Category: প্রধান সংবাদ

  • অনুমোদন পেল জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প

    অনুমোদন পেল জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংশোধিত দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

    বুধবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের সরকারি আদেশ (জিও) আজ ২৮ মে ২০২৫ তারিখে ইস্যু করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন ও যুগান্তকারী অগ্রগতি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই দীর্ঘপথে নিরলস সমর্থন দিয়ে যাওয়ায় সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছে।

    বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ, বিশেষত করে শিক্ষা, পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাগণের সার্বিক সহযোগিতার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অপরিসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

  • বৃহস্পতিবার শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে বৈঠকে বসছেন গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    বৃহস্পতিবার শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে বৈঠকে বসছেন গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    তিন দফা দাবিতে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বৈঠকে বসছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছেন মোর্চার আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি শামছুদ্দীন মাসুদ।

    তবে এ বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে চলমান অচলাবস্থা নিরসনের উদ্যোগ হিসেবে সরকারের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন শিক্ষক নেতারা।

    অন্যদিকে, শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতির আজ (বুধবার) ছিল তৃতীয় দিন। দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা ক্লাস না নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে সময় কাটিয়েছে খেলাধুলা করে।

    শিক্ষকরা বলছেন, তারা দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফিরতে আগ্রহী। তবে দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষা কর্মকর্তারা আন্দোলনকারী শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে তাদের শোকজ করছেন। কেউ কেউ ডিজি অফিসের মৌখিক বা লিখিত নির্দেশনার কথা বলে এ পদক্ষেপ নিচ্ছেন, যা মাঠপর্যায়ে চাপ তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো-
    ১. কনসালটেশন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌক্তিক সংস্কার করে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ।
    ২. ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন।
    ৩. প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতিসহ দ্রুত পদোন্নতি প্রদান।

    শুধু তিন দফা দাবিই নয়, শিক্ষকরা শুক্রবার ও শনিবার ছুটি রাখার নিয়ম বহাল রাখা এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও তুলেছেন। এর আগে, গত ৫ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত এক ঘণ্টা, ১৬ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এবং ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন শিক্ষকরা। দাবিতে সমাধান না আসায় ২৬ মে থেকে তাঁরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেন, যা এখনো চলছে।

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিতের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিতের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলোকে শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির (এফএমজে) ভিসার সাক্ষাৎকারের শিডিউল দেওয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর এ নির্দেশনা জারি করেছে।

    মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারি বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। তারই অংশ হিসেবে দূতাবাসগুলোকে ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত শিক্ষার্থী বা এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করা যাবে না।

    এ দিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বিদ্যালয়গুলো ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিকভাবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল এবং যেগুলোকে ট্রাম্প সম্প্রতি ‘চরম বামপন্থী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, সেসব বিশ্ববিদ্যালয় বেশি সমস্যায় পড়বে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, বিদ্যমান অপারেশন এবং ভেটিং প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের বিস্তৃত রূপ শিগগিরই জারি করা হবে।

    এই প্রক্রিয়ার আওতায় আবেদনকারীদের ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার), টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে করা পোস্ট, শেয়ার ও মন্তব্য খতিয়ে দেখা হবে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিমূলক কিছু রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ।

    গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। তখন থেকেই শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাধ্যতামূলক পর্যবেক্ষণ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। তখন ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রতি সমর্থন’ সংক্রান্ত প্রমাণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি ‘বিতর্কিত’ পোস্ট ডিলিট করলেও সেগুলোর স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করতে বলা হয় কনসুলার অফিসারদের।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্চে এই সংখ্যা ছিল তিন শতাধিক।’

  • ছাত্রশিবির ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক করে তুলেছে: উমামা ফাতেমা

    ছাত্রশিবির ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক করে তুলেছে: উমামা ফাতেমা

    ছাত্রশিবির ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক (বিষাক্ত) করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা। বলেছেন, যারা এতদিন ছাত্রলীগের মধ্যে মিশে ‘সার্ভাইভ’ করার ভং ধরে সেই ছাত্র সংগঠন কি না এখন আরেকজনরে ট্যাগ দিতে আসে। গত ১৫ বছর ছাত্রলীগের হয়ে এদের অনেকে হলে হ্যাডম দেখাতো। ছাত্রশিবির ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে টক্সিক করে তুলেছে।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

    ফেসবুকে তিনি লেখেন, এদের সাধারণ ছাত্র ভং ধরে বারংবার ছাত্রদের সাবোটেজ করার কারণে আসল সাধারণ ছাত্রদের কথা বলার পরিবেশ সংকুচিত হয়েছে। অন্যদিকে, ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারা নিয়ে কোনো প্রকার সুস্থ আলাপ তোলা শুরু যায়নি এদের ডিস্টার্বেন্সের কারণে।

