Category: প্রধান সংবাদ

  • জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহতদের পুর্নবাসন অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

    জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহতদের পুর্নবাসন অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার এবং আহত ছাত্র-জনতার কল্যাণ ও পুর্নবাসন অধ্যাদেশের খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ মে) অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে- ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং আহত ছাত্র-জনতার কল্যাণ ও পুর্নবাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া পুনর্গঠনসহ সার্বিক পর্যালোচনার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাবৃন্দের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়েছে।

    বৈঠকে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে এই অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা

    শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইস উদ্দিন।

    তিনি বলেন, আমরা এখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকার নিয়ে এসেছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি আদায়ের জন্য এসেছি। আমাদের ওপর নির্বিচারে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অন্যায়। আমরা কারও বিরুদ্ধে এখানে কথা বলতে আসিনি এবং কোনো ষড়যন্ত্র করতেও আসিনি। আমাদের অধিকার চাইতে এসেছি। দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরবো না। দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন চলবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষা-পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে না, দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরবো।

    বৃহস্পতিবার (১৫ মে) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে কাকরাইলে এই ঘোষণা দেন তিনি।

    তিনি বলেন, আমাদের এখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য যদি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় ভালো হবে না। আমার চোখের সামনে আমার কোনো শিক্ষার্থীকে কেউ আঘাত করতে পারবে না।

    এসময় শিক্ষার্থীরা ‘আবাসন চাই, বঞ্চনা নয়’, ‘বাজেট কাটছাঁট চলবে না’, ‘হামলার বিচার চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

    এর আগে গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের উদ্দেশ্যে লং মার্চ শুরু করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। লং মার্চটি গুলিস্তান, মৎস্য ভবন পার হয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনে পৌঁছালে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে লং মার্চে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর। এ সময় ছত্রভঙ্গ করতে গরম পানি ছোড়ে পুলিশ। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

    পরবর্তীতে রাতে উপদেষ্টা মাহফুজ সামনে এসে ব্রিফিং করতে আসেন। তার ব্রিফিংয়ে অসন্তুষ্ট হন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা উপদেষ্টা মাহফুজকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। বক্তৃতার একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে একজন তাকে লক্ষ্য করে বোতল ছুড়ে মারেন। এতে উপদেষ্টা মাহফুজ রাগান্বিত হয়ে ব্রিফিং বন্ধ করে চলে যান।

    এদিকে শিক্ষার্থীদের আগের তিন দফা দাবির সঙ্গে নতুন আরও এক দাবি যুক্ত হয়েছে। ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

    শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো-বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা, জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাস ও বাস্তবায়ন।

  • উপদেষ্টা মাহফুজের মাথায় বোতল ছুঁড়ল জবি শিক্ষার্থীরা, ভুয়া ভুয়া স্লোগান

    উপদেষ্টা মাহফুজের মাথায় বোতল ছুঁড়ল জবি শিক্ষার্থীরা, ভুয়া ভুয়া স্লোগান

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির বিষয়ে কথা বলতে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলতেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়েন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। কথা বলার একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে পানির বোতল ছুঁড়ে মারা হলে তিনি বক্তব্য শেষ না করেই স্থান ত্যাগ করেন।

    বুধবার (১৪ মে) রাত ১০টার দিকে কাকরাইল মসজিদের পাশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সামনে পুলিশের ব্যারিকেডের কাছে বক্তব্য দিচ্ছিলেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। এ সময় হঠাৎ একটি পানির বোতল ছুঁড়ে মারা হয়, যা তার মাথায় লাগে। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য শেষ না করেই সেখান থেকে সরে যান।

    বক্তব্যের শুরুতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

    তবে দুপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে তিনি বলেন, “আজকে হয়তো কিছু পুলিশ সদস্য…” — কথা শেষ করার আগেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে “ভুয়া, ভুয়া” স্লোগান ওঠে। ঠিক তখনই হঠাৎ করে একটি বস্তু, সম্ভবত পানির বোতল, তার মাথায় আঘাত করে।

    এরপর উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, “আমি আর কথা বলব না।” পরে তিনি পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র দিকে ফিরে যান।

  • সাম্য হত্যা: গ্রেপ্তার আসামি তামিমের বাড়িতে আগুন

    সাম্য হত্যা: গ্রেপ্তার আসামি তামিমের বাড়িতে আগুন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তামিম হাওলাদারের গ্রামের বাড়িতে আগুন দিয়েছে স্থানীয় একদল বিক্ষুব্ধ জনতা।

    বুধবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নে ব্রাহ্মন্দী এলাকায় তার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।

    মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক মো. শেখ আহাদুজ্জামান বলেন, সন্ধ্যায় আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই দুটি বসতঘর পুড়ে যায়।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কে বা কারা আগুন দিয়েছে তাৎক্ষণিক তা জানা যায়নি।

    জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা আদিল হোসেন বলেন, ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এর আগে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছুরিকাঘাতে খুন হন ছাত্রদল নেতা সাম্য।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে পড়তেন তিনি। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী এফ রহমান হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়।

    পুলিশের ভাষ্য, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় আরেক মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগার জেরে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সাম্যকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় সকালে নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় ১০-১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

    এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর কারাগার পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন- মো. তামিম হাওলাদার, সম্রাট মল্লিক এবং মো. পলাশ সরদার।

    এর মধ্যে তামিম হাওলাদারের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নে ব্রাহ্মন্দীতে। ওই এলাকার এরশাদ হাওলাদারের ছেলে তিনি।

  • পুলিশের লাঠিচার্জে ৬ ঘণ্টা পর শাহবাগ ছাড়ল নার্সিং শিক্ষার্থীরা

    পুলিশের লাঠিচার্জে ৬ ঘণ্টা পর শাহবাগ ছাড়ল নার্সিং শিক্ষার্থীরা

    রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে রাখা ডিপ্লোমা নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

    বুধবার (১৪ মে) রাত ৯টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। শিক্ষার্থীরা কিছুটা প্রতিরোধ করতে চাইলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

    অবরোধের সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর সড়ক ছেড়েছেন আন্দোলনকারীরা। এতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

    এর আগে, দুপুর ২টা ১০ মিনিটে উচ্চ মাধ্যমিকের পর প্রচলিত ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্স দুটিকে স্নাতক সমমান (ডিগ্রি পাস কোর্স) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অবরোধে ফলে শাহবাগ মোড় দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

    এতে ভোগান্তিতে পড়ে শাহবাগসহ আশপাশের সড়কে থাকা যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই আশপাশের সড়ক ব্যবহার শুরু করে। এতে চাপ বাড়ে পাশের সড়কগুলোতে।

    দাবি আদায়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মহাসমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ শাহবাগ থানার সামনে তাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। পরে শিক্ষার্থীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়।

  • জবি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত অর্ধশত

    জবি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত অর্ধশত

    আবাসন সমস্যার সমাধানসহ তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লংমার্চ পুলিশের বাধায় আটকে গেছে। রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন অর্ধশত।

    বুধবার (১৪ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৎস্যভবন পার হয়ে কাকরাইল মসজিদের ক্রসিং মোড় এলেই তাদের বাধা দেয় পুলিশ।

    প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ ও মিছিলের ওপর সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ডিএমপি। এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে শুরু হয় পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ। প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যমুনা অভিমুখে কাকরাইল মসজিদের ক্রসিং মোড়ের সামনে বসে পড়েন।

    শিক্ষার্থীরা জানান, পুলিশের হামলায়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন ৫০ জন।

    আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবি হলো-আবাসনব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাঁটছাট না করেই অনুমোদন করতে হবে; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

    এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে রওয়ানা হন। পদযাত্রা প্রথমে গুলিস্তান মাজার গেইট বাধার সম্মুখীন হয়। পরে মৎস্যভবনে ফের পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনা অভিমুখে এগিয়ে যেতে থাকেন জবি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং মোড়ে আসতেই অতর্কিত টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, গরম পানি নিক্ষেপ করতে শুরু করে পুলিশ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ৫০ জন আহত হন। টিয়ারগ্যাসে আহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন লিমন, এছাড়া ঢাকা ট্রিবিউন এর জবি প্রতিনিধি সোহান ফরাজি, দৈনিক সংবাদের জবি প্রতিনিধি মেহেদী।

    আহত সাংবাদিক মাহতাব লিমন, মেহেদীসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আহত শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি ড. মো. রইছ উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার বিচার ও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখানে অবস্থান করব।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, আমার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে। আমার সহকারী প্রক্টরের ওপর পুলিশ আঘাত করেছে। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে পুলিশ অমানবিক আচারণ করেছে। এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত এখন থেকে যাওয়া হবে না।

