Category: শিক্ষাঙ্গন

  • সাড়ে ১২ লাখ শিক্ষার্থী আজ বসবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়

    সাড়ে ১২ লাখ শিক্ষার্থী আজ বসবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায়

    উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ পরীক্ষার্থীর। এ বছর গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৩ জন। সে হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৮১ হাজার ৮৮২ জন। যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

    করোনা, ডেঙ্গু ও বন্যার শঙ্কা নিয়ে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসির প্রথম দিন হবে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ, মাদ্রাসা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১০ আগস্ট। ১১ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ’ এদিকে আগামী বছর থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। মে থেকে জুন মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই পরীক্ষা।

    করোনা ও ডেঙ্গু সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছে আন্ত: শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীসহ পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাধ্যতামূলক ‘মাস্ক পরিধান’ করতে হবে। এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশপথে ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজার’ রাখতে হবে। আর ডেঙ্গু বিস্তার রোধে কেন্দ্রের ভেতর ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

    পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গুর প্রকোপের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বেশি কিছু নির্দেশনা দেওয়া। এগুলো তদারকি করার জন্য বোর্ডের একাধিক দল কাজ করবে।

    পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

    এবার দেশের ৯ হাজার ৩১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসবে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন, ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯৭ টি।

    চলতি বছর নয়টি সাধারণ বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৮ জন, যা গত বছরের থেকে ৭২ হাজার ৮৮৩ জন কম। ৪ হাজার ৮০৮টি প্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী ১৬০৫টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় বসবেন ৮৬ হাজার ১০২ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছরের থেকে ১ হাজার ৯৭৪ জন কম। ২ হাজার ৬৮২টি মাদ্রাসার এসব পরীক্ষার্থী ৪৫৯টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

    আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ভোকেশনাল, ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন পরীক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ৭ হাজার ২৫ জন কম। ১ হাজার ৮২৪টি প্রতিষ্ঠানের এসব পরীক্ষার্থী ৭৩৩টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় বসবেন।

    মানতে হবে যেসব নিয়ম

    অন্যদিকে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনে আগামী ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত সব ধরণের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার সময় কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইলসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার অন্যান্য বছরের মতই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

    এদিকে গত মঙ্গলবার জারি করা এক তথ্য বিবরণীতে তথ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ওই সভায় প্রশ্নপত্র ফাঁস বা ফাঁস সংক্রান্ত গুজব এবং পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের নকল সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তথ্য অধিদপ্তর বলছে, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং এসময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী এর পরে প্রবেশ করলে রেজিস্টারে তাদের নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করে পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো কক্ষে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের ততটুকু সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুরো সময় জুড়ে কেন্দ্র ও ভ্যেনু কেন্দ্র কলেজগুলো ক্লাস বন্ধ রাখার রেওয়াজ থাকলেও এবার এ প্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষার ‘ফাঁকে ফাঁকে’ ক্লাস চালাতে পারবে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ক্লাস বন্ধ থাকলেও যেসব দিন পরীক্ষা নেই ওই দিনগুলোতে কেন্দ্র ও ভ্যেনু কেন্দ্রগুলোতে ক্লাস চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

  • ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে

    ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। সব বিষয়ে পূর্ণ সময় ও পূর্ণ নম্বরে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি।

    বুধবার (২৫ জুন) এনসিটিবির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক রবিউল কবির চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা যে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে সব বিষয়ে পূর্ণ সময় ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে তা জানিয়ে আমরা নির্দেশনা জারি করেছি। আসলে এখন কোন বিশেষ পরিস্থিতি নেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা যে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে সব বিষয়ে পূর্ণ সময় ও পূর্ণ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে তা বোঝা যায়। কিন্তু বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষরা এবং অভিভাবকরা বারবার আমাদের কাছে এ পরীক্ষার নিয়ে জানতে চাচ্ছিলেন। তাই আমরা ওই নির্দেশনা জারি করেছি।”

    এর আগে গত ২৩ জুন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর মোর্চা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কাছে পাঠায় এনসিটিবি। এতে বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে। এ সকল শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের মে-জুন মাসে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি, আলীম ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলীম ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সকল বিষয়ে পূর্ণসময়ে ও পূর্ণনম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

    সকল শিক্ষাবোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে এ বিষয়ে জানাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিকে অনুরোধ জানিয়েছে এনসিটিবি।

    করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। এরপর ২০২১ সাল থেকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়। চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরাও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষায় বসবেন।

  • ঢাবিতে ইউনেস্কো চেয়ার: ১২৫টি দেশের সঙ্গে একাডেমিক সংযোগ

    ঢাবিতে ইউনেস্কো চেয়ার: ১২৫টি দেশের সঙ্গে একাডেমিক সংযোগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনক্লুশন ইন হায়ার ইডুকেশন সিস্টেম বিষয়ক একটি ইউনেস্কো চেয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থার (ইউনেস্কো) ইউনিটুইন/ইউনেস্কো চেয়ার প্রোগ্রামের অংশ। বিশ্বজুড়ে ১২৫টি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ১ হাজারেরও বেশি ইউনেস্কো চেয়ার রয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়, যা সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে উৎসাহিত করে।

    এই চেয়ার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনেস্কোর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এবং ইউনেস্কোর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থার মহাপরিচালক ওদ্র্রে আজুলে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই চেয়ারের চেয়ারপার্সন এবং একই ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব কো-চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের নেতৃত্বে চেয়ারটি উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি, সমতা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং নীতিনির্ধারণী সংলাপ পরিচালনা করবে।

    চেয়ারটি কেবল একটি একাডেমিক উদ্যোগ নয় বরং এটি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈশ্বিক একাডেমিক নেটওয়ার্ক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্তে সংযুক্ত করবে। এই চেয়ারের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।

    চুক্তি অনুযায়ী, ইউনেস্কো চেয়ারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সহায়তা দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। চেয়ারের কার্যক্রমে ব্যবহৃত ইউনেস্কো চেয়ার লোগো কেবল নির্ধারিত নিয়ম মেনে ব্যবহার করা যাবে এবং কোনো অবস্থাতেই তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।

    চেয়ারের মূল লক্ষ্যগুলো হলো-

    • অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ও সমতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
    • উচ্চশিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনায় উৎসাহিত করা।
    • শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে আলোচনা সভা, সেমিনার ও ওয়েবিনারের মাধ্যমে জ্ঞান বিনিময় বিস্তৃত করা।

    চেয়ারটির প্রথম মেয়াদ চলবে ৩০ জুন ২০২৯ পর্যন্ত। মেয়াদ শেষের আগেই কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইউনেস্কোকে জমা দিয়ে নবায়নের আবেদন করতে হবে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে এই ইউনেস্কো চেয়ার দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি, ন্যায্যতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

  • সাড়ে ৫ মাসেই কুরআনের হিফজ করলো কুমিল্লার শিশু সাইদুল

    সাড়ে ৫ মাসেই কুরআনের হিফজ করলো কুমিল্লার শিশু সাইদুল

    কুমিল্লার মুরাদনগরে সাড়ে পাঁচ মাসেই কুরআনের হাফেজ হয়েছে সাইদুল ইসলাম নামে ৮ বছরের এক শিশু। মুরাদনগর উপজেলার বাইড়া দারুল কুরআন নুরানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসা থেকে কুরআন মুখস্ত করে ওই শিশু শিক্ষার্থী। সে বাইড়া গ্রামের সবজি বিক্রেতা আক্কাস আলীর ছেলে।

    মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে কুরআনে হাফেজ হওয়ায়  সাইদুলকে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। হাফেজ অহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান তৈয়বুর রহমান তুহিন, মাওলানা আমজাদ হোসাইন, সাজ্জাদ হোসেন, হাফেজ সহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

    মাদরাসার প্রধান শিক্ষক সহিদুল ইসলাম বলেন, সাইদুলের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে খুব কম সময়ে সে হিফজ সমাপ্ত করতে পেরেছে। মাত্র সাড়ে ৫ মাস ১৮ দিনেই এ শিক্ষার্থী পবিত্র কুরআন মুখস্ত করার গৌরব অর্জন করে। তার এমন কৃতিত্বে অভিভাবক, শিক্ষক, সহপাঠী এবং এলাকাবাসী আনন্দিত। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন শিশু হাফেজের পরিবার। এটি আমাদের মাদরাসার প্রথম অর্জন। হাফেজ সাইদুল খুবই ভালো ছেলে। সে খেলাধুলা কিংবা বাজে আড্ডায় সময় নষ্ট করেনি।