    তিনি লেখেন, একটা অদ্ভুত বিষয় আমি খেয়াল করেছিলাম, গত ৮ মার্চ আসিয়া ধর্ষণের বিচারের দাবিতে সুফিয়া কামাল হল থেকে আমরা মেয়েরা মিছিল বের করে গোটা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করি। হলপাড়ায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আমরা স্লোগান দিচ্ছিলাম। কিন্তু কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী হলপাড়া থেকে বের হচ্ছিল না। এই হচ্ছে এদের সাধারণ শিক্ষার্থীগিরির নমুনা। পান থেকে চুন খসলে যেখানে এরা মিছিল বের করে সেখানে আসিয়ার জন্য এরা মিছিলে যুক্ত হতে পারে না।

    উমামা ফাতেমা লেখেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করব, এসব পার বাটপারদের থেকে সাবধান থাকুন। ছাত্রলীগের আমলে লীগের বিরুদ্ধে মিনিমাম সংগ্রাম এরা করেনি, উল্টো অন্য ছাত্রদের উপর নির্যাতনকে হালাল করেছে। আর এখন যাকে তাকে লীগের দোসর ট্যাগ দিয়ে নিজের পলিটিক্যাল এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে এই বাটপাররাই।

    তিনি আরও লেখেন, আমার খুব পরিষ্কার মনে আছে, ২০২৪ সালের ডামি ইলেকশনের বিরুদ্ধে আমরা ৩১ জুলাই থেকে রাজু ভাস্কর্যে ডামি নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলন করছিলাম। এ রকম ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তৎকালীন লীগের আড়ালে থাকা কিছু ভাইব্রাদার আন্দোলন করছিল ঢাবিতে ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলের জন্য। আমরা তখন তাদেরকে আমন্ত্রণ জানাই আমাদের আন্দোলনে যোগ দেয়ার জন্য। এরা ২০২৪ নির্বাচনের পুরোটা সময় মুখ ফুটে একটা শব্দও বের করেনি। মানে কি বলব! যাদের কাছে একটা দেশে দিনেদুপুরে ভোটডাকাতির টপিক থেকে শেখ হাসিনার তৈরি প্রশাসনের আনা ট্রান্সজেন্ডার কোটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল এরা এখন জুলাই এর ঠিকাদারি ব্যবসা করে। এই ঠিকাদারদের হাতে জুলাইও নিরাপদ না।

  • ঢাবি শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টা: তিন ব্যবসায়ী রিমান্ডে

    ঢাবি শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টা: তিন ব্যবসায়ী রিমান্ডে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার তিন ব্যবসায়ীর এক দিনে করে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। তিন ব্যবসায়ী হলেন- নজরুল ইসলাম মিলন, মো. চুন্নু মিয়া ও নামজুল।

    মঙ্গলবার (২৭মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    আসামিপক্ষে আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজার তাদের জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম ও আয়েজুর রহমান কেনাকাটা করতে নিউমার্কেটের চাঁদনি চক মার্কেটে যান। তখন ওই দোকানে কেনাকাটা করতে আসা এক নারী দরকষাকষি করে। এটা নিয়ে দোকানের কর্মচারীরা ওই নারীকে গালিগালাজ করতে থাকেন। তখন দুই শিক্ষার্থী এটার প্রতিবাদ করলে ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তারা গুরুতর আহত হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ২৭ মে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন।

  • জুলাইযোদ্ধারা আদৌ বিষপান করেছেন কিনা তদন্ত হচ্ছে: ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি

    জুলাইযোদ্ধারা আদৌ বিষপান করেছেন কিনা তদন্ত হচ্ছে: ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি

    প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, জুলাইযোদ্ধা যারা বিষপান করেছেন বলা হচ্ছে– ওনারা আদৌ বিষপান করেছেন কিনা, এটা নিয়ে খোঁজ চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে যে ওনারা যেটা পান করেছেন, সেটি আসলেই বিষ কিনা।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে জুলাইযোদ্ধাদের বিষপান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    আজাদ মজুমদার বলেন, ‘আমরা সবাই জানি যে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকলে এক ধরনের হতাশা কাজ করে। সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে—তাদের মানসিকভাবে যতটা সাপোর্ট দেওয়ার। এরপরও কারও মধ্যে যদি কোনও ধরনের হতাশা থাকে, আমরা মনে করি যে সরকারের সংশ্লিষ্ট যারা আছেন—তারা এ বিষয়ে আরও যত্নবান হবেন। তাদের যত বেশি সম্ভব মানসিকভাবে সমর্থন জুগিয়ে যাবেন।’

