈধ কাল আইন’, ‘এক হও লড়াই কর, ১৮ লাখ কর্মচারী’, ‘সচিবালয়ের কর্মচারী, এক হও এক হও’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’- এ ধরনের বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

    এর আগে রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে। এমন বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে সরকার।

    জানা গেছে, ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইন সংশোধনে অধ্যাদেশের খসড়া নিয়ে ক্ষুব্ধ সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কারণ অধ্যাদেশের খসড়ায় শৃঙ্খলা বিঘ্নিত, কর্তব্য সম্পাদনে বাধা, ছুটি ছাড়া কর্মে অনুপস্থিত, কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানির জন্য কোনো ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে চাকরিচ্যুতির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে বিক্ষোভ করে আসছিলেন।

  • উন্নত চিকিৎসা না পেয়ে চোখ হারানো ৪ জুলাই যোদ্ধার বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

    উন্নত চিকিৎসা না পেয়ে চোখ হারানো ৪ জুলাই যোদ্ধার বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দীর্ঘ ৯ মাস পরও উন্নত চিকিৎসার বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি অভিযোগ এনে রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি থাকা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চোখ হারানো চার তরুণ বিষপান করেছেন। পরে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে তারা সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।

    রোববার (২৫ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। বিষপানকারীরা হলেন- শিমুল, মারুফ, সাগর ও আখতার হোসেন (আবু তাহের)।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জুলাই ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) সঙ্গে চলমান বৈঠকের সময় ওই চারজন দাবি নিয়ে তার কক্ষে যান। সিইও তাদের অপেক্ষা করতে বললে ক্ষুব্ধ হয়ে সেখানেই বিষপান করেন তারা।

    জুলাই গণ-আন্দোলনে চোখ হারানো আহতরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ৯ মাসেও তাদের উন্নত চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং প্রতিশ্রুতি দিয়ে নানা বাহানা করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বললেও তা বাস্তবে ঘটেনি।

    হাসপাতালটির অধ্যাপক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে ভর্তি থাকা ৪ জন আজ বিষপান করেছেন। তারা আগেই পকেটে করে বিষ নিয়ে আসে। কিন্তু আমার রুমে এসে মিটিং চলাকালীন তাদের এই কর্মকাণ্ডে খুবই অবাক হয়েছি। ঠিক কি কারণে তারা এমন করেছে আমরা কিছুই জানি না।

    তিনি আরো বলেন, আমরা সাধারণ রোগীদের বেড ফাঁকা করে দীর্ঘ ৯ মাস ধরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তাদের চিকিৎসা দিয়ে আসছি। কিন্তু তাদের এ ধরনের আচরণ আমাদের খুবই মর্মাহত করে। আমাদের পক্ষ থেকে যতটা সেবা দেওয়ার, আমরা তা দিয়েছি। তারা এখন চাইলে নিজ নিজ বাসায় গিয়েই বাকি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের কাজটি সম্পন্ন করতে পারেন। তারপরও তারা হাসপাতালে আছেন, আমরাও আন্তরিকতার সাথে সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

  • শিক্ষার্থী আনাস হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু

    শিক্ষার্থী আনাস হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু

    বৈষম‍্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে রাজধানীর চানখাঁরপুলে শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান আনাস হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রবিবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিচার কাজ শুরু হয়।

    এর আগে গত ২০ এপ্রিল এই মামলায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। সেই প্রতিবেদন ২৫ মে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করা হয়। এর মধ্য দিয়েই আনাস হত্যা মামলার বিচারিক কাজের সূচনা হলো।

    মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম ও মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। তাদের মধ্যে কয়েকজন পলাতক রয়েছেন।

    মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখাঁরপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যরা এই অভিযানে সরাসরি অংশ নেন।

    তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামি হাবিবুর রহমানসহ অন্য অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং অধীনস্তদের গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। তাদের সহযোগিতা ও নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আন্দোলন দমন করতে ব্যবহার করা হয় আগ্নেয়াস্ত্র, এপিসি কার, হেলিকপ্টার, ড্রোন ও বিপুল পরিমাণ বুলেট। পুলিশের এই অভিযানে নিহত হন শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক।

  • প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ।

    তিনি বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা যাচ্ছেন না, তিনি চলে যাবেন বলেননি, অবশ্যই থাকছেন। আমাদের অর্পিত দায়িত্ব বড় দায়িত্ব, এ দায়িত্ব ছেড়ে আমরা যেতে পারবো না।

    শনিবার (২৪ মে) একনেক সভার পর উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ১৯ জন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক হয়।প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না: পরিকল্পনা উপদেষ্টাঅনির্ধারিত বৈঠক শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সঙ্গেই থাকছেন। উনি বলেননি পদত্যাগ করবেন। অন্য উপদেষ্টারাও থাকছেন। আমাদের যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমরা সে দায়িত্ব পালন করতে এসেছি।’

    ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে কী প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে কার কি প্রতিবন্ধকতা আছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সংস্কার কাজ এগিয়ে নিতে গেলে কি কি প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে সেগুলো আমরা দেখছি। বড় পরিসরে আগামী নির্বাচন এবং একটা সুশাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের জন্য যে ধরনের ক্ষেত্র তৈরি করা দরকার সেই কাজেও কোথা থেকে কি কি প্রতিবন্ধকতা আসছে সেগুলো আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি।

    তিনি বলেন, আমরা আহ্বান জানাবো গণঅভ্যুত্থানের সব শক্তিকে রাষ্ট্রের সব সংস্থাকে আমাদের এ লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করার জন্য। এটা তো আমাদের একার দায়িত্ব না। আমাদের এখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসিনি। আমাদের একটা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ দায়িত্ব ছেড়ে আমরা যাবো না। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা কোথা থেকে আসছে তা চিহ্নিত করতে চাই। আমরা সকল রাজনৈতিক দল, দেশের প্রশাসন , বিচারবিভাগ, বিভিন্ন সংস্থা সবাই মিলে কাজ করবো। আমাদের কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবার সহযোগিতা চাই।

    জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এর বাইরে আমার কিছু বলার নেই। সব প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করবো।

    পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না করা পর্যন্ত কেউ কোথাও যাচ্ছি না।’

    নিজের (পরিকল্পনা উপদেষ্টা) পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু কিছু দল যেমন আমার পদত্যাগের সম্বন্ধে কথা বলেছে। আমি উপদেষ্টা পরিষদে জানতে চেয়েছি এটা দলীয়ভাবে বলা হয়েছে কি না? এটা জানানো হয়েছে এটা দলীয় কোনো মতামত নয়। যদি দলীয় মতামত হতো তাহলে এ সরকার তো গণঅভ্যুত্থানের সব শক্তি ও সমর্থনে এসেছে। এ সরকারের ভিত্তিও সেটা। কাউকে নিয়ে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি হোক এটা সমীচীন হবে না। আমরা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসিনি। এ দায়িত্ব উপভোগ্য কোনো দায়িত্ব না। কাজেই সেরকম হলে যে কেউ পদত্যাগ করতাম। কিন্তু আমাকে বলা হয়েছে দলীয়ভাবে আমার বিষয়ে কোনো কথা আসেনি। আমরা কোথাও যাচ্ছি না।

  • ড. ইউনূস ‘পদত্যাগের বিষয়ে ভাবছেন’ : নাহিদ ইসলাম

    ড. ইউনূস ‘পদত্যাগের বিষয়ে ভাবছেন’ : নাহিদ ইসলাম

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করতে পারেন এমন খবর পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে তার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের চলমান পরিস্থিতি, স্যারেরতো পদত্যাগের একটা খবর আমরা আজকে সকাল থেকে শুনছি। তো ওই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে স্যারের সাথে দেখা করতে গেছিলাম। প্রধান উপদেষ্টা দেশের চলমান পরিস্থিতিতে কাজ করতে পারবেন না এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    তিনি বলেন, স্যার বলছেন আমি যদি কাজ করতে না পারি… যে জায়গা থেকে তোমরা আমাকে আনছিলা একটা গণ অভ্যুত্থানের পর। দেশের পরিবর্তন, সংস্কার…..। কিন্তু যেই পরিস্থিতি যেভাবে আন্দোলন বা যেভাবে আমাকে জিম্মি করা হচ্ছে। আমিতো এভাবে কাজ করতে পারবো না। তো রাজনৈতিক দলগুলা তোমরা সবাই একটা জায়গায়, কমন জায়গায় না পৌঁছাতে পারো। প্রধান উপদেষ্টাকে পদত্যাগের মতো সিদ্ধান্ত না নিতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টাকে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমাদের গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশের ভবিষ্যৎ সবকিছু মিলিয়ে উনি যাতে শক্ত থাকেন। এবং সবগুলা দলকে নিয়ে যাতে ঐক্যের জায়গায় থাকেন। সবাই তার সাথে আশা করি কো-অপারেট করবেন। প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, হ্যাঁ যদি কাজ করতে না পারেন, থাকবেন, থেকে কী লাভ। এই আলোচনার পরে প্রধান উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে জানিয়েছেন ‘পদত্যাগের বিষয়ে ভাবছেন” তিনি। উনি বলছেন, উনি এ বিষয়ে ভাবতেছেন। ওনার কাছে মনে হয়েছে পরিস্থিতি এরকম যে তিনি কাজ করতে পারবেন না।

    পদত্যাগের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার এখনকার মনোভাবের বিষয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, এখন ওনি যদি রাজনৈতিক দল তার পদত্যাগ চায়…. সেই আস্থার জায়গা, আশ্বাসের জায়গা না পাইলে উনি থাকবেন কেন?