    সাইদুলের বাবা আক্কাস আলী বলেন, ছোটবেলা থেকেই কুরআন হিফজের বিষয়ে সাইদুলের প্রবল ইচ্ছা ও আকর্ষণ ছিল। মাদরাসায় ভর্তির জন্য সে নিজেই প্রচেষ্টা চালায়। ২০২৪ সালের ৬ ডিসেম্বর তাকে মাদরাসায় ভর্তি করানো হয়। ২০২৫ সালের শুরুতে তাকে পবিত্র কুরআনের সবক দেওয়া হয়। সাড়ে ৫ মাসের মধ্যেই সে কুরআনের হাফেজ হয়ে ওঠে। দ্রুত সময়ে তার সফলতায় আমরা সবাই খুব খুশি। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি মাদরাসার শিক্ষকদের প্রতি । ভবিষ্যৎতে আরো বড় হয়ে যেন হাফেজ সাইদুল কোরআনের খেদমত করতে পারে দেশবাসীর কাছে এই দোয়া চাই।

    হাফেজ সাইদুল জানায়, আমি চেষ্টা করেছি, আল্লাহ সহায় ছিলেন বলেই মহাগ্রন্থ কুরআন আয়ত্ত করতে পেরেছি। ইসলামের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এবং হাক্কানি আলেম হওয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

  • ৭ কলেজ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুতই, জুনেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

    ৭ কলেজ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুতই, জুনেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

    রাজধানীর সরকারি সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতির খবর দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

    মঙ্গলবার (২৪ জুন) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় জানানো হয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে অথবা জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি খুব শিগগিরই জারি করা হবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অধ্যাদেশ। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে লোগো নির্বাচন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ এবং অকৃতকার্যদের জন্য রিটেক পরীক্ষার সুযোগ বাস্তবায়নেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    সভায় উপস্থিত সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী মো. আবির হাসান অভি জানান, সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের বহুল প্রতীক্ষিত নিজস্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিকে কেন্দ্র করে ইউজিসির এই সভায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সেগুলো হলো— ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা ও লোগো নির্বাচন, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ এবং রিটেকের সুযোগ।

    ইউজিসি জানিয়েছে, আগামী জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামো উপস্থাপন করা হবে।

    সভায় জানানো হয়, লোগো নির্বাচনের বিষয়েও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আগামী ১-২ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ইউজিসিতে আমন্ত্রণ জানিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে লোগো চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু পরীক্ষা ও ফলাফল সংক্রান্ত। ইউজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফলাফল দ্রুত প্রকাশে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের রিটেকের সুযোগও দেওয়া হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

    সভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি। ইউজিসি জানায়, কোনো ষড়যন্ত্র বা কালো হাত এই অধ্যাদেশ আটকে রাখতে পারবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির সম্মতিতে অধ্যাদেশ প্রকাশ করা হবে বলে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।

    সভায় শিক্ষার্থীরা ইউজিসির কাছে একটি বিশেষ আবদার জানায়— ৫ আগস্ট, যেদিন ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে সেদিনই যেন প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। ইউজিসি বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।

    সভায় উপস্থিত ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, আজ বৈঠকে ইউজিসির পক্ষ থেকে যে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা আমাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের একটি বড় অর্জন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস, ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে লোগো নির্বাচনের মতো উদ্যোগ আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আশার আলো দেখাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত চেতনা ও প্রয়াসের ফলেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। এখন চাই, প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হোক।

    প্রসঙ্গত, সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’। মার্চ মাসে ইউজিসিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক সভায় এই নাম নির্ধারণ করা হয়। নামটি বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন শেষে রাষ্ট্রপতির সম্মতিক্রমে অধ্যাদেশ জারি করা হবে।

  • ‘শিক্ষাখাতের সংস্কারে শুধুমাত্র আলোচনা নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার’

    ‘শিক্ষাখাতের সংস্কারে শুধুমাত্র আলোচনা নয়, কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার’

    শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাংলায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন ভাষায় লেখা বইগুলো অনুবাদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, শিক্ষাখাতের সংস্কারে শুধুমাত্র আলোচনা নয়, সময়সীমা নির্দিষ্ট করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। শিক্ষা কমিশন হলেই যে শিক্ষাখাতের সকল সমস্যার সমাধান হবে, সেটা ভাবার কোন কারণ নেই। আমাদের সময় এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাশাপাশি দায়বদ্ধতার অভাব আর সঠিক পরিকল্পনার ঘাটতি আমাদের নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসির উদ্যোগে ‘বাজেট ২০২৫-২৬ : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এ আলোচনা সভার উদ্বোধন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, জাতীয় বাজেট আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। জাতীয় বাজেটে এবছর শিক্ষাখাতে বেশকিছু ভালো উদ্যোগ আমরা দেখতে পেয়েছি। বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান খাতে এবছর কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এসব খাতে আরও গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এই সংলাপ জাতীয় পর্যায়ে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এবং সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক।

    অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. আবু ইউসুফ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং রিসার্চ এন্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এ রাজ্জাক আলোচনায় অংশ নেন। উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারপার্সন ড. নাঈম সুলতানা স্বাগত বক্তৃতা করেন।

  • দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

    দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

    চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০ জুন থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এ বছর মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন।

    গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৩ জন। সে হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৮১ হাজার ৮৮২ জন।

  • দেশের ৫৭ কলেজের নাম পরিবর্তন

    দেশের ৫৭ কলেজের নাম পরিবর্তন

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীনে দেশের ৫৭টি সরকারি কলেজ ও মহাবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব কলেজ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (২৩ জুন) রাতে প্রকাশিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে নবনির্ধারিত নাম ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক মো. আব্দুল হাই সিদ্দিক সরকারের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ২৮ মে তারিখের প্রজ্ঞাপন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির চিঠির আলোকে প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর পরিবর্তিত নামের তালিকাও সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এই পরিবর্তন অনুযায়ী, এখন থেকে কলেজগুলোর অফিসিয়াল নথিপত্র, নেমপ্লেট, ওয়েবসাইট, চিঠিপত্রসহ সব ক্ষেত্রে পরিবর্তিত নাম ব্যবহার করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তথ্য প্রযুক্তি (আইসিটি) দপ্তরকে ওয়েবসাইটে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর ই-মেইলে পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছে।

    এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় ইতিহাস, জননন্দিত ব্যক্তিত্ব এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সঙ্গে মিল রেখে নতুনভাবে পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। স্থানীয়তা, প্রশাসনিক সরলতা এবং বাস্তবিক পরিচিতির বিষয় বিবেচনা করে দীর্ঘ নামের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য নাম বেছে নেওয়া হয়েছে।

  • ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত শাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার

    ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত শাবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার

    ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) দুই ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৪ জুন) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেটের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেট সদস্য আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি থেকে দুই ছাত্রের আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ এসেছে। সিন্ডিকেটে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া আজকের সভায় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    বহিষ্কৃত দুই ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী স্বাগত দাস পার্থ ও শান্ত তারা আদনান।

    উল্লেখ্য, ২ মে আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকার সময় আখালিয়া খুলিয়াপাড়াস্থ একটি মেসে অচেতন করে ধর্ষণের অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় গত ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। পরে ২০ জুন সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (৩) ধরা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর ৮(১)/ ৮(২) ও ৮(৩) ধারায় মামলা করেন তিনি।

  • মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলেন বাবা, বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুজনেরই

    মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাচ্ছিলেন বাবা, বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুজনেরই

    মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে ঠাকুরগাঁওয়ে বাস ও থ্রি-হুইলারের সংঘর্ষে বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভুল্লী খোশবাজার এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- জেলার ভুল্লী থানার খুলিশাকুড়ি পোস্ট অফিস পাড়ার মো. আশরাফুল ইসলাম (৫২) ও তার মেয়ে বোদা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী রুবাইয়া খাতুন (১৫)।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী ভিআইপি অটোমোবাইলসের একটি বাস তীব্র গতিতে আসছিল। বাসটি ভুল্লীর খোশবাজার মাদ্রাসার দক্ষিণে পোস্ট অফিসের কাছে পৌঁছালে সামনে থাকা একটি তিন চাকার ‘পাগলু’ গাড়িকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পাগলু গাড়ি চালাচ্ছিলেন আশরাফুল। আর যাত্রী হিসেবে ছিল তার মেয়ে রুবাইয়া। এ সময় ঘটনাস্থলেই বাবা আশরাফুল নিহত হয় আর মেয়ে রুবাইয়াকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।

    আশরাফুল তার মেয়েকে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলেন বলে জানান নিহতের স্বজনরা।

    এ বিষয়ে ভুল্লী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। বাসটিকে জব্দ করা গেলেও চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। বোদা হাইওয়ে পুলিশ এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।