২০০২ বিশ্বকাপে খানিকটা অবিশ্বাস্যভাবেই বিদায় নেয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। সেবার কোনো গোল না করেই গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যায় জিনেদিন জিদানের দল। এর পরের পাঁচ বিশ্বকাপে সেই ফ্রান্সই প্রতিপক্ষকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছে। শেষ পাঁচ আসরের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও দিদিয়ের দেশমের দলের।
জাপান ও কোরিয়ায় হওয়া ২০০২ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেনেগালের কাছে হেরে বসে জিদানের দল। সেনেগালের এই জয়কে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন মানা হয়। সেই হারের ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচে উরুগুয়ের সঙ্গে ড্র ও ডেনমার্কের কাছে হেরে বিদায় নেয় ফ্রান্স।
সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পাঁচ বিশ্বকাপে তিনবার ফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। এর মধ্যে ২০০৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়েছে তারা। ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার সোনালি ট্রফি ছুঁয়ে দেখেছে দেশমের ফ্রান্স।
২০০৬ থেকে ২০২২, পাঁচ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফ্রান্স গোল করেছে সর্বোচ্চ ২৯টি। তাদের পরেই আছে জার্মানি, তারা করেছে ২৮ গোল। গত আসরের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা করেছে ২১ গোল, ব্রাজিলের গোল ২০টি।
রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে প্রতি ম্যাচে ২.৬৩ গোল পেয়েছে ফ্রান্স। একই টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে ম্যাচপ্রতি তাদের গোল ছিল ১.৫।
২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের ৮ নকআউট ম্যাচে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে করেছেন ৮ গোল। ব্রাজিলের রোনালদো ও লিওনিদাসের সঙ্গে যৌথভাবে এটাই নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোলসংখ্যা।


