Category: শিক্ষাঙ্গন

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আজ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আজ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (অনার্স) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা আজ শনিবার (৩১ মে) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উপকূলীয় ১৬টি জেলার কোনো শিক্ষার্থী যদি এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারে, সেক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

    শুক্রবার (৩১ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- এবার এমসিকিউ পরিক্ষা পদ্ধতিতে একশ নম্বরের মধ্যে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ২০ নম্বর করে থাকবে ও গ্রুপভিত্তিক বিষয়ে থাকবে ৪০ নম্বর।

    সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ লিখিত বক্তব্যে জানান, গুনগত পরিবর্তন ও সংস্কারের অংশ হিসেবে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মিনিমান স্ক্যানিং করে ভর্তি করা প্রয়োজন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ফের পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের সাতটি বিভাগের ৮৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী।

    তিনি জানান, সিলেবাসে আসবে পরিবর্তন। কারিকুলামে যুক্ত হবে আইসিটি ও ইংরেজি।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। কেন্দ্রসমূহের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিবদের নিয়ে মিটিংও করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র নির্ধারণও করা হয়েছে এবং তার তালিকা প্রকাশ করা হযেছ। তালিকায় অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে সর্বাধিক ২৪৭টি কেন্দ্র রয়েছে। এরপর খুলনা বিভাগে ১৫৬টি, রাজশাহী বিভাগে ১৪৩টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৪টি, রংপুর বিভাগে ৯৬টি, বরিশাল বিভাগে ৫৯টি এবং সিলেট বিভাগে ৪৪টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে সরকারি কলেজ ছাড়াও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারি কলেজ ছাড়াও অনেক স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে-পরীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী, এক ঘণ্টা সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের এমসিকিউ ভিত্তিক ১০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। মেধাতালিকা প্রস্তুতে ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার জিপিএর ৪০ শতাংশ এবং এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএর ৬০ শতাংশ যুক্ত করে মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। ভর্তিচ্ছুদের অবশ্যই পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ড সঙ্গে আনতে হবে।

    পরীক্ষায় সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা গেলেও মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

    উপকূলীয় ১৬টি জেলার বিপদাপন্ন আবহাওয়া পরিস্থিতিকে অনেকটা উপেক্ষা করে পরীক্ষা গ্রহণে অনড় থাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এর আগে এই পরীক্ষা দুবার পিছিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা অনুসারে এ ভর্তি পরীক্ষাটি ৩ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরে নির্ধারিত এ তারিখ থেকে পিছিয়ে ২৪ মে এবং পরে আরও এক সপ্তাহ পিছিয়ে ৩১ মে পুনঃনির্ধারণ করা হয়।

    প্রসঙ্গত, ২০১৪-১৫ সেশনের পর বন্ধ হয়ে যায় ভর্তি পরীক্ষা। এরপর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তি করা হতো। কিন্তু দীর্ঘ ১২ বছর পর পুনরায় ভর্তি পরিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্নাতকে ভর্তি করা হচ্ছে ।

  • পহেলা জুন প্রাথমিকের আরো পাঁচটি দৃষ্টিনন্দন ভবন উদ্বোধন

    পহেলা জুন প্রাথমিকের আরো পাঁচটি দৃষ্টিনন্দন ভবন উদ্বোধন

    শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটানো, শতভাগ ভর্তি নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৃষ্টিনন্দন বহুতল নতুন ভবন নির্মিত হচ্ছে।

    আগামী পহেলা জুন রবিবার ঢাকার উত্তরাস্থ আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দৃষ্টিনন্দনভাবে নির্মিত পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন উদ্বোধন করা হবে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার সেদিন আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন উদ্বোধন করবেন।

    ভবনগুলো হলো- উত্তরাস্থ ‘আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’; মিরপুর এক নম্বর সেকশনস্থ ‘ওয়াক আপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’; মিরপুর ১২ নম্বর সেকশনস্থ ‘খলিলুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’; উত্তরাস্থ ‘ডিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’ এবং গেন্ডারিয়াস্থ ধুপখোলা মাঠ সংলগ্ন ‘কোব্বাদ সরদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’।