    প্রসঙ্গত, আজই অন্তর্বর্তী সরকারের দুইজন উপদেষ্টা এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদত্যাগ বা অব্যাহতি চেয়েছে বিএনপি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর চলমান আন্দোলন থেকে আজ দুই উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। পরে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে বিএনপি এই দুই উপদেষ্টাসহ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানেরও অব্যাহতি দাবি করেছে।

    এদিকে, বিএনপি’র এই দাবির পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের তিনজন উপদেষ্টাকে বিএনপির মুখপাত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে পদত্যাগে বাধ্য করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এনসিপি’র এক শীর্ষ নেতা, তবে তা সংস্কার সুপারিশ বাস্তবায়ন না হলে। এই তিনজন হলেন— আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে পূর্বের যে কোনো বিভাজনমূলক বক্তব্য ও শব্দচয়নের কারণে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।


    বিবিসি বাংলা

  • বিশ্বরেকর্ড গড়ে এভারেস্ট জয় করলেন বাংলাদেশী শাকিল

    বিশ্বরেকর্ড গড়ে এভারেস্ট জয় করলেন বাংলাদেশী শাকিল

    পদযাত্রা করে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়ি দিয়ে সবচেয়ে কম সময়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এভারেস্ট জয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ইকরামুল হাসান শাকিল। সপ্তম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করলেন তিনি।

    ‘সি টু সামিট’ শীর্ষক এবারের অভিযানে তিনি দ্রুততম সময়ে সমুদ্র থেকে পায়ে হেঁটে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এই শিখর আরোহণ করেন।

    ইকরামুল হাসানের নেপালি ট্রাভেল অ্যাজেন্সি ‘এইটকে এক্সপেডিশনস’ জানিয়েছে, সোমবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টায় শাকিল সহ মোট ১৫ জন পর্বতারোহী এভারেস্টের চুড়ায় আরোহণ করে। তারা সুস্থ আছে এবং আজ তাদের ক্যাম্প-২ এ নেমে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

    এই অভিযানের সমন্বয়ক বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) সদস্য সাদিয়া সুলতানা শম্পা জানান, শাকিল বিশ্বরেকর্ড করে এভারেস্ট আরোহণ করে ক্যাম্প ৪-এ ফিরেছেন। উনি দ্রুততম সময়ে সমুদ্র থেকে পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু করে ১৩শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এই শিখর আরোহণ করেন।

    তিনি আরো জানান, আশা করা যায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এগুলো সব আপনাদের জানানো হবে। তবে তার চেয়েও জরুরি শাকিলের সম্পূর্ণ নিরাপদে বেসক্যাম্পে ফিরে আসা। আমাদের এখনো ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।

    গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের ইনানি সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু হয় শাকিলের পদযাত্রা। ৯০ দিনের মধ্যে ‘সি টু সামিট’ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে অভিযান শুরু করেন তিনি। যাত্রাপথে বাংলাদেশ, ভারত এবং নেপালের প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ও দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে ৮৪তম দিনে এভারেস্টের ২৯ হাজার ৩১ ফুট উঁচু শিখরে আরোহণ করলেন শাকিল।

    বাংলাদেশের স্বপ্নবাজ এ তরুণের আগে ১৯৯০ সালে অস্ট্রেলিয়ার পর্বতারোহী টিম ম্যাকার্টনি-স্নেপ ভারতের গঙ্গাসাগর থেকে ৯৬ দিনে প্রায় ১২শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে পদচিহ্ন রাখেন। শাকিল তার যে সপ্তাহখানেক কম সময়ে পাড়ি দিয়েছেন আরো একশ কিলোমিটার বেশি।

  • প্রশ্নফাঁসের গুজব রুখতে এআই দিয়ে সিআইডির নজরদারি

    প্রশ্নফাঁসের গুজব রুখতে এআই দিয়ে সিআইডির নজরদারি

    এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষাকে ঘিরে প্রশ্নফাঁসের গুজব ও অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি করছে।

    রবিবার (১৮মে) সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে অনলাইনে ভুয়া প্রশ্নফাঁস, গুজব ও প্রতারণা ঠেকাতে সিপিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সিপিসির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট শাখা প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এই অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে।

    পরীক্ষার আগেই কিছু অসাধু চক্র ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের মতো সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়াতে থাকে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা এবং প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া। এই পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়ে সিআইডি নজরদারি বাড়ায় এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তৎপরতা চালায় বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