    এ ব্যাপারে রমনা জোনের ডিসি মাসুদ বলেন, যমুনার সামনে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এখানে মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

  • সাম্য হত্যা: ঢাবিতে বৃহস্পতিবার শোক, অর্ধদিবস ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    সাম্য হত্যা: ঢাবিতে বৃহস্পতিবার শোক, অর্ধদিবস ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য’র মৃত্যুতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ মে) ঢাবিতে শোক দিবস পালন করা হবে। এদিন অর্ধদিবস ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    বুধবার (১৪ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

    তিনি বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার শাহরিয়ার সাম্যর স্মৃতিতে শোক দিবস ঘোষণা করছি। একইসঙ্গে অর্ধদিবস ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখা হবে।

    উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষক হিসেবে শাহরিয়ার আলম সাম্যর মৃত্যু আমাদের জন্য বেদনাদায়ক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পরে প্রথম সপ্তাহ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য আমরা কাজ করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে মাথায় রেখে এর নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের কাজ করতে হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দায়িত্বে আছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তবুও আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ্য নিয়ে চেষ্টা করেছি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেট বন্ধ করতে। বহিরাগত যানবাহন নিযন্ত্রণে আমরা কাজ করেছি। কিছু সফলতা এসেছে কাজে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আর একটু সহযোগিতা পেলে আরও কার্যকর সফলতা পাওয়া যেত।

    তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রসঙ্গে বলেন, আমরা আজকের মিটিংয়ে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ডিএমপি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে মিটিং করে তাদের সাহায্য চেয়েছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পেছনের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটটি বন্ধ করে ওখানে দেওয়াল তুলে দেওয়া হবে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডিও সাহায্য করবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পর্যাপ্ত লাইটিং ও সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হবে। এগুলো মনিটরিং করবে গণপূর্ত বিভাগ ও ডিএমপি।

    ঢাবি ভিসি আরও বলেন, রমনাকে মাথায় রেখে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ডিসিপ্লিনের মধ্যে আনা হবে। এটি করতে বাকি অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে নিযন্ত্রণে আনা হবে। শুধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জন্য ডিএমপি একটি পুলিশ বক্স স্থাপন করবে।

    উদ্যানে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদক্ষেপ হিসেবে তিনি বলেন, যারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তারা আমাদের ছাত্র হলেও ছাড় দেওয়া কোনো সুযোগ নেই। যত কঠিনই হোক, সবার সহযোগিতা নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং কার্যকর করা হবে।

    এসময় ঢাবি উপাচার্য হত্যার শিকার শাহরিয়ার আলম সাম্যর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস এবং অর্ধদিবস ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

  • বর্তমান অর্থনীতি ব্যবসার অর্থনীতি, মানুষের অর্থনীতি নয়: প্রধান উপদেষ্টা

    বর্তমান অর্থনীতি ব্যবসার অর্থনীতি, মানুষের অর্থনীতি নয়: প্রধান উপদেষ্টা

    বর্তমান অর্থনীতি ব্যবসার অর্থনীতি, মানুষের অর্থনীতি নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বলেন, বর্তমান অর্থনীতি ব্যবসার অর্থনীতি, মানুষের অর্থনীতি নয়। যেকোনো অর্থনীতিবিদ্যা মানুষকে দিয়ে শুরু করতে হবে। আমরা এক ব্যবসাকেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে তুলেছি। এই সভ্যতা আত্মঘাতী সভ্যতা। এটা টিকবে না। আমাদের নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে হবে।

    বুধবার (১৪ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    ক্ষুদ্র ঋণব্যবস্থার প্রবর্তন এবং এর জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১৮৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের জন্য কিছু একটা করার তাগিদ থেকে এই ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। এর জন্য নোবেল পুরস্কার পাবেন সেটা তাঁর মনে কখনো আসেনি।

    নিজের দীর্ঘদিনের কর্মস্থল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অতীতের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৭২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করি। এরপর ৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। সারাদেশে তখন হাহাকার চলছে। সেই দুর্ভিক্ষ দেখে মানুষের জন্য কিছু করার চিন্তা আসে। এই চিন্তা থেকে ক্ষুদ্র ঋণ চালু করি। নোবেল পুরুস্কার পাবো তা কখনও মনে আসেনি।