    এ পাঁচটি ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২৪ কোটি ৯৬ লাখ আট হাজার টাকা। পাঁচটি ভবনের মধ্যে ছয়তলা ভিতবিশিষ্ট চারটি চারতলা ভবন এবং একটি তিনতলা ভবন। এগুলোতে শ্রেণীকক্ষ ও শিক্ষক কক্ষ মিলে ৭৫টি কক্ষ রয়েছে। ওয়াস ব্লক রয়েছে ৮৯টি। বিদ্যালয়গুলোর নতুন ভবনে ছাত্র-ছাত্রীর মোট ধারণ ক্ষমতা ২,৬৯৬ জন।

    এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা দৃষ্টিনন্দনভাবে নির্মিত প্রথম পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের উদ্বোধন করেন।

    ভবনগুলো হলো-মিরপুর এক নম্বর সেকশনের মাজার রোড সংলগ্ন ‘লালকুঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’; মিরপুর সাত নম্বর সেকশনস্থ ‘আনন্দ নিকেতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’; ঢাকার বাড্ডাস্থ আলাতুনন্নেসা হাই স্কুল সংলগ্ন ‘ভোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’; ডেমরার কোনাপাড়া রোডস্থ ‘পাড়াডগার মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন এবং গুলশানস্থ মাস্টারবাড়ী বাজার-আটিপাড়া রোড সংলগ্ন ‘মুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন’।

    উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর “ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ” শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করে।

    এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা মহানগরীর ১২টি থানায় ১৩২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন পুনঃনির্মাণ, ১০টি মেরামত এবং ১৪টি নতুন বিদ্যালয় ভবন (উত্তরাতে তিনটি ও পূর্বাচলে ১১টি) স্থাপন করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ জানুয়ারি ২০২০ হতে জুন ২০২৭ পর্যন্ত। এ প্রকল্পের মোট বরাদ্দ ১,৩৭২ কোটি ৮২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

    স্কুলগুলোর বাস্তবায়নকারী সংস্থা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) এবং নির্মাণকারী সংস্থা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

  • চীনা শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র

    চীনা শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থীদের ভিসা বাতিল করবে ট্রাম্প প্রশাসন। এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সংযোগ আছে অথবা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নতুন পদক্ষেপের আওতায় আনা হবে।

    চীন এবং হংকং থেকে ভবিষ্যতে ভিসা আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাইয়ে ভিসার মানদণ্ড সংশোধন করা হবে বলেও জানান রুবিও।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গত বছর প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার চীনা শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ছিলেন। ভিসা বাতিলের বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেনি বেইজিং।

  • শেখ পরিবারের নামে থাকা ৬৮ কলেজের নাম পরিবর্তন

    শেখ পরিবারের নামে থাকা ৬৮ কলেজের নাম পরিবর্তন

    শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নামে থাকা সারাদেশের ৬৮টি কলেজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার।

    বুধবার (২৮ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব নাম পরিবর্তন করে প্রজ্ঞান জারি করেছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার নির্দেশনার আলোকে এসব নাম পরিবর্তন করা হলো।

    প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, এসব কলেজগুলোর অধিকাংশই শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ ফজিলাতুন্নেসা, শেখ হাসিনা, শেখ রাসেল, শেখ আবু নাসের, শেখ হেলালসহ তাদের পরিবারের সদস্যদের নামে নামকরণ করা।

    নাম পরিবর্তন হওয়া কলেজগুলোর তালিকা দেখতে ক্লিক করুন 

    জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শেখ পরিবারের নামে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যেই অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

  • অনুমোদন পেল জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প

    অনুমোদন পেল জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংশোধিত দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

    বুধবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের সরকারি আদেশ (জিও) আজ ২৮ মে ২০২৫ তারিখে ইস্যু করা হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন ও যুগান্তকারী অগ্রগতি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই দীর্ঘপথে নিরলস সমর্থন দিয়ে যাওয়ায় সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছে।

    বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ, বিশেষত করে শিক্ষা, পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাগণের সার্বিক সহযোগিতার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অপরিসীম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিতের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিতের নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলোকে শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচির (এফএমজে) ভিসার সাক্ষাৎকারের শিডিউল দেওয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর এ নির্দেশনা জারি করেছে।

    মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদনকারি বিদেশি শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। তারই অংশ হিসেবে দূতাবাসগুলোকে ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত শিক্ষার্থী বা এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করা যাবে না।

    এ দিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান লিখেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এই নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বিদ্যালয়গুলো ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিকভাবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল এবং যেগুলোকে ট্রাম্প সম্প্রতি ‘চরম বামপন্থী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, সেসব বিশ্ববিদ্যালয় বেশি সমস্যায় পড়বে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানিয়েছে, বিদ্যমান অপারেশন এবং ভেটিং প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের বিস্তৃত রূপ শিগগিরই জারি করা হবে।

    এই প্রক্রিয়ার আওতায় আবেদনকারীদের ইনস্টাগ্রাম, এক্স (সাবেক টুইটার), টিকটকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে করা পোস্ট, শেয়ার ও মন্তব্য খতিয়ে দেখা হবে। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিমূলক কিছু রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ।

    গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। তখন থেকেই শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাধ্যতামূলক পর্যবেক্ষণ শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। তখন ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রতি সমর্থন’ সংক্রান্ত প্রমাণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি ‘বিতর্কিত’ পোস্ট ডিলিট করলেও সেগুলোর স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করতে বলা হয় কনসুলার অফিসারদের।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। মার্চে এই সংখ্যা ছিল তিন শতাধিক।’

  • সেই শিক্ষক নাদিরাকে সাতক্ষীরা কলেজে যোগদানে আপত্তি

    সেই শিক্ষক নাদিরাকে সাতক্ষীরা কলেজে যোগদানে আপত্তি

    সহকারী অধ্যাপক নাদিরা ইয়াসমিনকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে যোগদান করতে না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কলেজেরই একদল শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীর’ ব্যানারে তারা কলেজের উপাধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করে এমন ঘোষণা দেন। এ সময় তারা অধ্যক্ষকে না পেয়ে উপাধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেন। পরে ওই শিক্ষার্থীরা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান স্মারকলিপি দিতে। সেখানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কাছে তারা স্মারকলিপি দেন।

    স্মারকলিপি হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. বখতিয়ার হোসেন, রবিউল ইসলাম, ফাহমিদ আলম, ঝুমা মারিয়াম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    শিক্ষক নাদিরা ইয়াসমিনের যোগদানের বিরোধিতা করে বখতিয়ার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষক নাদিরা ইসলাম বিদ্বেষী। তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে ইসলাম ধর্মের অবমাননা করেছেন। এসব কারণে তাকে সাতক্ষীরা কলেজে যোগদানে বিরোধিতা করছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরাধিকার আইন নিয়ে তিনি ইসলামবিরোধী বক্তব্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। সাতক্ষীরায় তিনি যোগদান করলে সকল শিক্ষার্থীকে নিয়ে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. মোস্তাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে অধ্যক্ষ বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। অধ্যক্ষ হজ পালনের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করা আমি স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ২ জুন নরসিংদী সরকারি কলেজে শিক্ষক নাদিরা ইয়াসমিনের শেষ কার্যদিবস। পরবর্তীতে তার সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে যোগদানের কথা। তবে সাতক্ষীরায় না এসে নাদিরা ইয়াসমিন ঢাকায় ডিজি মহোদয়ের কার্যালয়ে যোগদান করবেন, বিধায় তাদের কিছু করার নেই। বিষয়টি স্মারকলিপি দিতে আসা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বলেছি।’

    এর আগে গতকাল সোমবার নরসিংদী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাদিরা ইয়াসমিনকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে বদলি করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপসচিব মো. মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বদলির এ তথ্য জানানো হয়। গত রোববার হেফাজতে ইসলামের ‘৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের’ আলটিমেটাম দেওয়ার পরদিন তাকে বদলি করা হয়।