    প্রসঙ্গত, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে গত রবিবার আহত চার জন জুলাইযোদ্ধা বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে জানা যায়। পরবর্তীকালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের আশঙ্কামুক্ত জানান এবং ভর্তি রেখে তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়।

  • অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৯৮ শতাংশ

    অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৯৮ শতাংশ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকাল ৪টয় এই ফল প্রকাশিত হয়।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র জানায়, এবার সারা দেশের ৩৪৪টি কেন্দ্রে ৮৮০টি কলেজের ৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৩৫৫ জন শিক্ষার্থী (নিয়মিত, অনিয়মিত ও মান উন্নয়নসহ) এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষার ফলাফল result.nu.ac.bd অথবা www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইটে বিকাল ৪টা থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

    আরো জানায়, প্রকাশিত ফলাফলে কোন প্রকার অসঙ্গতি বা ভুল-ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা ফলাফল সম্পূর্ণরূপে বাতিল করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

  • দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালানোর ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের

    দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালানোর ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের

    তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন সহকারী শিক্ষকরা। তারা বলছেন, যতদিন পর্যন্ত সরকার দাবি মেনে না নেবে ততদিন পর্যন্ত এমন অবস্থা চলমান থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) এক ভিডিও বার্তায় এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ।

    সরকার শিক্ষকদের দাবির ব্যাপারে উদাসীন– এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, বারবার জানানোর পরও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই আমরা অনির্দিষ্টকালের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছি। আমরা বারবার বলেছি আলোচনায় বসুন। কিন্তু সরকার আমাদের গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। এ অবস্থায় দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটব না। এর আগে ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত প্রতিদিন এক ঘণ্টা, ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত দুই ঘণ্টা এবং ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে।

    জানা গেছে, বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। তারা দীর্ঘদিন ধরে ১০ম গ্রেডের দাবি জানিয়ে এলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে অন্তত শুরুতে ১১তম গ্রেডে বেতন চান। এছাড়াও চাকরিতে ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার জানিয়েছেন, বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের শুরুতে ১২তম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং চার বছর পর তারা ১১তম গ্রেডে পদোন্নতি পাবেন। মন্ত্রণালয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলেও তিনি জানান।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে সারা দেশে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় চার লাখ শিক্ষক কর্মরত আছেন। প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে ১১তম গ্রেডে বেতন পান। উচ্চ আদালতের রায়ে সম্প্রতি প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সহকারী শিক্ষকরাও তাদের বেতন গ্রেড বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৮: পুলিশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সাম্য হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৮: পুলিশ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও স্যার এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে আজ বিকেল পৌনে ৫টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফ করবেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

    গত ১৩ মে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় শাহরিয়ার আলম সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে একদল দুর্বৃত্ত। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাত ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা যান তিনি। এরপর ১৪ মে সাম্যের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ কর্মকর্তা চাকরি ফিরে পাচ্ছেন

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ কর্মকর্তা চাকরি ফিরে পাচ্ছেন

    দীর্ঘ ১৩ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিচ্যুত ৯৮৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী আবারও তাদের কর্মস্থলে ফিরতে যাচ্ছেন।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ তাদের চাকরিতে পুনর্বহারের নির্দেশ দেন

    আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জ্যেষ্ঠতার সুযোগ-সুবিধাসহ পুনর্বহাল করতে হবে। অর্থাৎ তাদের চাকরির বয়স, বেতন এবং অন্যান্য সুবিধা পূর্বের মতোই বিবেচনা করতে হবে।

    মামলার ইতিহাস থেকে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৩১ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বাতিল চেয়ে একটি রিট দায়ের করেছিলেন তৎকালীন এমপি অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। এই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে দীর্ঘ শুনানি হয়। এরপর ২০০৬ সালের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট রিটটি খারিজ করে দেন।

    তবে ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর গাজীপুর-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আকম মোজাম্মেল হক পুনরায় রিভিউ আবেদন করেন। সেই রিভিউয়ের ভিত্তিতে ২০১১ সালে আদালতের আদেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারান।

    চাকরি হারানোর পর অনেকেই চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েন। কেউ কেউ চিকিৎসার অভাবে মারা যান, কেউ পরিবার নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে কাটান।

    চলতি বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা আবারও তাদের কর্মস্থলে ফেরার দাবিতে সোচ্চার হন। গত ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর তারা চাকরি ফিরে পাওয়ার আন্দোলনে নামেন।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কর্তৃপক্ষ তাদের এই দাবি আমলে নেয়। পরে ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে চাকরি হারানো এই ৯৮৮ জনকে পুনর্বহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই আদালতে পুনর্বহারের আবেদন করা হয় এবং আজ (মঙ্গলবার) সর্বোচ্চ আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।