    পৃথিবীর ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের হাতে এমন মন্তব্য করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, গবেষণার মাধ্যমে পুরো বিশ্বকে নিজেদের আয়ত্তের মধ্যে রাখতে হবে। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা ছাত্র সমাজই ঠিক করবে।

    ড. ইউনূস বলেন, পৃথিবীকে সাজানো প্রতিটি গবেষণার মূল লক্ষ্য হতে হবে। অন্যথায় তা গন্তব্যহীন গবেষণা হবে।

    এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি দেয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)। ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদানের জন্য নোবেল জয়ী অধ্যাপককে এই ডিগ্রি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে ডি লিট ডিগ্রি তুলে দেন উপাচার্য ড. ইয়াহ্ইয়া আখতার।

    এ সময় চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ (বুধবার) প্রথমবার চট্টগ্রাম সফরে যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে তিনি বেশ কিছু কর্মসূচিতে অংশ নেন। বিকেলেই তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

  • জিএসটি গুচ্ছের  ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার  ৪৫দশমিক ৭৪

    জিএসটি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৪৫দশমিক ৭৪

    জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ১৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৪২৫ জন। যা শতকরায় ৪৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

    মঙ্গলবার (১৩ মে) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের পর থেকে ফলাফল ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে (gstadmisson.ac.bd) প্রকাশিত হয়েছে।

    জানা গেছে, ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৭১৪ জন। এরমধ্যে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৫৩ জন (শতকরা ৮৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ)। পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৭ হাজার ৪২৫ জন (শতকরা ৪৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ) এবং অকৃতকার্য সংখ্যা ৬৮ হাজার ১২৮ জন (শতকরা ৫৪ দশমিক ২৬ শতাংশ)।

    এবার অনুপস্থিতির সংখ্যা ১৭ হাজার ১৬১ জন (শতকরা ১২ দশমিক ০২ শতাংশ)। ওএমআর বাতিলের সংখ্যা ৩৯টি। ১০০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৮৪ দশমিক ৭৫ ও সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ১৫ দশমিক ৭৫।

    বিকেল ৩টায় গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহবায়ক ও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে ফলাফল ঘোষণার পর কমিটির আহবায়ক সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল ‘সি’, ২ মে, ‘বি’ এবং ৯ মে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। এ নিয়ে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন এবং ফলাফলও প্রকাশিত হয়েছে।

  • শেষ হলো এসএসসির লিখিত পরীক্ষা, ১৫ মে শুরু ব্যবহারিক

    শেষ হলো এসএসসির লিখিত পরীক্ষা, ১৫ মে শুরু ব্যবহারিক

    ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সারা দেশে একযোগে শুরু হয়েছিল গত ১০ এপ্রিল। এর মধ্যে আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) শেষ হয়েছে ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত লিখিত (তত্ত্বীয়) অংশের পরীক্ষা। আর মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে পরিচালিত দাখিল পরীক্ষা শেষ হবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ মে)। একইদিন শুরু হবে স্কুলের ব্যবহারিক পরীক্ষা, যা চলবে ২২ মে পর্যন্ত। আর মাদ্রাসার ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১৬-২২ মে পর্যন্ত।

    এ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডই নির্দেশ দিয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করে নম্বরপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র বোর্ডে জমা দিতে। স্কুল ও মাদ্রাসার ব্যবহারিক পরীক্ষার ফল সংক্রান্ত সব নথিপত্র বোর্ডে ২৫ মে’র মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

    জানা গেছে, চলতি বছর সারা দেশে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন।

    সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল ঢাকা বোর্ডে –৩ লাখ ৮১ হাজার ১১৯ জন। এরপরই রয়েছে দিনাজপুর বোর্ড (১ লাখ ৮২ হাজার ৪১০), রাজশাহী (১ লাখ ৮১ হাজার ৯০৪), কুমিল্লা (১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮০), যশোর (১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪), চট্টগ্রাম (১ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮), ময়মনসিংহ (১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৭), সিলেট (১ লাখ ২ হাজার ৮৭২) এবং বরিশাল (৮৪ হাজার ১৮)।

    মাদ্রাসা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন। অন্যদিকে, কারিগরি বোর্ডে ছাত্র ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন ও ছাত্রী ৩৪ হাজার ৯২৮ জন অংশ নিয়েছে।

    পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত সারা দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হয়। প্রশ্নফাঁস রোধে পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় সরকার।