Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বিএমইউ’র গবেষণা রিভিউ বোর্ডকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    বিএমইউ’র গবেষণা রিভিউ বোর্ডকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অফিস ফর হিউম্যান রিসার্চ প্রোটেকশনস (ওএইচআরপি) থেকে আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন পেয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) গবেষণা সংক্রান্ত ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ড (আইআরবি)। ফলে গবেষণায় নৈতিকতা, মানবাধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আন্তর্জাতিক মান অর্জন করল বিএমইউ।

    সোমবার (১৬ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, ওএইচআরপির নিবন্ধনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা থেকে ফান্ড পেতে পারেন। ওএইচআরপি বিভিন্ন সময়ে আমাদের ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ডের কার্যক্রম তদারক করবে, তারা এর কোয়ালিটি বা গুণগত মান তদারকি করবে। এরই মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাও উন্নত হবে। ভবিষ্যতে এসব গবেষণা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা সুবিধা পাব।

    আইআরবি মূলত একটি নীতিনির্ধারণী কমিটি, যা গবেষণার অনুমোদন, নৈতিকতা যাচাই, ঝুঁকি মূল্যায়ন, গবেষণার সময় নজরদারি এবং অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।

    এই স্বীকৃতি গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বহুজাতিক প্রকল্পে অংশগ্রহণ এবং বৈদেশিক তহবিল আহরণে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। নিবন্ধনের ফলে বিএমইউর গবেষণা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করায়, বিশ্বমানের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশে সুবিধা হবে।

  • ডাকসু নির্বাচন: অধ্যাপক জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে ১০ রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ

    ডাকসু নির্বাচন: অধ্যাপক জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে ১০ রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের জন্য প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ৯ রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে ১০ সদস্যের কমিশন গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    সোমবার (১৬ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই কমিশন গঠন করা হয়।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনকে প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ডাকসু সংবিধানের ৮(এফ) ধারার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এ নিয়োগ প্রদান করেন।

    প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সহায়তা করার লক্ষ্যে আরও নয়জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন-

    ১. অধ্যাপক ড. এ এস এম মহিউদ্দিন (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ)।

    ২. অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী (সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)।

    ৩. অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ)।

    ৪. অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম (উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ)।

    ৫. অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা (স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট)।

    ৬. অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম (শহীদুল জাহীদ) (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ)

    ৭. অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর (বাংলা বিভাগ)।

    ৮. অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ)।

    ৯. সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রিটার্নিং কর্মকর্তারা উপাচার্যের সঙ্গে পরামর্শক্রমে নির্বাচন পরিচালনার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করবেন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবেন।

    ডাকসু নির্বাচনে ছয় সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন থাকলেও এবার কমিশনের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে সর্বোচ্চ ১০ জন করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনায় স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

  • এইচএসসি শুরুর কয়েক দিন আগে ফরম পূরণের সুযোগ

    এইচএসসি শুরুর কয়েক দিন আগে ফরম পূরণের সুযোগ

    চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবারও পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সুযোগ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

    সোমবার (১৬ জুন) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের স্বাক্ষর করা এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফরম পূরণের সময় ১৮ ও ১৯ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সোনালি সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধের সর্বশেষ তারিখ ১৯ জুন।

    আরও বলা হয়েছে, কেবল বৈধ রেজিস্ট্রেশনধারী ও নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এইচএসসির ফরম পূরণ করতে পারবে। তবে কোন পরীক্ষার্থী তার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো কারণ বা শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ না নিলে অথবা নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর অভিভাবকের লিখিত আবেদন ও পরীক্ষার্থীর প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষার সন্তোষজনক ফলের ভিত্তিতে পরীক্ষার ফরম পূরণ করার সুযোগ পাবেন।

    আগামী ২৬ জুন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। ১১ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

    ২০২৩ সালের সংক্ষিপ্ত বা পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা হবে। সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বরে ও পূর্ণ সময়ে এ পরীক্ষা আয়োজন করা হবে বলে আগেই জানিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো।

    জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থীদের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগেও ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গত ২ মার্চ থেকে থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয়। বিলম্ব ফি ছাড়া ১০ মার্চ পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পেরেছিলেন শিক্ষার্থীরা। আরও ১০০ টাকা ‘বিলম্ব ফি’ দিয়ে ১৭ মার্চ পর্যন্ত ফরম পূরণ করা গেছে। ‘বিলম্ব ফি’-সহ ১৮ মার্চ পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা ফি জমা দিতে পেরেছেন।

    এরপর ১৩ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বাদপড়া শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সুযোগ এবং ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ফরম পূরণের ফি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল পরীক্ষার্থীদের। তৃতীয় দফায় ১৮ ও ১৯ জুন ফরম পূরণ ও ১৯ জুন ফি জমা দেওয়ার সুযোগ পেলেন পরীক্ষার্থীরা।

  • মাস্ক পরে বসতে হবে এইচএসসি পরীক্ষায়

    মাস্ক পরে বসতে হবে এইচএসসি পরীক্ষায়

    করোনা সংক্রমন বাড়তে থাকায় চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষাথীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে নিদেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর মোর্চা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। একইসঙ্গে পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে এবং ডেঙ্গুরোধে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে বলা হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।

    সোমবার (১৬ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার।

    তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় সবার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে কেন্দ্রের প্রবেশ পথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে বলা হয়েছে। ডেঙ্গুরোধে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কেন্দ্র সবার স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিও এক জরুরি স্মারকে এমন নির্দেশনা দিয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে কেন্দ্রের প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং পরীক্ষা শুরুর আগে মশা নিধনের ওষুধ স্প্রে করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা কক্ষের আসন বিন্যাস যথাযথভাবে বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী করতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেডিকেল টিম সক্রিয় রাখতে হবে এবং সিভিল সার্জন বা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। একইসঙ্গে জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যবিধি মানা নিশ্চিত করতে হবে এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের ভিড় বা জটলা এড়াতে প্রচারণা চালাতে হবে।

    সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সাবভেরিয়েন্টের সংক্রামণ বৃদ্ধি পাওয়ার এবং অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। গত ৪ জুন জারি করা ওই নির্দেশনায় সংক্রামণ প্রতিরোধে বারবার প্রয়োজনমত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার, আক্রান্ত ব্যাক্তির থেকে ৩ ফুট দূরে অবস্থান, অপরিস্কার হাতে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং হাঁচি কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা কাপড় দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সাবভেরিয়েন্টের সংক্রামণ বৃদ্ধি পাওয়ার এবং অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। গত ৪ জুন জারি করা ওই নির্দেশনায় সংক্রামণ প্রতিরোধে বারবার প্রয়োজনমত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার, আক্রান্ত ব্যাক্তির থেকে ৩ ফুট দূরে অবস্থান, অপরিস্কার হাতে নাক-চোখ-মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা এবং হাঁচি কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা কাপড় দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    এ নির্দেশনাগুলো স্কুল-কলেজে মেনে চলতে রোববার নির্দেশনা জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে। একইসঙ্গে ২৬ জনের কোভিড শনাক্ত হওয়ার খবরও দেওয়া হয়।

    বাংলাদেশে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর দেশে শনিবার পর্যন্ত ১ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার ২২৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫০৩ জনের।

    কোভিড মহামারী শুরুর পর প্রথম বছর ২০২০ সালে ৭৫৫৯ জনের প্রাণ কেড়েছিল করোনাভাইরাস। এরপর সবচেয়ে বেশি ২০ হাজার ৫১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল ২০২১ সালে। এরপর ২০২২ সালে ১৩৬৮ জন এবং ২০২৩ সালে ৩৭ জন এবং ২০২৪ সালে ২২ জন রোগী মারা যায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে।

  • নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত এমপিওভুক্ত করার দাবি

    নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত এমপিওভুক্ত করার দাবি

    সরকারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুততম সময়ে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদ। সোমবার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

    বক্তব্যে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক সেলিম মিয়া বলেন, আমরা নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ২০ থেকে ২৫ বছর বিনা বেতনে পাঠদান করে আসছি। আজ আমরা অসহায়। ফেব্রুয়ারি-মার্চের উত্তাল আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রাণের দাবি সরকার মেনে নিয়েছিল।