    ১৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ, টিকটক অ্যাকাউন্ট এবং ইউটিউব চ্যানেল শনাক্ত করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতারকদের মোবাইল নম্বর, আইপি অ্যাড্রেসসহ অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করে তাদের শনাক্ত করার কাজও চলছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারা অনুযায়ী বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দ্রুত সরাতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোকে ‘কনটেন্ট টেকডাউন রিকোয়েস্ট’ পাঠানো হয়। এতে এসব ভুয়া কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ হয় এবং ভবিষ্যতে গুজব ঠেকাতে একটি শক্ত বার্তা দেওয়া সম্ভব হয়।

    সিআইডির এই কার্যক্রমের ফলে গত বছরের তুলনায় এবার গুজব ও সাইবার প্রতারণা অনেকটাই কমে এসেছে। পরীক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পেরেছে, এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আস্থা ফিরেছে।

    এছাড়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করতে সিপিসি সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা প্রকাশ করেছে, যাতে কেউ ভুয়া প্রশ্নফাঁসের অফার বা গুজবে বিভ্রান্ত না হয়।

  • সাম্য হত্যা: তদন্তের দায়িত্ব পাচ্ছে ডিবি

    সাম্য হত্যা: তদন্তের দায়িত্ব পাচ্ছে ডিবি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) শিক্ষার্থী সাম্য হত্যার তদন্ত গোয়েন্দা সংস্থা ডিবির কাছে হস্তান্তরের আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    রোববার (১৮ মে) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. নিয়াজ আহমেদ খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তাদের এ আশ্বাস দেন।

    সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ কয়েকজন ছাত্র প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

    সাক্ষাৎ শেষে অধ্যাপক হোসনে আরা বেগম বলেন, আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাম্য হত্যার সুষ্ঠু বিচার হোক। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আমাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নোট নিয়েছেন।

    পরে সাম্যর বন্ধু এসএস নাহিন ইসলাম বলেন, আমরা শাহবাগ থানাকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিলাম, কিন্তু আশানুরূপ অগ্রগতি পাইনি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে ডিবির কাছে তদন্ত হস্তান্তর করা হবে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।

    নাহিন বলেন, আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও আশাবাদী। আমরা তখনই আশ্বস্ত হবো যখন দেখব আসামিরা বিচারের আওতায় এসেছে। কর্মসূচি প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আমরা সকলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।

    তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল ও দল বিভিন্নভাবে সাম্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে নিজেদের দাবি জানাচ্ছে। আমরা সবসময় বলে আসছি, আমাদের একটাই দাবি- সাম্য হত্যার বিচার। আমরা যা করা উচিত, তাই করব। কর্মসূচির বিষয়ে আমরা সবাই মিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। প্রয়োজন হলে আরো কঠোর আন্দোলনে যাব।

    আমাদের দাবি ছিল দৃশ্যমান অগ্রগতি। যেহেতু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বাস দিয়েছেন এবং তদন্ত ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে, তাই আমরা আশাবাদী যে ইতিবাচক কিছু দেখতে পাব।

  • সাম্য হত্যা: গ্রেফতার তিন জন ৬ দিনের রিমান্ডে

    সাম্য হত্যা: গ্রেফতার তিন জন ৬ দিনের রিমান্ডে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তিন জনের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    শনিবার (১৭ মে) শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম শাহিন রেজা এই আদেশ দেন। তারা হলেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার এরশাদ হাওলাদারের ছেলে মো. তামিম হাওলাদার, কালাম সরদারের ছেলে পলাশ সরদার ও ডাসার থানার যতীন্দ্রনাথ মল্লিকের ছেলে সম্রাট মল্লিক।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতার তিনজনের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৌফিক হাসান। তবে ওইদিন রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আজ পুনরায় শুনানি শেষে আদালত তাদের রিমান্ডে পাঠান।

    প্রসঙ্গত, গত ১৩ মে রাতে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তমঞ্চের পাশ দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাঁর ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাম্যকে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে রাত ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সাম্যকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় ১৪ মে সকালে সাম্যের বড় ভাই শরিফুল ইসলাম ১০-১২ জনের নামে শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ‎সাম্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক। এই হলের ২২২ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

  • শিশু আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৩

    শিশু আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৩

    আলোচিত মাগুরার চাঞ্চল্যকর শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই মামলায় হিটু শেখের স্ত্রী জাহেদা বেগম, দুই ছেলেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

    শনিবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন।

    এর আগে গত ১৩ এপ্রিল আলোচিত মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিচার কার্যক্রম। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল।

    এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন ২৯ জন। ছুটির দিন বাদে টানা শুনানি করে ১২ কার্যদিবসে শেষ হয় বিচার।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মেডিকেল অ্যাভিডেন্স ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।

    গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতাল নেওয়া হয়।

    অবস্থার অনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। ঘটনার পর দেশজুড়ে মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।