    নাদিরা ইয়াসমিন নরসিংদী জেলায় নারী অধিকারকর্মী হিসেবে পরিচিত। ‘নারী অঙ্গন’ নামে তার একটি সংগঠন রয়েছে। এ ছাড়া ‘নারী অঙ্গন’ নামের একটি ওয়েব পোর্টালের সম্পাদক তিনি। সম্প্রতি ‘হিস্যা’ নামে একটি ম্যাগাজিনে ‘বিতর্কিত লেখা’ ছাপানোর অভিযোগ তুলে তাকে অপসারণ ও শাস্তির দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম। একাধিক প্রতিবাদ সমাবেশ ও স্বারক লিপি প্রদান করে।

    রোববার নরসিংদী জেলা হেফাজতে ইসলামের সদস্যরা সকাল ১১টায় শহরের শিক্ষা চত্বরে প্রতিবাদ সভা করে। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান তারা। সেখানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরীর কাছে স্বারকলিপি দেন। এ সময় তারা শিক্ষক নাদিরা ইয়াসমিনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বদলির আলটিমেটাম দেন। এতে প্রশাসন ব্যর্থ হলে জেলায় যে কোনো অঘটনের জন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে বলে উল্লেখ করেন তারা। আলটিমেটামের পরদিন সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে নাদিরা ইয়াসমিনকে বদলি করা হয়।

  • অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৯৮ শতাংশ

    অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৯৮ শতাংশ

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকাল ৪টয় এই ফল প্রকাশিত হয়।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র জানায়, এবার সারা দেশের ৩৪৪টি কেন্দ্রে ৮৮০টি কলেজের ৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৩৫৫ জন শিক্ষার্থী (নিয়মিত, অনিয়মিত ও মান উন্নয়নসহ) এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষার ফলাফল result.nu.ac.bd অথবা www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইটে বিকাল ৪টা থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

    আরো জানায়, প্রকাশিত ফলাফলে কোন প্রকার অসঙ্গতি বা ভুল-ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা ফলাফল সম্পূর্ণরূপে বাতিল করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

  • এমপিও জালিয়াতি : ৫ মাদরাসা প্রধানকে শোকজ, বন্ধ হতে পারে বেতন

    এমপিও জালিয়াতি : ৫ মাদরাসা প্রধানকে শোকজ, বন্ধ হতে পারে বেতন

    নতুন এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) আবেদন প্রক্রিয়ায় নিয়ম লঙ্ঘন ও অনিয়মের অভিযোগে দেশের পাঁচটি মাদরাসার প্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অভিযোগে বলা হয়েছে, যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এসব প্রতিষ্ঠান প্রধানরা একাধিকবার এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছেন এবং কিছু ক্ষেত্রে জালিয়াতির আশ্রয়ও নিয়েছেন।

    সোমবার (২৭ মে) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) মো. শরিফুল ইসলামের সই করা পৃথক নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    নোটিশে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার চকশালাইপুর আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. সাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদে নিয়োগপ্রাপ্ত গোবিন্দ চন্দ্র সরকারের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুপযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বর ও ২০২৫ সালের মে মাসে দুইবার নতুন এমপিও আবেদন করেছেন। অথচ নীতিমালার স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী, অযোগ্য ব্যক্তির এমপিও আবেদন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    অন্যদিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার আউলিয়ারহাট কাজী নিজামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আছাদুজ্জামানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। তিনি পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদের পরীক্ষায় ডিজি প্রতিনিধির অনুপস্থিতিতে নিয়োগের ফল ডিজির স্বাক্ষর জাল করে এমপিও আবেদন করেছেন। এতেও নির্ধারিত প্রক্রিয়া ও কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দেওয়ার সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছে মাদরাসা অধিদপ্তর।

    এছাড়া রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনী আহমদিয়া ফাজিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. গোফরান আলী ওয়াহেদীও সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ছয়বার নতুন এমপিও আবেদন করেন। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু হয়।

    একই ধরনের অনিয়ম করেছেন খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বেজপাড়া হায়াতুন্নেচ্ছা দাখিল মাদরাসার সুপার এ কে এম আজহারুল ইসলামও। তিনি সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে মো. নাহিদুজ্জামানকে এমপিওভুক্ত করার জন্য ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চারবার আবেদন করেন, যার প্রতিটিতেই নিয়োগকালীন শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘাটতি ছিল।

    এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা’ অনুযায়ী ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদে বর্ণিত বিধান অনুসারে তাদের এমপিও সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ১৬ জুনের মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা না দিলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, মাদরাসা সভাপতি ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছেও এসব নোটিশের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

  • ঢাবির শামসুন নাহার হলের ৪১ শিক্ষার্থীর বৃত্তিলাভ

    ঢাবির শামসুন নাহার হলের ৪১ শিক্ষার্থীর বৃত্তিলাভ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শামসুন নাহার হলের ৪১জন শিক্ষার্থী ফাতেমা ইকবাল ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি, শহিদুল হক স্মৃতি বৃত্তি এবং প্রভোস্ট বৃত্তি লাভ করেছেন।

    রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় হল মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    এসময় হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা এবং ফাতেমা ইকবাল ট্রাস্ট ফান্ডের সদস্য ও হলের খন্ডকালীন আবাসিক শিক্ষক ড. নাফিজা ফেরদৌসী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রয়াত ফাতেমা ইকবালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, এধরনের বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় আরও উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।

    এবছর ২০২০-২০২১ ও ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ১৭ জন শিক্ষার্থীকে ফাতেমা ইকবাল ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন- রুহানী আফরিন (উর্দু), মোসা: অনিয়া ফেরদৌস (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য), মুক্তি দাশ (কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস), ফারিহা আক্তার (সমাজবিজ্ঞান), ফেরদৌস নূর প্রভা (ম্যানেজমেন্ট), হালিমা আক্তার তামান্না (ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স), নুর-ই- জাহান অংকন (অণুজীব বিজ্ঞান), মার্জিয়া জান্নাত (পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান), খাশ্রী গান্দাই (থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ), ফাতেমা তুজ্জহুরা রিতু (উর্দু), রওনক জাহান (সমাজবিজ্ঞান), তাহসীন জাহান (অর্থনীতি), সাদিয়া আক্তার (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস), সাদিয়া জাহান (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস্), জান্নাতুল ফেরদৌস (ভূগোল ও পরিবেশ), নওশীন ফারিহা (আইন) এবং তনিমা রহমান (শিক্ষা ও গবেষণা)।

    ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ২২ জন শিক্ষার্থীকে প্রভোস্ট বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন- ফাতেমা আক্তার (উর্দু), ফরিদা ইয়াসমিন (ফলিত গণিত), তামান্না হক মিম (ডিজাস্টার সায়েন্স এন্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স), প্রজ্ঞা সাহা (ভাষাবিজ্ঞান), মোছা: তাছলিমা খাতুন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), জেসি আক্তার (ম্যানেজমেন্ট), মোছা: সুমাইয়া ফারুকী (রসায়ন), সাবিকুন নাহার মীম (প্রাণিবিদ্যা), মোসা: আয়শা নাজমিন (শিল্পকলার ইতিহাস), নাসরিন আক্তার নির্জনা (স্বাস্থ্য অর্থনীতি), উম্মে সুমাইয়া (শিক্ষা ও গবেষণা), ফারিহা তাসনিম শ্রুতি (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা), মোছা: আছমা খাতুন সাথী (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), তাজলিমা আক্তার (ম্যানেজমেন্ট), ইসরাত জান্নাত ইমা (প্রাণিবিদ্যা), উম্মে সাদিয়া শিমলা (ডিজাস্টার সায়েন্স এন্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স), মোসা: মিশকাতুল জান্নাত (প্রাচ্যকলা), মারজিয়া বিনতে রহমান (ফার্মেসী), কামরুন্নাহার কলি (ফলিত পরিসংখ্যান), ফায়রুজ আনিকা (পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান), হামিদা আক্তার নিশা (লোক প্রশাসন) এবং তুলি শীল (ম্যানেজমেন্ট)

    এছাড়া, শহিদুল হক স্মৃতি বৃত্তি পেয়েছেন- নাফিজা আক্তার (ইতিহাস) এবং মোসা: মাসুরা আক্তার (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স)।