    তিনি বলেন,সরকারের পক্ষে শিক্ষা উপদেষ্টা ও সিনিয়র সচিব গত ১১ মার্চ তারিখে আমাদের ৭ জন নন-এমপিও শিক্ষক প্রতিনিধিকে সচিবালয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে সুস্পষ্টভাবে এমপিওভুক্তির ঘোষণা প্রদান করেন এবং বলা হয় অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ক্যাবিনেট সচিব ও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে আলোচনা করে আগামী মে মাসের মধ্যে এমপিওর পরিপত্র জারি করা হবে। ফলে সর্বাধিক সংখ্যক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আগামী জুলাই মাস থেকে বেতন ধরা হবে।

    তিনি আরো বলেন, কিন্তু পরে সরকারের প্রতিশ্রুত এমপিওভুক্তির কাজের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখতে না পেয়ে আমরা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা হতাশ। সরকারের নিকট অবিলম্বে সব ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তকরণের জোর দাবি জানাচ্ছি এবং আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আগামী ২১ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পুনরায় লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি দেওয়া হবে।

  • যথাসময়ে হবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান

    যথাসময়ে হবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান

    বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ফের উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ২৬ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীক্ষার সময়সূচি পেছানো নিয়ে নানা গুজবও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি নিশ্চিত করেছে, নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    শনিবার (১৪ জুন) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বলেন, দেশে করোনা ও ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে, এটা সত্য। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। তবে এখন পর্যন্ত পরীক্ষার সময়সূচি পেছানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী ২৬ জুন থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। আমরা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ বুঝতে পারি। কিন্তু পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হবে। শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে আসন বিন্যাস করা হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হবে।

    পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে এবার নেওয়া হচ্ছে বাড়তি সতর্কতা। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে জীবাণুনাশক ছিটানোর ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। পরীক্ষার হলে বসার আগে শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থাকবে থার্মাল স্ক্যানার। একই সঙ্গে আসন বিন্যাসে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হবে যাতে একজন পরীক্ষার্থী অন্যজনের সংস্পর্শে না আসে। পরীক্ষার আগে ও পরে কেন্দ্র প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার দিকেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রসচিবদের। এছাড়া, প্রয়োজন হলে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় অতিরিক্ত চিকিৎসাকর্মী ও ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম রাখার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

    বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, বর্তমান সংক্রমণের মাত্রা পরীক্ষা পেছানোর মতো নয়। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছি। সংক্রমণের পরিস্থিতি যদি হঠাৎ খারাপের দিকে মোড় নেয়, তখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হবে। পরীক্ষার্থীদের যেন কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়তে হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    অভিভাবকদের দাবি—কেন্দ্র সংখ্যা বাড়ানো হোক
    একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষক জানান, দ্রুততম সময়ে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো জরুরি। এতে করে পরীক্ষার্থীদের চাপ কিছুটা কমবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মানা সহজ হবে। আবার অনেক শিক্ষকরাও বলছেন, কোনবাবেই অটোপাসের চিন্তাও করা যাবেনা বরং নিয়মতান্ত্রিক পরীক্ষা নিতে হবে৷ কারণ, ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করে ‘অটোপাস’ দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা এখনও অনেকের মনে রয়ে গেছে।

    এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা কলেজের একজন অধ্যাপক বলেন, ‘অটোপাস সিদ্ধান্ত তখনকার প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক ছিল। তবে এবারের বাস্তবতা ভিন্ন। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস ও প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে। সুতরাং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়াই হবে যথার্থ সিদ্ধান্ত।’

    এদিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানায়, পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়ে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন, সে জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বোর্ডের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করা হবে।

    উল্লেখ্য, বোর্ডের প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২৬ জুন শুরু হয়ে চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

  • রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, করোনা-ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

    রবিবার খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, করোনা-ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা

    পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর খুলছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ডেঙ্গু ও করোনার ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের মধ্যেই খুলছে এসব প্রতিষ্ঠান, ফলে উদ্বেগ বাড়ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রবিবার (১৫ জুন) থেকে প্রথম ধাপে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হবে। এরপর ২২ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলবে। মাদরাসাগুলোর ছুটি সবচেয়ে দীর্ঘ হওয়ায় সেগুলো খুলবে ২৬ জুন।

    এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে গভীর উদ্বেগ। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থীর মা ফারজানা হক বলেন, আমার ছেলে প্রতিদিন কলেজে যায় বাসে করে। এখন চারপাশে ডেঙ্গুর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি, পথে কোথাও পানি জমে থাকলেই ভয় হয়। কলেজে ক্লাস শুরু হলেও কীভাবে নিরাপদ থাকবে, এই চিন্তায় আছি।

    ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক অভিভাবক মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, বাচ্চাদের স্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় বিষয়। স্কুল বন্ধ থাকার সময়টাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কতটা হয়েছে, সেটা নিশ্চিত না হয়েই ক্লাস শুরু হচ্ছে। এতে বিপদের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে।

    মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী রাইদার বাবা হাবিবুর রহমান বলেন, ছুটি মাত্র ১০ দিন ছিল। এখন আবার কলেজ খুলেছে, অথচ আশপাশে কোথাও মশার ওষুধ ছিটাতে দেখি না। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ে, এসব ভাবলে ভয় হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুনের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১২২৫ জন এবং মারা গেছেন ৫ জন। মে মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৭৭৩ জন। একইসঙ্গে করোনার সংক্রমণও বাড়ছে। জুনের প্রথম ১০ দিনেই ৫৪ জন আক্রান্ত এবং ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৫৮ জন।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ
    অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, কলেজ খুলছে ১৫ দিন ছুটির পর, অন্য প্রতিষ্ঠান ২০ দিন পর। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু ও করোনার ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেই। ফলে অভিভাবকরা সন্তানকে পাঠানো নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন।

    তবে এই প্রেক্ষাপটে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) পাঁচটি সুনির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে। এর মধ্যে রয়েছে— অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া, বাইরে ও জনসমাগম স্থলে মাস্ক পরা, আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা, চোখ, নাক ও মুখে হাত না দেওয়া, হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু বা কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা।

    মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান জানান, করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্কুল-কলেজের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মশার লার্ভা ধ্বংস করতে ছুটির আগে ও পরে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

    আবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নজরদারিতে রেখেছে এবং প্রয়োজনে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে গত ১ জুন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়। শিক্ষা স্তর ভেদে ছুটির সময়ের পার্থক্য ছিল। যেখানে মাদরাসাগুলো পায় সর্বোচ্চ ২৫ দিনের ছুটি আর সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে ছুটি ছিল মাত্র ১০ দিন।

  • প্রাথমিকে কমছে পরীক্ষার চাপ, শেখার আনন্দে জোর এনসিটিবির

    প্রাথমিকে কমছে পরীক্ষার চাপ, শেখার আনন্দে জোর এনসিটিবির

    প্রাথমিক শিক্ষার শুরুতেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার চাপ থেকে মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বুধবার (১১ জুন) ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১: প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত ২০২৫)’ প্রকাশ করেছে, যেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে শুধুমাত্র ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

    নতুন এই শিক্ষাক্রমে শিখন-শেখানোর পদ্ধতি, মূল্যায়ন কৌশল ও বিষয়বস্তুর কাঠামোয় এসেছে বড় পরিবর্তন। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতেও চালু করা হচ্ছে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পাশাপাশি সামষ্টিক মূল্যায়ন। এতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী হবে এবং চাপমুক্ত থেকে শেখার আনন্দ উপভোগ করতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এনসিটিবি বলছে, এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের শিখন অভিজ্ঞতা সহজ, আনন্দময় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা। শিক্ষাক্রমে জাতীয় মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও জীবনদর্শনের প্রতিফলন ঘটিয়ে শিশুদের কৌতূহলী, সৃজনশীল ও সক্রিয় করে গড়ে তোলার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ফলে, প্রথম-দ্বিতীয় শ্রেণিতে এখন থেকে কোনো বার্ষিক বা সামষ্টিক পরীক্ষা থাকবে না। শিক্ষকরা নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, আচরণ, চিন্তাভাবনা ও কাজের মানের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করবেন। অন্যদিকে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে আগের মতো বার্ষিক পরীক্ষার পাশাপাশি চলবে ধারাবাহিক মূল্যায়নও।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এই শিক্ষাক্রম অনুমোদন পেয়েছে। এনসিটিবি জানিয়েছে, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্ট সুধীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও সংশোধন ও পরিমার্জন করা হতে পারে।

  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ আয়কর আদায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ আয়কর আদায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আদায় সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ওই রায়ের অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আদায় সংক্রান্ত দুইটি প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ। এর ফলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আদায়ের পথ সুগম হয়।

    হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক ৪৫টি আপিল নিষ্পত্তি করে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বোরহান উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি এ রায় দেন।

    আপিল বিভাগের রায়ে বলা হয়, এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কর আরোপ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার খরচ বৃদ্ধি করবে, তা সঠিক নয়। কারণ আয়কর বা প্রত্যক্ষ কর কেবলমাত্র তখনই প্রদেয় হবে যখন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আয় করবে; তবে ক্ষতি হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো কর প্রদান করতে হয় না।

    সেদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, প্রবীর নিয়োগী এবং আইনজীবী ওমর সাদাত ও সাখাওয়াত হোসেন।

    বেসরকারি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শতকরা ১৫ ভাগ হারে আয়কর আদায়ের জন্য ২০০৭ সালের ২৮ জুন ও ২০১০ সালের ১ জুলাই পৃথক দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। পরে ওই দুই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে পৃথক রিট করা হয়।

    আইনজীবীদের তথ্যমতে, রিটকারীদের মধ্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, আহ্‌ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস, চট্টগ্রামের ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ও সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি রয়েছে।

    পরে ওই দুই প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এক শিক্ষার্থীর করা পৃথক ৪০টির বেশি রিট করা হয়। এসব রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর আদায়ের দুইটি প্রজ্ঞাপন অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।

    এরপর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। এর ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক ৪৫টি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক ৪৫টি আপিল করে, যার ওপর শুনানি শেষে রায় দেন সর্বোচ্চ আদালত।

  • ব্রাক, মানারাতসহ বেসরকারি ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি

    ব্রাক, মানারাতসহ বেসরকারি ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের গঠনতান্ত্রিক কার্যক্রম ও সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়াতে দ্বিতীয় দফায় দেশের ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি ঘোষণার খরব জানান। এর আগে বুধবার সংগঠনের সভাপতি মোঃ আবু হোরায়রা ও সাধারণ সম্পাদক এম. রাজীবুল ইসলাম তালুকদার বিন্দু এই কমিটিগুলো অনুমোদন করেন।

    ঘোষিত কমিটির বিস্তারিত সুপার ফাইভ (সভাপতি–সাংগঠনিক সম্পাদক):

    ১. ব্রাক ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: নাইমুর রহমান

    সিনিয়র সহ সভাপতি: আকাইদ হোসেন বিজয়

    সাধারণ সম্পাদক: মাহমুদ হাসান ফয়সাল

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: জিদান খান

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মুজতবা মাহবুব প্রান্ত

    ২. অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ আব্দুল হালিম

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মারজান আহমেদ উচ্ছাস

    সাধারণ সম্পাদক: সাগর হোসাইন

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মিঠুন মিনহাজ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তাইশা আফরোজ মুনা (নারী নেতৃত্ব)

    ৩. আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: রাশেদ মোঃ নাফিস হৃদয়

    সিনিয়র সহ সভাপতি: ফারুক আব্দুল্লাহ নাঈম (সিয়াম)

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ লিসানুল আলম

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: সাব্বির আহমেদ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তাহসিন আহমেদ

    ৪. ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ছাত্রদল

    সভাপতি: মেহেদী হাসান শুভ

    সিনিয়র সহ সভাপতি: শেখ গোলাম মাহবুব হিমেল

    সাধারণ সম্পাদক: এস. এম. সালমান ফারর্সী

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ আশিক বিল্লাহ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: এ. আরিয়ান

    ৫. সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    আহ্বায়ক: মোঃ ইয়াসিন আরাফাত

    সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ মনিরুজ্জামান (সাদ)

    সদস্য সচিব: মোঃ নাজমুস সাকিব

    ৬. নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ছাত্রদল

    আহ্বায়ক: ইমরানুল হাসান রিমু

    সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: রেজোয়ান মন্ডল রেজা

    সদস্য সচিব: শাহরিয়ার কবির মিকাইল

    ৭. বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ মুবিন মোল্লাহ

    সিনিয়র সহ সভাপতি: রেজুয়ান রহমান তামিম

    সাধারণ সম্পাদক: কাজী মোঃ হাসিবুল হাসান

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: আরমান পাশা

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তাজওয়ার হাসিন জুবরাজ

    ৮. ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদল

    সভাপতি: ইয়াছিন আরাফাত ছোটন

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন

    সাধারণ সম্পাদক: জিসান আহমেদ

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ সোহেল রানা

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ জিসান

    ৯. প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: তাহসীন মোঃ চৌধুরী (অমিও)

    সিনিয়র সহ সভাপতি: নূর মোহাম্মদ কাওছার

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ ফাহিম বকসী

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ রাকিবুল ইসলাম

    সাংগঠনিক সম্পাদক: শামীমা আক্তার (নারী নেতৃত্ব)

    ১০. প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ হাবিবুল্লাহ আকন্দ

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মারুফ শাহারিয়া

    সাধারণ সম্পাদক: গাজী আশিকুর রহমান

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মিত্র ঘোষ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: শাহেদ মল্লিক (শান্ত)

     

    ১১. ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    আহ্বায়ক: সৈয়দ রেজওয়ান রশীদ

    সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: ডি. এস. তাওহিদ আহমেদ (স্বপ্নীল)

    সদস্য সচিব: মোঃ গোলাম সরোয়ার রাব্বি

    ১২. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি ছাত্রদল

    সভাপতি: আল আমানত কবির শাইক

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ আব্দুল আলীম পিয়াস

    সাধারণ সম্পাদক: রাতুল তালুকদার

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ আল শাহারিয়ার রাফি

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ নাহিদ হাসান

    ১৩. ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ ছাত্রদল

    সভাপতি: দুদুল তালুকদার

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ মুনিফ সরকার শাদ

    সাধারণ সম্পাদক: শাবাব আনোয়ার

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ মোফরাদুল ইসলাম সাজ্জাদ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: জান্নাত আরা পায়েল (নারী নেতৃত্ব)

    ১৪. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: ইমাম হাসান জুয়েল

    সিনিয়র সহ সভাপতি: আব্দুল্লাহ আল নোমান সিকদার

    সাধারণ সম্পাদক: আব্দুল্লাহ আল নোমান

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ সাজিদুর রহমান সৌমিক

    সাংগঠনিক সম্পাদক: লিমন তরফদার স্বাধীণ

    ১৫. দ্য পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ছাত্রদল

    সভাপতি: রণি বর্মন

    সিনিয়র সহ সভাপতি: শিব্বির আহমেদ সজীব

    সাধারণ সম্পাদক: হাসান শাহারিয়ার শাওন

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোস্তফা মাহবুব সৌরভ

    সাংগঠনিক সম্পাদক: ফাতিমা আক্তার (নারী নেতৃত্ব)

    ১৬. মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: মাইনুল হাসান নিশাত

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ ইলিয়াস হাওলাদার

    সাধারণ সম্পাদক: এ. আর. নাজমুল

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ হাসিবুল ইসলাম

    সাংগঠনিক সম্পাদক: মোঃ রায়হান চৌধুরী

    ১৭. গণ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ নির্জন

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মোঃ মামুন হোসেন খান

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ আসাদুর রহমান বিজয়

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মোঃ আব্দুল্লাহ আল রাইভার

    সাংগঠনিক সম্পাদক: সবুজ আহমেদ

    ১৮. এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: মোঃ অন্তর

    সাধারণ সম্পাদক: মুসা ইব্রাহিম অনিক

    ১৯. সিটি ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল

    সভাপতি: ইয়ালিদ নাঈম

    সিনিয়র সহ সভাপতি: মারজুক আহম্মেদ হিমেল

    সাধারণ সম্পাদক: মোঃ লিংকন মিয়া

    সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক: মুস্তাফিজুর রহমান

    সাংগঠনিক সম্পাদক: তৌফিক আহমেদ পিয়াল

    কমিটি প্রসঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আবু হোরায়রা বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন করার লক্ষ্যে, ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। দেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, যাতে ২৪ এ গণঅভ্যুত্থানের মত দেশের যেকোন সংকটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ ভূমিকায় রাখতে পারে। যেভাবে ভূমিকা রেখেছিল ২৪ এর গণঅদ্ভুত্থানে। পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।